• ই-পেপার

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৭

৩ বছরে ইহুদি নিরাপত্তায় ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করবে ব্রিটেন

অনলাইন ডেস্ক
৩ বছরে ইহুদি নিরাপত্তায় ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করবে ব্রিটেন
ছবি: রয়টার্স

সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ইহুদিবিদ্বেষী হামলার ঘটনার পর ব্রিটেনে ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য আগামী তিন বছরে ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হবে। সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগে। এর আওতায় ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ৫০০ জনের বেশি নতুন পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা ইহুদি অধ্যুষিত এলাকা, ইহুদি স্কুল, উপাসনালয় এবং কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশে নিয়মিত টহল দেবেন। এতে এসব এলাকার নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে আশা করছে সরকার। গত কয়েক মাসে ব্রিটেনে ইহুদিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে ইহুদি কমিউনিটির ব্যবহৃত চারটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এপ্রিলে উত্তর লন্ডনে এক ইহুদিবিদ্বেষী ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর দেশটির জাতীয় সন্ত্রাসবাদ হুমকির মাত্রা ‘উল্লেখযোগ্য’ থেকে বাড়িয়ে ‘গুরুতর’ করা হয়।

সরকার জানিয়েছে, এপ্রিলে ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল ঘোষণা করা হয়েছিল। নতুন এই অর্থ সেই তহবিলের অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনার আওতায় লন্ডনে প্রায় ৩০০ জন এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টারে প্রায় ৮০ জন অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। গত বছর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের একটি ইহুদি উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়া যেসব এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইহুদি বসবাস করেন, সেসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য আরো ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ইহুদিবিদ্বেষ বেড়ে যাওয়া ব্রিটেনের মূল্যবোধের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, এই ধরনের বিদ্বেষ ও হামলা মোকাবিলা করা তার নেতৃত্বের শুরু থেকেই অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন তহবিল থেকে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড পাবে। এছাড়া সন্ত্রাসবাদবিরোধী পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরো ৫৯ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকার আরো জানিয়েছে, যেসব সময়ে হামলার ঝুঁকি বেশি থাকে, সেসব সময়ে পুলিশি টহল বাড়ানো হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়বে। একই সঙ্গে বিদ্বেষমূলক অপরাধ ও ইহুদিবিদ্বেষী হামলা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক হবে বলে সরকারের আশা। উল্লেখ্য যে, বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ১ মার্কিন ডলারের মূল্য ০.৭৪৬০ পাউন্ড। 

ইয়েমেন ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

অনলাইন ডেস্ক
ইয়েমেন ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত

ভারতীয় নাগরিকদের ইয়েমেন ভ্রমণের ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। ২০১৭ সালে জারিকৃত একটি গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও, সংঘাত-কবলিত ইয়েমেনে ভারতীয় নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ বহাল রাখা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর শুক্রবার (১০ জুলাই) তারিখে একটি নতুন গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তির (নং ৩৭৬০-ই) মাধ্যমে ২০১৭ সালের ৩ অক্টোবরের পূর্ববর্তী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত গ্যাজেটটি (নং ৩২২৩-ই) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও ইয়েমেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভারতীয় নাগরিকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং সব নাগরিককে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তবে কোনো কারণে যদি এই ভ্রমণ একেবারে অপরিহার্য বা জরুরি হয়, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে নিতে হবে এবং যেসব অঞ্চলে সক্রিয় সংঘাত চলছে, সেগুলো কোনোভাবেই যাওয়া যাবে না। এর পাশাপাশি, বর্তমানে যারা ইয়েমেনে অবস্থান করছেন বা বসবাস করছেন, তাদেরকেও সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার এবং দেশের ভেতরে নিজস্ব চলাচল সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় উন্নত সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইয়েমেনে অবস্থানরত অথবা সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন—এমন সকল ভারতীয় নাগরিককে রিয়াদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে দ্রুত নিজেদের নাম নিবন্ধন করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪৯০

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪৯০
ছবি : রয়টার্স

ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় সংসদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ২৪ জুন মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দেশটিতে পরপর দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলে এই বিপর্যয় ঘটে।

হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, নতুন করে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেলেও সরকারিভাবে আহতের সংখ্যা পূর্বের ১৬৭৪০ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত সফলভাবে ৬৪৬২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে, যা এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও কিছুটা স্বস্তির আলো দেখাচ্ছে।

গত ২৪ জুন ভেনেজুয়েলার ইয়ারাচুই রাজ্যে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্প দুইটির মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড। এত কম সময়ের মধ্যে দুটি বড় ধরনের কম্পন হওয়ায় দেশটির ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর বিশাল বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

