• ই-পেপার

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭৩৪

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তদারকিতে নতুন সরকারি দপ্তর গড়ছে অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তদারকিতে নতুন সরকারি দপ্তর গড়ছে অস্ট্রেলিয়া
ছবি: রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহার তদারকির জন্য নতুন একটি সরকারি দপ্তর গঠন করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সরকারের লক্ষ্য, একদিকে এআই খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, অন্যদিকে এই দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।

নতুন এই দপ্তরের নাম হবে‘অফিস অব এআই’। এটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও মন্ত্রিসভার বিভাগের অধীনে পরিচালিত হবে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে এআই-সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে এই দপ্তর। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বুধবার সিডনিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে। তার ভাষণে অ্যালবানিজ বলবেন, এতদিন সরকার এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও খাত আলাদাভাবে মোকাবিলা করেছে। তবে এখন সময় এসেছে পুরো প্রযুক্তি খাতকে একটি সমন্বিত নীতির আওতায় আনার। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলবেন, অতীতে অস্ট্রেলিয়া যেমন ১৯২০-এর দশকে বেসামরিক বিমান চলাচল এবং ১৯৯০-এর দশকে জিনতত্ত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির জন্য সমন্বিত নীতি তৈরি করেছিল, তেমনি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের জাতীয় নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সরকারের দাবি, নতুন এই উদ্যোগ বিশ্বে প্রথম ধরনের একটি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এআই-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরো  স্পষ্ট ও সহজ হবে। পাশাপাশি আইন ও নীতিমালা মেনে চলার প্রক্রিয়াও সহজ হবে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগের জন্য অস্ট্রেলিয়া আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠবে বলে সরকারের আশা। অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে নিজেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানীয় দেশ এবং তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টারের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। তবে একই সময়ে বিভিন্ন খাতে এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ায় এই প্রযুক্তির ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবিও জোরালো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়লে অনেক মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একই সঙ্গে তথ্যকেন্দ্র পরিচালনায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি খরচও বাড়তে পারে।

এ ছাড়া এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা এবং মেধাস্বত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পরিবেশবিদদের উদ্বেগ, বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারকারী ডেটা সেন্টারের সংখ্যা বাড়লে পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই। এখন পর্যন্ত দেশটি গোপনীয়তা সুরক্ষা আইন, ভোক্তা সুরক্ষা আইন এবং স্বেচ্ছাভিত্তিক এআই নৈতিকতা কাঠামোর মাধ্যমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। নতুন 'অফিস অব এআই' গঠনের মাধ্যমে এআই ব্যবস্থাপনায় আরো সমন্বিত ও কার্যকর কাঠামো তৈরি করতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ইস্যু

ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক
ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

আবারও শুল্কনীতি নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে মার্কিন সিনেটে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত বিলে ভারত, চীন, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিলটির বিষয়ে কথা বলেন মার্কিন সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল ক্রয়কারী প্রধান কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যার হার সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রস্তাবিত বিলটি কেবল রাশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য নয়; যারা রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসও আমদানি করছে, তাদের বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এর আগে গত বছর রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন, যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ছিল। যদিও সেই বিল আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। বর্তমান প্রস্তাবটিকে ওই বিলের সংশোধিত সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন সিনেট সূত্রে জানা গেছে, নতুন সংশোধিত বিলটির পক্ষে এরই মধ্যে ২৬ জন সিনেটর সমর্থন জানিয়েছেন। আগামী দিনে সমর্থকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

শুল্কনীতি নিয়ে আগেই আদালতে ধাক্কা খেয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইন প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্প যে আমদানি শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তা বেআইনি। এর পরে সাময়িক ভাবে ১০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি সেই শুল্কনীতিও ধাক্কা খেয়েছে আদালতে। সেই আবহে আবার নতুন করে ভারতসহ কয়েকটি দেশের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর চিন্তা আমেরিকার।

সূত্র : আনন্দবাজার

ফুনশুখ ওয়াংড়ুকে মরতে দেবেন না, চতুরের আকুল আবেদন

অনলাইন ডেস্ক
ফুনশুখ ওয়াংড়ুকে মরতে দেবেন না, চতুরের আকুল আবেদন
সংগৃহীত ছবি

আমির খানের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’ ভারতের সিনেমার ইতিহাসেই অনন্য এক নাম। ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে বানানো ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি এখনও সমান প্রাসঙ্গিক। ছবিতে আমির খানের চরিত্রটির নাম ছিল ফুনশুখ ওয়াংড়ু, বন্ধুরা যাকে র‍্যাঞ্চো নামে ডাকতো। তবে এই ফুনশুখ ওয়াংড়ু কোনো কল্পনার চরিত্র নয়। ভারতের লাদাখের বিখ্যাত প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিক্ষা সংস্কারক এবং পরিবেশবাদী সোনম ওয়াংচুকের চরিত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই রাজকুমার হিরানী একেছিলেন ফুনশুখ ওয়াংড়ুকে। 

