• ই-পেপার

শি চিনপিংয়ের হুঁশিয়ারি

তাইওয়ানকে একত্র হতেই হবে

গাজার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৭

অনলাইন ডেস্ক
গাজার পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৭
ছবি : রয়টার্স

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।

গাজা সিটি থেকে আলজাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ জানান, পুলিশ স্টেশনটিতে এক ঘণ্টার মধ্যে পরপর ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে একটি ইসরায়েলি ড্রোন।

নিহতদের মধ্যে পুলিশ স্টেশনের পরিচালক, উপপরিচালকসহ আরো ৫ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। তারা বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি শিবিরের মধ্যবর্তী বাজার এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজাজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবকাঠামো ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলার ফলে গাজায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো ভেঙে পড়ছে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাজুড়ে বিশৃঙ্খলা ও ক্ষমতার শূন্যতা আরো গভীর হচ্ছে।

ব্লুমবার্গকে সাড়ে ৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
ব্লুমবার্গকে সাড়ে ৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

সিঙ্গাপুরের দুই মন্ত্রীর সম্পত্তি লেনদেন নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের জেরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। মানহানির অভিযোগ করা এই মামলার রায়ে প্রতিবেদক ও সংবাদমাধ্যমটিকে ৪ লাখ ৬০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মার্কিন ডলার) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলাটি করেছিলেন সিঙ্গাপুরের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক সমন্বয়মন্ত্রী কে শানমুগাম এবং জনশক্তিমন্ত্রী ট্যান সি লেং। ২০২৪ সালে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে তাদের সম্পত্তি লেনদেনের উল্লেখ থাকায় তারা মানহানির অভিযোগ আনেন।

ব্লুমবার্গের দাবি ছিল, প্রতিবেদনে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়নি; বরং সিঙ্গাপুরে বিলাসবহুল বাড়ি কেনাবেচার একটি বৃহত্তর প্রবণতার উদাহরণ হিসেবে তাদের লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। তবে রায়ের পর এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কী ছিল?

‘Singapore Mansion Deals Are Increasingly Shrouded in Secrecy’ শিরোনামের প্রতিবেদনে সিঙ্গাপুরের বহুমূল্যের ‘গুড ক্লাস বাংলো’ কেনাবেচায় গোপনীয়তা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, অনেক ধনী ক্রেতা নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে শেল কম্পানি বা ট্রাস্টের মতো ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব সম্পত্তি কিনছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কে শানমুগাম একটি বাংলো ৮ কোটি ৮০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারে ট্রাস্টের মাধ্যমে এক অজ্ঞাত ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া ট্যান সি লেং প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারে একটি গুড ক্লাস বাংলো কিনেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি এমন একটি ‘শর্তহীন চুক্তি’ পদ্ধতিতে সম্পত্তি কিনেছেন, যা লেনদেনে কারা জড়িত তা অনুসরণ করা তুলনামূলক কঠিন করে তোলে।

কেন মামলা করেছিলেন দুই মন্ত্রী?

প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই দুই মন্ত্রী মানহানির মামলা করার ঘোষণা দেন। গত এপ্রিলে শুনানিতে তাদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, প্রতিবেদনে সম্পত্তি লেনদেনের গোপনীয়তা ও অর্থপাচারের ঝুঁকি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দুই মন্ত্রীর লেনদেনের উল্লেখ করায় সাধারণ পাঠকের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের ইঙ্গিত তৈরি হয়েছে।

শানমুগামের দাবি ছিল, তার সম্পত্তি বিক্রির বিষয়টি কেন্দ্র করেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে।

অন্যদিকে ব্লুমবার্গ ও প্রতিবেদক লো ডে ওয়ে আদালতে বলেন, প্রতিবেদনে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো অসদাচরণের অভিযোগ করা হয়নি; তাদের কেবল ‘সংবাদযোগ্য’ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের আইনজীবীদের দাবি, বাদীপক্ষ প্রতিবেদনের সবচেয়ে নেতিবাচক ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে, যা সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি নয়।

আদালতের রায়

হাইকোর্টের বিচারপতি অড্রি লিম রায়ে বলেন, পুরো প্রতিবেদন একসঙ্গে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই এমন ধারণা তৈরি হয় যে দুই মন্ত্রী বিদ্যমান নিয়মের সুযোগ নিয়ে অস্বচ্ছ উপায়ে সম্পত্তি লেনদেন করেছেন এবং অর্থপাচারের সম্ভাবনা নিয়ে যে তদন্ত হতে পারত, তা এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

বিচারপতির ভাষায়, এ ধরনের ইঙ্গিত দুই মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সততা, চরিত্র ও পেশাগত সুনামকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ কারণেই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল দিল্লি