হরমুজ এড়াতে সিরিয়া-ইরাক-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ পাইপলাইন পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজ এড়াতে সিরিয়া-ইরাক-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ পাইপলাইন পরিকল্পনা
সংগৃহীত ছবি

তেল রপ্তানিতে হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট তৈরি করতে ৫০০ মাইল দীর্ঘ একটি পুরনো তেল পাইপলাইন পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সিরিয়া, ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরাকের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নেতাদের বরাতে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইপলাইনটি ইরাকের উত্তরাঞ্চলের কিরকুক থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় শহর বানিয়াস পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯৮০-এর দশক থেকে বন্ধ হয়ে থাকা এই পাইপলাইন পুনরায় চালু হলে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ইরাকের তেল সরাসরি ভূমধ্যসাগরে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে। এতে ইরানের নিয়ন্ত্রিত হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।

মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির বৈঠকে এ প্রকল্প নিয়ে একটি চুক্তি ঘোষণা করা হতে পারে। বৈঠকের আগে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করছেন তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবং সিরিয়া ও ইরাকবিষয়ক বিশেষ দূত টম বারাক।

ইরাকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, টম বারাক এই পাইপলাইনকে শুধু একটি জ্বালানি প্রকল্প হিসেবে দেখছেন না। বরং তিনি এটিকে লেভান্ট অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও স্থানীয় সরকারগুলোর জন্য লাভজনক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।

পাইপলাইনটি ১৯৫২ সালে ইরাক পেট্রোলিয়াম কোম্পানি নির্মাণ করে। প্রতিদিন প্রায় তিন লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহনের সক্ষমতা ছিল এতে। তবে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় সিরিয়া ইরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ১৯৮০-এর দশকে বাগদাদ পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেয়। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের পর এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বর্তমানে সম্পূর্ণ অকেজো অবস্থায় রয়েছে।

সূত্রগুলোর ভাষ্য, পাইপলাইনটি পুনরায় চালু করতে শুধু সংস্কার নয়, অনেক অংশ নতুন করে নির্মাণ করতে হতে পারে। নতুন স্টোরেজ ট্যাংক, পাম্পিং স্টেশন এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পাশাপাশি পুরো প্রকল্প শেষ করতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। এ কাজের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কোম্পানিকে নিয়ে একটি কনসোর্টিয়ামও গঠনের প্রস্তুতি চলছে।

২০২৪ সালের শেষ দিকে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়া ও ইরাক প্রথমবারের মতো পাইপলাইনটি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছিল। তবে তখন তা খুব বেশি অগ্রসর হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার পর বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে।

যুদ্ধ চলাকালে ইরাক সীমিত পরিসরে সিরিয়ার মধ্য দিয়ে ট্যাংকার ট্রাকে অপরিশোধিত তেল পরিবহন করলেও সেটি বাণিজ্যিক চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ফলে স্থায়ী বিকল্প রুট তৈরির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক সারহাং হামাসাইদ বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি ইরাককে বুঝিয়ে দিয়েছে যে আঞ্চলিক জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় সিরিয়াকে এড়িয়ে চলা সম্ভব নয়। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে।

মিডল ইস্ট আই আরও জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানির যুক্তরাষ্ট্র সফরেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

যদিও ইরাক সরকারের ওপর ইরানপন্থী শিয়া রাজনৈতিক দল ও মিলিশিয়াদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে, তারপরও বর্তমান সিরীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে বাগদাদ আগ্রহী হয়ে উঠছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন সিরিয়ার ওপর থেকে একাধিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে এবং দেশটিকে সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকেও বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য সিরিয়ায় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করার পথ সহজ হতে পারে।

এরই মধ্যে ইরাক সরকার হাদিসা ও কিরকুক থেকে বানিয়াস পর্যন্ত পাইপলাইন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটাল টিআই, শেভরন এবং কাতারের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি অনুমোদন করেছে।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু ইরাক নয়, পুরো অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানির ভূরাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমানে ইরাকের প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল রপ্তানি হরমুজ প্রণালিনির্ভর। দেশটির মোট বাজেটের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে তেল বিক্রির আয় থেকে। জ্বালানিবিষয়ক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ভোরটেক্সার তথ্য বলছে, গত মে মাসে সমুদ্রপথে ইরাকের তেল রপ্তানি আগের বছরের গড়ের মাত্র ৮ শতাংশে নেমে আসে। এমন বাস্তবতায় বিকল্প তেল রপ্তানি পথ তৈরি করা বাগদাদের জন্য অর্থনৈতিক ও কৌশলগত—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।