• ই-পেপার

ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা-গণভোট

মরক্কোকে বিদায় করে সেমিতে ফ্রান্স

মো. মামুন রশীদ
মরক্কোকে বিদায় করে সেমিতে ফ্রান্স
মরক্কোর বিপক্ষে শেষ আটের লড়াইয়ে গোল করার পর উল্লাস ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপ্পের। ছবি : রয়টার্স

পেনাল্টি থেকে গোল মিস করেছিলেন প্রথমার্ধেই। তখন ফ্রান্সের কপালে দুঃখ ভর করে কি না তা নিয়ে তৈরি হয় সংশয়। কারণ এভাবেই এবারের বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কিন্তু সেই কিলিয়ান এমবাপ্পে জ্বলে উঠলেন, দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল করলেন এবং আরেকটি অ্যাসিস্টে উসমান দেম্বেলেকে দিয়ে করালেন গোল। এতেই আফ্রিকার দেশ মরক্কোর স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল কোয়ার্টার ফাইনালে। বোস্টনে তাদের ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে স্বাচ্ছন্দ্যেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল হট ফেভারিট ফ্রান্স।

চার বছর আগেও সেমিফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে তাদের বিস্ময়যাত্রার সমাপ্তি টানে ফরাসিরা। এবারও মরক্কো থামল সেই ফরাসিদের দাপটেই। তীব্র এক লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই।

প্রথমার্ধের শুরু থেকেই দুই দল খেলা চালিয়ে গেছে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে। তবে বেশকিছু সুযোগ তৈরি করেও তা থেকে গোল আদায় করতে পারেনি ফ্রান্স। অন্যদিকে মরক্কানরা মনোযোগী ছিল মূলত কাউন্টার অ্যাটাকেই। ফরাসিরা গোল পেতে পারত ম্যাচের ছয় মিনিটেই; কিন্তু দায়োত উপেমেকানোর হেড ঠেকিয়ে দেন ইয়াসিন বুনু। দুই দলই দাপটের সঙ্গে খেলা চালিয়ে গেলেও মরক্কোর আক্রমণভাগ খুব বড় চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারেনি ফরাসি গোলরক্ষককে। ২৬ মিনিটের সময় ফরাসিদের একটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ছোট ডি-বক্সের বিপজ্জনক অবস্থানে চলে যাওয়া এমবাপ্পেকে ঠেকাতে গিয়ে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজারউই। সরাসরিই পেনাল্টি দেন রেফারি, যা ভিএআর বিশ্লেষণেও বহাল থাকে। কিন্তু এমবাপ্পের স্পট কিক ঠেকিয়ে বোস্টনের গ্যালারিতে মরক্কান ভক্তদের গগণবিদারি চিৎকারে ফেটে পড়ার সুযোগ করে দেন বুনু। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের ধীরগতির শট ঠেকিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে ১৬ বারের চেষ্টায় মাত্র দ্বিতীয়বার পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হলেন এমবাপ্পে।

৩৭ মিনিটে দেজিরে দুয়ের আরেকটি শট রুখে দেন এই গোলরক্ষক। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবেই শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসিদের আক্রমণের ধার আরেকটু বেড়ে যায়। কোচ দিদিয়ের দেশম বিরতির সময় তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে কথা বলেও চুপ থাকেননি, দৌড়ে বেড়িয়েছেন মাঠের পাশ দিয়ে। ফরাসি আক্রমণও হয়েছে তীব্রতর। তবে মরক্কোর দুর্দান্ত রক্ষণভাগ এবং গোলপোস্টে সবই নস্যাৎ হয়েছে পর্বতের মতো অটল বুনুর দক্ষতায়। অবশেষে সাফল্য আসে ৬০ মিনিটের সময়। দুয়ের কাছ থেকে বল নিয়ে ডান পায়ের তীব্র শটে এমবাপ্পে পরাস্ত করেন বুনুকে (১-০)। এটি এই ফরাসি তারকার চলতি বিশ্বকাপে অষ্টম গোল। তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন সর্বাধিক গোল করা আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে (তাঁর গোলও আটটি) ফ্রান্সের প্রথম ফুটবলার হিসেবে তিনি দুই বিশ্বকাপে দেখালেন আটটি গোল করার গৌরব। ৬৮ মিনিটে ফ্রান্সের গোলের ব্যবধান দ্বিগুণ হয়েছে এমবাপ্পের অবদানেই। তাঁর কাছ থেকে বল পেয়ে এবার লক্ষ্যভেদ করেছেন উসমান দেম্বেলে (২-০)। বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে ১৩ গোলে তাঁর সরাসরি অবদান, গত ৬০ বছরে তাঁর চেয়ে শুধু মেসিরই বেশি এমন রয়েছে (১৪)।

