• ই-পেপার

লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংসহ আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেপ্তার ২৪

সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জে মুখোমুখি চীন-জাপান, সংঘর্ষ নিয়ে দুই দেশের ভিন্ন দাবি

অনলাইন ডেস্ক
সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জে মুখোমুখি চীন-জাপান, সংঘর্ষ নিয়ে দুই দেশের ভিন্ন দাবি
ছবি: রয়টার্স

বিতর্কিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে চীন ও জাপানের উপকূলরক্ষী বাহিনীর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার ওই এলাকায় একটি জাপানি মাছ ধরার নৌকা এবং চীনের উপকূলরক্ষী জাহাজকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে দুই দেশ ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে।

পূর্ব চীন সাগরের এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে চীন ও জাপানের মধ্যে। জাপান দ্বীপগুলোকে সেনকাকু নামে পরিচিত করলেও চীন এগুলোকে দিয়াওইউ দ্বীপপুঞ্জ বলে দাবি করে। এই সমুদ্র এলাকায় গত কয়েক বছর ধরে দুই দেশের জাহাজের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। উভয় দেশই সেখানে নিয়মিত টহল চালায় এবং একে অপরকে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। 

চীনের উপকূলরক্ষী বাহিনী মঙ্গলবার জানায়, তারা পূর্ব চীন সাগরের বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করা একটি জাপানি মাছ ধরার নৌকাকে সরিয়ে দিয়েছে। চীনের দাবি, জাপানি ওই নৌকাটি তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন জলসীমায় 'অবৈধভাবে প্রবেশ' করেছিল। তাই নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে সেটিকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

তবে জাপানের উপকূলরক্ষী বাহিনী এই ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে। তাদের দাবি, মঙ্গলবার সকালে চীনের দুটি উপকূলরক্ষী জাহাজ একটি জাপানি মাছ ধরার নৌকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। নৌকাটিতে দুইজন আরোহী ছিলেন। জাপান জানায়, তারা চীনা ওই দুটি জাহাজকে বাধা দেয় এবং সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য করে। টোকিও বলেছে, সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে নিজেদের আঞ্চলিক জলসীমায় চীনের জাহাজের এ ধরনের চলাচল আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। জাপানের দাবি, চীন ওই এলাকায় নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। জাপানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও দেশের আইন মেনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে তারা 'শান্ত এবং দৃঢ়ভাবে' প্রতিক্রিয়া জানাবে।

সেনকাকু বা দিয়াওইউ দ্বীপপুঞ্জের বিরোধ পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বিরোধ। কৌশলগত অবস্থান ও সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে এলাকাটি দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।

জলাবদ্ধতাই মুম্বাইয়ের নিয়তি : হাইকোর্টের ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
জলাবদ্ধতাই মুম্বাইয়ের নিয়তি : হাইকোর্টের ক্ষোভ
ছবি : এএনআই।

বৃষ্টি হলে শুধু চট্টগ্রাম বা ঢাকা নয়, ডুবে যায় ভারতের মুম্বাইও। বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় বলিউডের তারকাদের থাকার এই শহরের পথঘাট। বোম্বে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জলাবদ্ধতাকেই মুম্বাইয়ের নিয়তি হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এ সংকট মানবসৃষ্ট, কর্তৃপক্ষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।

গত কয়েক দিনের টানা রেকর্ড-ভাঙা ভারি বর্ষণে ডুবে গেছে মুম্বাইয়ের পথঘাট, রীতিমত বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে ট্রেন চলাচল, যানজটে নাকাল আরব সাগরের পাড়ের অভিজাত এই শহরটি।

এ অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি গৌতম আনখাদের একটি ডিভিশন বেঞ্চ বলেছেন, নাগরিকদের অসচেতনতা, অবৈধভাবে জমি দখলের প্রবণতা, ড্রেন বন্ধ করা এবং পাবলিক অবকাঠামোর অপব্যবহারের কারণেই জলাবদ্ধতার সংকট সৃষ্টি হয়েছে। একটি রাস্তা সম্প্রসারণ প্রকল্প সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালে বোম্বে হাইকোর্ট মুম্বাইয়ের জলাবদ্ধতা নিয়ে এই মন্তব্য করেন।

