• ই-পেপার

কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের তালিকায় হামজা-ঋতুপর্ণা-আমিরুল

রেকর্ড রানের লক্ষ্য দিয়েও বাংলাদেশের আক্ষেপ

ক্রীড়া ডেস্ক
রেকর্ড রানের লক্ষ্য দিয়েও বাংলাদেশের আক্ষেপ
তৃতীয় দিন শেষে মাঠ ছাড়ার সময় মুশফিক-শান্তরা। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

জিততে হলে বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে। পাকিস্তানকে এমন লক্ষ্যই দিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করার রেকর্ড আছে। সেখানে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।

কিন্তু সিলেট টেস্টে রেকর্ড লক্ষ্য দিয়েও আফসোস করছে বাংলাদেশ। আরো কিছু রান করলে নাকি ভালো হতো। তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটিই জানালেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনার বলেছেন, ‘আরো একটু লম্বা করতে পারলে হয়তো দলের জন্য ভালো হতো। কারণ উইকেট এখনো (ব্যাটিংয়ের জন্য) ভালো। আমরা যদি আরো কিছু জুটি গড়তে পারতাম, হয়তো ভালো হতো।’

দলীয় স্কোরের সঙ্গে আর কত রান করতে যোগ করতে পারলে ভালো হতো সেটাও জানালেন তাইজুল। তিনি বলেছেন, ‘স্কোরবোর্ডে যদি আরো ২০-৩০-৪০ রান যোগ করতে পারতাম হয়তো দলের জন্য ভালো হতো। এখানে হতাশার কিছু নেই। কারণ সব সময় ১০০% হবে, এমনটাও নয়।’

মুশফিকুর রহিমের (১৩৭) রেকর্ড ১৪তম সেঞ্চুরি আর লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসান জয়ের জোড়া ফিফটিতে ব্যাটিংটা দুর্দান্ত করেছে বাংলাদেশ। এবার বোলারদের পালা। নিজেরাও সেই দায়িত্বটা পালন করতে চান জানিয়ে তাইজুল বলেছেন, ‘এটা চতুর্থ ইনিংস। উইকেট এখনো ভালো আছে। কিন্তু দিন শেষে আমাদের লক্ষ্যটা দেখতে হবে। তারা যখন সংখ্যাটা দেখবে হয়তো মাথায় অনেক কিছু কাজ করতে পারে। উইকেট যে রকম ভালো আছে, সে রকম আমাদেরও শৃঙ্খলা মেনে বোলিং করতে হবে।’

৩৯তম জাতীয় স্নুকারে চ্যাম্পিয়ন নিজাম উদ্দিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
৩৯তম জাতীয় স্নুকারে চ্যাম্পিয়ন নিজাম উদ্দিন
চ্যাম্পিয়ন নিজাম উদ্দিন আহমেদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কিউ স্পোর্টস প্রতিযোগিতা ৩৯তম জাতীয় স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্ব। 

গতকাল (১৭ মে) ঢাকা বোট ক্লাবে অনুষ্ঠিত সমাপনী আয়োজনটি খেলোয়াড়দের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশে স্নুকারের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও সম্ভাবনাকেও তুলে ধরে। 

এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ১ লাখ টাকা। রানারআপ সৈয়দ রাফিজ জামান পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সেমিফাইনালিস্ট প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার পেয়েছেন। 

সর্বোচ্চ ৫০ বা তার বেশি ব্রেক অর্জনকারী খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিশেষ পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার টাকা পান। বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের ট্রফি, ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বোট ক্লাবের সভাপতি রুবেল আজিজ এবং বিবিএসএফ-এর সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরকার মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, এনডিসি, পিএসসি (অব.)।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘৩৯তম জাতীয় স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ সফলভাবে আয়োজনের জন্য আমি বিজয়ী, অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়, আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানাই। খেলাধুলা শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও দেশপ্রেম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

বাংলাদেশ বিলিয়ার্ড ও স্নুকার ফেডারেশনের (বিবিএসএফ) সহযোগিতায় আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সেরা খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে গালা মিউজিক্যাল নাইট ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সেখানে ক্রীড়া সংগঠক, ক্লাব সদস্য, অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল অ্যাম্বার গ্রুপ, ভেন্যু পার্টনার বনানী ক্লাব এবং বেভারেজ পার্টনার ছিল মাম ও আরসি কোলা। 

আমিনুলের মোহামেডানের মতোই দুর্ভাগা মরিনহোর বেনফিকা

ক্রীড়া ডেস্ক
আমিনুলের মোহামেডানের মতোই দুর্ভাগা মরিনহোর বেনফিকা
লিগে অপরাজিত থেকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি মোহামেডান-বেনফিকার। ছবি : সংগৃহীত