এর কিছুক্ষণ পরেই এমবাপ্পেকে মাঠ থেকে তুলে নেন দেশম। পরে ৮৪ মিনিটে একটি মোক্ষম সুযোগ পেয়েছিল অ্যাটলাস লায়নস গোল পরিশোধ করে কিছুটা ফিরে আসার। কিন্তু আশরাফ হাকিমির ফ্রি কিক থেকে পাওয়া বলে উনাহির শট ঠেকিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেনিওঁ। এর পর আর তেমন কোনো ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি মরক্কো। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের হারে এবার শেষ আট থেকেই বিদায় নেয় তারা।

উক্তি

উক্তি

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অবসানের ঘোষণা দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও দুই দেশের মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত ছিল।

ইরানি শহরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই দিনে ইরানে অন্তত ১৭ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে দ্য গার্ডিয়ান গতকাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, তারা গত দুই দিনে ইরানের উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের রসদ ও গুদাম রয়েছে।

তবে ইরানের কর্মকর্তাদের মতে, মার্কিন বাহিনী শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, বিমানবন্দর, রেলপথ ও বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। এমনকি বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকা এবং চীন-ইরান রেল করিডোরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতেও আঘাত হানা হয়েছে। ইরান এই হামলাকে গুরুতর যুদ্ধাপরাধ বলে আখ্যা দিয়ে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।

ইরানের বুশেহর, চাবাহার, বন্দর আব্বাস ও সিরিক শহরে মার্কিন বোমা হামলার পর এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) উপসাগরীয় দেশগুলোতে রাতভর হামলা চালায়। কুয়েতের আকাশসীমায় তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। কুয়েত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে অন্তত একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইরান জানিয়েছে, কুয়েতের আরিফজান ও আলি আল সালেম এবং বাহরাইনের জুফায়ার ও শেখ ইসা ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম, স্যাটেলাইট অ্যান্টেনাসহ রসদ সরবরাহ অবকাঠামো ও জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কাতার ও জর্দানেও মধ্যরাতে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। জর্দান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা তাদের আকাশসীমায় অন্তত আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েত ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এই হামলাকে আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। কাতার ও কুয়েত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের ওপর কোনো হামলায় অংশ নেয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যাতে তারা ওয়াশিংটনকে তাদের মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখে এবং মার্কিন আগ্রাসনের ব্যয় বৃদ্ধি পায়।

এদিকে এই চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে। ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় শোক মিছিলের পর গতকাল খামেনির মরদেহ তাঁর জন্মভূমি মাশহাদ শহরে নেওয়া হয়। সেখানে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাঁকে সমাহিত করার কথা। মার্কিন হামলায় রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং ইরাকে প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে সমাহিত করার সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া হলেও মার্কিন আগ্রাসন শেষকৃত্যের সূচিতে বড় কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে তেহরান জানিয়েছে।

বর্তমান এই সংঘাতের ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, হাতে গোনা কয়েকটি ট্যাংকার ছাড়া এই রুট দিয়ে বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করেই ইরানের ওপর থেকে ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের সিদ্ধান্ত বাতিল করায় ইরান তড়িঘড়ি করে রাতারাতি প্রায় এক কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি তেল রপ্তানি করেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যেকোনো পক্ষের সামান্য ভুল হিসাব-নিকাশ এই পরিস্থিতিকে একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ দিতে পারে। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, আল জাজিরা, মিডল ইস্ট আই, দ্য গার্ডিয়ান