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল দিল্লি
সংগৃহীত ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে ইরানের হামলায় একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আহত হয়েছে আরো ১০ জন। এ ঘটনায় ইরানের উপরাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক বিবৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার দিনগত রাতে ওমান উপকূলের কাছে ইরানি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ‘আল বাহিয়াহ’ ও ‘মোমবাসা’ নামের দুটি তেলবাহী ট্যাংকার। এ সময় সেগুলোতে মোট ৪৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলেন, আল বাহিয়াহ জাহাজে থাকা ১২ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং আরেকজন আহত হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মোমবাসা জাহাজে ১৮ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ৯ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে দুজনের আঘাত গুরুতর।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব হামলার বিরুদ্ধে ‘কঠোর প্রতিবাদ’ জানাতে তারা ইরানের উপরাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আমরা নাবিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত এসব হামলা এবং হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক নৌপথে অবাধ ও নিরাপদ চলাচল ব্যাহতকারী সহিংস কর্মকাণ্ডের কঠোর নিন্দা জানাই।’

স্থলযুদ্ধের নতুন রূপ দিচ্ছে ইউক্রেন

অনলাইন ডেস্ক
স্থলযুদ্ধের নতুন রূপ দিচ্ছে ইউক্রেন
সংগৃহীত ছবি

শুরুতে আকাশে উড়ন্ত ড্রোন বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছিল ইউক্রেন। তবে এখন নীরবে আরেকটি প্রযুক্তিগত বিপ্লব ঘটছে মাটিতে। যাকে সামরিক ভাষায় বলা হয় ‘আনম্যান্ড গ্রাউন্ড ভেহিকল’ বা ইউজিভি। এর মাধ্যেমে যুদ্ধের সম্মুখসমরের বিপজ্জনক কাজগুলো এই স্থলভাগের রোবট বা চালকবিহীন যান দিয়ে প্রতিস্থাপন করছে। ফলে এখন রসদ পরিবহন, গোলাবারুদ বহন, আহত সেনাদের উদ্ধার, মাইন পাতা, এমনকি শত্রুর ট্রেঞ্চ দখলের মতো ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। 

ইউক্রেনের সেনারা বলছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে এসব রোবট এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কারণ রাশিয়ার ড্রোন হামলার কারণে সামনের সারির সেনাদের দীর্ঘ সময় মাটির নিচের বাংকারে অবস্থান করতে হয়। ফলে বিপজ্জনক এলাকায় মানুষের পরিবর্তে রোবট পাঠানোই নিরাপদ বিকল্প হয়ে উঠেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত এপ্রিলে দাবি করেন, দেশটির বাহিনী কেবল আকাশ ও স্থল ড্রোন ব্যবহার করেই একটি রুশ অবস্থান দখল করেছে। ওই অভিযানে ইউক্রেনের কোনো সেনাকে সরাসরি ঝুঁকির মুখে যেতে হয়নি।

দি নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, স্থল রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে ইউক্রেন বর্তমানে বিশ্বের অনেক উন্নত সামরিক শক্তিকেও ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু বড় আশ্চর্যের বিষয় হলো এই প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বড় সফটওয়্যার প্রকৌশলীরা নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করা মেকানিক, ওয়েল্ডার এবং পদাতিক সেনারা, যারা নিজেদের অভিজ্ঞতা দিয়ে বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী এসব রোবট তৈরি করছেন।

ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ইউফোর্স কম্পানির বোর্ড চেয়ারম্যান ওলেক্সি হনচারুক মার্কিন সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, আকাশযানের ড্রোন দ্রুত উন্নত হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের হাতে। কিন্তু স্থল রোবটের উন্নয়ন হয়েছে সামনের সারির সেনা ও মেকানিকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে। যেখানে মূল লক্ষ্য ছিল কঠিন কাজগুলোকে আরো কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা।

প্রাণ বাঁচানোর নতুন হাতিয়ার

রাশিয়ার তুলনায় ইউক্রেনের সেনাসংখ্যা কম হওয়ায় প্রতিটি সেনার জীবন রক্ষা দেশটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই স্থল ড্রোনের কারণে যুদ্ধক্ষেত্রে ‘কিল জোন’ বা প্রাণঘাতী এলাকা অনেক বিস্তৃত হয়েছে। ফলে এমন কিছু গোপন জায়গা তৈরি হয়েছে যে, যেখান থেকে সামনের অবস্থানে পৌঁছানোই সেখানে অবস্থান করার চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

এ কারণে ইউক্রেনের বিভিন্ন ব্রিগেডে শত শত স্থল রোবট মোতায়েন করা হয়েছে। কে-২ ব্রিগেডের একটি স্থল রোবট ইউনিটের কমান্ডার মেজর ওলেক্সান্দর জানান, তাদের ইউনিটে ৬০০-এর বেশি রোবট রয়েছে এবং প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়টি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, সৈন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে শুধু রসদ পরিবহনের জন্যই চালক সংকট দেখা দিত। স্থল রোবট সেই সমস্যার সমাধান করেছে। এগুলো ছোট হওয়ায় সহজে শনাক্ত করা যায় না এবং ধ্বংস হলেও কোনো সেনার প্রাণহানি ঘটে না।

৩৬তম ব্রিগেডের সার্জেন্ট দিমিত্রো ইভানভ জানান, পর্যাপ্ত রোবট পাওয়ার পর তাদের ইউনিটে রসদ পরিবহন ও সরবরাহের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ মানুষ ছাড়াই সম্পন্ন হচ্ছে।

মেকানিক থেকে কমান্ডার

৯৩তম মেকানাইজড ব্রিগেডের ক্যাপ্টেন ওলেক্সান্দর খারকোভেৎস যুদ্ধের আগে একটি অটোমোটিভ ইলেকট্রনিকস কর্মশালা পরিচালনা করতেন। ২০২৩ সালে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে বাখমুতের ধ্বংসস্তূপে বাড়ি বাড়ি যুদ্ধের সময় তিনি উপলব্ধি করেন যে, মানুষের পরিবর্তে এসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ যন্ত্রের মাধ্যমেই করা সম্ভব।

পরে তিনি একটি রিমোট কন্ট্রোল গাড়িতে হুক ও মেশিনগান সংযুক্ত করেন, যাতে নিহত বা আহত সেনাদের উদ্ধার করার পাশাপাশি প্রয়োজনে পাল্টা গুলিও চালানো যায়। ওই বছরের শেষ দিকে এই রোবটের মাধ্যমে এমন একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এক সপ্তাহ ধরে বিশেষ বাহিনীও উদ্ধার করতে পারেনি।

সীমাবদ্ধতা কোথায়?

তবে স্থল রোবট এখনো সব পরিস্থিতিতে কার্যকর নয়। খোলা সমতল এলাকায় এগুলো সহজেই শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। মানুষের মতো গাছে ওঠা, ট্রেঞ্চে লাফ দেওয়া বা পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও নেই।

এসব সীমাবদ্ধতা কাটাতে প্রকৌশলীরা রোবটে ক্ষুদ্র আকারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজন এবং বন্ধু-শত্রু শনাক্তের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন।

যুদ্ধক্ষেত্রে এত এত সীমাবদ্ধতার পরেও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, ভবিষ্যতের সেনাবাহিনী স্থল রোবট ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। ২০২৬ সালে দেশটি ৫০ হাজার স্থল রোবট উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

এদিকে রাশিয়াও স্থল রোবট ব্যবহার করছে, তবে ইউক্রেনের তুলনায় অনেক কম।

ইউক্রেনের গ্রাউন্ড রোবট সিস্টেম নির্মাতাদের সংগঠনের প্রধান মাকসিম ভাসিলচেঙ্কো বলেন, একটি সাঁজোয়া পদাতিক যান কেনার অর্থে একটি ব্রিগেড ৭৭টি স্থল রোবট কিনতে পারে। অর্থাৎ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলেই ৭৭ বার অভিযান পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

রোবটযুদ্ধ

শুরুতে এসব রোবট মূলত রসদ পরিবহনে ব্যবহৃত হলেও এখন সরাসরি যুদ্ধেও অংশ নিচ্ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইউক্রেনের খারতিয়া কর্পস ইতিহাসের প্রথম সম্পূর্ণ রোবটনির্ভর স্থল হামলা পরিচালনা করে।

মেশিনগান, ফ্লেমথ্রোয়ার ও বিস্ফোরক বহনকারী স্থল রোবট এবং আকাশের ড্রোন একসঙ্গে অভিযান চালিয়ে রুশ অবস্থানে হামলা চালায় রোবট।

বর্তমানে কিছু রোবট শুধু হামলাই নয়, আত্মসমর্পণকারী রুশ সেনাদের নিরাপদে ইউক্রেনীয় অবস্থানে নিয়ে আসার কাজও করছে।

তৃতীয় অ্যাসল্ট ব্রিগেডের জুনিয়র লেফটেন্যান্ট মাইকোলা জিনকেভিচ নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান, তাদের একটি ভারী মেশিনগান-সজ্জিত স্থল রোবট টানা ৪৫ দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান পাহারা দিয়েছে।

তাইওয়ানকে একত্র হতেই হবে | কালের কণ্ঠ