খেলেন ভালো, কিন্তু জেতেন না! পুরো মৌসুমে অপরাজিত থাকা দল যখন চ্যাম্পিয়ন হতে পারে না তখন আর কী-ই-বা বলা যেতে পারে। অপরাজিত থাকার গর্বটা তাই এখন পীড়া দিচ্ছে বেনফিকাকে। শুধু এবারই নয়, আগেও একবার এমন দুর্ভাগা সঙ্গী হয়েছে কোচ জোসে মরিনহোর দলটির। এমন হতাশাজনক কীর্তি আছে বাংলাদেশের মোহামেডানেরও। 

চলুন, দেখে নেওয়া যাক দুর্ভাগা ক্লাবগুলোর নাম—

বেনফিকা (পর্তুগাল)

চ্যাম্পিয়ন হতে চাইলে নাকি প্রতিপক্ষের কাছে হারা যাবে না। সেই শর্ত এবারের মৌসুমে পূরণ করেছে বেনফিকা। পর্তুগালের শীর্ষ লিগ প্রিমেইরা লিগায় এক ম্যাচও হারেনি জোসে মরিনহোর দল। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। উল্টো যন্ত্রণা পাচ্ছে তারা। কেননা অপরাজিত থেকেও যে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি তারা। উল্টো এ মৌসুমে ২ ম্যাচ হেরেও ট্রফি ঘরে তুলেছে পোর্তো। ৮৮ পয়েন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পোর্তো। মরিনহোর অধীনে ২৩ জয়ের বিপরীতে ১১ ড্র করে তৃতীয় হয়েছে বেনফিকা।

এই যন্ত্রণা অবশ্য এবারই প্রথম পায়নি বেনফিকা। এর আগে ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমেও কোনো ম্যাচ হারেনি তারা। কিন্তু ২১ জয়ের বিপরীতে ৯ ড্র করেও চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি তাদের। সেবারও তাদের সামনে শিরোপা উদযাপন করেছে পোর্তো। গোল ব্যবধানে শিরোপা জিতেছিল পোর্তো। দুই দলের পয়েন্ট ছিল সমান ৫১।

মোহামেডান (বাংলাদেশ)

মোহামেডানের নামের পাশে অসংখ্যা শিরোপা থাকলেও বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ট্রফি জিততে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে তাদের। ২০০৭ সালে পেশাদার লিগ চালু হওয়ার সর্বশেষ মৌসুমে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাদাকালোরা। তবে অভিষেক ট্রফিটি ১৬ বছর আগেই পেতে পারত তারা। কেননা ২০০৯-১০ মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল তারা। এতটাই দুরন্ত ছিল তারা, সেবার কোনো ম্যাচই হারেনি তারা। কিন্তু দুর্ভাগ্য অপরাজিত থেকেও চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি তাদের। ২৪ ম্যাচের টুর্নামেন্টে ১৯ জয়ের বিপরীতে ৫ ড্র করেছিল তারা। বিপরীতে ২২ জয় ও একটি করে ড্র-হারে চ্যাম্পিয়ন হয় আবাহনী। মোহামেডানের সেই সময়কার দলের গোলরক্ষক ছিলেন বাংলাদেশের বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। 

পেরুজিয়া (ইতালি)

সিরি ‘আ’র ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছিল পেরুজিয়া। কিন্তু এমন অনন্য কীর্তি গড়েও হাসিমুখে মৌসুম শেষ করা হয়নি তাদের। হাসবে কী করে? অপরাজিত থাকার পরেও যে লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি তাদের। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে ইতালির শীর্ষ লিগটি হতো ৩০ ম্যাচের। সেবার ১১ জয়ের বিপরীতে ১৯টিতে ড্র করে তারা।

লিগে অপরাজিত থাকলেও বেশি ম্যাচ ড্র করাটাই পেরুজিয়ার কাল হয়েছে। কেননা সেবার ৩ পয়েন্টর ব্যবধানে শিরোপা জেতা হয়নি তাদের। ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে সেবার শিরোপা জেতেছিল এসি মিলান। চ্যাম্পিয়নরা ৩ ম্যাচ হারলেও ১০ ড্রয়ের বিপরীতে ১৭ জয় পেয়েছিল।

গালাতাসারাই (তুরস্ক)

