• ই-পেপার

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩

পাকিস্তানের নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গি হামলা, ১২ সেনাসহ নিহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানের নিরাপত্তা চৌকিতে জঙ্গি হামলা, ১২ সেনাসহ নিহত ২৭
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে বিস্ফোরকবোঝাই যানবাহন নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ১২ সেনাসদস্যসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন দেশটির ট্যাংক জেলায় এ হামলার পরপরই পাল্টা অভিযানে ১২ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথভাবে পরিচালিত ওই চৌকিতে হামলা হয়। জঙ্গিরা প্রথমে নিরাপত্তা চৌকিতে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। তবে ব্যর্থ হলে তারা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি চৌকির বাইরের দেয়ালে আঘাত করে বিস্ফোরণ ঘটায়।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান নামে পরিচিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিযানে ৪ জন আত্মঘাতী হামলাকারী অংশ নিয়েছিল।

২০০৭ সাল থেকে টিটিপি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। সংগঠনটির লক্ষ্য দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করে তাদের কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, টিটিপি সদস্যরা আফগানিস্তানের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে হামলার পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নেয়। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের জঙ্গিবাদ তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

ইসরায়েল ইস্যুতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েল ইস্যুতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করল যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত ছবি

ইসরায়েল-সংক্রান্ত মালয়েশিয়ার অবস্থান ব্যাখ্যা করতে দেশটির যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পেন্টাগন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স

প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান জানান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ শাহরুল ইকরাম ইয়াকুব মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের নীতি এবং এতে নতুন কোনো পরিবর্তন নেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি সবসময়ই মালয়েশিয়ার নীতি। আমাদের অভিবাসন নীতিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র বা জায়নিস্ট শাসনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। বহুদিন ধরেই আমরা এই অবস্থান অনুসরণ করে আসছি।

মোহাম্মদ হাসান আরো জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী এক ব্যক্তি মার্কিন পাসপোর্ট ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন। পরে যাচাই-বাছাইয়ে তার ইসরায়েলি নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।

আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের

অনলাইন ডেস্ক
আফগান পুনর্বাসনের প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ জার্মান আদালতের
ছবি : রয়টার্স

জার্মানির সর্বোচ্চ আদালত শুক্রবার রায় দিয়েছে, আফগান নাগরিকদের জন্য আগে দেওয়া পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি সরকার একসঙ্গে বাতিল করতে পারবে না। প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এই রায় এসেছে এক আফগান মা ও তার দুই ছেলের করা মামলায়। তালেবান ২০২১ সালে আবার ক্ষমতায় ফেরার পর আগের জার্মান সরকার মানবাধিকার বিবেচনায় যেসব আফগানকে পুনর্বাসনের জন্য নির্বাচন করেছিল, এই পরিবারটি তাদের মধ্যে ছিল।

আদালত জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জার্মানির বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগতভাবে আবেদনগুলো পর্যালোচনা না করেই প্রায় ৬৪০ জন আফগানের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি বাতিল করে। আদালতের মতে, এটি সংবিধানে থাকা সরকারের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে থাকা নীতির লঙ্ঘন।

রায়ে আদালত বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিস্তৃত ক্ষমতা পেলেও সেই ক্ষমতা সীমাহীন নয়। কাউকে জার্মানিতে পুনর্বাসনের অনুমোদন দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। আদালত মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চ প্রশাসনিক আদালতে পাঠিয়েছে। বর্তমানে ওই আফগান নারী ও তার দুই ছেলে পাকিস্তানে অবস্থান করছেন। 

আদালত রায় দিয়েছে, তাদের ভিসা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা সংবিধান অনুযায়ী নতুন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানে তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ জার্মান সরকারকেই বহন করতে হবে। তবে আদালতের এই রায়ের বিষয়ে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।


 

আন্দোলনের মুখে কোন পথে হাঁটছে ভারত সরকার?

অনলাইন ডেস্ক
আন্দোলনের মুখে কোন পথে হাঁটছে ভারত সরকার?
ধর্মেন্দ্র প্রধান | ছবি : রয়টার্স

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ‘তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই উঠছে না।’

সরকারের শীর্ষ একটি সূত্র দেশটির গণমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের বিবেচনায় নেই। সূত্রের ভাষ্য, ‘পদত্যাগই সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত হতে পারে, কিন্তু সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না।’

সূত্রটি আরো জানায়, জনগণ সরকারকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কাজ চলছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একাধিক চক্রের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আরো অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে শুক্রবার কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে অংশ নিয়ে সিজেপি আবারও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে। বৈঠক শেষে দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে কেন্দ্র শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার নীতিগতভাবে দুটি দাবিতে সম্মত হয়েছে—নিট-সংক্রান্ত ঘটনায় আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর ও আইনি মামলা প্রত্যাহার।

বৈঠকে সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। অন্যদিকে সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।

বৈঠকের আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘সরকার যদি আন্দোলনের সমাধান চায়, তাহলে একমাত্র পথ হলো ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।’

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে সরকার অনড় অবস্থানে থাকায় আগামী শনিবারের সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী আলোচনার দিকেই এখন নজর রয়েছে।

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩ | কালের কণ্ঠ