• ই-পেপার

খেলাই হল না সুরো কৃষ্ণের

ভক্তদের উদ্দেশে হ্যারি কেইনের আবেগঘন বার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক
ভক্তদের উদ্দেশে হ্যারি কেইনের আবেগঘন বার্তা
ছবি : ইএসপিএন এফসি

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। থ্রি-লায়ন্সদের বিদায়ের পর নিজের স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ এক বার্তা দিয়েছে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। আবেগঘন বার্তায় ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে কেইন বলেছেন, এই মুহূর্তের শূন্য অনুভূতি কাটিয়ে ওঠার মতো কোনো শব্দ জানা নেই। আরেকটি ফাইনালের খুব কাছে গিয়েও ছিটকে যাওয়া মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।

এক্সে দেওয়া বার্তায় সতীর্থদের নিয়ে গর্ব প্রকাশ করে কেইন বলেন, গত ৭ সপ্তাহ ধরে দলের প্রতিটি খেলোয়াড় ও স্টাফ নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন।
 
 বিগত ৮ বছর ধরে ইংল্যান্ড বড় ট্রফির দরজায় কড়া নাড়লেও শেষ ধাপটি পার হতে পারছে না। তবে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাওয়ার পর আবার উঠে দাঁড়িয়ে লড়াই করা ছাড়া কোনো পথ নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 ইংলিশ অধিনায়ক আরো বলেন, স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে এবং দেশের মাটিতে বসে যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলের ওপর বিশ্বাস রেখেছেন। সেই সমস্ত ভক্তদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ।

জয় বা পরাজয় যাই হোক না কেন, এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও নতুন করে পথ চলা শুরু করর বলে যোগ করেন এই তারকা স্ট্রাইকার।

জিম্বাবুয়ে সফর

সিরিজে টিকে থাকার ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে রিশাদ

ক্রীড়া ডেস্ক
সিরিজে টিকে থাকার ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে রিশাদ
বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টসের মুহূর্ত। ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশ দলকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।

বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় জানিয়েছেন, তিনি টস জিতলে ব্যাটিংই নিতেন।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বুধবার (১৫ জুলাই) জিম্বাবুয়ের কাছে ৩২ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। ফলে আজকের ম্যাচটি হৃদয়-নাহিদদের জন্য সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

বাংলাদেশের আগের ম্যাচের একাদশ থেকে একটি পরিবর্তন এসেছে। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের জায়গা নিয়েছেন লেগ স্পিন অলরাউন্ডার রিশাদ হোসেন।

স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে খেলতে নামছে।

এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে এখন পর্যন্ত বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়ের পর ওয়ানডে সিরিজও হেরেছে সফরকারীরা। এখন তারা টি-টোয়েন্টি সিরিজও খোয়ানোর শঙ্কায়।

বাংলাদেশের একাদশ

তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), ইয়াসির আলী রাব্বি, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা। 

জিম্বাবুয়ের একাদশ

ব্রায়ান বেনেট, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ডিওন মায়ার্স, সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), রায়ান বার্ল, মিল্টন সুম্বা, ক্লাইভ মাদান্দে, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্রাড ইভান্স, ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা।

ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন স্কটল্যান্ডের তারকা গোলরক্ষক

ক্রীড়া ডেস্ক
ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন স্কটল্যান্ডের তারকা গোলরক্ষক
ছবি : রয়টার্স

সব ধরনের ফুটবল থেকে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের তারকা গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন। এর মাধ্যমে ২৪ বছরের বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটল ৪৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের। এই সময়ের মধ্যে তিনি ছয়টি স্কটিশ লিগ, চারটি স্কটিশ কাপ ও পাঁচটি স্কটিশ লিগ কাপের শিরোপা জয় করেছেন। 

যদিও দীর্ঘ সময় ধরে গুরুতর ইনজুরির কারণে গর্ডনের ক্যারিয়ার প্রায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি হার্টস, সান্ডারল্যান্ড ও সেল্টিকের অপরিহার্য খেলোয়াড় ছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি হার্টস ছেড়ে সান্ডারল্যান্ডে যোগ দেন। ওই সময় কোনো গোলরক্ষকের জন্য ব্রিটিশ রেকর্ড ৯ মিলিয়ন পাউন্ডে তিনি দলবদল করেছিলেন। 

গত মে মাসে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচই ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে গর্ডনের শেষ ম্যাচ। এর আগে জানুয়ারিতে সেল্টিকের বিপক্ষে হার্টসের হয়ে সর্বশেষ ক্লাব ম্যাচ খেলেছেন। 

তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘প্রত্যেক মানুষেরই স্বপ্ন থাকে। আমার স্বপ্নও সম্ভবত বেশির ভাগ শিশুর মতোই ছিল- আমার ক্লাব ও দেশের হয়ে খেলা, অর্থাৎ হার্ট অব মিডলোথিয়ান এবং স্কটল্যান্ডের জার্সি গায়ে মাঠে নামা।’

২০০৪ সালে স্কটল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া গর্ডন জাতীয় দলের হয়ে ৮৪টি ম্যাচ খেলেছেন এবং চলমান বিশ্বকাপেও স্কটল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন।

তবে এবারের বিশ্বকাপে তিনি মাঠে নামার সুযোগ পাননি। স্কটল্যান্ডের হতাশাজনক গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের পথে নটিংহাম ফরেস্টের গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গান তিনটি ম্যাচেই শুরুর একাদশে খেলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি খুব ভালো গায়ক নই। তবে জাতীয় সংগীত ৮৪ বার গাওয়ার পর কিছুটা উন্নতি হযয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে, সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে, সবচেয়ে বড় বড় তারকাদের সঙ্গে খেলার প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি।’

আমি কখনোই চাইনি এই যাত্রা শেষ হোক। কিন্তু একসময় তো শেষ হতেই হয়। আমি আমার স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পেরেছি, আর এজন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ বলে যোগ করেন এই ৪৩ বছর বয়সী গোলরক্ষক।

বিশ্বকাপের বিষণ্ণ বিদায় মঞ্চে মুখোমুখি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের বিষণ্ণ বিদায় মঞ্চে মুখোমুখি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড

আর দুই ম্যাচ পর শেষ হচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’খ্যাত  ফিফা বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের ৩৮ তম দিনে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে দুই পরাজিত দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপকে বিষণ্ণ বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি।

শনিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে দুই দলই ফ্লোরিডায় পৌঁছেছে। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল হিসেবে বিবেচিত ফ্রান্স গেল মঙ্গলবার স্পেনের কৌশলের কাছে ধরাশায়ী হয়। 

অন্যদিকে বুধবার আটলান্টায় আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপে হতাশাজনক পরাজয় বরণ করে। এতে দীর্ঘ ইতিহাসে আরো একটি অধ্যায় যোগ হল ইংল্যান্ডের। ম্যাচে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় থ্রি লায়ন্সদের।

এখন দুই দলকেই এমন একটি ম্যাচের জন্য নিজেদের মানসিক ও শারীরিক শক্তির শেষটুকু জড়ো করতে হবে, যেটি ফুটবল বিশ্বে সাধারণভাবে খুব একটা জনপ্রিয় নয়। এমন ম্যাচ সাধারণত কোনো দলই খেলতে চায় না। 

ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল বলেন, ‘আমাদের এবং ফ্রান্সের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না। সবাই ফাইনাল খেলতে চায়। সেখানে ওঠার জন্য আমরা সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। প্রত্যেকেই বিশ্বকাপ জিততে চায়, কিন্তু বাস্তবতা এটাই। ফ্রান্সের তুলনায় আমাদের বিশ্রামের জন্য একদিন কম সময় মিলেছে। তবু আমরা পেশাদারির সঙ্গেই ম্যাচটি খেলব।’

৫৭ বছর বয়সী দেশমের ১৪ বছরের সফল কোচিং ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটাতে যাচ্ছেন এই ম্যাচ দিয়ে। তাঁর অধীনে ফ্রান্স ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল, ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল এবং এবারো শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।

সেমিফাইনালে হারের পর দেশম বলেন, ‘তৃতীয় স্থান অর্জনের সুযোগ এখনো আছে। তাই সেটি জিততে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা যেখানে থাকতে চেয়েছিলাম বা আশা করেছিলাম, সেখানে নেই। আমাদের হতাশার মাত্রা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। কিন্তু এটাকে মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

সান্ত্বনা হিসেবে খুব বেশি মূল্য না থাকলেও, এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি—দুজনই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ আটটি করে গোল করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই ইংলিশ রক্ষণভাগের বিপক্ষে নিজের গোলসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ খুঁজবেন এমবাপ্পে।

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহামের গোলসংখ্যা ছয়টি করে। ভালো পারফরম্যান্স করলে তারাও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শক্তভাবে ফিরতে পারেন।

ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেনের জন্য এটি হয়তো বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচও হতে পারে। বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার চলতি মাসেই ৩৩ বছরে পা রাখবেন। ফলে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তাই এই ম্যাচকে সামনে রেখে দু’দলের মধ্যে নিরুত্তাপ ভাব বহন করছে।

খেলাই হল না সুরো কৃষ্ণের | কালের কণ্ঠ