• ই-পেপার

‘তিন সংস্করণ মিলিয়ে এই মুহূর্তে লিটনই সেরা’

সিটির বিপক্ষে বোর্নমাউথের সবচেয়ে বড় ভক্ত আর্সেনাল কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
সিটির বিপক্ষে বোর্নমাউথের সবচেয়ে বড় ভক্ত আর্সেনাল কোচ
আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। ছবি: রয়টার্স

আগামী রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলে কোনো সমীকরণে যেতে হবে না আর্সেনালকে। ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হবে লন্ডনের ক্লাবটি।

তবে সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগেই অপেক্ষা ফুরাতে পারে আর্সেনালের। এমনকি গানাররা শিরোপা উদযাপনে মাততে পারে আজ রাতেই। সেজন্য পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিকে রুখে দিতে হবে বোর্নমাউথকে। তাই আজ রাতের ম্যাচে বোর্নমাউথকে পূর্ণ সমর্থন দেবেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা।

বার্নলির বিপক্ষে গত রাতে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ঘ্রাণ পেতে শুরু করেছে আর্সেনাল। ৩৭ ম্যাচে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে তারা। ৩৬ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। 

তাই শিরোপার লড়াই শেষ দিন পর্যন্ত টেনে নিতে আজ রাতে বোর্নমাউথের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই সিটির। 

বার্নলিকে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে আর্তেতাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি বোর্নমাউথকে সমর্থন করবেন কি না। আর্সেনাল কোচ বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য বোর্নমাউথের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভক্ত হবেন তিনি, ‘আমার মনে হয়, আমি তাদের (বোর্নমাউথের) সবচেয়ে বড় সমর্থক হবো। কারণ এই ম্যাচটির গুরুত্ব কতটা, সেটা আমরা সবাই জানি।’

লিগে আগের ম্যাচেও ওয়েস্ট হামের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছিল আর্সেনাল। মৌসুমের শেষ সময়ে এসে পরপর দুই ম্যাচে প্রবল স্নায়ু চাপে ছিলেন আর্তেতা। 

আর্সেনাল কোচ বললেন, সিটি ও বোর্নমাউথের ম্যাচ দেখা তার জন্য একটু বেশি চাপের হয়ে যাবে, ‘আমি ভাবতাম মাথায় যত চুল আছে, সেটা কখনো কমবে না। কিন্তু এই চাকরি সেই ধারণাকে চরম পরীক্ষায় ফেলছে। জানি না, কতক্ষণ এই ম্যাচ দেখতে পারব। তবে টিভির সামনেই থাকব।’

সিটি এই ম্যাচ জিতলেও শিরোপা জয়ের ভাগ্য থাকবে আর্সেনালের হাতে। শেষ ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারাতে পারলেই ট্রফি ঘরে তুলতে পারবে তারা।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সৌজন্য ছবি

জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ মাঠে দিনব্যাপী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছে। সকাল থেকেই দৌড়, সফটবল, ফুটবলসহ নানা ডিসিপ্লিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা।

জেলা-বিভাগ পর্যায় পাড়ি দিয়ে প্রতিভাবানদের নিয়ে রাজধানীত অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। এই একটা দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকে শিশুরা। এখানে এসে নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচিত হয় তারা। পুরোটা দিন উদযাপন করেন নিজেদের মতো করে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। কোমলমতি এই শিশুদের উৎসাহ প্রদান, সমাজের আর আট-দশটা স্বাভাবিক শিশুদের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতার করার ক্ষমতা তৈরি করা, প্রতিভার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের লক্ষ্য।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মাহবুবুর রহমান। আগামী বছর থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে আলাদা পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

রেকর্ড ষষ্ঠবার বিশ্বকাপে রোনালদো, পর্তুগাল দলে কারা আছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
রেকর্ড ষষ্ঠবার বিশ্বকাপে রোনালদো, পর্তুগাল দলে কারা আছেন
পর্তুগালের বিশ্বকাপ দলে আছেন রোনালদো। ছবি : এক্স থেকে

