• ই-পেপার

‘প্রতিরোধ ছাড়া পথ নেই’, হিজবুল্লাহর প্রশংসায় খামেনি

ভারতেও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ভারতেও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি

ভারতেও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ফ্রান্সের পার্লামেন্টে একটি আইন পাস হয়েছে। ফরাসি সংসদের উভয় কক্ষে আইনপ্রণেতারা এই আইনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর, ফ্রান্সই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করল। নতুন এই আইনে শিক্ষার্থীদের স্কুলের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফ্রান্সের এই আইনের প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি জোহো'র সহ প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিইও শ্রীধর ভেম্বু। ভারতেও এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেন ছোট বাচ্চারা মোবাইল স্ক্রিনের বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়াতে পারে।

ভেম্বু বলেন, ‘ভারতেরও উচিত ছোট বাচ্চাদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করা। আমি বিশ্বাস করি ছোট বাচ্চাদের বই পড়া উচিত, রোদের নিচে মাটিতে খেলাধুলা করা উচিত এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা উচিত!’

তবে ভেম্বুর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কিছু ব্যবহারকারী তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন, আবার অনেকে বলেছের, নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনে সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে ভেম্বুর এই দাবি নিয়ে কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর ও তার ছেলে ঈশান থারুরের মধ্যে এক মজার বিতর্ক হয়েছে।

শ্রীধর ভেম্বুর দাবি প্রসঙ্গে ঈশান থারুর তার এক্স (সাবেক টুইটার)এ লিখেছিলেন, ‘আমি একমত যে ছোট বাচ্চাদের মোটেও সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা উচিত নয়। তবে অন্য কিছু করার আগে ভারতের উচিত হোয়াটসঅ্যাপে বুমারদের নিষিদ্ধ করা।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ ও আমেরিকায় জন্মহার অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ইতিহাসে একে বলা হয়, ‘বেবি বুম’। তাই ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্ম নেয়া প্রজন্মকে বেবি বুমার বা সংক্ষেপে বুমার বলা হয়। তবে ভারতে ‘বুমার’ শব্দটি ব্যবহার অবজ্ঞা করতে ব্যবহার করা হয়। পুরোনো ও সেকেলে চিন্তাভাবনা, প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা না রাখা মানুষদের তরুণ প্রজন্ম ‘বুমার’ বলে। ঈশান তার স্ট্যাটাসে তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন। তবে ঢিল মারতে গিয়ে জোরালো পাটখেল খেয়েছেন ঈশান, তাও বাবার কাছ থেকে। বিভিন্ন ইস্যুতে সরব থাকা ও তীক্ষ্ণ রসবোধের জন্য খ্যাত শশী থারুর ছেলের স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন। সঙ্গে ভারতের উচ্চ জন্মহারের ইঙ্গিত দিয়ে লিখেছেন, ‘হে আমার পুত্র, আমাদের প্রজনন হারের ধারা বিবেচনা করলে, পশ্চিমাদের মতো নয় বরং ভারতীয়দের প্রতিটি প্রজন্মই, যার মধ্যে তোমার প্রজন্মও অন্তর্ভুক্ত; বেবি বুমার হওয়ার যোগ্যতা রাখে!’

বাবা ছেলের এই মজার বিতর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মজার আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই বাবার হাতে ঘায়েল হওয়ায় ঈশানের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন।

পশ্চিম তীরে ২ দিনে শতাধিক ফিলিস্তিনি আটক

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিম তীরে ২ দিনে শতাধিক ফিলিস্তিনি আটক
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

ফিলিস্তিনি বন্দি অধিকার সংস্থা সামিদুন জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গত দুই দিনে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে।

সংস্থাটির দাবি, সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার পর ইসরায়েলের চালানো ব্যাপক অভিযানের অংশ হিসেবে এসব গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানগুলো মূলত নাবলুস, তুলকারেম ও হেবরন এলাকায় পরিচালিত হয়। এ সময় সেনারা বাড়িঘরে তল্লাশি চালায়, সম্পত্তির ক্ষতি করে এবং আটক ব্যক্তিদের খোলা জায়গায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সামিদুন আরো জানায়, কয়েকটি অভিযানে সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় থাকা সশস্ত্র ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরাও অংশ নেন। সংস্থাটি এই অভিযানকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘সম্মিলিত শাস্তি ও প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা’ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষায় জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত ৩২০০, মৃত্যু বেড়ে ১৪০৫

অনলাইন ডেস্ক
ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত ৩২০০, মৃত্যু বেড়ে ১৪০৫
ছবি : রয়টার্স

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ২০০ জনে পৌঁছেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত এক হাজার ৪০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার প্রকাশিত এ তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। মাত্র ১০ দিনে নতুন করে প্রায় এক হাজারজন আক্রান্ত হয়েছেন।

গত ১৫ মে এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়। এটি ইবোলা ভাইরাসের বুন্ডিবুগিও ধরন, যার জন্য এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশে শনাক্ত হয়েছে। এই প্রদেশের সীমান্ত দক্ষিণ সুদান ও উগান্ডার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে ভাইরাসটি পাঁচটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যার মধ্যে দুটি নতুন প্রদেশও রয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক বিমানসেবা (ইউএনএইচএএস) জানিয়েছে, দুর্গম এলাকায় চিকিৎসক ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠিয়ে সংক্রমণ শনাক্তের কাজও চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

কর্তৃপক্ষ বলছে, উন্নত পরীক্ষা ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থার কারণে আরো বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের বকেয়া বেতনের দাবিতে ধর্মঘটের কারণে কিছু হাসপাতালে রোগ মোকাবেলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই প্রাদুর্ভাব আরো কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে।

