• ই-পেপার

গোটা স্টেডিয়ামকে চুপ করাতে চেয়েছিলাম

মেসি-ইয়ামালকে নিয়ে যে মন্তব্য করলেন বার্সা সভাপতি

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি-ইয়ামালকে নিয়ে যে মন্তব্য করলেন বার্সা সভাপতি

‘দ্য গেটেস্টে শো অন আর্থ’ খ্যাত ফিফা বিশ্বকাপের ২৩ তম আসর শেষে হতে বাকি আর দুই ম্যাচ। বর্তমান সময়ের নিজ নিজ মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বহনকারী আর্জেন্টিনা এবং স্পেন উঠেছে ফাইনালে। এতে দুইদলের তারকার নিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্লেষণ।

ইতিমধ্যে নিজের সেরাটা দিয়ে ফুটবলে মহাতারকা বনে গেছেন আর্জেন্টাইন লিওনেল মেসি। এই সময়ে তারকা হয়ে উঠছে তরুন প্রতিভাবান স্পেনের ইয়ামাল। দুইজনই স্প্যানিশ লিগের দল বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি উঠে এসেছে। 

তাই বার্সেলোনা অতীত এবং বর্তমান দুই খেলোয়াড়কে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা। তিনি বলেছেন, লিওনেল মেসি হলেন অতীত ও বর্তমান, আর লামিনে ইয়ামাল হলেন বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

বিশ্বকাপ ফাইনালের ঠিক আগে স্পেনের ইয়ামাল এবং আর্জেন্টিনার মেসির মুখোমুখি হওয়াকে কেন্দ্র করে বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমির এই দুই প্রতিভাকে নিয়ে এমন ঐতিহাসিক মন্তব্য করেন স্প্যানিশ ক্লাবের এই প্রেসিডেন্ট।

ইএসপিএন এফসি ও আরএসি১-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে লাপোর্তা বলেন, ‘মেসি বার্সার সোনালী অতীতকে বহন করছেন, আর ইয়ামাল ক্লাবটির নতুন যুগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট গর্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাওয়া দুইজনই লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসেছেন।’

মেসি হলেন মেসি আর লামিনে হলেন লামিনে। মেসি ইতিহাসের সেরা, তবে বর্তমান সময়ে নিজের পজিশনে ইয়ামালও অন্যতম সেরা জিনিয়াস বলে যোগ করেন লাপোর্তা।

স্পেন ও আর্জেন্টিনা দুই দলই সেমিফাইনালে যথাক্রমে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। এই ম্যাচের মাধ্যমে ফুটবল বিশ্ব এক অভূতপূর্ব মশাল বদলের সাক্ষী হতে যাচ্ছে।

স্যার গ্যারি সোবার্স মারা গেছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
স্যার গ্যারি সোবার্স মারা গেছেন

ক্রিকেট জগতের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম নক্ষত্রগুলোর একটি তিনি। সেই নক্ষত্র যেন আজ খসে পড়ল!

সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার স্যার গ্যারি সোবার্স আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে মারা গেছেন তিনি। কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোবার্সের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই)।

সিডব্লিউআই লিখেছে, ‘এক অসাধারণ ইনিংসের সমাপ্তি ঘটল। আমাদের হৃদয়ে, আজীবন ও চিরকাল বেঁচে থাকবেন স্যার গারফিল্ড সোবার্স।’ তার মৃত্যুতে বিশ্ব ক্রিকেটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া সোবার্সকে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই তিনি ছিলেন অসাধারণ। বাঁহাতি ব্যাটার হওয়ার পাশাপাশি তিনি পেস, বাঁহাতি স্পিন এবং চায়নাম্যান—তিন ধরনের বোলিংই করতে পারতেন, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সোবার্সের। এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ৯৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন। করেন ৮০৩২ রান, যার মধ্যে ছিল ২৬টি সেঞ্চুরি। বল হাতে নেন ২৩৫টি উইকেট এবং ফিল্ডিংয়ে ধরেন ১০৯টি ক্যাচ।

