• ই-পেপার

জাতীয় দলের কোচ হিসেবে পিরলোর নাম বাতিল করল ইতালি

পর্তুগালের হয়ে রোনালদো অধ্যায়ের সমাপ্তির পথে

ক্রীড়া ডেস্ক
পর্তুগালের হয়ে রোনালদো অধ্যায়ের সমাপ্তির পথে

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষে অনেক ফুটবলার ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছে। অনেকে অবসরে নিয়ে ভাবছেন। তার মধ্যে দুই নাম বেশ আলোচনায়। দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও  ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার এখনো দলে খেলের সুযোগ থাকলেও রোনালদোর খেলার নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বেনফিকার সাবেক সভাপতি লুইস ফিলিপে ভিয়েইরা। তিনি দাবি করেছেন, পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুসের অধীনে রোনালদো দলে নিয়মিত শুরুর একাদশে থাকার নিশ্চয়তা পাবেন না।

ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম  মার্কার এক প্রতিবেদনে বেনফিকার সাবেক প্রধানের এই বক্তব্য এবং জেসুসের অধীনে রোনালদোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়টি উঠে এসেছে।

পর্তুগালের রেডিও স্টেশন অ্যান্টেনা ওয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লুইস ফিলিপে ভিয়েইরা বলেন, ‌‘রোনালদো এখন ক্যারিয়ারের শেষপ্রান্তে রয়েছেন । তিনি হয়তো কিছু ম্যাচে খেলবেন, আবার কিছু ম্যাচে সাইডবেঞ্চে থাকবেন।’

কোচ হিসেবে জর্জ জেসুস এই জটিল পরিস্থিতি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সামলাতে পারবেন । রোনালদোর সাথে জেসুসের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে, যা দলের অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়াকে সহজ করবে বলে যোগ করেন তিনি।

জেসুস দায়িত্ব নেওয়ার পর স্পষ্ট করেছেন, তিনি হুট করে জাতীয় দলে বড় কোনো পরিবর্তন আনবেন না। রোনালদো যতদিন ফিট থাকবেন এবং খেলার মতো পরিস্থিতিতে থাকবেন, ততদিন তাকে দলে বিবেচনা করা হবে।

বেনফিকা ও ফ্লামেঙ্গোর সাবেক কোচ মনে করেন, চার বছরের চুক্তি শুরু করার পর ধারাবাহিকতা বজায় রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পর্তুগালের পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচগুলোর আগে হাতে সময় খুব কম।

 

এই অবস্থান থেকে বোঝা যায়, রোনালদো দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকবে। তবে পরবর্তী বিশ্বকাপ নিয়ে দলের পরিকল্পনায় এই মহাতারকার অবস্থার পরিবর্তিত হবে এটা নিশ্চিত বলা যায়।

জেসুস এবং রোনালদো দুজনেই সৌদি প্রো লীগের ক্লাব আল-নাসরে একসাথে কাজ করেছেন। যা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।  

জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক, ইতালির কোচ হওয়ার আগে বিতর্কে পিরলো

ক্রীড়া ডেস্ক
জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক, ইতালির কোচ হওয়ার আগে বিতর্কে পিরলো
ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন আন্দ্রেয়া পিরলো। ছবি: এক্স

ইতালি জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ী সাবেক মিডফিল্ডার আন্দ্রেয়া পিরলো। তবে রাশিয়ার একটি অনলাইন জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার বাণিজ্যিক সম্পর্ককে ঘিরে তার সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি) এবং দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা চলছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ৪৭ বছর বয়সী পিরলোকে জেনারো গাত্তুসোর উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী ধরা হচ্ছিল। কারণ, ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলা এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। কিন্তু রুশ জুয়ার কোম্পানি ফনবেটের বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পিরলোর সম্পৃক্ততা তার নিয়োগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব ইউনাইটেড এফসির কোচের দায়িত্বে আছেন পিরলো। গত বছরের অক্টোবরে তিনি ফনবেটের সঙ্গে চুক্তি করেন। পরে মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে আয়োজিত একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে ইতালি দলের সাবেক সতীর্থ মার্কো মাতেরাজ্জির সঙ্গে তার উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা আরো বেড়ে যায়। বিশেষ করে ওই সময় ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা চলছিল বলে ঘটনাটি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

