• ই-পেপার

লাহোরে আজ বাঁচা-মরার লড়াই সাকিবদের

বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে কাঁদলেন নেইমার, রাফিনিয়াকে বললেন, ‘আমরা জিততে চলেছি’

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে কাঁদলেন নেইমার, রাফিনিয়াকে বললেন, ‘আমরা জিততে চলেছি’
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার পর প্রেমিকাকে জড়িয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নেইমার। ছবি : ইউটিউব ভিডিও থেকে নেওয়া

বিশ্বজুড়ে কাল অগণিত ব্রাজিলের সমর্থকের নজর ছিল কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দল ঘোষণার দিকে। বেশির ভাগ সমর্থক আনচেলত্তির মুখ থেকে একটি নাম শোনার আশায় ছিলেন—নেইমার জুনিয়র। 

নামটা ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন নেইমার-ভক্তরা। কেউ কেউ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। আবার কেউ সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। 

তবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে থাকবেন কি না, তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ছিলেন সম্ভবত নেইমার নিজেই। সেই যে ২০২৩ সালে মন্তেভিদিওতে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেললেন, সেই ম্যাচে চোটে পড়ার পর এখনো দেশের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি। 

৩৪ বছর বয়স বলছে, এটাই হতে পারে নেইমারের শেষ বিশ্বকাপ। সেখানে খেলতে তিনি কতটা উন্মুখ ছিলেন, সেটা বোঝা যায় বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়ার পর তার প্রতিক্রিয়া দেখে। 

বন্ধুরা উল্লাসে মেতে উঠলেও নেইমার নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। দীর্ঘ চোটের দুঃস্বপ্ন, মাঠের বাইরে থাকার যন্ত্রণা এবং সব বাধা পেরিয়ে আরেকবার দেশের জার্সিতে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দে প্রেমিকা ব্রুনা বিয়ানকার্দিকে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

দুই হাতে মুখ ঢেকে আবেগঘন মুহূর্তের একটি ভিডিও নেইমার নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন, যা মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটি শেয়ার করে নেইমার লিখেছেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাকর এবং আনন্দের দিনের একটি দৃশ্য আমার ইউটিউব চ্যানেলে। ধন্যবাদ, ব্রাজিল।’

কিছুক্ষণ পরেই বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়ার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় নেইমারের। সন্দেহাতীতভাবে রাফিনিয়াও আছে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে। কাঁদতে কাঁদতেই রাফিনিয়াকে নেইমার বলেন, ‘রাফা, আমরা একসঙ্গে বিশ্বকাপ জিততে চলেছি।’ 

ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ গোল করা নেইমারের ক্যারিয়ারের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ।

‘তিন সংস্করণ মিলিয়ে এই মুহূর্তে লিটনই সেরা’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘তিন সংস্করণ মিলিয়ে এই মুহূর্তে লিটনই সেরা’
বাবরের ক্যাচ নেওয়া লিটন (গ্লাভস হাতে) সতীর্থদের উদযাপনের মধ্যমণি। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ইয়ান বিশপের মতে, লিটন দাস যেদিন ব্যাটিং করেন সেদিন নাকি ২২ গজের সবুজ মাঠে মোনালিসার চিত্র আঁকেন। সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে তেমনি এক ক্লাসিক সেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশি ব্যাটার।

স্টাইলিশ ব্যাটার লিটনের আরেকটি পরিচয় আছে। উইকেটরক্ষক। সেখানেও দুর্দান্ত দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন তিনি। আজ যেমন তিন কাঠির পেছনে দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরেছেন টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক। ইনিংসের ৩৫তম ওভারে লেগ স্টাম্পের বাইরে বল করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাবর আজম গ্লান্স করলে ব্যাটের কোনায় লেগে লিটনকে অতিক্রম করার পথে ছিল বল। তবে তা হতে দেননি উইকেটরক্ষক। তাকে অতিক্রম করার আগেই বিশ্বস্ত হাতে বলকে তালুবন্দি করেন তিনি। 

সাধারণত এমন ক্যাচ ধরা সহজ নয় উইকেটরক্ষকদের। তাই হয়তো ক্যাচটা ধরার পর লিটন উদযাপন করলেন দেখার মতো। ৩১ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক ক্যাচটি ধরেই দুই হাতকে ডানা বানিয়ে পাখির মতো উড়তে চাইলেন মাঠে। সেটা না পারলেও কোচের প্রশংসায় ঠিকই ভাসছেন লিটন। তার উইকেটকিপিংয়ে যে বিমোহিত হয়েছেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট। 

বলা যায়, লিটনকে সেরার একটা সার্টিফিকেটও দিয়েছেন টেইট। আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এসে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার বলেছেন, ‘ভালো পয়েন্ট, ভালো প্রশ্ন। লিটন উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত। আমরা এগুলো ড্রেসিংরুমেও বলি। ওর উপস্থিতি অনেক তফাত গড়ে দেয়। এ মুহূর্তে ওর কিপিং ওয়ার্ল্ড ক্লাস। কাজটা মোটেও সহজ নয়। অনেকে আইপিএল খেলতে গিয়ে ৩ ফরম্যাট খেলছেই না। এ মুহূর্তে লিটনই সেরা। একই সঙ্গে ওর ব্যাটিংও। সব মিলিয়ে—একজন ক্রিকেটার হিসেবেই সে সেরাদের একজন।’

অন্যদিকে নিজের শিষ্যদের পারফরম্যান্স নিয়ে টেইট বলেছেন, ‘ছেলেরা এ মুহূর্তে খুব ভালো করছে। তাদের এমন করতে দেখে খুব ভালো লাগছে, সাদা বল ও লাল বল দুই ক্ষেত্রেই। নতুন বল এলে সবাই দুর্দান্ত পারফর্ম করে। আমরা রোটেশন করে খেলাচ্ছি। একদিন ভালো না গেলে আপনারা এবং সমর্থকরা এখন প্রশ্ন করেন। আপনাদের প্রত্যাশা বেড়েছে। এটাও ভালো দিক। তবে প্রতিদিন তো সমান যাবে না।’

সিটির বিপক্ষে বোর্নমাউথের সবচেয়ে বড় ভক্ত আর্সেনাল কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
সিটির বিপক্ষে বোর্নমাউথের সবচেয়ে বড় ভক্ত আর্সেনাল কোচ
আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। ছবি: রয়টার্স

আগামী রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলে কোনো সমীকরণে যেতে হবে না আর্সেনালকে। ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হবে লন্ডনের ক্লাবটি।

তবে সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগেই অপেক্ষা ফুরাতে পারে আর্সেনালের। এমনকি গানাররা শিরোপা উদযাপনে মাততে পারে আজ রাতেই। সেজন্য পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিকে রুখে দিতে হবে বোর্নমাউথকে। তাই আজ রাতের ম্যাচে বোর্নমাউথকে পূর্ণ সমর্থন দেবেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা।

বার্নলির বিপক্ষে গত রাতে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ঘ্রাণ পেতে শুরু করেছে আর্সেনাল। ৩৭ ম্যাচে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে তারা। ৩৬ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। 

তাই শিরোপার লড়াই শেষ দিন পর্যন্ত টেনে নিতে আজ রাতে বোর্নমাউথের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই সিটির। 

বার্নলিকে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে আর্তেতাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি বোর্নমাউথকে সমর্থন করবেন কি না। আর্সেনাল কোচ বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য বোর্নমাউথের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভক্ত হবেন তিনি, ‘আমার মনে হয়, আমি তাদের (বোর্নমাউথের) সবচেয়ে বড় সমর্থক হবো। কারণ এই ম্যাচটির গুরুত্ব কতটা, সেটা আমরা সবাই জানি।’

লিগে আগের ম্যাচেও ওয়েস্ট হামের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছিল আর্সেনাল। মৌসুমের শেষ সময়ে এসে পরপর দুই ম্যাচে প্রবল স্নায়ু চাপে ছিলেন আর্তেতা। 

আর্সেনাল কোচ বললেন, সিটি ও বোর্নমাউথের ম্যাচ দেখা তার জন্য একটু বেশি চাপের হয়ে যাবে, ‘আমি ভাবতাম মাথায় যত চুল আছে, সেটা কখনো কমবে না। কিন্তু এই চাকরি সেই ধারণাকে চরম পরীক্ষায় ফেলছে। জানি না, কতক্ষণ এই ম্যাচ দেখতে পারব। তবে টিভির সামনেই থাকব।’

সিটি এই ম্যাচ জিতলেও শিরোপা জয়ের ভাগ্য থাকবে আর্সেনালের হাতে। শেষ ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারাতে পারলেই ট্রফি ঘরে তুলতে পারবে তারা।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সৌজন্য ছবি

জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ মাঠে দিনব্যাপী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছে। সকাল থেকেই দৌড়, সফটবল, ফুটবলসহ নানা ডিসিপ্লিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা।

জেলা-বিভাগ পর্যায় পাড়ি দিয়ে প্রতিভাবানদের নিয়ে রাজধানীত অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। এই একটা দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকে শিশুরা। এখানে এসে নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচিত হয় তারা। পুরোটা দিন উদযাপন করেন নিজেদের মতো করে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। কোমলমতি এই শিশুদের উৎসাহ প্রদান, সমাজের আর আট-দশটা স্বাভাবিক শিশুদের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতার করার ক্ষমতা তৈরি করা, প্রতিভার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের লক্ষ্য।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মাহবুবুর রহমান। আগামী বছর থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে আলাদা পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

লাহোরে আজ বাঁচা-মরার লড়াই সাকিবদের | কালের কণ্ঠ