• ই-পেপার

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

রেকর্ড ষষ্ঠবার বিশ্বকাপে রোনালদো, পর্তুগাল দলে কারা আছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
রেকর্ড ষষ্ঠবার বিশ্বকাপে রোনালদো, পর্তুগাল দলে কারা আছেন
পর্তুগালের বিশ্বকাপ দলে আছেন রোনালদো। ছবি : এক্স থেকে

আজন্ম স্বপ্নপূরণের শেষ সুযোগ পাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৫ বারের ব্যালন ডি’অরকে রেখেই আজ ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন।

এ নিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবেন রোনালদো। আর কোনো ফুটবলারের এই কীর্তি নেই। তবে লিওনেল মেসি যদি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পান তাহলে পর্তুগাল কিংবদন্তির পাশে বসবেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়কেরও তখন ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ষষ্ঠ আসর।

রেকর্ড ৬ বার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলেও কখনো সোনালি ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি রোনালদোর। ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে সেই স্বপ্ন পূরণে পাশে পাচ্ছেন বর্তমান সময়ে ইউরোপীয় ফুটবল মাতানো তারকাদের। ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড পাশে পাবেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহার মতো তারকাদের। 
আসন্ন বিশ্বকাপে ‘কে’ গ্রুপে পড়েছে পর্তুগাল। তাদের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। আগামী ১৭ জুন কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু কোচ রবার্তেো মার্তিনেজের শিষ্যদের। বাকি দুটি ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৮ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে।
 
পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড : 
গোলরক্ষক : দিয়োগো কস্তা, জোসে সা, রুই সিলভা ও রিকার্দো ভেলহো।

ডিফেন্ডার : দিয়োগো দালোত, ম্যাথিউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস, গনসালো ইনাসিও, রেনাতো ভেইগা, রুবেন দিয়াস ও তমাস আরাউহো।

মিডফিল্ডার : রুবেন নেভেস, সামুয়েল কোস্তা, জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও বের্নার্দো সিলভা।

ফরোয়ার্ড : জোয়াও ফেলিক্স, ত্রিনকাও, ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিয়াও, গনসালো গেদেস, গনসালো রামোস ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

মেয়েদের অনার্স বোর্ড করলেন তামিম ইকবাল

ক্রীড়া ডেস্ক
মেয়েদের অনার্স বোর্ড করলেন তামিম ইকবাল
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নতুন অনার্স বোর্ড। ছবি: ফেসবুক

বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার পর একাধিক ব্যতিক্রমী কাজ করে প্রশংসিত হয়েছেন তামিম ইকবাল। সেই তালিকায় যুক্ত হলো তার আরেকটি উদ্যোগ।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের দেয়ালে প্রথমবারের মতো লাগানো হলো মেয়েদের অনার্স বোর্ড। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের একটি আক্ষেপ ঘুচল। 

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের অনার্স বোর্ডে এতদিন শুধু পুরুষ ক্রিকেটারদের নাম উঠত। এখন থেকে সেখানে নারী ক্রিকেটারদের অর্জনের স্বীকৃতিরও দেখা মিলবে। 

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন তামিম। বোর্ডপ্রধান লিখেছেন, ‘এই দুটি বোর্ডে গর্বের অক্ষরে খোদাই করা আছে আমাদের জাতীয় ক্রিকেটারদের নাম, বাংলাদেশের হয়ে যারা খেলেছেন মেয়েদের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মূল ভবনে ঢোকার মুখে এক পাশের দেয়ালে ছেলেদের দলের অনার্স বোর্ড আছে। কিন্তু মেয়েদের অনার্স বোর্ড ছিল না। ওদের সঙ্গে বৈঠকের সময় ব্যাপারটি নিয়ে ওরা কিছুটা আক্ষেপ করেছিল। এখন একই প্রবেশমুখের আরেক পাশের দেয়ালে মেয়েদের অনার্স বোর্ডও করা হয়েছে এবং এটা ওদের প্রাপ্য।’

নারী-পুরুষে সমতা আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম, ‘নারী দল হোক বা পুরুষ দল—সবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। সবাই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবারই এই সম্মান প্রাপ্য। সবাই মিলেই আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেট। এর মাধ্যমে দেশের নারী ক্রিকেটারদের অবদানকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সমতার বার্তাও তুলে ধরেছে বিসিবি।’

সিলেট টেস্ট

পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করতে ৩ উইকেট চাই বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করতে ৩ উইকেট চাই বাংলাদেশের
দিন শেষে মাঠ ছাড়ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

ঘরের মাঠে টেস্ট খেলতে নামার আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের কথা উঠেছিল। তবে প্রতিপক্ষকে তাদের মাটিতে ধবলধোলাই করা প্রসঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ফিল সিমন্স। বাংলাদেশি কোচ জানিয়েছিলেন, এবার ঘরের মাঠে নতুন আরেকটি ইতিহাস গড়তে চাই।

