• ই-পেপার

বিশেষ লেখা

শ্রীলঙ্কা পারলে বাংলাদেশ পারবে না কেন

  • মামুন রশীদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগেই সংগঠন শক্তিশালী করার উদ্যোগ

মাহমুদুল হাসান
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগেই সংগঠন শক্তিশালী করার উদ্যোগ

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রায় দুই মাস পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দলের সাংগঠনিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগেই সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চায় দলের হাইকমান্ড। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তৃণমূলে সংকট তৈরি হয়েছে, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে এসবের লাগাম টানতে চান দলটির শীর্ষ নেতারা। এ ছাড়া চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি দলীয় সহায়তা কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত ৮টায় গুলশান কার্যালয়ে দলের এ বৈঠক শুরু হয়ে শেষ হয় রাত ১০টায়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও বেগম সেলিমা রহমান। এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস স্কাইপে এই বৈঠকে যোগ দেন। 

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু কালের কণ্ঠকে বলেন, দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক দীর্ঘদিন পরে হয়েছে। সাংগঠনিক বিষয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ও ছিল। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। দলগত প্রস্তুতির জন্য সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে অঙ্গ সংগঠনগুলোকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বৈঠকের শুরুতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া ও চীন সফরের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। বৈঠক সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কয়েকজন সদস্য চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু করার পক্ষে মত দেন। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

বৈঠকে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ সদস্যের মত ছিল, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এ জন্য এখন থেকেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিতে হবে। তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। কয়েকজন সদস্য কাউন্সিলের প্রসঙ্গ উত্থাপন করলে দলের চেয়ারম্যান বলেন, দলের কাউন্সিল অবশ্যই হবে।

বৈঠকে বেশির ভাগ সদস্য চলতি বছরের শেষ দিকে কাউন্সিল আয়োজনের পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে যেসব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য সাংগঠনিক ইউনিটের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে।

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মনে করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি সামনে রেখে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা জরুরি। বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং কর্মসংস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে যেসব প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়েও মতবিনিময় করেন নেতারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও বেগম সেলিমা রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, বৈঠকে দেশ ও সার্বিক অবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৈঠকের বিস্তারিত জানাবেন।

২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির তৃতীয় বৈঠক।

উক্তি

উক্তি

আগে সরকারি কর্মকর্তারা খিচুড়ি রান্না শেখা কিংবা কচুরিপানা পরিষ্কার করার মতো বিষয়ে বিদেশ সফরে যেতেন। সেই সময় এখন আর নেই।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষামন্ত্রী

আইএমএফের মিশন ঢাকায়

৪৫০ কোটি ডলার নতুন ঋণ চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৫০ কোটি ডলার নতুন ঋণ চায় সরকার

নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়নের আশায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে আইএমএফের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছার কথা। 

আজ রবিবার থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক শুরু করবে আইএমএফ প্রতিনিধিদল। আগামীকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে তাদের বৈঠকের সূচি রয়েছে। এবারের মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনার।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে। এই অর্থ বৈদেশিক অর্থায়নের চাপ মোকাবেলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ব্যবহার করা হবে। এ লক্ষ্যে গত ৯ জুন অর্থমন্ত্রী আইএমএফকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান।

চিঠিতে সরকার উল্লেখ করে, আগের ঋণ কর্মসূচি গ্রহণের সময় দেশের অর্থনৈতিক ও নীতিগত বাস্তবতা যে অবস্থায় ছিল, বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত হয়েছে। রাজনৈতিক অর্থনীতির পরিবর্তন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক লেনদেনের চাপ এবং আর্থিক খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কারণে কিছু সংস্কার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে সরকার সংস্কার কর্মসূচি থেকে সরে আসছে না, বরং দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের আলোচনায় প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক উঠে আসবে। সদ্য ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিভিন্ন কর ছাড়ের যৌক্তিকতা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ঘাটতির কারণ, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সংস্কারের অগ্রগতি এবং কর ব্যয়ের কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা ও রাজস্ব সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানোর উপায় নিয়েও মতবিনিময় হবে।

ব্যাংকিং খাতও আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার, ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্বল ব্যাংকের পুনর্গঠন, অবসায়ন কার্যক্রম এবং এসব কার্যক্রমে অর্থায়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর স্বাধীনতা, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা এবং আর্থিক খাতের সংস্কার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করবে আইএমএফ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও আলাদা মূল্যায়ন করবে সংস্থাটি। সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা, নতুন নিয়োগ পরিকল্পনা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা এবং এসব সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের ওপর আর্থিক চাপ কতটা বাড়তে পারে, সে বিষয়ে তথ্য ও ব্যাখ্যা চাইবে আইএমএফ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি আমদানির খরচ, বিদ্যুতের দাম সমন্বয় এবং সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি পেট্রোবাংলাকে দেওয়া সরকারি সহায়তা, প্রাকৃতিক গ্যাসে ভর্তুকি এবং পুরো জ্বালানি খাতের আর্থিক প্রবাহও বিশ্লেষণ করা হবে।

এ ছাড়া সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ভারসাম্য, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়, সরকারি গ্যারান্টি এবং ভবিষ্যৎ ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ব্যয় ও কার্যকারিতা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অর্থ ব্যবহারের দক্ষতাও আইএমএফের মূল্যায়নের আওতায় থাকবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই বৈঠকগুলোর মাধ্যমে নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্য শর্ত, অগ্রাধিকার ও সংস্কার এজেন্ডা সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে সরকার বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থার অগ্রগতি, মুদ্রানীতির আধুনিকায়ন, ব্যাংক রেগুলেশন ও আমানত সুরক্ষা আইন, ঝুঁকিভিত্তিক ব্যাংক তদারকি এবং জলবায়ু সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরবে। ঢাকা সফর শেষে আইএমএফ প্রতিনিধিদল তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দপ্তরে জমা দেবে। সেই মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবর মাসে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৫

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৫

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে উল্টে যায় একটি ডিমবোঝাই পিকআপ। রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ডিম কুড়াতে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। সেখানেই দ্রুতগতির এক বাসের চাপায় প্রাণ হারিয়েছে পাঁচজন, আহত হয়েছে আরো কয়েকজন।

ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার সোয়াদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা যাত্রীবাহী ওই বাসসহ অন্তত চারটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে উল্টে যায়। তখন এলাকার অনেকেই সড়কজুড়ে পড়ে থাকা ডিম সংগ্রহ করতে শুরু করেন। এ সময় খুলনাগামী যাত্রীবাহী বাস নড়াইল এক্সপ্রেস  দ্রুতগতিতে এসে তাঁদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন, আহত হন কয়েকজন। নিহতরা হলেন উপজেলার আলগী ইউনিয়নের আরিফ মাতুব্বর (২৫), ওবায়দুল সেখ (৪০), জয়নাল মিয়া (২৪), নুরুন্নবী সেখ (১২) ও হাফিজুর (৫০)।

দুর্ঘটনার পর নড়াইল এক্সপ্রেস বাসটিসহ অন্তত চারটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে হাইওয়ে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, এ পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী কাজ করছে। স্থানীয়রা জানায়, সোয়াদি বাসস্ট্যান্ড এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনাপ্রবণ। মহাসড়কের দুই পাশে বাজার, দোকানপাট ও বসতি থাকায় যানবাহন ও মানুষজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে।