• ই-পেপার

টেস্টসেরাদের বিপক্ষে লড়তে প্রস্তুত বাংলাদেশ : ওয়াসিম আকরাম

পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে র‍্যাংকিংয়ে বড় লাফ বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে র‍্যাংকিংয়ে বড় লাফ বাংলাদেশের
ছবি : মীর ফরিদ

পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে বড় লাফ দিল বাংলাদেশ। পরপর দুই টেস্ট জিতে র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৭ নম্বরে উঠে এসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। 

বুধবার নিজেদের ওয়েবসাইটে টেস্ট র‍্যাংকিং সবশেষ হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে ৭৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। 

সিরিজ শুরুর আগে ৬৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্টই জেতায় ১১ রেটিং পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে টাইগারদের সঙ্গে। এতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৬৮) ও পাকিস্তানকে (৭৫) টপকে গেছে বাংলাদেশ।

এদিকে, র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের নামের পাশে আছে ১৩১ রেটিং পয়েন্ট। দুই নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার রেটিং ১১৯ পয়েন্ট। 

তালিকার পরের নামগুলো ভারত (১০৪), ইংল্যান্ড (১০২), নিউ জিল্যান্ড (১০১), শ্রীলঙ্কা (৮৬)। এ ছাড়া ১০ রেটিং নিয়ে ১০ নম্বরে রয়েছে জিম্বাবুয়ে।

পর্যাপ্ত ম্যাচ না খেলায় আপাতত র‍্যাংকিংয়ের বাইরে আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান। 
 

গিজনের কলঙ্ক : যে ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ চিরতরে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপের নিয়ম

ফুয়াদ হাসান
গিজনের কলঙ্ক : যে ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ চিরতরে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপের নিয়ম
সংগৃহীত ছবি

১৯৮২ সালের ২৫ জুন। স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর গিজনের এল মোলিনন স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচ চলছিল। মাঠে ছিল পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া। কাগজে-কলমে এটি ছিল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের একটি সাধারণ ম্যাচ। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি পরিণত হয় ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়গুলোর একটিতে। আজও সেই ম্যাচকে বলা হয়—‘দ্য ডিসগ্রেস অব গিজন’ বা ‘গিজনের কলঙ্ক’। 

ঘটনার সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্কটিশ রেফারি বব ভ্যালেন্টাইন। জীবনের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ পরিচালনা করতে নেমে তিনি বুঝতেই পারেননি, কয়েক মিনিট পর এমন এক নাটকের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন যা বদলে দেবে বিশ্বকাপের নিয়মই। 

ভ্যালেন্টাইন পরবর্তীতে বলছিলেন, ‘ওই ম্যাচ ফুটবলকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। বিশ্বকাপ আয়োজকেরা এতটাই বিব্রত হয়েছিল যে পরে নিয়মই বদলে ফেলতে বাধ্য হয়। যাতে আর কখনো এমন কিছু না ঘটে।’

সেই সময় বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো একসঙ্গে হতো না। পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া মাঠে নামার আগেই জেনে গিয়েছিল সব হিসাব। তারা জানত, জার্মানি যদি ১-০ গোলে জেতে, তাহলে দুই দলই পরের রাউন্ডে চলে যাবে। বিদায় নিতে হবে আলজেরিয়াকে।

খেলা শুরুর মাত্র ১১ মিনিটে গোল করেন জার্মানির হর্স্ট হ্রুবেশ। তখনো দর্শকেরা বুঝতে পারেননি সামনে কী অপেক্ষা করছে। কিন্তু গোলের পরই ম্যাচ যেন থেমে গেল।

পাস হচ্ছে, বল ঘুরছে, কিন্তু কেউ আক্রমণে যাচ্ছে না। কেউ ট্যাকল করছে না। কেউ দৌড়াচ্ছে না। যেন দুই দল মাঠে নেমেছে সময় কাটাতে।

ভ্যালেন্টাইন বলেন, ‘২০ মিনিটের মাথায় আমার মনে সন্দেহ জাগে। আমি ভাবছিলাম, এখানে তো কেউ ট্যাকলই করছে না! এরপর একজন খেলোয়াড় মাঝমাঠ পার হয়ে বল আবার নিজের গোলরক্ষকের কাছে ফিরিয়ে দিল। তখনই বুঝলাম কিছু একটা অস্বাভাবিক।’

ম্যাচের বাকি সময়টা হয়ে ওঠে প্রহসন। বল এক দলের কাছে কিছুক্ষণ, তারপর আরেক দলের কাছে। কিন্তু গোলমুখে যাওয়ার কোনো চেষ্টা নেই। পুরো ম্যাচে রেফারির অবস্থান প্রায় মাঝমাঠেই সীমাবদ্ধ ছিল।

পরবর্তীতে এই ম্যাচের নাম দেওয়া হয় ‘নিশটআংগ্রিফস্পাক্ট ফন গিজন’—অর্থাৎ ‘গিজনের অনাক্রমণ চুক্তি’। অনেকে সরাসরি একে ম্যাচ ফিক্সিংও বলেছেন।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৪১ হাজার দর্শক দ্রুতই বুঝে ফেলেছিল কী হচ্ছে। গ্যালারি থেকে শুরু হয় তীব্র বাঁশি, বিদ্রূপ আর প্রতিবাদ। স্প্যানিশ দর্শকেরা চিৎকার করে বলতে থাকে, ‘ফুয়েরা, ফুয়েরা’—মানে ‘বের হয়ে যাও!’

কেউ সাদা রুমাল নাড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। এক জার্মান সমর্থক নিজের দেশের পতাকাই আগুনে পুড়িয়ে দেন।

জার্মান টেলিভিশনের ধারাভাষ্যকার এবেরহার্ড স্টানজেকের কণ্ঠ কেঁপে উঠেছিল ক্ষোভে। এক অস্ট্রিয়ান ধারাভাষ্যকার তো শেষ ৩০ মিনিট কথা বলাই বন্ধ করে দেন। দর্শকদের টেলিভিশন বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের আইটিভির ধারাভাষ্যকার হিউ জনস বলেছিলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে লজ্জাজনক ম্যাচগুলোর একটি।’

আলজেরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বেনালি সেককাল ফিফার কাছে অভিযোগও করেছিলেন। তার ভাষায়, এটি ছিল ‘কেলেঙ্কারিপূর্ণ ও অনৈতিক’ ম্যাচ।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছিল রেফারি বব ভ্যালেন্টাইনকে নিয়েও। কেন তিনি খেলোয়াড়দের সতর্ক করলেন না? কেন কাউকে কার্ড দেখালেন না? তবে চার দশক পরও নিজের অবস্থান থেকে সরেননি ভ্যালেন্টাইন।

তিনি বলেন, ‘রেফারির কাজ নিয়ম প্রয়োগ করা। আমি কি খেলোয়াড়দের বলব—তোমরা আরো জোরে দৌড়াও, আরো আক্রমণ করো? সেটা তো সম্ভব নয়। বক্সিং ম্যাচে গিয়ে যেমন বলা যায় না—আরো জোরে ঘুষি মারো!’ 

সেই রাতে তার সবচেয়ে বড় ভয় ছিল অন্য কিছু। স্টেডিয়ামে প্রায় ৮ হাজার আলজেরিয়ান সমর্থক ছিল। তারা ভেবেছিল নিজেদের দল দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে। কিন্তু মাঠের নাটক দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তারা। অনেকে গ্যালারির ফাঁক দিয়ে টাকার নোট দেখাচ্ছিল, কেউ মাঠে ঢোকার চেষ্টাও করছিল।

ভ্যালেন্টাইন বলেন, ‘আমি ভয় পাচ্ছিলাম, যদি তারা মাঠে ঢুকে পড়ে তাহলে ম্যাচই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমার কাছে মনে হয়েছিল, খারাপভাবে হলেও ম্যাচ শেষ হওয়া, ম্যাচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার চেয়ে ভালো।’

আলজেরিয়ার জন্য ঘটনাটি ছিল নির্মম। তারা ওই বিশ্বকাপে দুটি ম্যাচ জিতেছিল, যার মধ্যে ছিল পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ২-১ গোলের ঐতিহাসিক জয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ আর সুবিধাবাদী ফুটবলের কাছে হার মানতে হয় তাদের।

পশ্চিম জার্মানির সাবেক খেলোয়াড় ভিলি শুলৎস নিজের দেশের দলকেই বলেছিলেন ‘গ্যাংস্টার’।

স্পেনের স্থানীয় পত্রিকা এল কমের্সিও ম্যাচ রিপোর্ট ছাপিয়েছিল খেলার পাতায় নয়, অপরাধ পাতায়। জার্মান ট্যাবলয়েড বিল্ডের শিরোনাম ছিল—‘লজ্জা তোমাদের!’

কিন্তু অভিযুক্তরা অনুতপ্ত ছিলেন না। ম্যাচ শেষে জার্মান দলের হোটেলের বাইরে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা ডিম ছুড়লে খেলোয়াড়েরা নাকি বারান্দা থেকে পানিভর্তি বেলুন ছুড়ে জবাব দিয়েছিল।

জার্মান গোলরক্ষক হ্যারাল্ড শুমাখার পরে ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন, ‘আমার দিকে তো মাত্র দুটি বল এসেছিল—একটা ব্যাকপাস, আরেকটা থ্রো-ইন। আমি কী করতাম? সামনে গিয়ে নিজেই আক্রমণ করতাম?’ 

