• ই-পেপার

ট্রাম্পের শুল্ক উত্তেজনার মাঝেই চালু হচ্ছে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেতু ‘গোর্ডি হাউ’

ইরান যুদ্ধে নিহত ৪ সেনার নাম তালিকা থেকে সরাল পেন্টাগন

অনলাইন ডেস্ক
ইরান যুদ্ধে নিহত ৪ সেনার নাম তালিকা থেকে সরাল পেন্টাগন
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিককালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবার শুরু হওয়া সংঘর্ষে নিহত চার মার্কিন সেনার নাম পেন্টাগনের সরকারি ‘ইরান যুদ্ধ’ হতাহত তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য আলাদা একটি নতুন বিভাগ তৈরি করা হয়েছে।

এই পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সঠিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে কি না। বিশেষ করে ইরানের ওপর হামলা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করার সময় ট্রাম্প প্রশাসন সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য কতটা স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করছে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অনেক মার্কিন নাগরিক এই সংঘাতের বিরোধিতা করলেও যুক্তরাষ্ট্র সরকার যুদ্ধ কীভাবে শেষ করতে চায়, সে বিষয়েও খুব কম তথ্য দিচ্ছে বলে সমালোচনা হচ্ছে। পেন্টাগনের ‘ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেম’ (ডিসিএএস) নামের অনলাইন হতাহত বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে এতদিন ইরান সংঘাতে নিহত ও আহত মার্কিন সেনাদের সরকারি তথ্যের প্রধান উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছিল।

তবে গত সপ্তাহে ওই সিস্টেম থেকে ইরান যুদ্ধের তালিকা সরিয়ে নেওয়া হয় চার নিহত সেনার নাম। একই সঙ্গে কয়েক ডজন আহত সেনার তথ্যও ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর রবিবার ওয়েবসাইটে ‘বিদেশি অভিযান’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করা হয়। সেখানে ওই চার নিহত সেনার নাম প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০৭ জন আহত সেনার তথ্যও দেওয়া হয়েছে। তবে এই ২০৭ জনের সবাই ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে আহত হয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী সেন্ট্রাল কমান্ড প্রশ্নগুলো পেন্টাগনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। তবে পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে পেন্টাগনের মুখপাত্র জোয়েল ভালদেজ বলেন, অনলাইন তালিকায় হতাহতের সংখ্যা কমে যাওয়া যুদ্ধের প্রাণহানি লুকানোর কোনো চেষ্টা নয়। তিনি দাবি করেন, এটি কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা ও সাময়িক তথ্যগত বিভ্রাটের কারণে হয়েছে। তার ভাষায়, এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হচ্ছিল। মঙ্গলবার পর্যন্ত পেন্টাগনের ওয়েবসাইটে ইরান যুদ্ধে ১৮ জন নিহত এবং ৪৮২ জন আহত সেনার তথ্য দেখানো হচ্ছিল। তালিকায় বলা হয়েছিল, গত মাসে হওয়া একটি অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির পর সংঘর্ষ আবার শুরু হলে চার সেনা নিহত হন। এর মধ্যে ১৭ জুলাই জর্ডানের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হন। পরদিন ইরাকের একটি ঘাঁটিতে ইরানের একটি ড্রোন বিস্ফোরণে আরেক সেনা নিহত হন।

জর্ডানে নিহত দুই সেনার মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়ার সময় পেন্টাগন জানিয়েছিল, তারা ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সহায়তা করছিলেন। অন্য দুই সেনার মৃত্যুর ক্ষেত্রে শুধু বলা হয়েছিল, তারা বিদেশি অভিযানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছিলেন। মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরান সামরিক সংঘাতে’ ১৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে পরদিন বুধবার পেন্টাগনের অনলাইন ব্যবস্থায় আবার সংখ্যা পরিবর্তন হয়ে ১৪ জন নিহত এবং ৪২০ জন আহত দেখানো হয়। একই সময়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, বাস্তবে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ৫০০ জনের বেশি হতে পারে। সেদিন পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, হতাহতের সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি ছিল একটি 'অস্থায়ী তথ্যগত বিঘ্ন'।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। সংঘাতের প্রথম পর্যায়ে ১৪ জন মার্কিন সেনা নিহত হন। এরপর এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। জুনের মাঝামাঝি সময়ে যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিও হয়। তবে সেই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ৭ জুলাই ইরান হরমুজ প্রণালিতে ওমান উপকূলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে চলা নৌপথে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায় বলে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী পাল্টা হামলা শুরু করে। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে। পেন্টাগনের নতুন ‘বিদেশি অভিযান’ বিভাগে বলা হয়েছে, ৭ জুলাইয়ের পর থেকে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষের হতাহতের হিসাব সেখানে রাখা হচ্ছে।

নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পেন্টাগন সামরিক অভিযান ও হতাহতের বিষয়ে আগের তুলনায় কম তথ্য প্রকাশ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মে মাসের শুরুর পর থেকে পেন্টাগন যুদ্ধ নিয়ে আর কোনো নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করেনি। একই সঙ্গে সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তারাও সাংবাদিকদের সর্বশেষ হতাহতের তথ্য দেওয়া বন্ধ করেছেন। তবে পেন্টাগনের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, 'ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেমের' তথ্য প্রকাশের মাধ্যমেই তারা স্বচ্ছতা বজায় রাখছেন। তাদের বক্তব্য, অনলাইন ব্যবস্থার সাময়িক সমস্যার কারণে তথ্যের পরিবর্তন হয়েছে, তবে হতাহত সংখ্যা প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

ভারতেও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ভারতেও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি

