• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই ইয়েমেনে অভিযান চালানো হবে: সৌদি

ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা: এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক
ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যাংকে জিম্মি ঘটনা: এফবিআইয়ের গুলিতে নিহত ১

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বেকার্সফিল্ড শহরের একটি ব্যাংকে দীর্ঘ সময় ধরে জিম্মি পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এক ব্যক্তি এফবিআইয়ের অভিযানে নিহত হয়েছেন। বুধবার স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় জিম্মি থাকা সব ব্যক্তিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ড শহরে অবস্থিত বহুতল চেজ ব্যাংক ভবনের ভেতরে কয়েকজনকে জিম্মি করে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ওই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলটি লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার উত্তরে। প্রাথমিকভাবে বোমা হামলার হুমকির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছায়।

আরো পড়ুন
যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

যত রেকর্ড ডাকছে মেসিকে

 

পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মঙ্গলবার দুই জিম্মিকে মুক্ত করা হয়। পরে বুধবার অবশিষ্ট জিম্মিদেরও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বোমা হামলার হুমকি এবং কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিটি হল, পুলিশ সদর দপ্তর, আশপাশের কয়েকটি ভবন এবং একাধিক সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশের আলোচক দল টেলিফোনের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালায়। এ সময় বেকার্সফিল্ড পুলিশের সার্জেন্ট এরিক সেলেডন বলেন, জিম্মি সংকট নিরসনে ও শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্ভাব্য সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পেল ভারত

নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পেল ভারত

 

তিনি জানান, সোয়াট টিম, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, কে-নাইন দল, গ্যাং ইউনিট, আলোচক দল এবং ড্রোন ইউনিটসহ সব বাহিনী ঘটনাস্থলে কাজ করছিল।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের বিশেষ জিম্মি উদ্ধারকারী দলও অভিযানে অংশ নেয়।

আরো পড়ুন
বিশ্বকাপ জিতিয়েও অধিনায়কত্ব হারালেন সূর্যকুমার

বিশ্বকাপ জিতিয়েও অধিনায়কত্ব হারালেন সূর্যকুমার

 

এদিকে চেজ ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের শাখা ভবনে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা অবগত ছিল এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছিল। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট শাখাটি খালি করা হয়েছিল।

ঘটনার বিষয়ে নজর রাখছিলেন বেকার্সফিল্ডের মেয়র ক্যারেন গো। তবে সন্দেহভাজনের পরিচয় ও ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-লেবানন

অনলাইন ডেস্ক
যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-লেবানন
সোমবার লেবাননের টায়ারে একটি হাসপাতালের কাছে ইসরায়েলি হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য। ছবি : রয়টার্স

আবারও যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে লেবানন-ইসরায়েল। ওয়াশিংটনে দুপক্ষের আলোচনার পর যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে বৈরুত ও তেলআবিবের যৌথ সম্মতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সম্পূর্ণরূপে হামলা বন্ধ করে দক্ষিণ লিতানি নদী থেকে সব সদস্যদের সরিয়ে নেবে হিজবুল্লাহ। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেবে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। মার্চে দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। হিজবুল্লাহও পাল্টা আঘাত হানে।

সাম্প্রতিক এ সংঘাতে হাজারের বেশি লেবাননি নিহত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

অনলাইন ডেস্ক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস করেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি

গতকাল বুধবার (৩ জুন) ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে গৃহীত হয়। ভোটাভুটিতে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে চারজন রিপাবলিকান সদস্যও প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও প্রস্তাবটি পাস হওয়াকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রস্তাবে চলমান ইরান যুদ্ধ বন্ধে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এটি এখনই আইনে পরিণত হচ্ছে না। কার্যকর হওয়ার জন্য প্রস্তাবটি সিনেটেও পাস হতে হবে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য ভেটো অতিক্রম করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা সীমিত হলেও প্রস্তাবটি ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অসন্তোষের স্পষ্ট বার্তা বহন করছে। এর আগে একই ধরনের তিনটি উদ্যোগ প্রতিনিধি পরিষদে ব্যর্থ হয়েছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। আগামী শনিবার এ সংঘাতের ১০০ দিন পূর্ণ হবে। যদিও গত ৮ এপ্রিল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও এই সময়ের মধ্যে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রাজকীয় ক্ষমায় মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রাজকীয় ক্ষমায় মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী
রয়টার্স ছবি

কারামুক্তি পাচ্ছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। রাজকীয় ক্ষমার মাধ্যমে তার বাকি কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। এখন বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তিনি পুরোপুরি মুক্তি পাবেন।

থাইল্যান্ডের বিচারমন্ত্রী রুত্থাফন নাওয়ারাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানায় ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু।

তিনি বলেন, রাজকীয় ক্ষমাপ্রাপ্ত বন্দিদের তালিকায় থাকসিন সিনাওয়াত্রার নাম রয়েছে। তবে মুক্তির আগে কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

রাজকীয় ক্ষমা 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে থাইল্যান্ডের সরকারি রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন রানি সুথিদার ৩ জুনের জন্মদিন উপলক্ষে নির্বাচিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা প্রদান করেছেন।

তবে থাকসিনের আইনজীবী উইনইয়াত চার্টমনত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করতে পারেননি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, তার যোগ্যতা বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে, তিনি রাজকীয় ক্ষমা ও মুক্তির সুবিধা পাওয়ার শর্ত পূরণ করেন।

নির্বাসন শেষে কারাবন্দি

৭৬ বছর বয়সী ধনকুবের রাজনীতিক থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০২৩ সালের আগস্টে ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাসন শেষে থাইল্যান্ডে ফিরে আসেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় স্বার্থের সংঘাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আট বছরের কারাদণ্ড ভোগের জন্যই তিনি দেশে ফেরেন। যেদিন তিনি দেশে ফেরেন, সেদিনই তার মিত্র রাজনৈতিক শক্তি পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করে।

দেশে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই থাকসিনকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় হৃদ্‌যন্ত্র ও বুকে জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে রাজকীয় অনুকম্পায় তার আট বছরের সাজা কমিয়ে এক বছরে নামিয়ে আনা হয়।

প্যারোলে মুক্তি

তিনি ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর প্যারোলে মুক্তি পান। গত মাসে প্যারোলে মুক্তি পেলেও তার এক বছরের সাজা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। সেই হিসাবে তার আরো তিন মাসের কিছু বেশি সময়ের সাজা বাকি ছিল।

আইনি জটিলতা

গত বছর থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, থাকসিনের দীর্ঘ হাসপাতাল অবস্থান পুরোপুরি ন্যায্য ছিল না। আদালত নির্দেশ দেন, অবশিষ্ট সাজা তাকে কারা হেফাজতেই ভোগ করতে হবে। ফলে তার আইনি পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে ওঠে। তবে সর্বশেষ রাজকীয় ক্ষমার ফলে সেই অবশিষ্ট সাজাও কার্যত বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

দুই দশক ধরে থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ও একই সঙ্গে সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তার নেতৃত্বে কিংবা তার পরিবারের সমর্থনে পরিচালিত একাধিক জনমুখী সরকার থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

বিশেষ করে সিনাওয়াত্রা পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে দেশটির ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ভূমিকা পালন করেছে। গত বছর ফেউ থাই পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থাকসিনের রাজনৈতিক ও আইনি চাপ আরও বেড়ে যায়। এরপর তার সাবেক মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হওয়া অনুতিন চানভিরাকুল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন।

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই ইয়েমেনে অভিযান চালানো হবে: সৌদি | কালের কণ্ঠ