হাইকোর্ট বলেন, মানুষ মানুষ বর্জ্য দিয়ে ড্রেন আটকে রাখে, রাস্তাকে অবৈধ পার্কিংয়ের জায়গায় পরিণত করে এবং খাবারের স্টল দিয়ে ফুটপাত আটকে রাখে। তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ঘুগে বলেন, এমনকি হাইকোর্টের বাইরের ফুটপাতগুলোও অবৈধ দোকানে দখল হয়ে আছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বভাব হলো নিজেদের মাতৃভূমিকে লুণ্ঠন করা। আমরা বেআইনিভাবে জমি দখল করি, আর যখন উচ্ছেদের নোটিশ আসে কেবল তখনই আইনের বই খুঁজি।’
 

পশ্চিমবঙ্গে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যা

পুলিশের গুলিতে অভিযুক্ত ছেলের মৃত্যুর পর মা বললেন, কৃতকর্মের শাস্তি পেয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের গুলিতে অভিযুক্ত ছেলের মৃত্যুর পর মা বললেন, কৃতকর্মের শাস্তি পেয়েছে
সংগৃহীত ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুর এলাকায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর তার মা সন্ধ্যা মণ্ডল জানিয়েছেন সে নিজের কৃতকর্মের শাস্তি পেয়েছে।

বুধবার সকালে পুলিশ প্রভাসের মৃত্যুর খবর তার মা সন্ধ্যা মণ্ডলকে জানায়। ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি জানান, তার ছেলে নিজের অপরাধের শাস্তি পেয়েছে। এমনকি ছেলের মরদেহ আনতেও তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সন্ধ্যা মণ্ডল বলেন, তার ছেলে যে অপরাধ করেছে, তার পরিণতি সে পেয়েছে। একটি শিশুর সঙ্গে অন্যায় করার পর তার মৃত্যুর ঘটনায় তিনি কোনো দুঃখ বা আপত্তি অনুভব করছেন না। তিনি বলেন, 'ও যেরকম কর্ম করেছে, মারা গেছে, ও যেরকম দুষ্কর্ম করেছে, আমার কোনও আর আপত্তি নেই, কষ্ট নেই, আর দুঃখ নেই। ও যেরকম একটা মেয়েকে কষ্ট দিয়ে মেরেছে, ও তো সেই মরেছে। শেষ আমার। আমরা আনব না। আমার কেউ নেই। আমি আনতে পারব না। আমি ও দেখতে পারব না। আমি ওর আর কিছু করব না। ও যাক।'

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও হত্যার মামলার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল আজ বুধবার পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টা ৪৫ মিনিটে বারুইপুর থানার ছয় জনের একটি দল প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। তদন্তের অংশ হিসেবে সেখানে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। পুলিশের দাবি, ওই সময় প্রভাস এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এরপর তিনি পালানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালান। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশ গুলি চালালে প্রভাস গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের দাবি, তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, যে পুকুর থেনি নাবালিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, তার কাছের একটি ঝুপড়িতে বসে ঘটনার দিন আনন্দ সর্দার ও দিবাকর সর্দার মাদক সেবন করছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, তারা প্রভাস মণ্ডলকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকাকে সেখানে নিয়ে আসতে বলেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নাবালিকাকে সেখানে আনার পর সে পালানোর চেষ্টা করলে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে একটি বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, মরদেহ ফেলার সময় বস্তা ছিঁড়ে যায়। এরপর অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
 

