• ই-পেপার

হাতিয়ায় জোয়ারের পানিতে ভেসে শিশুর মৃত্যু

ফিরে দেখা : পানি লাগবে পানি...

মুগ্ধ’র বুকে গুলি, মোড় ঘুরে যায় আন্দোলনের

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মুগ্ধ’র বুকে গুলি, মোড় ঘুরে যায় আন্দোলনের
মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটা ভিডিও- পানি হাতে ছুটছে এক ছাত্র। তীব্র সংঘর্ষ চলাকালে চিৎকার করে বলছে, ‘পানি লাগবে পানি...’। পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের কারণে তার চোখ খোলা রাখতে সমস্যা হচ্ছিল। পরনে থাকা টি-শার্ট দিয়ে চোখ মুছে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছিলেন। এরই মধ্যে গুলিতে মারা যান তিনি।

মুগ্ধ’র এই আত্মত্যাগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। এই আত্মত্যাগ মানুষের ক্ষোভ ও শোককে এক কাতারে নিয়ে আসে। আন্দোলনের ভাষা তীব্র হয়। নির্বিচারে হত্যার প্রতিবাদে রাজপথ আরো প্রকম্পিত হয়ে উঠে। 

এই মৃত্যু ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে একটি চূড়ান্ত গণ-অভ্যুত্থানে রূপ দেওয়ার পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। পানি লাগবে পানি স্লোগানে উত্তাল হয় পুরো দেশ। দেয়ালে দেয়ালে এখানো শোভা পাচ্ছে পানি হাতে নিয়ে ছুটে চলা সেই দৃশ্য।

বলা হচ্ছিল শহীদ মীর মুগ্ধ’র কথা। পুরো নাম মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে (১৮ জুলাই) কোটাবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকার উত্তরার আজমপুর এলাকায় গুলিতে নিহত হন মুগ্ধ। মুগ্ধ’র দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় তাঁর আত্মত্যাগকে মূল্যায়নের আহবান জানানো হয়।
মীর মুগ্ধদের আদি বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামে। বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমানের চাকরির সুবাদে থাকতেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাজীপাড়ায়। পরবর্তীতে তারা পরিবার নিয়ে ঢাকার উত্তরায় বসবাস করতেন।

মুগ্ধ’র জন্ম ১৯৯৮ সালের ৯ অক্টোবর ঢাকার উত্তরাস্থ বাংলাদেশ মহিলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে অনার্স (স্নাতকোত্তর) শেষে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল-এ এমবিএতে অধ্যয়নরত ছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ও ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত। মুগ্ধ জমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ অনার্স (স্নাতকোত্তর) পাস।

পরিবারের লোকজন জানান, মুগ্ধর শৈশব কাটে উত্তরাতেই। ছোটবেলা থেকেই সে সবার সঙ্গে মিশতো। নামাজি ছিল। যেকোনো কাজে পরিবারের পরামর্শ নিত। পরিবারের অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ করত না। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দেওয়ার বিষয়েও পরামর্শ করেন।

গুলিতে মারা যাওয়ার আগে মুগ্ধ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছিলেন। একটি পোস্টে জামায়াত-শিবির, ছাত্রদলের উদ্দেশে ছাত্র আন্দোলনটাকে রাজনৈতিক দলের আন্দোলন না বানানোর আহ্বান জানান তিনি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৭ জুলাই তারা কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যেতে আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ডে যান। বাস আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে ছিল। ওই সময় পর্যন্ত মুগ্ধ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই ছিল। পরদিন সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে বড় ভাই মীর মাহবুবুর রহমান জানতে পারেন আন্দোলনকারিদের মাঝে পানি বিতরণ করতে গিয়ে মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরদিন সকালে বাসায় এসে তারা মুগ্ধ লাশ দেখতে পান। বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা এ সময় জ্ঞান হারান। বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এতটাই শোকাগ্রস্ত ছিলেন যে টানা কয়েক মাস তিনি যেন কাঁদতেই ভুলে গেছিলেন। শুকিয়ে গিয়েছিল চোখে পানি।

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এক লেখায় উল্লেখ করেছেন, শৈশবকালে যখন আমি বুঝলাম মুগ্ধ দেশ ও জাতির জন্য কিছু করতে চায়, তখন আমি তার জমজ ভাই স্নিগ্ধ ও মুগ্ধকে স্কুল জীবনে স্কাউটের মাধ্যমে সামাজিক কাজে উদ্বুদ্ধ করি। স্কাউটের মাধ্যমে তারা বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও অগ্নি নির্বাপক কাজে অথবা ঈদ বা পূজায় যানজট নিরসন এবং সরকারি বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করত। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিশেষ করে ফুটবল খেলা, ভ্রমণ, গিটার খুব পছন্দ করত।

