বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেলেও ১৯৩০ ও ১৯৩৮ সালে নাম প্রত্যাহার করে নেয় জাপান। ১৯৫০ সালে ফিফা থেকে বহিষ্কার করা হয় দলটিকে। এরপর বৈশ্বিক এই আসরে জায়গা করে নিতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে জাপানকে। অবশেষে ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে গিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় এশিয়ার অন্যতম শক্তিধর দলটি। এবার নিজেদের অষ্টম বিশ্বকাপে অংশ নেবে তারা। সেরা সাফল্য হিসেবে ২০০২, ২০১০, ২০১৮ ও ২০২২ সালের আসরে শেষ ষোলোয় খেলেছে ব্লু সামুরাইরা। এখন মূল মঞ্চে চমক দেখানোর অপেক্ষায় তারা।
কোচ: হাজিমে মোরিয়াসু
অধিনায়ক: ওয়াতারু এন্দোকে
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য: শেষ ১৬
সর্বশেষ: শেষ ১৬
প্রথম: ১৯৯৮
অংশগ্রহণ: ৮ বার
ফিফা র্যাংকিং: ১৮
‘এফ’ গ্রুপে জাপানের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও তিউনিসিয়া।
গ্রুপ এফ’য়ের সময়সূচি-
১৫ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, টেক্সাস, রাত ২টা।
২০ জুন : নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন, টেক্সাস, রাত ১১টা।
২৬ জুন : তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, মিসৌরি, ভোর ৫টা।
জাপানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: জিওন সুজুকি, তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো।
ডিফেন্ডার: ইউতো নাগাতোমো, শোগো তানিগুছি, কো ইতাকুরা, সুয়োশি ওয়াতানাবে, তাকেহিরো তোমিয়াসু, হিরোকি ইতো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসকে সুজুকি।
মিডফিল্ডার-ফরোয়ার্ড: ওয়াতারু ইন্দো, জুনিয়া ইতো, দাইছি কামাদা, কোকি ওগাওয়া, দাইজেন মায়েদা, রিতসু দোয়ান, আয়াসে উয়েদা, আও তানাকা, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, তাকেফুসা কুবো, ইউইতো সুজুকি, কেনতো শোইগাই, কেইসুকে গোতো।




