• ই-পেপার

যুদ্ধে লেবাননে নিহত বেড়ে ১ হাজার ১১৬, বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ

ট্রাম্পের ক্ষমার পর দেশে ফিরলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের ক্ষমার পর দেশে ফিরলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট
ছবি : রয়টার্স

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ক্ষমার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে হন্ডুরাসে ফিরেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ। মাদক পাচারের দায়ে ৪৫ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হার্নান্দেজকে চার বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

রবিবার (২৬ জুলাই) দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানা পরিবারের সদস্য ও সমর্থকরা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় পর নিজের দেশে ফিরতে পেরে তিনি আবেগাপ্লুত। 

কারাগারে কাটানো সময়কে অত্যন্ত কঠিন অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি যেন কাউকেই মোকাবেলা করতে না হয়।

গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প হার্নান্দেজকে রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা প্রদান করেন। ট্রাম্পের দাবি ছিল, সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মাদক পাচারের মামলাটি তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনের সাজানো ছিল এবং তিনি ন্যায্য বিচার পাননি।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের মামলা থেকে মুক্তি পেলেও হন্ডুরাসে হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ বহাল রয়েছে। আগামী ৩ আগস্ট তাকে এসব অভিযোগে আদালতে হাজির হওয়ার কথা। যদিও জুন মাসে তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত হওয়ায় দেশে ফেরার পর তাকে আটক করা হয়নি।

এদিকে মানবাধিকারকর্মীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, প্রভাবশালী এই সাবেক প্রেসিডেন্টের বিচার সঠিকভাবে সম্পন্ন নাও হতে পারে।

তাদের মতে, বিচার প্রক্রিয়া কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। শেষ পর্যন্ত তিনি শাস্তি এড়িয়েও যেতে পারেন।

২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হার্নান্দেজ। এর আগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ও রাজনৈতিক প্রচারণায় অবৈধ অর্থ ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছিল।

বার্লিন প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত

অনলাইন ডেস্ক
বার্লিন প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত
সংগৃহীত ছবি

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে প্রাইড উদযাপনের কাছে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। জার্মান সংবাদমাধ্যম আরবিবি জানিয়েছে, নিহত সন্দেহভাজন ২১ বছর বয়সী আব্দুল বাল্লুত। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) রাত থেকে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে খোঁজা হচ্ছিল আবদুল বাল্লুতকে। পরে বার্লিনের স্পানডাউ জেলার একটি অ্যালটমেন্ট গার্ডেন কমপ্লেক্সে পুলিশের অভিযানে নিহত হন তিনি। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি বার্লিন পুলিশ।

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় বার্লিনের ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটের কাছে টিয়ারগার্টেন পার্কসংলগ্ন এলাকায় প্রাইড উদযাপনের কাছে জনতার ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ১ জন নিহত ও ২৯ জন আহত হন।

ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম এলজিবিটিকিউ আয়োজন ‘ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে’ উপলক্ষে লাখ লাখ মানুষ বার্লিনে সমবেত হন। তবে এ ঘটনার পর উৎসবস্থলজুড়ে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে আসে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের নিউ ইয়র্কের ঐতিহাসিক স্টোনওয়াল আন্দোলনের স্মরণে ১৯৭৯ সাল থেকে প্রতি বছর বার্লিনে সমতা ও বৈষম্যবিরোধী এই প্রাইড প্যারেড আয়োজিত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানিতে ভিড়ের ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে লাইপজিগ, ম্যানহাইম ও ম্যাগডেবার্গের ক্রিসমাস মার্কেটেও গাড়ি হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চায় বিজেপি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চায় বিজেপি
পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজোত সিং বেইন্স। ছবি: সংগৃহীত

একেই বলে রাজনীতি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরদিনই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজোত সিং বেইন্সের পদত্যাগের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছে বিজেপি।

প্রশ্ন ফাঁস এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে কেন্দ্রে বিজেপি আর কংগ্রেস মুখোমুখি হলেও পাঞ্জাবে আবার দুই দল অভিন্ন কণ্ঠে রাজ্য শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে। তাদের অভিযোগের তীর পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টির দিকে। তবে পাঞ্জাবে শাসক দল আম আদমি পার্টি প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রের নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের বিতর্ক থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই বিজেপি ও কংগ্রেস পাঞ্জাবে একজোট হয়ে এই মিথ্যা অভিযোগগুলো তুলছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিজেপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারী পাঞ্জাবের বেশ কয়েকটি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রশ্ন করেছেন, ‍’পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী কবে পদত্যাগ করছেন?’ দিল্লির যন্তর-মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ধারাবাহিক আন্দোলনে সশরীরে গিয়ে নৈতিকতার প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন আম আদমী পার্টির শীর্ষ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাই প্রদীপ ভান্ডারীর মূল লক্ষ্যও তিনি, ‘অরবিন্দ কেজরিওয়াল কবে নৈতিকতার খাতিরে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইবেন?’

একই সুর পাঞ্জাব কংগ্রেস প্রধান অমরিন্দর সিং রাজার কণ্ঠেও, ‘পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজোত বেইন্স কবে পদত্যাগ করবেন? চার বছর। ৬টি বড় প্রশ্নপত্র ফাঁস। অসংখ্য স্বপ্ন চূর্ণ। তবুও কোনো জবাবদিহিতা নেই। পাঞ্জাবের শিক্ষার্থীরা উত্তর পাওয়ার যোগ্য। তারা জবাবদিহিতা পাওয়ার যোগ্য। তারা একটি ভালো ভবিষ্যৎ পাওয়ার যোগ্য।’

তবে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান জোরালোভাবে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দুটি পরীক্ষায় নকলের অভিযোগ স্বীকার করলেও গত সাড়ে চার বছরে তার শাসনামলে রাজ্যে কোনো প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

ভগবন্ত বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে পাঞ্জাবে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, হবেও না। এটি আমার গ্যারান্টি। আমরা দুটি জায়গা থেকে নকল করার খবর পেয়েছিলাম। আমরা মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে নকলের ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা নকল চক্রের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছি।’

পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রী হরজোত সিং বেইন্সও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি বলেন, ‘আমার পদত্যাগে যদি পাঞ্জাবের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রকৃত উন্নতি হয়, তবে আমি যেকোনো মুহূর্তে পদত্যাগ করতে প্রস্তুত।’

রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ বাতিল, আদালতে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বীকারোক্তি

অনলাইন ডেস্ক
রাজনৈতিক বিবেচনায় বরাদ্দ বাতিল, আদালতে ট্রাম্প প্রশাসনের স্বীকারোক্তি
সংগৃহীত ছবি

তৃতীয় বিশ্বে অহরহ এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যাপারটা অভিনবই বটে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রকল্পের কয়েক বিলিয়ন ডলারের বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে জ্বালানি বিভাগ এ কথা স্বীকার করেছে।

ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল সরকার এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকাকে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ ও প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে; যা সম্পূর্ণ বেআইনি, অসাংবিধানিক এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ক্ষমতার অপব্যবহার।

ট্রাম্প প্রশাসন যখন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ অনুদান বাতিল করে, তখন ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক এর বিরুদ্ধে একটি যৌথ মামলা করেন। মামলায় মূল অভিযোগ ছিল, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব অনুদান বন্ধ করা হয়েছে। এই মামলারই অংশ হিসেবে গত ১৫ জুলাই জ্বালানি বিভাগ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক আইনি নথি আদালতে জমা দেওয়া হয়। সেখানে স্বীকার করা হয়, অনুদান বাতিলের সিদ্ধান্ত কোনো কাজের পারফরম্যান্স বা বাজেট কমানোর জন্য ছিল না; এটি নেওয়া হয়েছিল কেবলমাত্র রাজ্যগুলোর রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে।

