সাদা জার্সি আবারও গায়ে চড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন সৌম্য সরকার। তার জন্য অবশ্য ৫ বছরের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাকে। বাঁহাতি ওপেনার সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
মাঝের দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার অস্ট্রেলিয়া সফরে ডাক পেয়েছেন সৌম্য। ৩৩ বছর বয়সী ওপেনারকে এত দিন পর কেন দলে ডাকা হয়েছে তার ব্যাখ্যা আজ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং সামলানোর অভিজ্ঞতাই সৌম্যকে এগিয়ে রেখেছে।
অবশ্য ছন্দটাও সৌম্যর পক্ষেই। জাতীয় ক্রিকেট লিগের সর্বশেষ আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। খুলনা বিভাগের হয়ে ৭ ম্যাচে ৬৩৩ রান করেন তিনি। ৪৫.২১ গড়ে ৪ ফিফটির বিপরীতে ১ সেঞ্চুরি হাঁকান বাঁহাতি ওপেনার।
সৌম্যকে ফেরানোর ব্যাখ্যায় হাবিবুল বলেছেন, ‘সৌম্যকে নেওয়ার সময় আমাদের কয়েকটি বিষয় মাথায় ছিল। বর্তমানে টপ অর্ডারে প্রায় পাঁচজন বাঁহাতি ব্যাটার রয়েছে। যদি তানজিদ তামিম ও শাদমান ইসলাম ওপেন করে, তাহলে টানা চারজন বাঁহাতি ব্যাটার নেমে যাবে। আদর্শ পরিস্থিতিতে এটা ভালো নয়। সৌম্য দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় যে ধরনের গতি ও বাউন্সের মুখোমুখি হতে হবে, সে সেটার সঙ্গে অভ্যস্ত।’
টপ অর্ডারে বাঁহাতি ব্যাটারের সংখ্যা বেশি হচ্ছে এটা বিসিবির মাথায় ছিল। কিন্তু টপ অর্ডারের ডানহাতি ব্যাটাররা ছন্দে না থাকায়, সঙ্গে সম্ভাবনাময়রা এখনো প্রস্তুত না হওয়ায় বাঁহাতিদের ওপরই আস্থা রাখতে হয়েছে বলে জানান হাবিবুল। সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমরা অন্য ওপেনারদের বিষয়েও ভেবেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের ডানহাতি ওপেনাররা এখনো প্রস্তুত নয়। যাদের নিয়ে কাজ করছি, তারা একেবারেই নতুন। তাদের সরাসরি অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যাওয়া কঠিন হতো। সামনে হাই পারফরম্যান্স দলের সিরিজ রয়েছে। আশা করি, আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা একজন ডানহাতি ওপেনার তৈরি করতে পারব, যেটা আমাদের খুব প্রয়োজন।’
অস্ট্রেলিয়া সফরে ২ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে প্রথম টেস্ট। পরের ম্যাচ ২২ আগস্ট, ম্যাকাইতে। সিরিজ খেলতে আগামী ৩১ জুলাই অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে বাংলাদেশ।