• ই-পেপার

ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে পোস্ট করে কয়েক লাখ ফলোয়ার হারালেন অভিনেত্রী

টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই

বিনোদন প্রতিবেদক
টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের টেলিভিশন অঙ্গনের অন্যতম পথিকৃৎ, প্রখ্যাত নির্মাতা ও সম্প্রচার সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই। রবিবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা খ ম হারুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) স্বর্ণালী সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা ও প্রযোজক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে বাংলা টেলিভিশনের বেশ কয়েকটি কালজয়ী নাটক। এর মধ্যে ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘এইসব দিনরাত্রি’ এবং ‘শঙ্খনীল কারাগার’ আজও দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়। সৃজনশীল নির্মাণশৈলী, দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং নাট্যনির্মাণে নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তিনি দেশের টেলিভিশন নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পর দেশের বেসরকারি টেলিভিশন শিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বাংলাভিশন ও গাজী টিভি (জিটিভি) প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। আধুনিক সম্প্রচারব্যবস্থার বিকাশে তাঁর দূরদর্শী চিন্তা দেশের টেলিভিশন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।

মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরেই গণমাধ্যমে পা রেখেছেন অসংখ্য নির্মাতা, উপস্থাপক ও গণমাধ্যমকর্মী। তিনি শুধু একজন সফল প্রশাসক বা প্রযোজকই ছিলেন না, ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক, অভিভাবক এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের অনুপ্রেরণার উৎস। নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, তাদের সুযোগ করে দেওয়া এবং পেশাগতভাবে গড়ে তুলতে তিনি সবসময় আন্তরিক ছিলেন।

ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন খালাতো ভাই

বিনোদন প্রতিবেদক
ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন খালাতো ভাই
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল-অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন তাঁর খালাতো ভাই ও ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান টাইগার। মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তাঁর ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান টাইগার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাসেল খন্দকার জানান, বাদীর অভিযোগ শুনে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ব্যাবসায়িক সুনাম ও পরিচিতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করে আসছেন ডিপজল। 

অভিযোগ অনুযায়ী, এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার আব্দুল গণি দারুসসালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি ডিপজলের ভাড়া দেওয়া নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড ভেঙে নিজেদের নামে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সম্পত্তিটির মালিকানা দাবি করে পরবর্তী মাস থেকে ভাড়া দাবি করা হয়। তবে ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনিই। কিন্তু ডিপজল সেটিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন।

মামলায় আরো বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টের পাশাপাশি বিষয়টি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করা হয়। এতে আজিজুর রহমানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি তাঁর ব্যাবসায়িক সুনাম নষ্ট হয়েছে। এর ফলে তিনি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।

স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ইয়াশ রোহান

বিনোদন প্রতিবেদক
স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ইয়াশ রোহান
সংগৃহীত ছবি

স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল অভিনেতা ইয়াশ রোহানকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শৈশবের সেই ট্রমার কথা অকপটে তুলে ধরেছেন তিনি।

মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে নিজের স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ইয়াশ রোহান বলেন, ‘আমার স্কুল লাইফ ওয়াজ ভেরি ব্যাড। আমার স্কুল লাইফ ওয়াজ ভেরি ট্রমাটিক বলব। কারণ, আমি আমার স্কুলের ওই ছেলেটা ছিলাম, যে সবার থেকে হয়তো একটু খাটো ছিলাম, যে হয়তো চেহারার দিক দিয়ে অন্যদের থেকে অপরিণত ছিল দেখতে। একদম ছোটবেলা থেকেই আমাকে প্রচুর পরিমাণ বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে।’

কেন তাঁকে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল, তার নির্দিষ্ট কোনো উত্তর আজও খুঁজে পাননি এই অভিনেতা। 

তাঁর ভাষ্যে, অনেক সময় বুলিংয়ের পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণই থাকে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বুলিং ব্যাপারটা এমন একটা জিনিস, কাকে কেন বুলি করা হয়, এটার কোনো কারণ থাকে না। কিন্তু আমি নিয়মিতই আমার স্কুলে, ক্লাসে বুলিংয়ের শিকার হতাম।’

ইয়াশ জানান, বর্তমানে বুলিং নিয়ে সমাজে সচেতনতা অনেক বেড়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। তবে তাঁর স্কুলজীবনে এমন কোনো সচেতনতা ছিল না। 

তিনি বলেন, ‘এখন যেমন বুলিং নিয়ে অনেক সচেতনতা তৈরি হয়েছে, অনেক কথাবার্তা হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এ ব্যাপারে কঠোর, বিভিন্ন স্কুলও—তবে সব স্কুলে যে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, তা নয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জোর দিয়ে এটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আমাদের স্কুলে তখনো বুলিং নিয়ে কোনো সচেতনতা ছিল না। তখন এটাকে যে বুলিং বলে, সেটাই বুঝতাম না, জানতাম না।’

স্কুলজীবনের সেই অভিজ্ঞতা এখনও তাঁকে মানসিকভাবে নাড়া দেয়। অতীতের স্মৃতি মনে করতে গিয়ে ইয়াশ বলেন, ‘আমি স্কুলে অনেক নির্যাতিত হয়েছি। আমার স্কুলজীবন ছিল খুবই ভয়ংকর। সবাই স্কুলের কথা বলে, অনেক স্মৃতি থাকে। কিন্তু আমার স্কুলজীবনের ভালো কোনো স্মৃতি নেই।’

টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন ইয়াশ রোহান। পরে ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্র দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। ‘পরাণ’সহ একাধিক আলোচিত সিনেমা, নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। তবে পেশাগত সাফল্যের পরও স্কুলজীবনের বুলিংয়ের তিক্ত স্মৃতি তাঁর জীবনের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে রয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ইয়াশ রোহানের বাবা নরেশ ভূঁইয়া এবং মা শিল্পী সরকার অপু দুজনই দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তাঁরা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

প্রথম ছবির শুটিংয়ে সহ-অভিনেতাকে চড়, অভিজ্ঞতা জানালেন নোরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রথম ছবির শুটিংয়ে সহ-অভিনেতাকে চড়, অভিজ্ঞতা জানালেন নোরা
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি আজ নিজের অবস্থান তৈরি করে নিলেও ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে বেশ লড়াই করতে হয়েছে। প্রথম সিনেমা ‘রোর: টাইগার্স অফ দ্য সুন্দরবনস’-এর শুটিংয়ের সময় এক সহ-অভিনেতার সাথে নোরার  চড়-থাপ্পড় ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। সম্প্রতি এক কমেডি শো-তে এসে নোরা নিজেই সেই পুরোনো অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন।

২০১৪ সালে পরিচালক কমল সদানার অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলার সিনেমা ‘রোর: টাইগার্স অফ দ্য সুন্দরবনস’-এর শুটিং চলছিল বাংলাদেশের সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে। নোরার দাবি, শুটিংয়ের সময় তার এক সহ-অভিনেতা তার সাথে মারাত্মক অসভ্য ও খারাপ আচরণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নোরা তাকে প্রথমে একটি চড় মারেন। জবাবে সেই অভিনেতাও নোরাকে উল্টো চড় মারেন এবং রাগের মাথায় তার চুল টেনে ধরেন।

ঘটনাটি দ্রুতই বড় ঝগড়ায় রূপ নেয়। নোরা আবার সেই অভিনেতাকে চড় মারেন এবং দুইজনেই একে অপরের চুল ধরে মারামারি শুরু করেন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছিল যে, শেষমেশ সিনেমার পরিচালক নিজে এসে তাদের থামান। নোরা জানান, ঐ লোকটার আচরণ ছিল একদম পশুর মতো। তবে সেই সহ-অভিনেতার নাম নোরা প্রকাশ্যে প্রকাশ করেননি।

২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর মুক্তি পাওয়া এই ছবিটিতে এক সাদা বাঘিনির মুখোমুখি হওয়া এক অভিযাত্রী দলের গল্প তুলে ধরা হয়েছিল।