• ই-পেপার

প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে উসকানি বলা ভুল : তাইওয়ানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা

গোপনে বিয়ে করেছিলেন সিয়া-চেতন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
গোপনে বিয়ে করেছিলেন সিয়া-চেতন
প্রতীকী ছবি/এআই দিয়ে তৈরি

ভারতের পুনের ব্যবসাযী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে বাগদানের পর তার বাগদত্তা সিয়া গোয়েল গোপনে তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে বিয়ে করেছিলেন। আগামী নভেম্বরে সিয়া-কেতনের জমজমাট বিয়ের প্রস্তুতি এগিয়ে যেতেই সিয়া মরিয়া হয়ে কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা করে গত ১৮ জুন হবু বর কেতন আগরওয়ালকে পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেন সিয়া।

গত ফেব্রুয়ারিতে পুনের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে বাগদান হয় সিয়া গোয়েলের। যদিও তিনি এ বিয়েতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পারিবারিক মর্যাদার কথা ভেবে তিনি ওপরে ওপরে রাজি হলেও গোপনে বাগদত্তাকে হত্যার নিষ্ঠুর পরিকল্পনা করেন। ফেব্রুয়ারিতে বাগদানের পর সিয়া ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী গোপনে স্থানীয় এক ম্যারিজ রেজিস্ট্রার অফিসে বিয়ে করেন। সেই গোপন বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন সিয়ার এমন দুই বন্ধুকেও তদন্তের আওতায় এনেছে পুলিশ। তারা এখন সেই গোপন বিয়ের প্রমাণ খুঁজছে। সিয়ার মোবাইলে সেই বিয়ের ছবি থাকতে পারে বলেও পুলিশের ধারণা।

কেতনকে হত্যার পর সিয়া এবং চেতন তাদের মোবাইলের সব ডাটা মুছে ফেলেছেন। পুলিশ এখন সেই ডাটা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে, যাতে তাদের গোপন বিয়ে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হাজির করা যায়। গোপন বিয়ে গোপন রাখতে চেতন রেজিস্ট্রার অফিসে কোনো ঘুষ দিয়েছেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ সিয়া গোয়েলের বাসায় অভিযান চালিয়ে তার আরো একটি মোবাইল ফোন এবং ঘটনার দিন তার পরিধেয় পোশাক উদ্ধার করেছে। এদিকে চেতন চৌধুরীকে নিয়ে লোহাগড় দুর্গে গিয়ে অপরাধের দৃশ্যপট পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করছে পুলিশ। এর আগে সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গে নিয়ে অপরাধের দৃশ্যপট পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করে পুলিশ।

সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে হত্যার নিখুঁত পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন, যাতে পুলিশ তাদের সন্দেহ না করতে পারে বা ধরা পড়লেও যাতে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে না পারে। সিয়া ও চেতন হত্যার ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করলেও আদালত প্রমাণ চাইবেন। তাই পুলিশ এখন মুছে যাওয়া ডাটা পুনরুদ্ধার, ফোনালাপ, সিসিটিভি ফুটেজ—সব সংগ্রহ করছে অপরাধ প্রমাণের জন্য।

সিয়া হত্যা পরিকল্পনা সাজানোর সময় সিয়া মেঘালয়ে আলোচিত রাজা রঘুবংশী হত্যার ঘটনার নিবিড় পর্যালোচনা করেছিলেন। রাজা রঘুবংশীকে তার নববিবাহিতা স্ত্রী সোনম রঘুবংশী একইভাবে পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেছিল। সিয়া তার পরিকল্পনা সাজানোর সময় সোনম কী কী ভুল করেছিলেন, তা যাচাই করেন।

এদিকে আদরের নাতি কেতন আগরওয়ালের নির্মম হত্যার খবরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া তার দাদা দেবিচাঁদ আগরওয়াল গত শনিবার মারা গেছেন। কেতনের মৃত্যুর পর থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম আইন জারি করা দেশেও বয়স যাচাইয়ে ব্যর্থ

