অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া কঙ্গনা রানাউত ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির হয়ে আন্দোলনে থাকা জেনারেশন জি’কে ‘জেনারেশন গাটার’ বা নর্দমার প্রজন্ম বলায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সিজেপি।
কঙ্গনার মন্তব্যের জবাবে সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জেন জি এই দেশের জন্য আপনার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করেছে এবং তারা তা করে চলেছে। জেন জি দেশের গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কাজ করেছে, যা আপনি করেননি। সুতরাং, আপনার অবশ্যই এটি মাথায় রাখা উচিত।’
সাংবাদিকরা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রথমে অবশ্য পাত্তাই দিতে চাননি সৌরভ। তিনি বলেন, ’দেখুন, কঙ্গনা রানাউতের নিজের দলের লোকেরাই তাকে খুব একটা পাত্তা দেয় না বা গুরুত্ব সহকারে নেয় না, তাহলে আমরা কেন দেব? আমার মনে হয় না জেন জি, জেন আলফা বা কম বয়সী প্রজন্মের কেউ তাকে গুরুত্ব দেয় বা তার কথা শোনে।’
সৌরভ দাস বলেন, ‘তিনি এখন একজন রাজনীতিবিদ। হিমাচলে তার নিজস্ব নির্বাচনী এলাকায় সফরের কিছু ভিডিও ছিল, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে তিনি ভেবেছিলেন এমপি হওয়ার কাজে পরিশ্রম খুব কম। কিন্তু পরে দেখা গেল এতে প্রচুর খাটনি রয়েছে। এটিই তার গুরুত্বের মাত্রা প্রকাশ করে।
সৌরভ বলেন, তিনি আমাদের 'নর্দমার প্রজন্ম' বলে নিজেই নিজের গুরুত্বহীনতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। কঙ্গনার শব্দচয়নকে অনুচিত বলে অভিহিত করে সৌরভ বলেন, রাজনীতিবিদদের তাদের ভাষার প্রতি আরো যত্নশীল হওয়া উচিত এবং তাদের পদের মর্যাদা বজায় রাখা উচিত।
আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মের বিভিন্ন স্লোগান ও পোস্টের কথা উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেছিলেন, ‘আমি আমার জীবনে এক জায়গায় এত নোংরামি কখনো দেখিনি। জেন জি আন্দোলনের এই রিলগুলো বমি আসার মতো। তিনি বলেছিলেন, 'ইশশ, কে যে এদের জন্ম দিয়েছে, আর বড় করছে?'
আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণীদের 'তথাকথিত পশ্চিমা সংস্কৃতির ভারতীয় নারী' আখ্যা দিয়ে কঙ্গনা বলেছিলেন, 'তারা এতটাই কলুষিত ও কুৎসিত যে তারা গৃহিণী হওয়ারও যোগ্য নয়। তারা ড্রাগস নেওয়া, মদ্যপান করা এবং নির্লজ্জের মতো মা-বাবার উপার্জনে বেঁচে থাকার স্বাধীনতা নিয়ে গর্ববোধ করে।'
জেনারেশন জি'কে 'জেনারেশন গাটার' বা 'নর্দমার প্রজন্ম' বলে আখ্যা দিয়ে কঙ্গনা বলেছিলেন, 'তাদের অনেকেরই সমাজ বা ব্যবস্থাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তারা পড়াশোনাতেও ভালো নয়। তারা এতটাই কুৎসিত ও কলুষিত যে তারা সংসারীও হতে পারবে না।'