তিনি বলেন, ‘মুগ্ধ’র জীবনের লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবসায়ী হওয়া এবং সাধারণ মানুষের যোগ্যতা অনুসারে কর্ম ব্যবস্থার মাধ্যমে বেকার সমস্যার সমাধান করে দেশের জন্য কিছু করাই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য বা স্বপ্ন। তার নেতৃত্ব আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিত। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ছাত্র প্রতিনিধি কনভেনারের দায়িত্ব পালন করে সুনাম অর্জন করে মুগ্ধ।

ফাঁকা বাসায় মিলল নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ, তিন ফ্ল্যাটে লুটপাট

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ফাঁকা বাসায় মিলল নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ, তিন ফ্ল্যাটে লুটপাট
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঝালকাঠিতে একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে শহরের টিএনটি সড়কের একটি ভবনের নিচ তলার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দুর্বৃত্তরা বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাটের মালামাল নিয়ে গেছে বলেও জানায় পুলিশ। শুক্রবার দুপুর থেকে রাতের যেকোনো সময় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম মলিনা রায় (৪৫)। তিনি ওই বাসার নিচতলার ফ্ল্যাটে মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, শহরের টিএনটি সড়কের একটি তিন তলা বাড়ির তিনটি ফ্ল্যাটের লোকজন রথযাত্রা উপলক্ষে সকালে গ্রামের বাড়িতে যায়। কেবল নিচতলায় মলিনা রায় বাসায় ছিলেন। সন্ধ্যায় মেয়ে পুজা রায় বাড়িতে ফিরলে তার মা মলিনা রায়কে ঘরের মেঝেতে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এসময় তিন ফ্ল্যাটের সবগুলোতেই দরজা-জানালা ও তালা ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। ঘরের মালামাল তছনছ অবস্থায় পাওয়ায় যায়। তিন ফ্ল্যাট থেকেই স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাও নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ হাসান।

কারাগারে চরম গাফিলতি

নারী বন্দি পালানোর ঘটনায় ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, গাজীপুর
নারী বন্দি পালানোর ঘটনায় ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে এক নারী বন্দি পালানোর ঘটনায় তিন মেট্রন ও চার মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তরা হলেন- মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।’

কারাগার সূত্রে জানা যায়,  গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বন্দি রিম্পা (২১) কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।

পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন।

এআইজি মো. জান্নাতুল ফরহাদ জানান, ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পলাতক বন্দিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি কীভাবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও একজন বন্দি পালাতে সক্ষম হলো, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তও চলছে।

হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দুয়ায় স্মরণসভা

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দুয়ায় স্মরণসভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বক্তারা বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যকর্ম ও সৃষ্ট চরিত্র যুগ যুগ ধরে পাঠকদের অনুপ্রাণিত করবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে কেন্দুয়া লোকজ সাহিত্য আসরের উদ্যোগে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

কেন্দুয়া মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈম উল ইসলাম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন হুমায়ূন স্মৃতি সংসদের সভাপতি সাংবাদিক মো. মজিবুর রহমান।

সাংবাদিক কোহিনূর আলমের সঞ্চালনায় বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান এবং জমিলা মেমোরিয়াল বিদ্যানিকেতনের পরিচালক মো. লুৎফর রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও পালা নাট্যকার রাখাল বিশ্বাস, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মো. নূরুল হক ভূঞা, কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোজাম্মেল হকসহ অন্যরা।

প্রধান আলোচক নাঈম উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যকর্ম আজও পাঠকসমাজে সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর সৃষ্টি চরিত্র, গল্প ও জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করছে। গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তিনি এই মহান সাহিত্যিককে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিরা অংশ নেন।

আলোচনা সভা শেষে কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী দিল বাহার খান ও হাশেম বয়াতী। এছাড়া কবিতা ও সাহিত্য পাঠে অংশ নেন কবি ও গীতিকার শাহাবুল কবীর, কবি ও সাংবাদিক মঞ্জুরা আক্তার লিলি, কবি ও সাংবাদিক হুমায়ুন কবির রিটন, প্রিয়াংকা শর্মা তুলি, শতাব্দী শর্মা ধুলি, জুনায়েদুল হক মারুফসহ উপস্থিত কবি, শিল্পী ও সাহিত্য অনুরাগীরা।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। দীর্ঘ চার দশকের সাহিত্যজীবনে তিনি বাংলা সাহিত্যে অসংখ্য জনপ্রিয় উপন্যাস, নাটক ও চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। তাঁর সৃষ্টি ‘হিমু’ ও ‘মিসির আলী’ চরিত্র দুটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও পাঠকপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।