• ই-পেপার

পক্ষপাতদুষ্ট অভিযোগ করে আইসিসি থেকে সরে যাচ্ছে চাদ

সাইবার প্রতারণায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করল মিয়ানমার

অনলাইন ডেস্ক
সাইবার প্রতারণায় দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করল মিয়ানমার
ছবি : রয়টার্স

যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে কঠোর নতুন আইন পাস করা হয়েছে। নতুন আইনে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন প্রতারণার কেন্দ্রগুলো সক্রিয়। 

এসব চক্র প্রেমের ফাঁদ, ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন কৌশলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার আয় হচ্ছে। অনেক বিদেশি নাগরিক জানিয়েছেন, তাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জোর করে প্রতারণা কেন্দ্রে কাজ করানো হয় এবং অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিভিন্ন দেশের চাপের মুখে মিয়ানমারের সরকার এই অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান বাড়লেও প্রতারণাকারীরা শুধু এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সরে গিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদাওয়ে সংসদের যৌথ অধিবেশনে ‘অনলাইন প্রতারণা বিরোধী বিল’ পাস হয়। একজন আইনপ্রণেতা জানান, আইনের চূড়ান্ত সংস্করণে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এর আগে প্রকাশিত খসড়া আইনে বলা হয়েছিল, কাউকে জোর করে অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করতে গিয়ে নির্যাতন, বেআইনি আটক বা সহিংসতা চালানো হলে ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

এ ছাড়া অনলাইন প্রতারণার কারণে কারো মৃত্যু হলে দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। নতুন আইনে অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান

অনলাইন প্রতারণা দমনে পাস হওয়া নতুন আইনটি সাবেক সামরিক জান্তা প্রধান ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম আইন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। এরপর থেকেই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে ব্যাপক সমালোচিত একটি নির্বাচনের পর মিন অং হ্লাইং বেসামরিক প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। ওই নির্বাচনে কারাবন্দি নোবেলজয়ী অং সান সু চি বা তার দল অংশ নিতে পারেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক-সমর্থিত আইনপ্রণেতাদের আধিপত্য থাকায় দেশটির সংসদ কার্যত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের কাজই করে। পশ্চিমা দেশ ও গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোও নির্বাচনটিকে অবাধ ও সুষ্ঠু নয় বলে সমালোচনা করেছে।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মিন অং হ্লাইং তার প্রথম সিদ্ধান্তগুলোর একটি হিসেবে এপ্রিলে সাধারণ আদেশ জারি করে সব মৃত্যুদণ্ডের সাজা মওকুফ করেন। তবে এর আগে তার নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার কয়েক দশক পর আবারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর শুরু করেছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে জড়িত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করেই এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৩০ জনের বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, গত দুই বছরে প্রতারণার কারণে ৫০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতির কথা জানানো চীনও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। চলতি বছর মিয়ানমারের প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত জালিয়াতির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত অন্তত ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।গৃহযুদ্ধের সুযোগে বেড়েছে অনলাইন প্রতারণা, চ্যালেঞ্জের মুখে মিয়ানমার

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার সুযোগে দেশটিতে অনলাইন প্রতারণা চক্র আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থা (ইউএনওডিসি) এ মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, চীনা বংশোদ্ভূত অপরাধী চক্রগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাইবার প্রতারণা নেটওয়ার্কের প্রধান চালিকাশক্তি। তারা মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমান্ত এলাকা এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বড় আকারের প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনা করছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় সক্রিয় কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীও এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত। মিয়ানমার সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে মিলে অনলাইন প্রতারণা দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ইউএনওডিসির মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান প্রতারণা চক্রগুলোকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি। বরং তারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় সরে গিয়ে নতুন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে কে কে পার্ক ও শ্বে কোক্কো এলাকার প্রতারণা কেন্দ্রগুলোতে অভিযান চালানোর পর অনেক চক্র কম্বোডিয়ায় গিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