ভারতেও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ফ্রান্সের পার্লামেন্টে একটি আইন পাস হয়েছে। ফরাসি সংসদের উভয় কক্ষে আইনপ্রণেতারা এই আইনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর, ফ্রান্সই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করল। নতুন এই আইনে শিক্ষার্থীদের স্কুলের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফ্রান্সের এই আইনের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় বহুজাতিক প্রযুক্তি কম্পানি জোহোরসহ প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিইও শ্রীধর ভেম্বু। ভারতেও এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেন ছোট বাচ্চারা মোবাইল স্ক্রিনের বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়াতে পারে।

ভেম্বু বলেন, ‘ভারতেরও উচিত ছোট বাচ্চাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা। আমি বিশ্বাস করি, ছোট বাচ্চাদের বই পড়া উচিত, রোদের নিচে মাটিতে খেলাধুলা করা উচিত এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা উচিত!’

তবে ভেম্বুর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কিছু ব্যবহারকারী তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন, আবার অনেকে বলেছেন, নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনে সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে ভেম্বুর এই দাবি নিয়ে কংগ্রেস সংসদ সদস্য শশী থারুর ও তার ছেলে ঈশান থারুরের মধ্যে এক মজার বিতর্ক হয়েছে।

শ্রীধর ভেম্বুর দাবি প্রসঙ্গে ঈশান থারুর তার এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছিলেন, ‘আমি একমত যে ছোট বাচ্চাদের মোটেও সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা উচিত নয়। তবে অন্য কিছু করার আগে ভারতের উচিত হোয়াটসঅ্যাপে বুমারদের নিষিদ্ধ করা।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ ও আমেরিকায় জন্মহার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ইতিহাসে একে বলা হয়, ‘বেবি বুম’। তাই ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বেবি বুমার বা সংক্ষেপে বুমার বলা হয়। তবে ভারতে ‘বুমার’ শব্দটি ব্যবহার অবজ্ঞা করতে ব্যবহার করা হয়। পুরনো ও সেকেলে চিন্তা-ভাবনা, প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা না রাখা মানুষদের তরুণ প্রজন্ম ‘বুমার’ বলে। ঈশান তার স্ট্যাটাসে তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন। তবে ঢিল মারতে গিয়ে জোরালো পাটকেল খেয়েছেন ঈশান, তা-ও বাবার কাছ থেকে। বিভিন্ন ইস্যুতে সরব থাকা ও তীক্ষ্ণ রসবোধের জন্য খ্যাত শশী থারুর ছেলের স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন। সঙ্গে ভারতের উচ্চ জন্মহারের ইঙ্গিত দিয়ে লিখেছেন, ‘হে আমার পুত্র, আমাদের প্রজনন হারের ধারা বিবেচনা করলে, পশ্চিমাদের মতো নয়; বরং ভারতীয়দের প্রতিটি প্রজন্মই, যার মধ্যে তোমার প্রজন্মও অন্তর্ভুক্ত; বেবি বুমার হওয়ার যোগ্যতা রাখে!’

বাবা-ছেলের এই মজার বিতর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মজার আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই বাবার হাতে ঘায়েল হওয়ায় ঈশানের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন।

পশ্চিম তীরে ২ দিনে শতাধিক ফিলিস্তিনি আটক

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিম তীরে ২ দিনে শতাধিক ফিলিস্তিনি আটক
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

ফিলিস্তিনি বন্দি অধিকার সংস্থা সামিদুন জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গত দুই দিনে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে।

সংস্থাটির দাবি, সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার পর ইসরায়েলের চালানো ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে এসব গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানগুলো মূলত নাবলুস, তুলকারেম ও হেবরন এলাকায় পরিচালিত হয়। এ সময় সেনারা বাড়িঘরে তল্লাশি চালায়, সম্পত্তির ক্ষতি করে এবং আটক ব্যক্তিদের খোলা জায়গায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সামিদুন আরো জানায়, কয়েকটি অভিযানে সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় থাকা সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরাও অংশ নেন। সংস্থাটি এই অভিযানকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘সম্মিলিত শাস্তি ও প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা’ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত ৩২০০, মৃত্যু বেড়ে ১৪০৫

অনলাইন ডেস্ক
ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত ৩২০০, মৃত্যু বেড়ে ১৪০৫
ছবি : রয়টার্স

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ২০০ জনে পৌঁছেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত এক হাজার ৪০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার প্রকাশিত এ তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। মাত্র ১০ দিনে নতুন করে প্রায় এক হাজারজন আক্রান্ত হয়েছেন।

গত ১৫ মে এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়। এটি ইবোলা ভাইরাসের বুন্ডিবুগিও ধরন, যার জন্য এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশে শনাক্ত হয়েছে। এই প্রদেশের সীমান্ত দক্ষিণ সুদান ও উগান্ডার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে ভাইরাসটি পাঁচটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যার মধ্যে দুটি নতুন প্রদেশও রয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক বিমানসেবা (ইউএনএইচএএস) জানিয়েছে, দুর্গম এলাকায় চিকিৎসক ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠিয়ে সংক্রমণ শনাক্তের কাজও চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উন্নত পরীক্ষা ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থার কারণে আরো বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের বকেয়া বেতনের দাবিতে ধর্মঘটের কারণে কিছু হাসপাতালে রোগ মোকাবেলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই প্রাদুর্ভাব আরো কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে।

ইবোলা সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরলের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এটি মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত জ্বর সৃষ্টি করে। গত ৫০ বছরে আফ্রিকায় এ ভাইরাসে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, বুন্ডিবুগিও ধরনের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা ও চিকিৎসা উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।