সিনেমার ফুনশুখ, বাস্তবের সোনম ওয়াংচুক এখন মরতে বসেছেন। গত ২৮ জুন থেকে তিনি নয়াদিল্লীর যন্তর মন্তরে আমরণ অনশন করছেন। নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনেকদিন ধরেই আন্দোলন করছে ককরোচ পার্টি। সেই আন্দোলনে সামিল হয়েই ২৮ জুন থেকে আমরণ অনশনে বসেছেন সোনম। ১৭ দিনের অনশনে সোনমের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। অনশন শুরুর পর থেকে তার ওজন ৮ দশমিক ২ কেজি কমে গেছে। তার ব্লাড সুগার ও ব্লাগ প্রেসারও কমে গেছে।

থ্রি ইডিয়টস সিনেমায় চতুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ওমি বৈদ্য। তিনি সোনমের অবনতিশীল স্বাস্থ্যের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) একাউন্টে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে ওমি বৈদ্য বলেন, ‘হ্যালো ইডিয়টস, চিনতে পেরেছ? আমি ওমি বৈদ্য, 'থ্রি ইডিয়টস'-এর চতুর। আপনাদের জন্য আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে। আমি সাধারণত এই ধরনের কাজ খুব একটা করি না, তাই দয়া করে মনোযোগ দিয়ে শুনুন।’ এরপর তিনি সোনমের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, ‘আপনার যদি একটু সময় থাকে, তবে কিছুক্ষণের জন্য থামুন, আপনার অফিসের কাজ বা ঘরের কাজ কিংবা যা-ই করছেন তা পাশে রাখুন এবং একটু দেখুন কী ঘটছে... আমি ফুনশুখ ওয়াংড়ুকে মরতে দেখতে চাই না। আমি চাই তিনি বেঁচে থাকুন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সাধারণ মানুষ, আমাদের সাধারণ জীবন রয়েছে এবং আমরা এসব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর জন্য বড্ড বেশি ব্যস্ত। কিন্তু আপনি যদি এই সমস্যাগুলোর দিকে তাকান, তবে হয়তো আপনি তাঁর সাথে একমত হবেন এবং দেখতে পাবেন যে আপনিও একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।’

ভিডিওতে সোনমকে একজন  ‘নম্র’ ও ‘অত্যন্ত চমৎকার মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করে ওমি বৈদ্য বলেন, ‘আমি আপনাদের বলব ইন্টারনেটে এটি একটু খুঁজে দেখতে যে তিনি কী করছেন, কারণ এই মুহূর্তে তিনি দীর্ঘ অনশনে রয়েছেন। এটি বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে। আমি জানি না আপনারা এই বিষয়ে শুনেছেন কি না, কিংবা মিডিয়া এটি প্রচার করছে কি না, তবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়... তিনি কেন অনশন করছেন? ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তাঁর কিছু আপত্তি ও সমস্যা রয়েছে... আর আপনি তাঁর সাথে একমত হন বা না হন, আমি চাই না তিনি মারা যান।’
 

বেলজিয়ামে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন, লিফট থেকে ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
বেলজিয়ামে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন, লিফট থেকে ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার
ছবি : রয়টার্স

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে ভবনের লিফট শ্যাফটের ভেতর আটকে থাকা একটি লিফট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে শহরের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড প্লেস চত্বরের কাছে অবস্থিত ‘অক্সি টাওয়ার’ নামের নির্মাণাধীন ভবনটিতে আগুন লাগে। দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে ধোঁয়া ও আগুন লিফটের শ্যাফট (সুড়ঙ্গ) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দুইটি লিফট আটকে যায়। পরে উদ্ধারকারীরা একটি লিফট জোরপূর্বক খুলে নিখোঁজ ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

ব্রাসেলস শ্রম প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র ব্রেখট স্পেইব্রুক জানান, উদ্ধার হওয়া ছয়জন আগে থেকে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিরাই হতে পারেন। তবে অন্য লিফটে বা ভবনের অন্য কোথাও আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধারকাজ চালানোর সময় প্রচণ্ড তাপে অসুস্থ হয়ে পড়া এক দমকলকর্মীকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডি ওয়েভার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে সাহসিকতার সাথে কাজ করায় উদ্ধারকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ব্রাসেলসের মেয়র ফিলিপ ক্লোজ। ভবনটিতে কিভাবে আগুন লেগেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন এই অক্সি টাওয়ারটিতে ফ্ল্যাট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বার তৈরির কাজ চলছিল।