তুরস্কের শীর্ষ ফুটবল টুর্নামেন্ট সুপার লিগে সর্বোচ্চ ২৬বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গালাতাসারাই। টানা চতুর্থবারের মতো এবারও তারাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তবে নামের পাশের শিরোপা সংখ্যাটা এতদিনে ২৭ হতে পারত যদি ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে ভাগ্য সহায় থাকত। সেবার দুর্বার গতিতে ছুটছিল তুরস্কের ক্লাবটি। লিগের ৩৬ ম্যাচের মধ্যে একটিতেও হারার রেকর্ড ছিল না তাদের। ২০ জয়ের বিপরীতে ড্র করেছিল ১৬ টিতে। কিন্তু এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সেও ট্রফিটা ঘরে তোলা হয়নি তাদের। লিগে ২ ম্যাচ হারের স্বাদ পাওয়া বেসিকতাস গোল ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন হয়। দুদলের পয়েন্ট সমান ৫৬ ছিল।

রেড স্টার বেলগ্রেড (সার্বিয়া)

লিগে অপরাজিত থাকার পরেও চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার আক্ষেপ আছে রেড স্টার বেলগ্রেডেরও। সার্বিয়ান সুপার লিগের ২০০৭-০৮ মৌসুমে কোনো ম্যাচ হারেনি তারা। ২১ জয়ের বিপরীতে ১২টিতে ড্র করেছিল তারা। কিন্তু তারপরেও ট্রফি জেতা হয়নি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২বারের চ্যাম্পিয়নদের পেছনে ফেলে শিরোপা উদযাপন করেছিল পার্টিজান। রেড স্টারের ৭৫ পয়েন্টের বিপরীতে ৮০ পয়েন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় পার্টিজান।

চোটের গুঞ্জন উড়িয়ে নেইমার বললেন, ‘ফিট আছি’

ক্রীড়া ডেস্ক
চোটের গুঞ্জন উড়িয়ে নেইমার বললেন, ‘ফিট আছি’
নিজের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নেইমার। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

নেইমার জুনিয়র যেন বিশ্বকাপ দলে না থাকেন, সেজন্য ব্রাজিলিয়ানদেরই একটা অংশ উঠেপড়ে লেগেছে বলে শোনা যাচ্ছিল। গতকাল তো এর একটা প্রমাণও পাওয়া গেল।

কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আগে গতকাল নিজেকে মেলে ধরার শেষ সুযোগ ছিল নেইমারের। কিন্তু রেফারিদের ভুলে ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের হয়ে পুরো ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। ওই ঘটনাকে কেউ কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল দাবি করছেন।

ম্যাচ শেষে আবার রটানো হয়, নেইমার নতুন করে চোটে পড়েছেন। কিন্তু সেই গুঞ্জন উড়িয়ে এই তারকা ফরোয়ার্ড জানালেন, তিনি পুরোপুরি ফিট আছেন। 

নেইমারকে সাংবাদিকদের মূল প্রশ্ন ছিল তার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে। সেখানে নিজের আশাবাদ জানিয়ে ৩৪ বছর বয়সী তারকা সমালোচকদের এক হাত নিয়েছেন, ‘আমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা বলা হয়েছে। মানুষ যেভাবে এসব নিয়ে কথা বলে, তা খুবই দুঃখজনক। আমি নীরবে, বাড়িতে কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিন্তু মানুষের (আজেবাজে) কথার কারণে কষ্ট পেয়েছি। তবে শেষ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক হয়ে গেছে।’

নিজের ফিটনেস নিয়ে নেইমার বলেছেন, ‘শারীরিকভাবে আমি ভালো আছি, ফিট আছি। প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে আরো উন্নতি করছি। মাঠে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি। এটা সহজ ছিল না।’

বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা কোচ আনচেলত্তির হাতে ছেড়ে দিয়েছেন নেইমার, ‘আমি অক্ষত অবস্থায় কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছেছি। এখন পর্যন্ত যে পারফর্ম করেছি, তাতে খুশি। যা-ই ঘটুক না কেন, আনচেলত্তি অবশ্যই বিশ্বকাপের জন্য সেরা ২৬ জন ফুটবলারকে ডাকবেন।’

কাল কোরিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে নাটকীয়ভাবে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। তবে তিনি অভিযোগ করেন যে, বদলির সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন চতুর্থ রেফারি। সতীর্থ গন্সালো এসকোবার পায়ের মাংসপেশির চিকিৎসার জন্য সাময়িকভাবে মাঠ ছাড়লেও নেইমারকে বদলি করা হয়।

নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি বোর্ডে তুলে ধরেন চতুর্থ রেফারি এবং তার জায়গায় রবিনহো জুনিয়র মাঠে নামেন। কিন্তু নেইমার মাঠে ফেরার চেষ্টা করায় হলুদ কার্ড পান এবং এরপরই তিনি তীব্র জানান।

৭৯ গোল করে ব্রাজিলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা নেইমার। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গুরুতর চোটের পর আর দেশের জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে।