kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

‘তিনি এলেন, বললেন এবং চলে গেলেন’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৯:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘তিনি এলেন, বললেন এবং চলে গেলেন’

কবিতার বুনটে সময়কে তিনি ধরে রাখেন, যখনই সময় পান। গর্জে ওঠে তাঁর কবিসত্তা। আগুন ঝরে কলমে। কবি হিসেবে কেউ কেউ তাঁকে উপহাস করেন ঠিকই। কবিতার প্রসাদগুণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু, কলম থেমে থাকে না। 

দিনশেষে বিনিদ্র চোখে একান্তে কলম-মুখে ভাষা ফোটে প্রতিবাদের। নিজেকে শাণিত কোরে তোলেন বাংলার ‘অগ্নিকন্যা’। তা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের উপর বহিরাগত হামলা হোক বা দিল্লি হিংসা। 
এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও কটাক্ষ করে কবিতা লিখলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুদিনের ভারত সফরের সময়ই সবথেকে বেশি জ্বলছিল দিল্লি। যা নিয়ে প্রশ্নও করা হয়েছিল স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। উত্তর এসেছিল, ‘এগুলো ভারতের ব্যক্তিগত হিংসার ফল। তারা নিজেরাই বুঝে নেবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই প্রতিক্রিয়া অবাক করেছিল অনেককেই। এবার কবিতার মাধ্যমে যেন আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শিরোনামহীন কবিতা। তবে সেই জায়গায় রয়েছে একটি জিজ্ঞাসা চিহ্ন (?)। মমতা লিখছেন, ‘তিনি এলেন, বললেন, এবং চলে গেলেন / আমার মাতৃভূমি জ্বলতে থাকল / বিচলিত শঙ্কিত উদ্বিগ্ন / হৃদয় আমার ক্রন্দন রত / মৃত্যু মিছিল বেড়ে চলল।’ সেই লেখার অনুবাদও তিনি করেছেন ইংরেজিতে। 
এর আগে দিল্লির হিংসা নিয়েও একটি কবিতা লিখেছিলেন মমতা, নাম দিয়েছিলেন ‘নরক’। তারও আগে সিএএ, এনআরসির বিরুদ্ধেও কবিতা লিখেছেন মমতা। কবিতার নাম ‘অধিকার’।

সূত্র: এই সময়

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা