• ই-পেপার

কেরানীগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার রেণু পোনা জব্দ, নদীতে অবমুক্ত

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি
সংগৃহীত ছবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের ওপর আরোপিত সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের ওপর থেকে কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করলে সাধারণ মানুষ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার ব্যবহারে আরো আগ্রহী হবে। এতে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেকটা কমবে।

আজ বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা থেকে ন্যায়সংগত ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় উত্তরণের পথ খুঁজতে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন তারা।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ইতিবাচক ও প্রগতিশীল অবস্থানকে তুলে ধরেছে। সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আসন্ন জাতীয় বাজেটে উপযুক্ত প্রণোদনা, নেট মিটারিং কার্যকর বাস্তবায়ন ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ তরুণদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা সরকারের নীতি বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং ন্যায়সংগত উত্তরণের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করা হলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে এবং গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ ও উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ন্যায়সংগত উত্তরণ নিশ্চিত করতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শ্রমিকসহ ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। বৈশ্বিক এই আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ সরকার, নাগরিক সমাজ, গবেষক ও তরুণদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অর্থবহ ও কার্যকর জ্বালানি রূপান্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।


সভাপতির বক্তব্যে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, ‘জলবায়ু সংকট ও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা একটি আন্তঃসম্পর্কিত বৈশ্বিক সংকট, যা মোকাবেলায় সমন্বিত ও ন্যায়ভিত্তিক পদক্ষেপ জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, জাস্ট ট্রানজিশনকে কেবল প্রযুক্তিগত সমাধান হিসেবে দেখলে হবে না; বরং প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, আইনি, রাজনৈতিক ও সামাজিক বাধা দূর করে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।’ এ প্রক্রিয়ায় নারী, যুব, শ্রমিক ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেন্ডার-রেসপনসিভ পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

একশনএইড বাংলাদেশের জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন টিমের ম্যানেজার মো. আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তৃতা দেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) বাংলাদেশের লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি বদরুল আলম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ বিভাগের সাদিয়া জাহান রথি, ক্লাইমেট ফ্রন্টিয়ারের অপারেশন লিড জুবায়ের ইসলাম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় গত মাসের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তরণ সম্মেলনের অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং সম্মেলনের বিভিন্ন ফলাফল তুলে ধরে ধরেন কাঠপেন্সিল-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফারজানা ফারুক ঝুমু ও ব্রাইটার্স সোসাইটির চেয়ার ফারিহা এস অমি।

বগুড়ায় বিএডিসি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ায় বিএডিসি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় বগুড়ার ধুনট উপজেলায় গোপালনগর ইউনিয়নের সাতটিকরি গ্রামে লো-লিফট পাম্প (এলএলপি) স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক সাব্বির হোসেন শাহীন বাদী হয়ে বিএডিসি বগুড়া সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে সরেজমিনে সাতটিকরি গ্রামে ফসলের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। তবে ওই মাঠের অধিকাংশ জমিতে বোরো ধান কাটার কাজ চলমান থাকায় সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজটি ধীর গতিতে চলছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটিকরি গ্রামে ফসলের মাঠে সাব্বির হোসেন শাহীন ও আরো তিন কৃষকের অগভীর নলকূপ রয়েছে। চার কৃষক ২০১৮ সালে বিএডিসির উপজেলা সেচ কমিটি থেকে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রের অনুমোদন নিয়ে জমিতে পানি সেচকাজ পরিচালনা করছেন। ওই চার সেচযন্ত্রের এলাকার মধ্যে প্রায় শত বিঘা আবাদি জমি রয়েছে।

আরো পড়ুন
রাজশাহীতে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৯

রাজশাহীতে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৯

 

এ অবস্থায় চারটি সেচযন্ত্রের এলাকার মধ্যে এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র স্থাপনের কাজ শুরু করেছে বিএডিসি। ওই মাঠ সংলগ্ন ইছামতি নদী থেকে এলএলপি প্রকল্পের সেচযন্ত্র দিয়ে পানি সেচ দেওয়া হবে। বিধিমোতাবেক, এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপনের আগে কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠন করে সেই সমিতির নামে সেচযন্ত্র স্থাপনের অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার কথা। কিন্তু সমিতি গঠন না করেই সেচ যন্ত্র স্থাপন করা হচ্ছে। ওই এলাকায় এলএএলপি সেচযন্ত্রের প্রয়োজন না থাকলেও বিএডিসি অতি উৎসাহিত হয়ে সেখানে সেচযন্ত্র স্থাপন করছে। এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপন করা হলে ওই মাঠের চারটি সেচযন্ত্রের মালিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণে কৃষক সাব্বির হোসেন শাহীন তার অভিযোগে এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপন কার্যক্রম বন্ধের দাবি করেন।

এ বিষয়ে বগুড়া বিএডিসি’র উপসহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, এলএলপি সেচযন্ত্র স্থাপনের পাশাপাশি কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। নদীর তীরবর্তী দেড় কিলোমিটার এলাকার ভেতর অগভীর নরকূপ স্থাপনের বিধান নেই, তারপরও উপজেলা সেচ কমিটি থেকে চারটি সেচযন্ত্র কিভাবে অনুমোদন নিয়েছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে এলএলপি স্কিমের সেচযন্ত্র স্থাপনে কোনো প্রকার অনিয়ম করা হয়নি।

রাজশাহীতে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৯

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, রাজশাহী
রাজশাহীতে পৃথক দুই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৯
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। এসব ঘটনায় মোট ৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছিনতাইকৃত অটোরিকশা, ব্যাটারি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত মামুনুর রশিদ গত ২ মে বিকেলে প্রতিদিনের মতো ভাড়ায় চালানোর উদ্দেশ্যে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। রাতে বাড়িতে না ফিরলে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন সকালে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে দামকুড়া থানা পুলিশ জোতরাবোন উত্তরপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পিবিআই ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. বাবুল বাদী হয়ে দামকুড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মামুনুর রশিদকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

আরো পড়ুন
কেরানীগঞ্জে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

কেরানীগঞ্জে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

 

ঘটনার পর ডিবি পুলিশের একটি টিম তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ১৫ মে ছিনতাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মূল পরিকল্পনাকারীসহ আরো চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এ সময় তাদের কাছ থেকে অটোরিকশার চারটি ব্যাটারি ও ব্যাটারি খোলার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপরদিকে, মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে গুলিতে নিহত হন মো. গোলাম মোস্তফা। পুলিশ জানায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে খোঁজাপুর এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও অব্যবহৃত গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের স্ত্রী মোসা. নাজেরা বেগম মতিহার থানায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা করেন।

পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমাস আল রাজী ও তার টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ মে দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি হাসিবুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান আরএমপি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। সেই সঙ্গে পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

কেরানীগঞ্জে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবা ও ৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)। বুধবার (২০ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম সুমন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ সিমল হোসেন (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে চুনকুটিয়া এলাকায় অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ শরীফ (২৮) নামের আরেকজনকে আটক করা হয়। এ ছাড়া হাসনাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ নিলুফা (৫০) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার তিনজনই পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পৃথক পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে গ্রেপ্তারদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।