আজন্ম স্বপ্নপূরণের শেষ সুযোগ পাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৫ বারের ব্যালন ডি’অরকে রেখেই আজ ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন।

এ নিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবেন রোনালদো। আর কোনো ফুটবলারের এই কীর্তি নেই। তবে লিওনেল মেসি যদি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পান তাহলে পর্তুগাল কিংবদন্তির পাশে বসবেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়কেরও তখন ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ষষ্ঠ আসর।

রেকর্ড ৬ বার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলেও কখনো সোনালি ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি রোনালদোর। ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে সেই স্বপ্ন পূরণে পাশে পাচ্ছেন বর্তমান সময়ে ইউরোপীয় ফুটবল মাতানো তারকাদের। ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড পাশে পাবেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহার মতো তারকাদের। 
আসন্ন বিশ্বকাপে ‘কে’ গ্রুপে পড়েছে পর্তুগাল। তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। আগামী ১৭ জুন কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু কোচ রবার্তেো মার্তিনেজের শিষ্যদের। বাকি দুটি ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে।
 
পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড : 
গোলরক্ষক : দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা ও রিকার্দো ভেলহো।

ডিফেন্ডার : দিয়োগো দালোত, ম্যাথিউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস, গনসালো ইনাসিও, রেনাতো ভেইগা, রুবেন দিয়াস ও তমাস আরাউহো।

মিডফিল্ডার : রুবেন নেভেস, সামুয়েল কোস্তা, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও বের্নার্দো সিলভা।

ফরোয়ার্ড : জোয়াও ফেলিক্স, ত্রিনকাও, ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিয়াও, গনসালো গেদেস, গনসালো রামোস ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

মেয়েদের অনার্স বোর্ড করলেন তামিম ইকবাল

ক্রীড়া ডেস্ক
মেয়েদের অনার্স বোর্ড করলেন তামিম ইকবাল
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নতুন অনার্স বোর্ড। ছবি: ফেসবুক

বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার পর একাধিক ব্যতিক্রমী কাজ করে প্রশংসিত হয়েছেন তামিম ইকবাল। সেই তালিকায় যুক্ত হলো তার আরেকটি উদ্যোগ।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দেয়ালে প্রথমবারের মতো লাগানো হলো মেয়েদের অনার্স বোর্ড। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের একটি আক্ষেপ ঘুচল। 

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের অনার্স বোর্ডে এতদিন শুধু পুরুষ ক্রিকেটারদের নাম উঠত। এখন থেকে সেখানে নারী ক্রিকেটারদের অর্জনের স্বীকৃতিরও দেখা মিলবে। 

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন তামিম। বোর্ডপ্রধান লিখেছেন, ‘এই দুটি বোর্ডে গর্বের অক্ষরে খোদাই করা আছে আমাদের জাতীয় ক্রিকেটারদের নাম, বাংলাদেশের হয়ে যারা খেলেছেন মেয়েদের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মূল ভবনে ঢোকার মুখে এক পাশের দেয়ালে ছেলেদের দলের অনার্স বোর্ড আছে। কিন্তু মেয়েদের অনার্স বোর্ড ছিল না। ওদের সঙ্গে বৈঠকের সময় ব্যাপারটি নিয়ে ওরা কিছুটা আক্ষেপ করেছিল। এখন একই প্রবেশমুখের আরেক পাশের দেয়ালে মেয়েদের অনার্স বোর্ডও করা হয়েছে এবং এটা ওদের প্রাপ্য।’

নারী-পুরুষে সমতা আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম, ‘নারী দল হোক বা পুরুষ দল—সবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। সবাই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবারই এই সম্মান প্রাপ্য। সবাই মিলেই আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেট। এর মাধ্যমে দেশের নারী ক্রিকেটারদের অবদানকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সমতার বার্তাও তুলে ধরেছে বিসিবি।’