• ই-পেপার

লড়াইটা মেসি-সালাহরও

সালাহদের বিপক্ষে মেসিদের একাদশ কেমন হতে পারে

ক্রীড়া ডেস্ক
সালাহদের বিপক্ষে মেসিদের একাদশ কেমন হতে পারে
মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অনুশীলনে মেসিরা। ছবি : রয়টার্স

জয়রথ ছুটছে আর্জেন্টিনার। তাতে বিশ্বকাপ ধরে রাখার স্বপ্ন জিইয়ে রয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। তবে পা হড়কালেই স্বপ্ন গুঁড়িয়ে যেতে পারে।

নকআউটের ম্যাচ হওয়ায় আশা বাঁচিয়ে রাখার একটাই সুযোগ। আজ তেমনি এক বাঁচা-মরার ম্যাচে আলবিসেলেস্তাদের প্রতিপক্ষ মিসর। ফিফা র‌্যাংকিংয়ের ২৯ নম্বর দলটিও বেশ ছন্দে আছে।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর আজ আটলান্টায় দুইদল মুখোমুখি হবে। সর্বশেষ ও নিজেদের দেখা হওয়া একমাত্র ম্যাচটি ২০০৮ সালে খেলেছে তারা। প্রীতি ম্যাচটিতে ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল বর্তমানে র‌্যাংকিংয়ের চূড়ায় থাকা আর্জেন্টিনা।

 

তাই স্বাভাবিকভাবে বিশ্বকাপে প্রথমবার দেখা হচ্ছে আর্জেন্টিনা-মিসরের। বিপরীতে দুই দলের দুই তারকা লিওনেল মেসি ও মোহাম্মদ সালাহও প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছেন। ক্লাব পর্যায়ে একে-অপরের দেখা অনেকবার হলেও জাতীয় দলের হয়ে কখনো হয়নি। 

শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে আজ আর্জেন্টিনার একাদশে তিন পরিবর্তন আসতে পারে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে খেলা ফাকুন্দো মেদিনা, থিয়াগো আলমাদা ও লাউতারো মার্তিনেজ আজ বেঞ্চ গরম করতে পারেন। তাদের পরিবর্তে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, নিয়ান্দ্রো পারেদেস ও হুলিয়ান আলভারেজকে একাদশে নামাতে পারেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া সংবাদ মাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস ও দিয়ারিও ওলে এমনটিই জানিয়েছে।

ইতিমধ্যে নাকি মিশরের বিপক্ষে একাদশ ঠিকও করেছেন স্কালোনি। তবে কারা নামছেন তা জানাননি তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপজয়ী কোচ বলেছেন, ‘আমার একাদশ ঠিক করা আছে। তবে এখনো খেলোয়াড়দের জানাইনি, তাই আপনাদেরও বলছি না। তবে আপনারা যা আলোচনা করছেন, মোটামুটি সঠিক পথেই আছেন।’

আর্জেন্টিনার সম্ভাবন্য একাদশ—

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক), নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ।

আমাদের সঙ্গেও এমনটা ঘটতে পারত—ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
আমাদের সঙ্গেও এমনটা ঘটতে পারত—ব্রাজিলের বিদায় নিয়ে স্কালোনি
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন স্কালোনি। ছবি : রয়টার্স

পা হড়কালেই পত্রপাঠ বিদায়। ঠিক যেমনটা বিদায় হয়েছে ব্রাজিল-পর্তুগাল। মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলতে নামার আগে তাই সতর্ক আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার মতে, এবারের বিশ্বকাপে ফেভারিট বলতে কেউ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এই বিশ্বকাপ সবার জন্যই ভীষণ কঠিন। ফেভারিট বলতে কেউ নেই। বিশ্বকাপে আগে যেমন আমরা দেখতাম... কোনো দলকেই এবার স্পষ্ট ফেভারিট বলা যাচ্ছে না। আগের আসরগুলোর তুলনায় এবার পরিস্থিতিও অনেক ভিন্ন। চার-পাঁচটি দলকে অন্যতম ফেভারিট ধরা হলেও, যে ধরনের ফুটবল প্রত্যাশা করি, সেই মানের পারফরম্যান্স তারা দেখাতে পারেনি।’

বিশ্বকাপ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে জানিয়ে স্কালোনি বলেছেন, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন হচ্ছে। একক কোনো দল নেই আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়তে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে পর্তুগালের বিপক্ষে। কোনো দলই তাদের পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখতে পারছে না, কারণ প্রতিপক্ষরাও ভালো খেলছে।’

মিসরকে নিয়ে তাই সতর্ক আর্জেন্টিনা। স্কালোনি বলেছেন, ‘আমরা বেশ সতর্ক আছি, কারণ মিসর খুব কঠিন প্রতিপক্ষ। তাদের দুর্দান্ত কিছু খেলোয়াড় আছে এবং কোচও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন। সালাহ দুর্দান্ত খেলোয়াড়, তার মুখোমুখি হওয়াটা আনন্দের। তবে আমরা সব সময়ই দলগতভাবে সতর্ক আছি।’

নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। কেপ ভার্দের বিপক্ষে নিজেদের ফলও এমন হতে পারত জানিয়ে স্কালোনি বলেছেন, ‘ওরা (ব্রাজিল) বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে। ঠিক যেমনটা সেদিন (কেপ ভার্দের বিপক্ষে) আমাদের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারত কিংবা এই বিশ্বকাপে যে কারো সঙ্গেই ঘটতে পারে।’  

তবে এখন পর্যন্ত নিজের দলের পারফরম্যান্সে খুশি কি না এমনটা জানাতে চাওয়া হলে স্কালোনি বলেছেন, ‘আমাদের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক। চারটি ম্যাচই জিতেছি, এটিই সন্তুষ্ট হওয়ার বিষয়। তবে জিতলেও উন্নতির সুযোগ সব সময় থাকে।’

আজ রাতে মিসরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা

নেইমারদের বিদায়, আজ মেসিদের পরীক্ষা

বোরহান জাবেদ
নেইমারদের বিদায়, আজ মেসিদের পরীক্ষা
মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অনুশীলনে মেসিরা। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপ মানেই লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে ঘিরে অন্য রকম উন্মাদনা। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই দুই দলের অগণিত সমর্থকের আবেগও তাই ওঠা-নামা করে দল দুটির সাফল্য-ব্যর্থতার সঙ্গে।

সেই আবেগের বড় একটি অংশের ইতি ঘটেছে। শেষ ষোলো থেকেই নিয়েছে ব্রাজিল। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২-১ গোলে হেরেছে নরওয়ের কাছে। ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গের পর এখন লাতিন আমেরিকার আশা-ভরসার বড় অংশই আর্জেন্টিনার কাঁধে।

তবে তাদের সামনেও অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। আজ আটলান্টায় শেষ আটের টিকিটের লড়াইয়ে মিসরের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা। ব্রাজিলের বিদায়টা কিছুটা বিস্ময়করই বটে। জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর ধারণা করা হচ্ছিল, ভালো কিছুই উপহার দেবে সেলেসাওরা।

বিশেষ করে সেদিন দ্বিতীয়ার্ধে বেশ দাপুটে ও নান্দনিক ফুটবলই খেলেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়ররা। কিন্তু নরওয়ের বিপক্ষে সেই ছন্দের ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। বল দখলের লড়াইয়েও পিছিয়ে ছিল ব্রাজিল। একই সঙ্গে সুযোগ নষ্টেরও খেসারত দিয়েছে কার্লো আনচেলোত্তির দল। ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করেন ব্রুনো গিমারেস।

তাঁর সেই পেনাল্টি মিস ফিরিয়ে এনেছে ৪০ বছর আগের স্মৃতি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ‘সাদা পেলে’ খ্যাত জিকো। সেই বিশ্বকাপের পর ছয় পেনাল্টির সব কটিতেই গোল পেয়েছিল ব্রাজিল। গিমারেসের ওই মিসের পর কিছু সুযোগ তৈরি হলেও ৭৮ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

পরের মিনিটে আর্লিং হালান্ডের দুর্দান্ত এক হেডে এগিয়ে যায় নরওয়ে। এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় থাকা ব্রাজিলকে দ্বিতীয় ধাক্কাটিও দেন হালান্ড। ডি-বক্সের বাইরে থেকে আচমকা জোরালো এক নিচু শটে ব্রাজিলের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে দেন এই তারকা। যোগ করা সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করলেও ব্রাজিলের শেষরক্ষা হয়নি। ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায়ঘণ্টা বাজল টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দলটির। নরওয়ের অবশ্য তাতে বয়ে গেছে! অবিশ্বাস্য এক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে উত্তর ইউরোপের দেশটি মনভরে উদযাপন করেছে ম্যাচ-পরবর্তী সময়টা। সেই উদযাপনের রেশ নিশ্চয়ই আগামী কয়েক দিনও থাকবে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই যে তাদের সেরা সাফল্য। ব্রাজিলের বিদায়ের পর সবার চোখ এখন আর্জেন্টিনার দিকে। অবশ্য রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে ৩-২ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে বেশ কিছু দুর্বলতা ধরা পড়েছে লিওনেল স্কালোনির দলের খেলায়। বিশেষ করে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং রক্ষণভাগের সমন্বয়হীনতা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে।

সে কারণেই মিসরের বিপক্ষে শুরুর একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। স্কালোনি মাঝমাঠে আরো প্রাণ ফেরাতে কিছু রদবদল করতে পারেন। লিয়ান্দ্রো পারেদেস কিংবা জিওভান্নি লো সেলসোকে শুরু থেকেই খেলানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আক্রমণভাগে হুলিয়ান আলভারেজকে আরো স্বাধীন ভূমিকা দেওয়া হতে পারে, যাতে মেসির ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। মিসরও অবশ্য সহজে হাল ছেড়ে দেওয়ার দল নয়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১২০ মিনিট লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে জিতে শেষ ষোলো পার করেছে আফ্রিকার দলটি। মোহাম্মদ সালাহ ও ওমর মারমুশকে ঘিরে গতিময় আক্রমণ, সঙ্গে সুশৃঙ্খল রক্ষণ—সব মিলিয়ে তারা এরই মধ্যে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা সের্হিয়ো আগুয়েরোর কণ্ঠেও তাই মেসিদের জন্য সতর্কবার্তা। আগুয়েরো মনে করেন, কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ক্লান্তি চোখে পড়েছে। আর মিসরের মতো শারীরিকভাবে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে সেটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। লিওনেল মেসিও ম্যাচের আগে স্বীকার করেছেন, নক আউট পর্বের টানা লড়াইয়ে ক্লান্তি জমেছে। তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস এখনো অটুট। শেষ কয়েকটি বড় টুর্নামেন্টে চাপের মধ্যে থেকে ম্যাচ বের করে আনার অভিজ্ঞতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

তবে ব্রাজিলের বিদায়ে কিছুটা হলেও চাপ থাকবে আর্জেন্টিনার ওপর। এখন সবার মনোযোগের কেন্দ্রেই যে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আত্মবিশ্বাসী মিসরের বিপক্ষে এই পরীক্ষায় আলবিসেলেস্তেরা কিভাবে উতরে যায়, সেটাই এখন দেখার।

পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়লেন মার্তিনেজ

ক্রীড়া ডেস্ক
পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়লেন মার্তিনেজ
পর্তুগালের কোচের পদ ছেড়েছেন মার্তিনেজ। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আর কখনো বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে না সেই ঘোষণা স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই দিয়ে দেন ‘সিআর সেভেন’। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে পর্তুগালের বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে যতিচিহ্ন পড়েছে।

অধিনায়কের পর এবার দলের কোচকেও হারাল পর্তুগাল। শেষ ষোলোয় বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার পর পর্তুগালের কোচ পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন রবার্তো মার্তিনেজ। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটাই পর্তুগালের ডাগআউটে তার শেষবার দাঁড়ানো ছিল বলে জানান তিনি।

কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর এটাই সঠিক সময় বলে মনে করছেন মার্তিনেজ। স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘হ্যাঁ, পর্তুগালের হয়ে এটিই আমার শেষ ম্যাচ ছিল। আমি গর্বিত। ৪৫ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছি। পর্তুগাল আমাকে সাদরে গ্রহণ করেছে, ভালোবাসা পেয়েছি। এসব স্মৃতি সবসময় লালন করব। এটা ছিল আনন্দের, গর্বের এবং দায়িত্বের। শেষটা কঠিন, কিন্তু একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি। পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তই (দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া) যৌক্তিক।’

 

এক হারে পর্তুগাল ব্যর্থ হয়ে যায়নি জানিয়ে মার্তিনেজ বলেছেন, ‘আমরা ব্যর্থ হইনি। একটি ম্যাচই হেরেছি, সেটিও এমন এক দলের বিপক্ষে, যারা এবারের আসরের অন্যতম ফেবারিট। বড় ম্যাচগুলোতে, বড় দলের বিপক্ষে জয়-পরাজয় নির্ভর করে অনেক খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর। কেউ তখনই ব্যর্থ হয় যখন জেতার চেষ্টা করে না, কিন্তু আমরা শেষ পর্যন্ত লড়েছি।’

২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্তুগালের দায়িত্ব নেন মার্তিনেজ। তার অধীনে ৪৫ ম্যাচ খেলে ৩২টিতে জয় পেয়েছে পর্তুগাল। ৬ ড্রয়ের বিপরীতে ৭ হার দেখেছে।