অস্ট্রিয়ার প্রতিনিধি হান্স চাকও মন্তব্য করেছিলেন বিতর্কিত ভাষায়। তার বক্তব্য আরও ক্ষোভ বাড়িয়েছিল।

এই ঘটনার পরই ফিফা বিশ্বকাপের নিয়ম বদলে দেয়। এরপর থেকে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো একই সময়ে আয়োজন বাধ্যতামূলক করা হয়।

বয়স এখন আশির ঘরে। ডান্ডিতে অবসর জীবন কাটান বব ভ্যালেন্টাইন। মাঝে মাঝে স্থানীয় প্রতিযোগিতায় বোলস খেলেন। কিন্তু গিজনের সেই রাত তাকে আজও ছাড়েনি।

তিনি বলেন, ‘এখনো মানুষ এসে আমাকে ওই ম্যাচের কথা জিজ্ঞেস করে। আমি শুধু বলি—হ্যাঁ, এটা লজ্জাজনক ছিল। কিন্তু নিয়মের মধ্যে থেকেই সব হয়েছিল। ফুটবলের জন্য সেটা ছিল ভয়ংকর এক দিন।’ 

কেন অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন, মুখ খুললেন কোহলি

ক্রীড়া ডেস্ক
কেন অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন, মুখ খুললেন কোহলি
বিরাট কোহলি।

চার বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো ভারতের টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন বিরাট কোহলি। তার ভাষায়, নেতৃত্বের চাপ একসময় তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে পুরোপুরি ক্লান্ত করে ফেলেছিল।

২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজ হারের একদিন পর টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন কোহলি। এর আগে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন, আর ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাকে। সাত বছরের দায়িত্বে ৬৮ টেস্টে ৪০ জয় এনে ভারতের সবচেয়ে সফল টেস্ট অধিনায়ক হয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, ‘আমি একসময় ব্যাটিং ইউনিটের মূল ভরসা আর নেতৃত্ব—দুই জায়গার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে গিয়েছিলাম। বুঝতেই পারিনি এই দুই দায়িত্ব আমার দৈনন্দিন জীবনে কতটা চাপ তৈরি করছে। ভারতীয় ক্রিকেটকে শীর্ষে রাখতে এতটাই মনোযোগী ছিলাম যে নিজের দিকে তাকানোর সময়ই পাইনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময় আমি পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার ভেতরে আর কিছু অবশিষ্ট ছিল না। সবকিছু আমাকে গ্রাস করে ফেলেছিল। সময়টা খুব কঠিন ছিল।’

বিরাট কোহলি প্রথম টেস্টে ভারতের নেতৃত্ব দেন ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টে। পরে রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তার নেতৃত্বে টানা পাঁচ বছর আইসিসি টেস্ট মেস জেতে ভারত এবং ২০১৮-১৯ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ও পায়।

তবে নেতৃত্বের চাপে নিজের অস্তিত্বই হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন কোহলি। তার কথায়, “নেতৃত্ব মানে শুধু কোচিং নয়, মানুষের মানসিকতা বুঝে সেরাটা বের করে আনা। সেটা করতে গিয়ে নিজের কথা ভাবার সুযোগই থাকত না। কেউ কখনো জিজ্ঞেস করেনি, ‘তুমি কেমন আছ?’”

শেষদিকে ফিরে তাকিয়ে কোহলি বুঝতে পারেন, প্রায় নয় বছর ধরে কেউ তার খোঁজই নেয়নি। আর সেখান থেকেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তটা তার কাছে সঠিক মনে হয়েছিল।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে যা বললেন নাজমুল

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে যা বললেন নাজমুল
নাজমুল হোসেন শান্ত। ছবি : মীর ফরিদ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের পর দলের বদলে যাওয়া মানসিকতা ও পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, উন্নতি করতে হলে পরিবর্তন আনা জরুরি ছিল, আর সেই পরিবর্তনের ফলই এখন পাচ্ছে দল।

ম্যাচ শেষে শান্ত বলেন, ‘সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের। তারা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমরা কিছু জিনিস বদলানোর চেষ্টা করেছি। বিশ্ব ক্রিকেটে যদি কিছু গড়তে চান, তাহলে পরিবর্তন আনতেই হবে। আশা করি আমরা এভাবেই খেলতে থাকব।’

বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও উইকেট নিয়েও সন্তুষ্ট অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতির দিক থেকে আমরা অসাধারণ ছিলাম। এই ধরনের কন্ডিশনে সেটা অনেক সাহায্য করেছে। আমাদের পেসাররা গরম আবহাওয়া ও ফ্ল্যাট উইকেটে দারুণ বোলিং করেছে। এটা এমন একটি জায়গা, যেখানে আমরা উন্নতি করতে চেয়েছিলাম।’

ব্যাটিং নিয়েও আশাবাদী শান্ত। তার মতে, এখন দলের ব্যাটারদের মধ্যে বড় জুটি গড়ে উঠছে এবং নিচের সারির ব্যাটাররাও অবদান রাখছেন। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা অনেক দ্রুত উইকেট হারাতাম। কিন্তু এখন দারুণ কিছু পার্টনারশিপ হচ্ছে। টেইলএন্ডাররাও রান করছে। এগুলোই আমরা উন্নত করতে চেয়েছিলাম।’

বিদেশের মাটিতে ভালো করার লক্ষ্যও সামনে রেখেছেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে বিদেশের সিরিজগুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ। গত চক্রে আমরা বাইরে কিছু ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে এবার আরো কঠিন সফর আছে। এটা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। যদি আমরা পেসার ও স্পিনারদের নিয়ে এভাবেই ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, তাহলে বিদেশেও ভালো করার সুযোগ থাকবে।’