অনলাইন ডেস্ক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম আইন জারি করা দেশেও বয়স যাচাইয়ে ব্যর্থ
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ওপর বিশ্বের প্রথম আইন কার্যকর করা দেশ অস্ট্রেলিয়া। এ দেশে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করার আইন কার্যকর হলেও ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের প্রাথমিক ধাপেই বড় ধরনের দুর্বলতা ধরা পড়েছে। ফলে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পরামর্শ দেওয়া গবেষক দলের পরিচালিত ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, আইন কার্যকরের পর খোলা ৫০টি পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টের একটিতেও বয়সের প্রমাণ চাওয়া হয়নি। যদিও সব অ্যাকাউন্টেই ব্যবহারকারীর বয়স ১৬ বছর উল্লেখ করা হয়েছিল।

গত ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া আইনে ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খুলতে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স নিশ্চিত করতে ‘যৌক্তিক ব্যবস্থা’ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। একই সঙ্গে সরকার একাধিক পদ্ধতিতে বয়স যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে।

তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারী এখনো সহজেই এসব প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে পারছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসে অস্ট্রেলিয়া আইন লঙ্ঘনের সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ করে এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।

২০২৫ সালে এক হাজারের বেশি অস্ট্রেলিয়ানের ওপর বয়স যাচাই প্রযুক্তি পরীক্ষা চালানো প্রতিষ্ঠান কেজেআরের পরিচালক অ্যান্ড্রু হ্যামন্ড রয়টার্সকে বলেন, ‘আমাদের বয়স প্রমাণ করতে বলা উচিত ছিল। কিন্তু একবারও আমাদের বয়স যাচাই বা কোনো বয়স নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বলা হয়নি।’

গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টগুলো মেটার ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউবসহ বয়সসীমার আওতাভুক্ত ১০টির মধ্যে ৯টি প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় রয়েছে।

এ বিষয়ে হ্যামন্ড জানান, কিছু অ্যাকাউন্টে কিশোরদের জন্য ব্যাংকিং সেবার বিজ্ঞাপন দেখানো হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা যায় প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীর সম্ভাব্য বয়স সম্পর্কে ধারণা করেছিল।

এদিকে এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ১৬ বছর বয়স উল্লেখ করে খোলা একটি পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্টে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টও দেখানো হয়েছে।

তবে ব্যবহারকারী যদি সরাসরি নিজের বয়স ১৬ বছরের নিচে উল্লেখ করেন, তাহলে কোনো প্ল্যাটফর্মই তাকে অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি। একমাত্র অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক লাইভ-স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘কিক’ বয়সের প্রমাণ ছাড়া অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয়নি।

স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটক এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। গুগল ও এক্স কোনো জবাব দেয়নি।

মেটার এক মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেন, ‘পরীক্ষামূলক এই গবেষণাটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ, কোনো ব্যবহারকারীর আচরণে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার ইঙ্গিত মিললে বা অ্যাকাউন্টটি রিপোর্ট হলে তখনই আনুষ্ঠানিক বয়স যাচাইয়ের ধাপে যাওয়ার কথা।’

অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা এখনো বিশ্বাস করে যে প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সক্ষমতা রয়েছে।

এদিকে গবেষণার উপদেষ্টারা বলছেন, শুরু থেকেই তারা সতর্ক করেছিলেন যে বাস্তবে শিশু-কিশোররা ভুয়া জন্মতারিখ ব্যবহার করে সহজেই নিয়ম এড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু সেই বিষয়টি পরীক্ষার আওতায় আনা হয়নি।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেনের অস্ট্রেলিয়া প্রধান কোলম গ্যানন বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই নিয়ম এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল নিয়ে পরীক্ষা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বারবার বলা হয়েছিল, এটি গবেষণার অংশ নয়। এখন দেখা যাচ্ছে, ভুয়া তথ্য দিয়ে নিয়ম ফাঁকি দেওয়াই কিশোরদের প্রধান উপায় হয়ে উঠেছে।’

অন্যদিকে যুব ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞ আমান্ডা থার্ড রয়টার্সকে বলেন, ‘শুরুতে প্ল্যাটফর্মগুলো স্বঘোষিত অপ্রাপ্তবয়স্ক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করার দিকে জোর দিচ্ছে। বছরের মাঝামাঝি থেকে আরও উন্নত বয়স অনুমান প্রযুক্তি চালু হলে ভবিষ্যতে ফল আরও কার্যকর হতে পারে।’

ইন্দোনেশিয়াকে বহুমাত্রিক ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়াকে বহুমাত্রিক ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ভারত
রয়টার্স ছবি

বহুমাত্রিক উৎক্ষেপণ করা বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্রহ্মোস’ এবং আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ‘অ্যাস্ট্রা’ ইন্দোনেশিয়াকে সরবরাহ করতে যাচ্ছে ভারত। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজধানী জাকার্তা সফরকালে দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় এক সরকারি কর্মকর্তা।

ভারতীয় সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, প্রায় ৬৩ কোটি মার্কিন ডলারের এই প্রতিরক্ষা চুক্তি মোদির দুই দিনের ইন্দোনেশিয়া সফরেই সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস প্রাইভেট লিমিটেডের নির্মিত ‘ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র’ কেনা তৃতীয় দেশ হবে ইন্দোনেশিয়া। এর আগে ভারত থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়েছিল ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে এ সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই চুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে বড় অগ্রগতি এনে দেবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করবে। 

ব্রহ্মোস ও অ্যাস্ট্রার দৌরাত্ম্য কত?

ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘ব্রহ্মোস’ বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এটি স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়।

অন্যদিকে অ্যাস্ট্রা হলো দৃষ্টিসীমার বাইরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। যেটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, যা ইন্দোনেশিয়ার বিমানবাহিনীর রুশ নির্মিত ‘সুখোই যুদ্ধবিমানে’ সংযুক্ত করাও সম্ভব।

এর আগে মার্চ মাসে ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছিল, তারা ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তখন ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, চুক্তিটির সম্ভাব্য মূল্য ২০ থেকে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গত বছর পাকিস্তানের সঙ্গে ৪ দিনের সংঘাতে প্রথমবারের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে ব্রহ্মোস ব্যবহার করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রতি আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ এ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এদিকে জাকার্তা সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

2

ভারতীয় সূত্র জানিয়েছে, ব্রহ্মোস চুক্তির আওতায় ধাপে ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, অপারেটরদের প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ সেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি কারিগরি সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৮.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।

সফরের আগে মোদি বলেন, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফর ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি, ইন্দো-প্যাসিফিকে অবাধ, উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অঞ্চল গড়ে তোলার অঙ্গীকার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরো শক্তিশালী করবে।

পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলায় নিহত ৯, নিখোঁজ ৫

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলায় নিহত ৯, নিখোঁজ ৫
ছবি : ডন।

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের জিয়ারত জেলায় একটি পুলিশ চৌকিতে হামলায় অন্তত ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএইচও) রয়েছেন।

কর্মকর্তারা জানান, সোমবার গভীর রাতে মাঙ্গি ড্যাম এলাকায় অবস্থিত পুলিশ চৌকিতে সশস্ত্র হামলাকারীরা আক্রমণ চালায়। পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও একপর্যায়ে হামলাকারীরা চৌকিতে ঢুকে পড়ে। জিয়ারতের ডেপুটি কমিশনার আবদুল কুদ্দুস আছাকজাই জানান, এখনো পাঁচ পুলিশ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযান চলছে।

বেলুচিস্তান সরকারের উপদেষ্টা শহীদ রিন্দ বলেন, হামলার পর চালানো যৌথ অভিযানে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর ১৫ সদস্য নিহত হয়েছে। নিহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে মাঙ্গি ও কাওয়াস থানার দুই এসএইচও এবং সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর এক কর্মকর্তা রয়েছেন। হামলার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা কোয়েটা-জিয়ারত মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে গুরুত্বপূর্ণ কোয়েটা-ঝোব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং বহু যানবাহন আটকা পড়ে।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, শেহবাজ শরীফ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার অঙ্গীকার করেছেন।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সারফরাজ বুগতি নিহত পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে এবং প্রদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।

এদিকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা ৩১ শতাংশ কমেছে। মে মাসে ৭১টি হামলার ঘটনা ঘটলেও জুনে তা কমে ৪৯টিতে নেমে আসে।