• ই-পেপার

প্রথম ছবির শুটিংয়ে সহ-অভিনেতাকে চড়, অভিজ্ঞতা জানালেন নোরা

স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ইয়াশ রোহান

বিনোদন প্রতিবেদক
স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ইয়াশ রোহান
সংগৃহীত ছবি

স্কুলজীবনে ভয়াবহ বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল অভিনেতা ইয়াশ রোহানকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শৈশবের সেই ট্রমার কথা অকপটে তুলে ধরেছেন তিনি।

মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-তে নিজের স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে ইয়াশ রোহান বলেন, ‘আমার স্কুল লাইফ ওয়াজ ভেরি ব্যাড। আমার স্কুল লাইফ ওয়াজ ভেরি ট্রমাটিক বলব। কারণ, আমি আমার স্কুলের ওই ছেলেটা ছিলাম, যে সবার থেকে হয়তো একটু খাটো ছিলাম, যে হয়তো চেহারার দিক দিয়ে অন্যদের থেকে অপরিণত ছিল দেখতে। একদম ছোটবেলা থেকেই আমাকে প্রচুর পরিমাণ বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে।’

কেন তাঁকে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল, তার নির্দিষ্ট কোনো উত্তর আজও খুঁজে পাননি এই অভিনেতা। 

তাঁর ভাষ্যে, অনেক সময় বুলিংয়ের পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণই থাকে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বুলিং ব্যাপারটা এমন একটা জিনিস, কাকে কেন বুলি করা হয়, এটার কোনো কারণ থাকে না। কিন্তু আমি নিয়মিতই আমার স্কুলে, ক্লাসে বুলিংয়ের শিকার হতাম।’

ইয়াশ জানান, বর্তমানে বুলিং নিয়ে সমাজে সচেতনতা অনেক বেড়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। তবে তাঁর স্কুলজীবনে এমন কোনো সচেতনতা ছিল না। 

তিনি বলেন, ‘এখন যেমন বুলিং নিয়ে অনেক সচেতনতা তৈরি হয়েছে, অনেক কথাবার্তা হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এ ব্যাপারে কঠোর, বিভিন্ন স্কুলও—তবে সব স্কুলে যে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, তা নয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জোর দিয়ে এটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আমাদের স্কুলে তখনো বুলিং নিয়ে কোনো সচেতনতা ছিল না। তখন এটাকে যে বুলিং বলে, সেটাই বুঝতাম না, জানতাম না।’

স্কুলজীবনের সেই অভিজ্ঞতা এখনও তাঁকে মানসিকভাবে নাড়া দেয়। অতীতের স্মৃতি মনে করতে গিয়ে ইয়াশ বলেন, ‘আমি স্কুলে অনেক নির্যাতিত হয়েছি। আমার স্কুলজীবন ছিল খুবই ভয়ংকর। সবাই স্কুলের কথা বলে, অনেক স্মৃতি থাকে। কিন্তু আমার স্কুলজীবনের ভালো কোনো স্মৃতি নেই।’

টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন ইয়াশ রোহান। পরে ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্র দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। ‘পরাণ’সহ একাধিক আলোচিত সিনেমা, নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। তবে পেশাগত সাফল্যের পরও স্কুলজীবনের বুলিংয়ের তিক্ত স্মৃতি তাঁর জীবনের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে রয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ইয়াশ রোহানের বাবা নরেশ ভূঁইয়া এবং মা শিল্পী সরকার অপু দুজনই দেশের অভিনয় অঙ্গনের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তাঁরা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

বাস কন্ডাক্টর থেকে সুপারস্টার

এবার নিজের আত্মজীবনী লিখছেন রজনীকান্ত

অনলাইন ডেস্ক
এবার নিজের আত্মজীবনী লিখছেন রজনীকান্ত

এক সময়ের সাধারণ বাস কন্ডাক্টর থেকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘থালাইভা’ বা মহাতারকা হয়ে ওঠার গল্প যেকোনো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। দীর্ঘ পাঁচ দশকের এই অবিশ্বাস্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক যাত্রাপথ এবার নিজের বইয়ে বন্দি করতে যাচ্ছেন রজনীকান্ত নিজেই। কেবল বই-ই নয়, এই আত্মজীবনী নিয়ে একটি বায়োপিক সিনেমা তৈরির গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে সিনেপাড়ায়।