SOBERS
খেলোয়াড়ি জীবনে গ্যারি সোবার্স যেমন ছিলেন। ছবি: সংগৃহীত

১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে কিংস্টনে অপরাজিত ৩৬৫ রানের ইনিংস খেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন সোবার্স। সেই সময় এটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। রেকর্ডটি প্রায় ৩৬ বছর টিকে ছিল। পরে ব্রায়ান লারা ৩৭৫ রান করে তা ভাঙেন।

১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে নটিংহামশায়ারের বিপক্ষে গ্ল্যামরগানের হয়ে খেলতে নেমে এক ওভারে টানা ছয়টি ছক্কা মেরে ইতিহাস গড়েন সোবার্স। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ওভারে ছয় ছক্কা মারার কীর্তি গড়া প্রথম ব্যাটার ছিলেন তিনি।

ক্রিকেটে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৫ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবার সোবার্সকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর থেকেই তিনি ‘স্যার গারফিল্ড সোবার্স’ নামে পরিচিত হন। পরে আইসিসিও তাকে তাদের ‘হল অব ফেম’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।

স্যার গ্যারি সোবার্সের মৃত্যুতে ক্রিকেট বিশ্ব হারাল এমন একজন কিংবদন্তিকে, যিনি শুধু পরিসংখ্যানেই নয়, নিজের বহুমুখী প্রতিভা ও অসাধারণ নৈপুণ্যে প্রজন্মের পর প্রজন্মের ক্রিকেটারদের অনুপ্রাণিত করে গেছেন।

কাবাডি সিরিজ

নেপালের বিপক্ষে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের, উচ্ছ্বাসে ভাসলেন জাইমা রহমানও

ক্রীড়া প্রতিবেদক
নেপালের বিপক্ষে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের, উচ্ছ্বাসে ভাসলেন জাইমা রহমানও
বাংলাদেশ নারী কাবাডি দলের সঙ্গে জয়ের আনন্দ ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান। ছবি: মীর ফরিদ

ঘরের মাঠে নেপাল জাতীয় নারী কাবাডি দলের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা দারুণভাবেই শুরু করল বাংলাদেশ। আজ ঢাকার জাতীয় কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৩৪-২৪ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়ে ১-০ তে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের এই জয়ে বাড়তি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। খেলোয়াড়দের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন তিনিও।

ম্যাচের শুরু থেকেই নেপালিদের ওপর আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। কৌশলী আক্রমণ ও রক্ষণভাগে অটুট থেকে প্রথমার্ধেই ১৪-১০ পয়েন্টের লিড নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেন স্বাগতিক মেয়েরা। 

Kabadi
বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচের একটি মুহূর্ত। ছবি: মীর ফরিদ

দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালালেও পেরে উঠেনি। শেষ পর্যন্ত ১০ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক শ্রাবণী মল্লিক।

প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ম্যাচটিতে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। খেলা শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাইমা। এরপর ভিআইপি বক্সের আয়েশ ছেড়ে এক পর্যায়ে তিনি নিচে নেমে এসে সাধারণ দর্শকের মতোই দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচ উপভোগ করেন।

ZAIMA PHOTO1
খেলোয়াড়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন জাইমা রহমান। ছবি: মীর ফরিদ

ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন জাইমা রহমান। খেলা শেষে তিনি বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের কাছে ডাকেন। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দলের সাফল্যের অংশীদার হয়ে হাস্যোজ্জ্বল মুখে সেলফি তোলেন। জাইমার এমন আন্তরিকতা খেলোয়াড়দের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

এর আগে সিরিজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, ‘কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা এবং সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য আমাদের ক্রীড়া ঐতিহ্যের গর্ব। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার এই সিরিজ দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন আরো দৃঢ় করবে।’

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া) আমেনা বেগম, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান উপস্থিত ছিলেন। 

এ ছাড়াও কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগসহ ফেডারেশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

মাঠের জয় এবং গ্যালারির বাড়তি উৎসাহ—সব মিলিয়ে কাবাডি স্টেডিয়ামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। বাংলাদেশের মেয়েরা তাদের এই জয়যাত্রা পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও ধরে রাখতে পারবে বলেই প্রত্যাশা দর্শকদের।