বারুইপুরের এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার ও প্রভাস মণ্ডলকে যৌন নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঘটনার পর প্রভাস মণ্ডলকে আটক করে থানায় নিয়ে যান স্থানীয় বিজেপি নেতা শান্তনু মণ্ডল। এখন প্রভাসের মৃত্যু হলেও মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত বিচার করে দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ৪ জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের ১২ বছরের ওই কিশোরী। পরের দিন একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ উঠে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর  তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সন্দেহভাজনক একজনকে গণধোলাই দিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা। পরে জানা যায়, নিহত সেই ব্যক্তি নির্দোষ। 

গণপিটুনিতে নিহতের পরিবার ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ঘটনা নিয়ে কড়া বার্তা দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, 'এই ধরনের ঘটনা যাতে রাজ্যে না ঘটে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।' তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'পুলিশ যা করার করছে, সমস্ত এসপি, সিপি-র সঙ্গে কথা বলেছি। যারা পুলিশের গাড়ি ভেঙেছে, রেললাইন উপড়েছে, তাদের ছাড় নয়।' এসময় গণপিটুনির সাথে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার আশ্বাস দেন তিনি। 
 

অস্ট্রেলিয়ায় সেতুর টাওয়ারে উঠে গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ায় সেতুর টাওয়ারে উঠে গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
ছবি: রয়টার্স

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে ১৪০ মিটার উঁচু একটি সেতুর টাওয়ারে উঠে ছবি আঁকার অভিযোগে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় ধরে টাওয়ারের চূড়ায় অবস্থান করায় পুলিশের সঙ্গে অচলাবস্থা তৈরি হয়। এ সময় সেতুর একটি লেন বন্ধ রাখতে হয়, ফলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

মঙ্গলবার মেলবোর্নের বোল্টে ব্রিজে এ ঘটনা ঘটে। শহরের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকার কাছে অবস্থিত এই ক্যান্টিলিভার সেতুর টাওয়ারে উঠে ওই যুবক স্প্রে পেইন্ট দিয়ে একটি বড় কার্টুন পাখির ছবি আঁকেন বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যুবকটি টাওয়ারের একেবারে চূড়ায় বসে আছেন। তার দুই পা নিচের দিকে ঝুলছিল। পরে একই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় কর কমানোর দাবি জানান। পাশাপাশি বলেন, নিচে নামার আগে তার কাছে ড্রোনের মাধ্যমে একটি চিনাবাদামের মাখনের স্যান্ডউইচ পৌঁছে দিতে হবে।

তার এই দাবির পর পুলিশ ও ওই যুবকের মধ্যে দীর্ঘ সময় আলোচনা চলে। নিরাপত্তার কারণে সেতুর একটি লেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ভিক্টোরিয়া পুলিশের ভারপ্রাপ্ত সার্জেন্ট পল হোগান বলেন, কয়েক ঘণ্টা পর যুবকটি টাওয়ার থেকে নিচে নামলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জানান, যুবকের বিরুদ্ধে সেতুর বাইরের দেয়ালে স্প্রে দিয়ে ছবি আঁকার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ বারবার নিচে নামতে বললেও তিনি দীর্ঘ সময় সেই নির্দেশ মানেননি বলেও অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানায়, পুরো ঘটনায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাস্থলে ইউনিফর্মধারী পুলিশ, মহাসড়ক টহল পুলিশ, সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা দল, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং জল পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সেতুর গায়ে আঁকা ছবিটি ‘প্যাম দ্য বার্ড’ নামে পরিচিত একটি কার্টুন পাখির ছবির সঙ্গে মিল রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেলবোর্নের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে এই প্রতীক দেখা গেছে। শহরের ঐতিহাসিক ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট রেলওয়ে স্টেশনেও একই ধরনের ছবি আঁকা হয়েছিল। তবে কী কারণে শেষ পর্যন্ত ওই যুবক নিচে নামতে রাজি হন, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। এদিকে ঘটনার পর ওই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে লেখা হয়, 'স্যান্ডউইচ ছাড়াই এখানে ড্রোন উড়িয়ে পাঠানোর সাহস দেখাল!' পোস্টটি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত তার দাবি অনুযায়ী চিনাবাদামের মাখনের স্যান্ডউইচ পাঠানো হয়নি।