এই নথির ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট প্রকাশ করলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও হৈচৈ শুরু হয়। আদালতে জমা দেওয়া নথি বিশ্লেষণ করে রিপোর্টে বলা হয়, গত নির্বাচনে যেসব রাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস জিতেছিলেন এবং যেসব রাজ্যে দুজন সিনেটরই ডেমোক্র্যাট দলের; কেবল সেইসব ডেমোক্র্যাটশাসিত রাজ্যগুলোর কয়েক বিলিয়ন ডলারের ২৮৪টি প্রকল্পের অনুদান বাতিল করা হয়েছে। বিপরীতে, ট্রাম্প সমর্থিত রিপাবলিকানশাসিত রাজ্যগুলোর তহবিল বহাল রাখা হয়েছে।

তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিবেচনার অভ্যাস একেবারে নতুন নয়। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া এবং ডেমোক্র্যাট-শাসিত রাজ্যগুলোতে ফেডারেল অর্থায়ন বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাম্প প্রশাসন ডেমোক্র্যাট-শাসিত ৫টি রাজ্যের সামাজিক সেবামূলক খাতের ১০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল স্থগিত করার চেষ্টা করেছিল। যদিও পরে তারা সেই প্রচেষ্টা থেকে সরে আসে। গত ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি  বিভিন্ন রাজ্যের জন্য দীর্ঘকাল ধরে আটকে থাকা ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দুর্যোগ সহায়তা তহবিল ছাড় করে। তবে এতে এমন কয়েকটি ডেমোক্র্যাট-শাসিত রাজ্যকে বাদ দেওয়া হয়, যাদের গভর্নরদের সঙ্গে ট্রাম্পের বিরোধ ছিল।

সিনেটের মাইনোরিটি লিডার ও ডেমোক্র্যাট সদস্য চাক শুমার আদালতে জ্বালানি বিভাগের স্বীকারোক্তিকে ‘নজিরবিহীন ট্রাম্পবাদ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এটি এমন একটি বিষয় যা আমাদের কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেওয়া উচিত নয়। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ শুমার লিখেছেন, ‘ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করছেন যে তিনি কঠোর পরিশ্রমী পরিবারগুলোর ওপর আঘাত হানছেন, যাতে তিনি সেইসব আমেরিকানদের ওপর প্রতিশোধ নিতে পারেন, যারা তাকে ভোট দেয়নি। এটি অত্যন্ত অসুস্থ ও বিকৃত মানসিকতা। তার অহংকার এতটাই ঠুনকো যে, সামান্য প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তিনি এমন সব পরিবারকে শাস্তি দিচ্ছেন, যারা দুবেলা অন্নসংস্থানের জন্য এমনিতেই সংগ্রাম করছে।’

মেরিল্যান্ডের কংগ্রেস সদস্য জেমি রাস্কিন ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে আমেরিকার সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেছেন এবং অবিলম্বে এই তহবিলগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এক্স-এ রাস্কিন লিখেছেন, ‘এই গণ-দলীয় প্রতিশোধমূলক আচরণ অত্যন্ত জঘন্য, আপত্তিকর, বিপজ্জনক, বেআইনি, অসাংবিধানিক, দেশদ্রোহী এবং এই প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি মস্ত বড় অপরাধ। ট্রাম্প জানতেন বাইডেন আমলের এই অনুদানগুলো আমেরিকান জনগণের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল; আর সেই কারণেই তিনি রেড স্টেট (রিপাবলিকান-শাসিত)-গুলোর অনুদান কাটেননি। কিন্তু ব্লু স্টেটগুলোর (ডেমোক্র্যাট শাসিত) অনুদান কেটে দিয়েছেন।’

উভয় কক্ষের বাজেট বরাদ্দকারী কমিটির দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য ওহাইও-র রিপ্রেজেন্টেটিভ মার্সি ক্যাপ্টুর এবং ওয়াশিংটনের সিনেটর পটি মারে এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটি একটি বিস্ময়কর স্বীকারোক্তি যে প্রেসিডেন্ট এবং তার দল রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে ভালো কর্মসংস্থান ধ্বংস করতে এবং কঠোর পরিশ্রমী পরিবারগুলোকে শাস্তি দিতে দুর্নীতিগ্রস্তভাবে তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে, ফেডারেল সরকারকে এভাবে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে আমেরিকা-বিরোধী।’

যুদ্ধে লেবাননে নিহত বেড়ে ১ হাজার ১১৬, বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ | কালের কণ্ঠ