মিয়ানমারের উচ্চকক্ষের সদস্য নও ইউজানা ওয়াহ বলেন, আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সরকার অনলাইন প্রতারণা দমনে আরো সক্রিয় হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এই অপরাধে অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সংগঠন জড়িত থাকায় এটি মোকাবিলা করা খুবই কঠিন। তার ভাষায়, ‘এই সমস্যা সমাধানে আমাদের অনেক বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’

পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত বেড়ে ২০

অনলাইন ডেস্ক
পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনে সহিংসতা, নিহত বেড়ে ২০
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (পিওকে) তথাকথিত আইনসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের ভোটকে কেন্দ্র করে পিওকের জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) আয়োজিত ‘লং মার্চ’ চলাকালে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২০ জনে পৌঁছেছে। এতে আরো কয়েক ডজন মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের অনেকের অবস্থা সংকটাপন্ন। ফলে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেএএসি জানায়, লং মার্চের বহর রাওয়ালাকোট শহরে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। এ ছাড়া একজনের মাথায় গুলির আঘাত পাওয়া গেছে, তবে তার এখনো পরিচয় মেলেনি। তার মরদেহ পালান্দ্রি হাসপাতালে রয়েছে। ফলে মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ২০ জনে দাঁড়িয়েছে।

সংগঠনটির সমর্থকদের অভিযোগ, রাওয়ালাকোটে বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর হাজারো বিক্ষোভকারী মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রা শুরু করেন।

এদিকে তিন ধাপে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন আগামী ১০ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা। তবে নির্বাচন শুরুর দিনই সরকারবিরোধী চলমান বিক্ষোভের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও ভারত শুরু থেকেই পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয় না। নয়াদিল্লির অবস্থান, জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, যার মধ্যে পিওকে ও গিলগিট-বালতিস্তানও রয়েছে, ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পিওকেতে চলমান অস্থিরতা ওই অঞ্চলে পাকিস্তানের ‘পদ্ধতিগত শোষণ’ ও ‘প্রশাসনিক নিপীড়নের’ ফল।

ভোট জালিয়াতির অভিযোগ প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের

এদিকে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) অভিযোগ করেছে, ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সমর্থকদের গুলিতে তাদের কর্মী মুখতার ইউনুস নিহত হয়েছেন এবং আরো দুজন আহত হয়েছেন।

পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোথায়? নির্বাচন কমিশন কী করছে?’

পিপিপি ও পিএমএল-এন উভয়ই বিভিন্ন আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ করেছে। সংঘর্ষের কারণে কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণও বন্ধ রাখতে হয়।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নির্বাচন বর্জন করেছে। অন্যদিকে জেএএসি-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পিটিআইয়ের দাবি, গত মাসে জেএএসি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর সহিংসতায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ওই আন্দোলনের জেরে প্রায় ৫০ দিন ধরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত ছিল।

জেএএসি আইনসভায় শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিল, আটক কর্মীদের মুক্তি, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে সরকার এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করলে আলোচনা ভেঙে যায় এবং মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু হয়।

চলমান বিক্ষোভের কারণে সুধনোতি ও রাওয়ালাকোট জেলায় নির্ধারিত নির্বাচন স্থগিত করে আগামী ১০ আগস্ট নেওয়া হয়েছে।

জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প

অনলাইন ডেস্ক
জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প
ছবি : রয়টার্স

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে মঙ্গলবার ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল কুমামতো প্রিফেকচারে। ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য ১ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে এবং কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া জাপান সরকার কিউশু দ্বীপের কুমামতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা এবং মিয়াজাকি প্রিফেকচারের জন্য জরুরি ভূমিকম্প সতর্কতা জারি করেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরাঘাত (আফটারশক) হতে পারে বলে সতর্ক থাকতে বলেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো একজন দগ্ধ হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় ভোর ৩টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউনের ওই দোকানে আগুন লাগে। জানা গেছে, আগুন লাগার সময় তারা দোকানের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন।

ঘটনাটি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় নিহত ছয় বাংলাদেশির নাম বা বিস্তারিত পরিচয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শেষ করে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

পরিস্থিতি তদারকি ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং উদ্ধারকারীরা সার্বিক সহযোগিতা করছেন।  নিহত ৬ বাংলাদেশি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।