ইবোলা সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরলের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এটি মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত জ্বর সৃষ্টি করে। গত ৫০ বছরে আফ্রিকায় এ ভাইরাসে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, বুন্ডিবুগিও ধরনের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা ও চিকিৎসা উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন।

এআই ছবির ঝড় তুললেন ট্রাম্প, দিচ্ছেন সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
এআই ছবির ঝড় তুললেন ট্রাম্প, দিচ্ছেন সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক বার্তা
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এসব ছবিতে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি তুলে ধরার পাশাপাশি ২০২৮ সালের নির্বাচনী প্রচারের বিভিন্ন রাজনৈতিক বার্তাও দিয়েছেন।

রবিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ছবিগুলো পোস্ট করেন ট্রাম্প। ছবিগুলোতে যুদ্ধ, সামরিক অভিযান, সমুদ্রে অভিযান, ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস এবং নির্বাচনী প্রচারের নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম দফায় প্রকাশিত ছবিগুলোর বেশিরভাগই ছিল মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানকে কেন্দ্র করে। ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের একটি ছবিতে ট্রাম্পকে বিশাল আকৃতিতে দিগন্তের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তার সামনে ‘ইউএসএ’ লেখা যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোপন যুদ্ধবিমান উড়ছে। নিচে ‘ইরান’ লেখা একটি স্থল লক্ষ্যবস্তুতে বড় বিস্ফোরণ দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে সমুদ্রে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ টহল দিচ্ছে।

‘স্ট্রাইক অন খার্গ’ শিরোনামের আরেকটি ছবিতে ইরানের খার্গ দ্বীপের প্রধান তেল টার্মিনালে বিমান হামলার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সেখানে যুদ্ধবিমান, বড় আগুন, ঘন কালো ধোঁয়া এবং জ্বলতে থাকা তেলের ট্যাংক দেখা যায়। ‘ইটস আওয়ার অয়েল ট্যাঙ্কার নাউ!’ শিরোনামের আরেকটি ছবিতে ট্রাম্প ও অস্ত্রধারী মার্কিন সেনাদের একটি ইরানি জাহাজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা কয়েকজন মানুষ সমুদ্রে ঝাঁপ দিচ্ছেন। পেছনে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীও দেখা যায়। ‘নো মোর ইঞ্জিনস’ শিরোনামের আরেকটি ছবিতে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজকে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখানো হয়েছে। জাহাজটির পেছনের অংশ উড়ে গেছে এবং সেখান থেকে আগুন ও কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।

আরো কয়েকটি ছবিতে ট্রাম্পকে যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করতে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিতে দেখা যায়। একটি ছবিতে তার মাথায় ‘এফএএফও’ লেখা একটি টুপি রয়েছে। ট্রাম্প শেয়ার করা ছবিগুলোর মধ্যে একটি চার্টও ছিল। সেখানে আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টদের আমলে ভিয়েতনাম ও ইরাক যুদ্ধের মতো দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের সঙ্গে তার সময়ের স্বল্পমেয়াদি সামরিক অভিযানের তুলনা করা হয়েছে। চার্টে দাবি করা হয়েছে, চার মাসের ‘ইরান সামরিক সংঘাত’-এ ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আর ১ দিন স্থায়ী ‘ভেনেজুয়েলা যুদ্ধ’-এ কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। দ্বিতীয় দফার ছবিগুলোতে ট্রাম্প মূলত রাজনৈতিক প্রচার এবং নিজের ভাবমূর্তি তুলে ধরেন।

‘গিভ দ্য এনিমি নাইটমেয়ার্স’ শিরোনামের একটি ছবিতে ট্রাম্পকে অন্ধকার ও কুয়াশাচ্ছন্ন বনের মধ্যে হাঁটতে দেখা যায়। তার চারপাশে লাল জ্বলজ্বলে চোখওয়ালা সৈন্য রয়েছে। ছবিতে বড় অক্ষরে ‘ট্রাম্প ২০২৮’ লেখা ছিল। আরেকটি ছবির শিরোনাম ছিল ‘কসমিক কমান্ডার’। বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক এই পোস্টারে মহাকাশের পটভূমিতে ট্রাম্পের বড় মুখাবয়ব দেখানো হয়েছে। চারপাশে ভবিষ্যতের মহাকাশযান এবং সামরিক মহাকাশ বাহিনীর প্রতীকও রয়েছে। আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা নেতা জর্জ ওয়াশিংটন, থমাস জেফারসন এবং আলেকজান্ডার হ্যামিলটনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিটির স্লোগান ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’। আরেকটি ছবিতে গাঢ় রঙের পটভূমিতে ‘প্ল্যান ট্রাস্টেড’ লেখা দেখা যায়। এ ছাড়া ‘ট্রাম্প ২০২৮’ ব্যানারের অধীনে নিজের, মার্কিন সেনাবাহিনী এবং সাধারণ মানুষের আরো কয়েকটি এআই-নির্মিত ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এসব পোস্ট এমন সময় প্রকাশিত হলো, যখন ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ জানিয়েছে, তিনি আপাতত ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা মধ্যপ্রাচ্যে পেন্টাগনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অস্ত্রের মজুদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে তারা সতর্ক করেছেন, বড় আকারের সামরিক অভিযান চালানো হলে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। কর্মকর্তাদের মতে, এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনা, উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পাল্টা হামলার বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। পাশাপাশি বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হলে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং আঞ্চলিক সংকট আরো বাড়তে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।