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে : আইনমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি
আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে : আইনমন্ত্রী
মো. আসাদুজ্জামান

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। তবে নির্বাচনকালীন এই সরকার কোন প্রক্রিয়ায় এবং কাদের নিয়ে গঠিত হবে, তা রায় দেখলে বোঝা যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আইনমন্ত্রী গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ওপর হাইকোর্টের দেওয়া রায় আপিল বিভাগে বহাল রাখা নিয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এটির জন্য বিগত ১৬-১৭ বছর ধরে সংগ্রাম করেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও যে স্লোগান দিয়ে আমরা নিরন্তর সংগ্রামের পথে হেঁটেছিলাম, সেই পথে হাঁটার মুখ্য লক্ষ্য ছিল আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। সেই প্রক্রিয়ায় ফেরার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প কোনো পথ ছিল না। আমরা সেই জায়গায় রাজনৈতিকভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছিল। যে সংশোধনীগুলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল। যে সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্যাসিস্টের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়া আনা হয়েছিল। যেগুলো নিয়ে আমরা বলেছিলাম, এটা আল্ট্রা ভাইরাস টু দ্য কনস্টিটিউশন। আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশনে মিস্টার বদিউল আলম মজুমদারসহ যাঁরা এই মামলা করেছিলেন এবং ইন্টারভেনার হিসেবে যাঁরা ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে তখন আমাদের ইন্সট্রাকশন ছিল যে এই সংশোধনীগুলো বাংলাদেশের মানুষের জীবনে বোঝা হয়ে আছে। গণতন্ত্রের পথে অন্তরায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের বিকল্প কিছু নাই, তখন আমরা সাবমিশন দিয়েছিলামসেই লাইনে আমরা বলেছিলাম, সংবিধানের সেভেন ক সেভেন খ রাষ্ট্রদ্রোহিতা এটা দিয়ে অ্যাবিউজ করা হবে। এটা ফ্যাসিজমকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের একটা নীলনকশা।

তিনি বলেন, আপিল বিভাগ একই কথা বলে দিয়েছেন যে এটা পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে। আর হাইকোর্ট যেগুলো অবৈধ ডিক্লেয়ার করছেন সেগুলো বহাল রেখেছেন। সুতরাং হাইকোর্টের রায় বহাল আছে। আর বাকি যেগুলো আছে, সেগুলো সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। আমরা পার্লামেন্টের সামনে প্লেস করব এবং সেই অনুসারে করব এবং সেখানে আমাদের এই সংশোধনীগুলো আনতে আমাদের মুখ্য বিবেচ্য বিষয় থাকবে জুলাই চার্টার। জুলাই সনদকে সামনে রেখে আমরা এই সংশোধনীগুলোকে কিভাবে মানুষের কল্যাণে যুগোপযোগী, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের জন্য উপযোগী সেটা আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করে এবং পাবলিক কনসালটেশনের মধ্য দিয়ে তা সংসদে বিল আনবএই আশ্বাস দিতে পারি। আর যেগুলো অবৈধ ডিক্লেয়ার হয়েছে সেগুলো সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।

গণভোটের যে রায় হয়েছে, সেটা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা রায়টা পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেব।

প্রক্রিয়াটা কিভাবে কত দিন লাগবেএমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রায় পাওয়ার পরে আমাদের সংবিধান সংশোধন একটা কমিটি হবে, সেই কমিটির আইনি প্রক্রিয়ায় যেভাবে আসে সেভাবে আসবে। এর জন্য টাইম ফ্রেম বলা যায় না।

সংবিধানে কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা হবেএমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, হবে ইনশাআল্লাহ এটা আমাদের রাজনৈতিক নির্বাচনী জাতীয় কমিটমেন্ট।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ, আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আপনারা জানেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল। কিভাবে? ৯১ সালে যে নির্বাচন হলো, সেই নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে সংগ্রাম হয়েছিল, সেই সংগ্রামের ফসল ছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সেই কনসেপ্ট থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রক্রিয়ায় গিয়েছি। ৯৬ সালে বিএনপি পার্লামেন্টে ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিল এনেছিল। এনে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংগঠনিক রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছিল।