• ই-পেপার

১৯৮৬ বিশ্বকাপ

ফুটবলের জাদুকর ম্যারাডোনার একচ্ছত্র আধিপত্যের মহাকাব্য

টিভিতে তিন চ্যানেলের পাশাপাশি মোবাইলে যেভাবে দেখা যাবে বিশ্বকাপ

ক্রীড়া ডেস্ক
টিভিতে তিন চ্যানেলের পাশাপাশি মোবাইলে যেভাবে দেখা যাবে বিশ্বকাপ
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা ও উত্তেজনার কোনো সীমা নেই। ঘরে বসেই টিভিতে বসে দেশীয় তিনটি চ্যানেলে দেখা যাবে খেলা। এছাড়া মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকেও ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন ভক্তরা। 

রাষ্ট্রীয় চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ছাড়াও এই ফুটবল মহাযজ্ঞের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও সময় টেলিভিশন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকেই সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে তারা। 

চূড়ান্তভাবে এবার স্বত্বমূল্য ৩০ লাখ থেকে ৪০ লাখ ডলারের মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ কোটি থেকে ৪৯ কোটি টাকার কিছু বেশি।

টিভিতে সরাসরি বিশ্বকাপ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগেই অবশ্য বেশকিছু ডিজিটাল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তা সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশিদের মনে স্বস্তি এনেছিল। 

নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে মাই রবি অ্যাপ, বাংলালিংকের টফি ও গ্রামীনফোনের বায়োস্কোপে ঘরে বসেই ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ উপভোগ করতে পারবে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা। 

বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!
সংগৃহীত ছবি

দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ। ফুটবল বা ক্রিকেটের মেগা আসর মানেই বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের উম্মাদনা। প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা ওড়ানো এখন খুবই পরিচিত দৃশ্য। তবে অতি-উৎসাহী হয়ে আবেগের বশে নিয়ম না মেনে পতাকা ওড়ালে কিন্তু কপালে জুটতে পারে বড় অঙ্কের জরিমানা! আইনের মারপ্যাঁচে এই খেসারতের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ প্রায় ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ইংল্যান্ডে যারা বসবাস করছেন, তাদের জন্য আইনসংগতভাবে পতাকা ওড়ানোর ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু কড়া নিয়ম। তবে সাধারণ কিছু নিয়ম জানলেই এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।

ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, পতাকাটি যদি বাড়ির ছাদে লাগানো থাকে, তবে যেকোনো আকারের পতাকাই ওড়ানো যাবে। এতে জরিমানার কোনো ঝুঁকি নেই। তবে শর্ত একটাই—পতাকাটি যেন নিরাপদভাবে এবং ভালো অবস্থায় টানানো থাকে, যাতে পথচারী বা প্রতিবেশীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

আসল ঝামেলাটা বাধে অন্য জায়গায়। যুক্তরাজ্যের ‘টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিং রেগুলেশনস (২০০৭)’-এর নিয়ম অনুযায়ী, পতাকাটি যদি ছাদ ছাড়া বাড়ির অন্য কোনো অংশে—যেমন জানালা বা দেওয়ালে ঝুলানো হয়, তবে তার সর্বোচ্চ আকারের ওপর কিছু আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে। আইনের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যের বিষয়টি না জানার কারণেই মূলত সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা বড় বিপদে পড়েন।

এমনকি পতাকাটি যদি কোনো নির্দিষ্ট পতাকাদণ্ডে ওড়ানো হয়, তবুও সেটি যে দেশের পতাকাই হোক না কেন, তার আকার কোনোভাবেই দুই মিটারের বেশি হতে পারবে না। নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় কাউন্সিল যদি নিয়মবহির্ভূত কোনো পতাকা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং বাড়ির মালিক যদি তা অমান্য করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড জরিমানা করা হতে পারে।

ঝামেলা এখানেই শেষ নয়; নির্দেশ অমান্য করে পতাকাটি ঝুলিয়ে রাখলে, যতদিন না সেটি সরানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত প্রতিদিনের জন্য গুনতে হবে আলাদা জরিমানা। এই দৈনিক জরিমানার পরিমাণ মূল ২,৫০০ পাউন্ডের ওপর প্রতিদিন আরো অতিরিক্ত ২৫০ পাউন্ড করে যোগ হতে পারে। সাধারণ একজন সমর্থকের জন্য এটি বিশাল এক আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