গুরুর চাওয়া প্রথম টেস্টে পূরণ করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মমিনুল হকরা। পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়ে। এবার আরও বড় উপলক্ষের সামনে বাংলাদেশ। 

ঘরের মাঠেও এবার পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার দারুণ সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। কেননা চতুর্থ দিন শেষেই সিলেট টেস্ট জয়ের সুবাস গায়ে মাখছেন মুশফিকুর রহিম-লিটন দাসরা। দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের জন্য যে আর ৩ উইকেট প্রয়োজন স্বাগতিকদের। বলা ভালো প্রতিপক্ষের শেষ স্বীকৃত ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে আউট করলেই কেল্লাফতে। 

বিপরীতে পাকিস্তানকে সিরিজে সমতায় ফিরতে হলে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। রেকর্ড ৪৩৭ রান তাড়া করে জেতার জন্য এখনো ১২১ রান প্রয়োজন তাদের। বোলারদের নিয়ে আগামীকাল শেষ দিনে সেই কাজটা কতদূর পর্যন্ত করতে পারবেন রিজওয়ান সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজ ৭৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। তার সঙ্গে ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন অফস্পিনার সাজিদ খান। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান।

এর আগে বিনা উইকেটে শূন্যে রানে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ দিনে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। এই সিরিজ দিয়েই অভিষেক হওয়া দুই ওপেনার আজান ওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজল দলীয় ৪১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন। উইকেট দুটি ভাগাভাগি করে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদ রানা।

সেখান থেকে পাকিস্তানকে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখান বাবর আজম ও শান মাসুদ। ওয়ানডে স্টাইলে তৃতীয় উইকেটে ১১৫ বলে ৯২ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে পরে আর বেশি মাথা ব্যথার কারণ হতে দেননি তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে বাবরকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে নিজের বাঁহাতি স্পিনের জাদুও দেখানো শুরু করেন তিনি।

দিনের শেষ তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে পরাজয়ের করুণ সুরও শুনিয়ে দিচ্ছেন তাইজুল। তার স্পিন মায়াজালের আগে একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ব্যক্তিগত ৭১ রানে সালমানকে আউট করে সেই প্রতিরোধও ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার। ভাঙার আগে ষষ্ঠ উইকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৪ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান-সালমান। তার আগে সালমানের মতোই অধিনায়ক মাসুদকে ৭১ রানে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তাইজুল। সবমিলিয়ে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার তিনিই।

পেদ্রোর এই পুরস্কার যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা!

ক্রীড়া ডেস্ক
পেদ্রোর এই পুরস্কার যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা!
চেলসির সেরা খেলোয়াড় হলেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি পেদ্রোর। ছবি : রয়টার্স

সময়ের কী নির্মম পরিহাস! সুসংবাদ পেয়েও উপভোগ করতে পারছেন না জোয়াও পেদ্রো। পারবেন কী করে? কয়েক ঘণ্টা আগেই আজন্ম স্বপ্ন ভেঙেছে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের।

স্বপ্ন বুনছিলেন বিশ্বকাপ মাতাবেন। স্বপ্নের বেলুনটা আরো বড় হচ্ছিল পেদ্রোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে। কিন্তু গতকাল রাতে এক মুহূর্তেই সেই বেলুন ঠুস। ব্রাজিলের ২৬ সদস্যের দলে ২৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডকে রাখেননি কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

 

বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নই যখন টুটে যায় তখন কোনো পুরস্কারই কী আর সান্ত্বনা দিতে পারে। তেমনি পারছে না চেলসির এই মৌসুমের খেলোয়াড়ের পুরস্কার। উল্টো বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর পরেই চেলসি তার নাম ঘোষণা করায় পুরস্কারটা যেন তার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছে।

 

দল হিসেবে এ মৌসুমে চেলসি ভালো করতে না পারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে দুর্দান্ত ছিলেন পেদ্রো। এ মৌসুমে চেলসির সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটা তারই স্বীকৃতি। কিন্তু লাভ কী, যার জন্য এতটা পরিশ্রম সেই বিশ্বকাপ দলেই জায়গা হলে না তার। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৯ ম্যাচ খেলে ২০ গোল করেছেন তিনি। সঙ্গে স্টামফোর্ড ব্রিজের সর্বোচ্চ গোলদাতা ৯টি অ্যাসিস্টও করেছেন।

এমনকি চেলসির মোট গোলের এক-তৃতীয়াংশের বেশি করেছেন পেদ্রো। এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৫৫ গোল করেছে চেলসি। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপে দলে সুযোগ না পাওয়া পেদ্রো তাই ধৈর্যই ধরছেন। তিনি বলেছেন, ‘সব সময় আমার সেরাটা দিয়েছি। দুর্ভাগ্যক্রমে দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব হয়নি। তবে আমি শান্ত ও মনোযোগী আছি। সব সময় যা করি।’