• ই-পেপার

সালাহ ফ্যাক্টর ভাবাচ্ছে মেসিদের

ফ্রান্সের বিপক্ষে অনিশ্চিত ইসমাইল সাইবারি

ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রান্সের বিপক্ষে অনিশ্চিত ইসমাইল সাইবারি
ছবি : ফেসবুক

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের আগে দুঃসংবাদ পেয়েছে আফ্রিকান জায়ান্ট মরক্কো। দলের অন্যতম প্রধান তারকা ইসমাইল সাইবারি মারাত্মক হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে তার খেলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান সাইবারি। তীব্র ব্যথার কারণে ম্যাচের চলাকালে মাঠ ছাড়তে হয় এই মরক্কোর তারকাকে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেন বা পেশির টান হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

মরক্কো ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এখনো এই উইঙ্গারের ইনজুরির গভীরতা বা তীব্রতা নিশ্চিত করতে পারেনি। ম্যাচের আগে সম্পূর্ণ ফিট হয়ে ওঠার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। 

ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দলের সেরা তারকাকে ফিরে পেতে মরিয়া কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি।

রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেও মাঠের বাইরের একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পর্তুগালের ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গিনী জর্জিনা রদ্রিগেজ আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোকে নিজের নতুন ব্র্যান্ডের উপহার পাঠিয়েছেন। সেই উপহার পেয়ে আন্তোনেলা নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে প্রকাশ্যে জর্জিনাকে ধন্যবাদ জানান। 

পর্তুগিজ মহাতারকা রোনালদোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গিয়েছে। স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। শেষবার রোনালদোকে বিশ্বকাপ খেলতে দেখল ফুটবলবিশ্ব। পরেরবারের বিশ্বকাপ হবে রোনালদোহীন। রোনালদো ছিটকে গেলেও এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে টিকে রয়েছেন লিওনেল মেসি। রাতে আটলান্টায় মিসরের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের আগে খবর ছড়িয়ে পড়েছে রোনালদোর সঙ্গিনী মেসির স্ত্রীকে উপহার দিয়েছেন। খবর আজকাল

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, জর্জিনার নতুন লাউঞ্জওয়্যার ব্র্যান্ড মিমোয়ার লোগোযুক্ত একটি গোলাপি রঙের বক্স। ছবির সঙ্গে আন্তোনেলা লেখেন, ‘অনেক ধন্যবাদ জর্জিনা। সব কিছুই দারুণ সুন্দর। তোমার জন্য অনেক শুভ কামনা ও সাফল্য কামনা করছি।’ 

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। তাতে নানা মন্তব্য করেন নেটিজেনরা।

আন্তোনেলা যে উপহারটি পেয়েছেন, তাতে ছিল একটি কালো রঙের পোশাক, একটি গোলাপি জলের বোতল, একটি ব্যাগ এবং একটি যোগা ম্যাট। নতুন ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে এটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা উপহার হিসেবেই দেখা হচ্ছে। 

গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে মিমোয়া ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু করেন জর্জিনা রদ্রিগেজ। 

বিশ্বকাপের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ঘটনা বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে। একদিকে জর্জিনা পর্তুগালকে সমর্থন করছেন, অন্যদিকে আন্তোনেলা প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার পাশে রয়েছেন। মাঠে দুই দেশের লড়াই থাকলেও মাঠের বাইরে দুই পরিবারের সম্পর্ক যে বন্ধুত্বপূর্ণ, সেটিই আবারও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের নভেম্বরে মেসির বড় ছেলে থিয়াগোর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন জর্জিনা। আন্তোনেলা ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে হৃদয়ের ইমোজি পাঠিয়েছিলেন জর্জিনাকে। 

চলতি বছরের জুন মাসেও জর্জিনার মেয়ে আলানা মার্টিনার একটি ভিডিওতে হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান আন্তোনেলা। 

বিশ্বকাপের টেনশনের মাঝে দুই মহাতারকার স্ত্রী কিন্তু অন্য মুহূর্তের জন্ম দিলেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষের শঙ্কা বেলজিয়াম তারকার

ক্রীড়া ডেস্ক
চোটে বিশ্বকাপ শেষের শঙ্কা বেলজিয়াম তারকার
চোট পাওয়ার পর বেলজিয়ামের আমাদু ওনানা ক্রাচে ভর করে দলের সাথে উদযাপনে যোগ দিয়েছেন। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে কোয়ার্টারে জায়গা করে নিয়েছে বেলজিয়াম। ম্যাচটিতে আয়োজকদের ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারায় তারা। ম্যাচ জয়ের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয় নিমিষে। ম্যাচের শুরুতেই ইনজুরিতে পড়ে চোখের জলে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার আমাডু ওনানা। এতে বিশ্বকাপে শেষের শঙ্কা তৈরি হয়েছে অ্যাস্টন ভিলার এই তারকার।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচের সময় আঘাত পেয়ে মাঠের ঘাসে পড়ে কাতরাতে থাকে এই মিডফিল্ডার। যা গুরুতর ইনজুরির আশঙ্কা তৈরি করেছে। পরে কান্নারত অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন ২৪ বছর বয়সী এই ফুটবলারের। 

ম্যাচ শেষে তাকে ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটতে দেখা গেছে। যার আশঙ্কা করা হচ্ছে চলমান বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে পারেন তিনি।

চোট গুরুত্ব কিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চুড়ান্তভাবে জানা যাবে। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্পেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলে এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে না পাওয়া গেলে বড় ধাক্কায় খাবে বেলজিয়াম।

ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে মাঠেই নাচ বেলজিয়াম ফুটবলারদের

ক্রীড়া ডেস্ক
ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে মাঠেই নাচ বেলজিয়াম ফুটবলারদের

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কাজ হলো না যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির তারকা খেলোয়াড় ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড খরায় নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করতে স্বয়ং সুপারিশ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাতে শেষরক্ষা হয়নি সহ-আয়োজক দেশটির। শেষ ষোলোর ম্যাচে ট্রাম্পের দেশকে বড় ব্যবধানে হারাল বেলজিয়াম। আর গোলের পর ট্রাম্পকে চরম কটাক্ষ করলেন বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু। 

সিয়াটেল স্টেডিয়ামে আমেরিকাকে ৪-১ গোলে জেতে বেলজিয়াম। জোড়া গোল চার্লস ডে কেটেলারের। একটি করে গোল হান্স ভেনাকেন ও রোমেলু লুকাকুর। সবদিক বিবেচনায় শক্তিমত্তায় এগিয়ে ছিল বেলজিয়াম। তাদের জয় অনেকটা প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু ম্যাচের নাটক ছিল তার অনেক আগে। ট্রাম্পের জোরাজুরিতে ফিফা মার্কিন ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহার করে নেয়। এই ম্যাচেও খেলেন বালোগান। কিন্তু ফিফার সিদ্ধান্তে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিল ফুটবল বিশ্ব।

বড় জয়ের গোল উদযাপনে সেটাই উঠে এলো। যোগ করা সময়ে গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে নাচলেন লুকাকু। হাত ও কাঁধ ঘুরিয়ে সেই ম্যাচ দেখে যে কারো মনে পড়বে ট্রাম্পের কথা। কারণ, ট্রাম্পও ঠিক এই ভঙ্গিতেই নাচেন। সেই ভিডিও ফের ভাইরাল। এখানেই শেষ নয়। ম্যাচের পর বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন জয়ের উদযাপনের ছবি পোস্ট করে। 

 

তাতে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘এটা প্রত্যাহার করে দেখাও।’ বেলজিয়ামের মিডফিল্ডার ইউরি তিলেমানস বলেন, ‘সত্যি বলতে, ওই লাল কার্ড প্রত্যাহারের খবর শোনার পর আমরা মিটিং করেছিলাম। ঠিক করেছিলাম যে, মাঠেই জবাব দিতে হবে। আমরা সেই তাগিদটা নিয়েই খেলেছি।’

উল্লেখ্য, ফোলারিন বালোগান বসনিয়া এবং হারজেগোভিনার বিরুদ্ধে শেষ বত্রিশের ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সাসপেন্ড থাকতেন বালোগান। কিন্তু তাঁর শাস্তি তুলে নেয় ফিফা। শুধু এই বিশ্বকাপই নয়, আগামী এক বছরের মধ্যে কার্যকর হবে না সেই শাস্তি। বালোগানের শাস্তি তুলতে আইনের এমন একটা ধারা আমদানি করা হয়, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে সম্ভবত ওয়াকিবহালই ছিলেন না কোনো অতি বড় ফুটবল ভক্তও। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে ব্যবহার তো পরের কথা। ঘটনাটা একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি ফুটবল দুনিয়া।