PIRLO
অনলাইন জুয়ার প্রতিষ্ঠান ফনবেটের বিজ্ঞাপনে আন্দ্রেয়া পিরলো। ছবি: সংগৃহীত

এফআইজিসি এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, জুয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পিরলোর সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সমালোচনার জবাবে পিরলো ইন্সটাগ্রামে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যে পেশাগত সম্পর্ক নিয়ে এখন বিতর্ক হচ্ছে, সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমার কাজের অংশ ছিল। এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক ও ক্রীড়াসংক্রান্ত চুক্তি।”

তিনি আরো বলেছেন, ‘এই বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। কারণ, এটি আমার কোনো ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করে না। একটি সাধারণ ক্রীড়াসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে এত দ্রুত রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত করায় আমি হতাশ।’

এদিকে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট পিনা পিচিয়ের্নো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আরেকটি ব্যর্থতা এবং আবারো বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠতে না পারার পর ইতালিয়ান ফুটবলের প্রয়োজন ছিল সাংস্কৃতিক, নৈতিক ও ব্যবস্থাপনাগত পরিবর্তন। আন্দ্রেয়া পিরলোকে বেছে নেওয়া ঠিক তার উল্টো বার্তা দেয়।’

ইতালির সিনেটের সভাপতি ইগনাজিও লা রুসসাও পিরলোর সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি ইতালি দলের সমর্থক এবং পিরলো একজন অসাধারণ ফুটবলার ছিলেন। কিন্তু কোচ হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’

ইতালির শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্টের দাবি, নতুন কারিগরি পরিচালক পাওলো মালদিনি পিরলোর পক্ষেই আছেন। তবে শেষ পর্যন্ত পিরলো নিয়োগ আটকে গেলে মালদিনি পদত্যাগ করতে পারেন। 

সব মিলিয়ে ইতালি জাতীয় দলের নতুন কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া আরো জটিল হয়ে উঠেছে।

আর্জেন্টিনার কোচকে মিথ্যাবাদী বললেন স্পেনের মিডফিল্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার কোচকে মিথ্যাবাদী বললেন স্পেনের মিডফিল্ডার
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দানি ওলমোর টুঁটি চেপে ধরেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা। ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তাপ মাঠ থেকে মাঠের বাইরে ছড়ালেও এখনো থামছে না। 

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গত ১৯ জুলাই রাতে ফাইনাল শেষে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ী মিডফিল্ডার দানি ওলমোর টুঁটি চেপে ধরে তার ঘাড়ে আঘাত করেছিলেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা। সেই ঘটনার পর আয়ালার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার বক্তব্যকে মিথ্যা আখ্যা দিয়ে সেদিনের আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করেছেন ওলমো।

অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর দুই দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

টিভি ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা যায়, আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাঠে ফেলে দিচ্ছেন। আরেক দিকে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ আয়ালা স্প্যানিশ তারকা ওলমোর টুঁটি চেপে ধরেছেন।

ফাইনালের রেশ কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলে অনুতপ্ত হওয়ার কথা জানিয়ে আয়ালা বলেছিলেন, কোনো এক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এমনটা করেছিলেন।

এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি কাতালান সংবাদমাধ্যম দিয়ারি দে তেরাসাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওলমো। বার্সেলোনার এই তারকা বলেছেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার পরও কেউ (আয়ালা) যদি বলে, কোনো একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই সে ঘুষি মেরেছে, তাহলে সে দুঃখিত নয়; সে আসলে মিথ্যাবাদী। আমি তাকে কিছু বলিনি। তাই তার ক্ষমা চাওয়ারও প্রয়োজন নেই। ভুল করাটা সমস্যা নয়; বরং সেই ভুল সততা ও বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার করার সাহসের ওপরই একজন মানুষের আসল পরিচয় নির্ভর করে।’

এর আগে এই অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন রবার্তো আয়ালা। ভ্যালেন্সিয়া ক্যাপিটাল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রতিক্রিয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও ওলমোর উসকানিমূলক মন্তব্যকেই দায়ী করেছিলেন তিনি। 

তবে ওলমো মনে করেন, বিষয়টিকে শুধু ম্যাচ শেষের সাধারণ বাকবিতণ্ডা হিসেবে দেখে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। পেশাদার ফুটবলার ও কোচদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ২৮ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘আমার সন্তান, পরিবার এবং কোটি ভক্ত যখন আমাদের খেলা দেখে, আমি চাই তারা যেন আমাদের খেলা ও আচরণ নিয়ে গর্ব করতে পারে। ফুটবলার হিসেবে আমরা নতুন প্রজন্মের কাছে উদাহরণ। সেই জায়গায় আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি।’

ফাইনালে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর যুদ্ধংদেহী আচরণের জন্য আয়ালাসহ পুরো আর্জেন্টিনা দলই এখন সমালোচনার মুখে। বিশেষ করে পারেদেস ছিলেন সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মঞ্চে শৃঙ্খলাভঙ্গের এসব ঘটনায় এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে ফিফা।

সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাণ্ডবের রহস্য তাহলে এই

ক্রীড়া ডেস্ক
সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাণ্ডবের রহস্য তাহলে এই
ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: এএফপি

বয়স মাত্র ১৫ বছর। এই বয়সেও বৈভব সূর্যবংশী ব্যাট হাতে যা করছেন, তাতে ক্যারিয়ার শেষে আরো অনেক রেকর্ড নিশ্চয় নিজের করে নেবেন।

মাত্র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সিরিজেই ইতিহাস গড়েছেন সূর্যবংশী। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কাল সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৮১ রানের ইনিংস খেলেছেন ভারতের এই বিস্ময় বালক। হয়েছেন ম্যাচসেরা। তিন ম্যাচে দুটি ফিফটিতে ১৫১ রান করে জিতেছেন সিরিজসেরার পুরস্কারও। 

১৫ বছর ১২১ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে সিরিজসেরা হওয়ার রেকর্ড গড়ার পর নিজের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের রহস্য জানিয়েছেন সূর্যবংশী। তার ভাষায়, অনুশীলনে যা করেন, সেটা ম্যাচে বাস্তবায়ন করাই তার ভয়ডরহীন ক্রিকেটের রহস্য।

কাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সূর্যবংশী বলেছেন, ‘আমি যে শটগুলো খেলি, সেগুলোরই অনুশীলন করি। অনুশীলনে যা করি, সেটাই ম্যাচে করার চেষ্টা করি।’

সূর্যবংশীর ব্যাটিংয়ের বিশেষ দিক হচ্ছে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মানসিকতা। তবে সেটিও দলের প্রয়োজন থেকেই আসে বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে আমি যেভাবে খেলি, এখানেও (জাতীয় দলেও) একই ভাবে খেলার চেষ্টা করেছি। তিন ম্যাচেই দলের জন্য ভালো শুরু এনে দেওয়া আমার লক্ষ্য ছিল। শুরুটা ভালো হলে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেছি। এটাই ছিল আমার একমাত্র পরিকল্পনা।’

সূর্যবংশীর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে সেখানে তার ইনিংস তিনটি ছিল ১৪, ১৩ ও ১৫। এবার জিম্বাবুয়েতে গিয়ে ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরার পুরস্কার জেতাকে স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন সূর্যবংশী, ‘এটা সত্যিই স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। প্রথম ম্যাচসেরা ও প্রথম সিরিজসেরার পুরস্কার পেয়েছি। আমি খুবই খুশি।’

সূর্যবংশীতে মুগ্ধ তার সতীর্থ ঈশান কিষানও। ভারতের এই টপ অর্ডার ব্যাটার বলেছেন, ‘বৈভব খুবই তুখোড় একজন ছেলে। সে ভালোভাবেই জানে, কী করছে। আমরা তাকে বলি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা বাইরের কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই। শুধু ক্রিকেট নিয়ে ভাবো।’

ভারতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণের চোখে সূর্যবংশীর সবচেয়ে বড় অর্জন শুধু রান করা নয়, কঠিন পিচে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করা, ‘আজ (গতকাল) আপনারা যে ইনিংসটি দেখেছেন, সেটি খুবই পরিণত একটি ইনিংস ছিল। পিচ ছিল ধীরগতির, বল থেমে আসছিল। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওকে আটকানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে সে তাদের পরিকল্পনার দারুণ জবাব দিয়েছে।’