রজনীকান্তের জীবনের গল্প নিয়ে কোনো গুজবের স্থান নেই, কারণ খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার কন্যা সৌন্দর্যা। তিনি জানান, রজনীকান্ত ইতিমধ্যেই বইটি লেখা শুরু করে দিয়েছেন। বেঙ্গালুরুতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাটানো কঠিন দিনগুলো থেকে শুরু করে ‘কলিউডের’ সুপারস্টার হয়ে ওঠার পেছনের অজানা সব গল্প উঠে আসবে এতে। উটির মনোরম পরিবেশে ছুটির ফাঁকেই এই বইয়ের কাজ বেশ এগিয়ে নিয়েছেন অভিনেতা।

‘মুভিজ সিঙ্গাপুর’-এর একটি প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, নিজের লেখা এই বইয়ের ওপর ভিত্তি করে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানানোর ভাবনাও রয়েছে তার। তবে এটি এখনো আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে; কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা পরিচালকের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তামিল, তেলুগু, হিন্দি ও কন্নড় চলচ্চিত্রে অনন্য অবদানের জন্য ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা—পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এই মহাতারকা।

কমিক-কনে ডক্টর ডুমের বর্ম উন্মোচন, ভক্তদের মাঝে জল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
কমিক-কনে ডক্টর ডুমের বর্ম উন্মোচন, ভক্তদের মাঝে জল্পনা

সান দিয়েগো কমিক-কনে মার্ভেল ভক্তদের জন্য বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ছিল এক দারুণ চমক। বহুল প্রতীক্ষিত ‘অ্যাভেঞ্জার্স : ডুমসডে’ সিনেমার প্রধান ভিলেন ‘ডক্টর ডুম’-এর আসল বর্ম ও পোশাক সরাসরি সামনে এনেছে মার্ভেল স্টুডিও। পাশাপাশি ছবিতে থাকা তিনজন ল্যাটভেরিয়ান ডাইনির সবুজ, হলুদ ও বেগুনি রঙের পোশাকও দেখানো হয়েছে। 

ডক্টর ডুমের বর্মের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ডুমের বাম হাতে পেঁচানো এক টুকরো কাপড়। ভক্তদের অনুমান, এটি হয়তো তার হারিয়ে যাওয়া স্ত্রী বা সন্তানের স্মৃতি। থানোসের মতো ডক্টর ডুমকেও হয়তো এক দুঃখের ব্যাকস্টোরি দিয়ে কিছুটা আবেগঘন ভিলেন বানাতে যাচ্ছে মার্ভেল।

ডুমের বুকের বর্মে থর ও ক্যাপ্টেন মার্ভেলের শক্তির কিছু প্রতীক খোদাই করা। অর্থাৎ গ্যালাক্সির সবচেয়ে শক্তিশালী দুই সুপারহিরোকে বিপক্ষে লড়াই করতে ডুম তার বর্মটি এভাবে তৈরি করেছে। ছবির ট্রেলারে থরের বিশাল কুড়াল ‘স্টর্মব্রেকার’ ডুম কিভাবে মাত্র দুই আঙুল দিয়ে আটকে দিয়েছিল। এ ছাড়া ডুমের বর্মজুড়ে ছিল রহস্যময় জাদুকরী সব নকশা। কারণ, তিনি এমন এক বিপজ্জনক ভিলেন—যার এক হাতে বিজ্ঞান আর অন্য হাতে নিখুঁত জাদুবিদ্যা। আর তার মুখের আইকনিক মেটাল মাস্কটি ছিল একদম পারফেক্ট।

রহস্য আর শক্তির এই রূপ নিয়ে ডক্টর ডুম অ্যাভেঞ্জার্সদের সামনে কেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, তা দেখার জন্যই এখন সিনেমাপ্রেমীদের চোখ মার্ভেলের পরবর্তী চমকের দিকে।

প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতের অভিযোগে শ্রীলেখাকে গ্রেপ্তারের দাবি

বিনোদন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতের অভিযোগে শ্রীলেখাকে গ্রেপ্তারের দাবি
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। একই সঙ্গে অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তারের দাবিও তুলেছেন বিজেপির একাংশের কর্মী-সমর্থকরা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আনন্দপুর ও বিধাননগর সাইবার থানায় শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

অভিযোগের সূত্রপাত শুক্রবার কলকাতায় অনুষ্ঠিত নিট-সংক্রান্ত আন্দোলনের একটি মিছিলকে ঘিরে। ওই মিছিলে অভিনেত্রীর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিকৃত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সরব হতে দেখা গেছে শ্রীলেখাকে। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতাদের নিয়ে তার মন্তব্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে বর্তমান অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি দাবি করেন, বিতর্কিত ছবিটি নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা ভুল-বোঝাবুঝির ফল।

অভিনেত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে বিজেপির বিরোধিতা করতেই পারি, কিন্তু তাই বলে ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটা ঠিক নয়।’

ঘটনাটি নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে। অভিযোগের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।