২য় টি-টোয়েন্টি

রিশাদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং, এবার বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পেল না জিম্বাবুয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
রিশাদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং, এবার বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পেল না জিম্বাবুয়ে
৪ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

১২০/০ থেকে ১৪১/৫—মাত্র ২১ রানের ব্যবধানে নেই ৫ উইকেট। 

ম্যাচের এই ছোট্ট অংশটুকুই শুধু বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না। বাকি অংশ সফরকারীরা এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করল যে, জিম্বাবুয়ে পাত্তাই পেল না। 

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে অনায়াসে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা আনল বাংলাদেশ। 

আজ (১৭ জুলাই) টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৮৭ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে ২ বল বাকি থাকতে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায়। দলে ফেরা রিশাদ হোসেন ২৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট, যা টি-টোয়েন্টিতে এই লেগ স্পিনারের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

গত বুধবার (১৫ জুলাই) প্রথম টি-টোয়েটিতে ৩২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। আজ ৩৪ রানের জয়ে এল সমতা। ফলে আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ সিরিজ নির্ধারণীতে পরিণত হলো। 

আগের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো করলেও আজ কী বুঝে যেন ফিল্ডিং নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। 

PIC1
বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান ফিফটি পেয়েছেন। ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট

প্রথম ম্যাচে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও আজ আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান উড়ন্ত শুরু এনে দেন। দুই ওপেনারই ফিফটি করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।

তবে সিকান্দার রাজা ও রিচার্ড এনগারাভার দারুণ বোলিংয়ে হঠাৎই বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস নামে। কিন্তু ষষ্ঠ উইকেটে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়লে জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিতে পারে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ ওভার করতে আসেন ব্র্যাড ইভান্স। জিম্বাবুয়েন এই পেসারের প্রথম ৪ বলে ৪ ছক্কা মারেন সাইফউদ্দিন।

pic2
জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা আজ সাতটি ক্যাচ ছেড়েছেন। ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট

 অবশ্য বাংলাদেশের ব্যাটারদের জ¦লে উঠতে জিম্বাবুয়েন ফিল্ডারদের ‘মাখন মাখানো হাতেরও’ অবদান আছে। একটি-দুটি নয়; আজ সাত-সাতটি ক্যাচ ছেড়েছে সিকান্দার রাজার দল।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই শেখ মেহেদীর ঘূর্ণি ও নাহিদ রানার গতির কবলে পড়ে জিম্বাবুয়ে। পাওয়াপ্লেতেই প্রথম ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।

অভিজ্ঞ রাজার ২৮ ও রায়ান বার্লের ২৯ রান জিম্বাবুয়ের কোনো কাজে আসেনি। আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ দুজনকে ফেরান রিশাদ হোসেন। এই দুজন ছাড়াও আরো দুটি শিকার ধরেন রিশাদ।

এক পর্যায়ে ১০৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। এরপর রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্সের ৪০ রানের জুটি পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র। 

saif6
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ম্যাচসেরা হয়েছেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

সিরিজে সমতা ফেরালেও বাংলাদেশের জন্য দুশ্চিন্তা বয়ে এনেছে নাহিদ রানার চোট। আলোচিত এই ফাস্ট বোলার নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে পেশিতে টান পড়লে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। রবিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে নাহিদ খেলতে পারবেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ : ২০ ওভারে ১৮৬/৫ (তানজিদ ৫৮, সাইফ ৫৫, সাইফউদ্দিন ৩১*, ইয়াসির ২২*; এনগারাভা ২/২৩, ইভান্স ২/৬৫, রাজা ১/২০)।
জিম্বাবুয়ে : ১৯.৪ ওভারে ১৫২ অলআউট (বার্ল ২৯, রাজা ২৮, ইভান্স ২৫; রিশাদ ৪/২৬, মেহেদী ৩/২৪, সাইফ ১/৪)।
ফল : বাংলাদেশ ৩৪ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (বাংলাদেশ)।
সিরিজ : ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতা। 

গোটা স্টেডিয়ামকে চুপ করাতে চেয়েছিলাম | কালের কণ্ঠ