তবে, বিশ্বকাপ চলাকালীন হুট করেই যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল আপনার দরজায় কড়া নেড়ে ২,৫০০ পাউন্ডের জরিমানার রসিদ ধরিয়ে দেবে না। এই প্রক্রিয়াটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। আর এর যেকোনো ধাপে যদি পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয় বা নিয়মের মধ্যে এনে ছোট কোনো পতাকা লাগানো হয়, তবে কোনো ঝামেলাই পোহাতে হবে না।

সাধারণত প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় কাউন্সিল একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বা ‘এনফোর্সমেন্ট নোটিশ’ পাঠায়। যেখানে অবৈধ পতাকাটি সরিয়ে ফেলতে বা তার আকার ছোট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আপনি যদি সেই নির্দেশ মেনে নেন, তবে কোনো জরিমানা ছাড়াই বিষয়টি সেখানেই মিটে যাবে।
 

বিসিবি নির্বাচনে ভোট দিলেন তামিম

ক্রীড়া ডেস্ক
বিসিবি নির্বাচনে ভোট দিলেন তামিম
সংগৃহীত ছবি

মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল। 

রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। প্রথম ভোট পড়তে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট।

ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া তামিম বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। একই সময়ে ভোট দেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার রুবেল হোসেন। তিনি ক্যাটাগরি-১ এর ভোটার হিসেবে ভোট প্রদান করেন।

এবারের বিসিবি নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ক্লাব ক্যাটাগরির লড়াই নিয়ে। ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৮ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ জন ক্যাটাগরি-১ থেকে এবং একজন ক্যাটাগরি-৩ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে ক্যাটাগরি-২ বা ক্লাব ক্যাটাগরিতে। এই ক্যাটাগরিতে ১২টি পরিচালক পদের বিপরীতে লড়ছেন ১৬ জন প্রার্থী। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তামিম ইকবাল এবং আবাহনী লিমিটেডের প্রতিনিধি ফাহিম সিনহাসহ বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ৪১ জন ভোটার ই-ভোটিংয়ের জন্য ব্যালট নিয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার তিনজন প্রতিনিধি এবং ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের ৩৮ জন কাউন্সিলর রয়েছেন।

পেলের জন্য থেমেছিল গৃহযুদ্ধ!

ক্রীড়া ডেস্ক
পেলের জন্য থেমেছিল গৃহযুদ্ধ!

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত কিংবদন্তিগুলোর একটি হলো—সর্বকালের সেরা ফুটবলার পেলের জন্য নাকি একসময় থেমে গিয়েছিল নাইজেরিয়ার গৃহযুদ্ধ। বহু বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই গল্প প্রায় সত্য ঘটনা হিসেবেই প্রচারিত হয়েছে। বলা হয়েছে, পেলের ক্লাব সান্তোসের খেলা দেখার জন্য যুদ্ধরত দুই পক্ষ সাময়িকভাবে অস্ত্র নামিয়ে রেখেছিল।

কিন্তু ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বেরিয়ে আসা নতুন তথ্য বলছে, বহুল প্রচারিত এই গল্পের পেছনে বাস্তবের চেয়ে কিংবদন্তির অংশই হয়তো বেশি।

১৯৬৭ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চলা নাইজেরিয়ার গৃহযদ্ধ ছিল আফ্রিকার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সংঘাত। বিআফ্রার স্বাধীনতার দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে লাখো মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং ব্যাপক মানবিক বিপর্যয় দেখা দেয়।

এমন এক অস্থির সময়েই ১৯৬৯ সালে আফ্রিকা সফরে বের হয় সান্তোস। সে সময় পেলে, কৌতিনিও ও পেপেদের নিয়ে গড়া দলটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি। বিশ্বজুড়ে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলে বিপুল দর্শক টানত তারা।

প্রচলিত গল্প অনুযায়ী, সান্তোস নাইজেরিয়ায় পৌঁছানোর পর যুদ্ধরত পক্ষগুলো সাময়িকভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে, যাতে মানুষ পেলের খেলা দেখতে পারে।

সান্তোসের কয়েকজন সাবেক খেলোয়াড়ও পরে এমন দাবি করেছিলেন। তাদের ভাষ্য ছিল, ম্যাচ শেষে বিমান উড্ডয়ন করার পর আবার নিচে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।

সাবেক তারকা লিমা একবার বলেছিলেন, ‘একটি যুদ্ধ থামাতে পেরেছিলাম, এটিও ছিল আমাদের শ্রেষ্ঠত্বের আরেকটি প্রমাণ।’

এমনকি ২০০৫ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন সাময়িকী টাইমও উল্লেখ করেছিল যে, যেখানে কূটনীতিকরা দুই বছরেও যুদ্ধ থামাতে পারেননি, সেখানে পেলের আগমন কয়েক দিনের জন্য সংঘাত বন্ধ করে দিয়েছিল।

তবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক নাইজেরীয় গবেষক ও লেখক ওলাওজো আইয়েগবায়ো আর্কাইভ ঘেঁটে ভিন্ন চিত্র খুঁজে পান।

তার গবেষণায় দেখা যায়, সান্তোসের সফরের সময়কার স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোতে কোথাও আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির উল্লেখ নেই। অথচ এমন একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটলে তা বড় শিরোনাম হওয়ার কথা ছিল।

আইয়েগবায়োর মতে, সান্তোসের আফ্রিকা সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানবিক উদ্যোগ নয়, বরং প্রদর্শনী ম্যাচের মাধ্যমে আয় করা। সেই সফরের অংশ হিসেবেই দলটি কঙ্গো, নাইজেরিয়া, মোজাম্বিক, ঘানা ও আলজেরিয়া সফর করেছিল।


মজার বিষয় হলো,  পেলে নিজেও বিভিন্ন সময়ে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত তার আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ অ্যান্ড দ্য বিউটিফুল গেম’-এ কোথাও যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ ছিল না। তবে ২০০৭ সালে প্রকাশিত ‘পেলে: দ্য অটোবায়োগ্রাফি’ বইয়ে তিনি লেখেন, নাইজেরীয়রা নিশ্চিত করেছিল যেন বিআফ্রার বাহিনী তাদের অবস্থানকালে লাগোসে আক্রমণ না করে।

সেখানে পেলে স্মরণ করেন, শহরের রাস্তাজুড়ে ছিল ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি এবং তাদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, সান্তোসের এক কর্মকর্তা খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করেছিলেন যে ম্যাচের জন্য যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়া হবে। তবে পেলে নিজে কোথাও নিশ্চিতভাবে বলেননি যে তিনি যুদ্ধবিরতি প্রত্যক্ষ করেছিলেন।

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে গল্পটি নানা রূপ পেয়েছে। কেউ বিশ্বাস করেন, পেলের জনপ্রিয়তা অন্তত কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিল। অন্যদের মতে, এটি পরবর্তীকালে তৈরি হওয়া এক ফুটবলীয় মিথ, যা বারবার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে ‘সত্য’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

আজ পর্যন্ত এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা নিশ্চিতভাবে বলে যে পেলের খেলা দেখার জন্য নাইজেরিয়ার গৃহযুদ্ধে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি হয়েছিল।

যুদ্ধ সত্যিই থেমেছিল কি না, তার চূড়ান্ত উত্তর হয়তো আর কখনো জানা যাবে না। তবে একটি বিষয় নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই—পেলের জনপ্রিয়তা ছিল অসাধারণ। পৃথিবীর যেখানেই তিনি খেলতে গেছেন, হাজার হাজার মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করেছে।

হয়তো তিনি যুদ্ধ থামাননি। কিন্তু তিনি এমন এক বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন, যিনি ভাষা, দেশ ও রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে কোটি মানুষকে এক সুতোয় গেঁথেছিলেন। যিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ফুটবলের আনন্দে একত্রিত করতে পেরেছিলেন।

আর সেই কারণেই, সত্য হোক বা কিংবদন্তি—পেলের নামের সঙ্গে আজও জড়িয়ে আছে সেই অবিশ্বাস্য গল্প,  একজন ফুটবলারের জন্য নাকি থেমে গিয়েছিল যুদ্ধ।