• ই-পেপার

করোনার মাঝেও উপার্জন দিয়ে রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের বিজয়ীরাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে : কোর্তোয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের বিজয়ীরাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে : কোর্তোয়া
স্পেন-ফ্রান্সের মধ্যে এক দল বিশ্বকাপ জিতবে বিশ্বাস কোর্তোয়ার। ছবি : রয়টার্স

লস অ্যাঞ্জেলেসে যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ বেলজিয়ামকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু ৭১ মিনিটে পায়ের চোট নিয়ে বেলজিয়াম গোলরক্ষক মাঠ ছাড়তেই হিসfব যায় বদলে।

কোর্তোয়ার বদলি হিসেবে সেনে লামেন্স তিন কাঠির দায়িত্ব নিতে এসে বড় ভুল করে বসেন। সেই সুযোগটি ৮৮ মিনিটে কাজে লাগান স্পেনের বদলি নামা মিকেল মেরিনো। লামেন্সের হাত থেকে বল ছুটলে সহজেই বলকে জালে জড়ান ওই মিডফিল্ডার। তাতে ২-১ ব্যবধানে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয় বেলজিয়ামের।

অথচ এর আগে ১ গোল হজম করলেও দুর্দান্ত সব সেভ দিয়ে বেলজিয়ামকে ম্যাচে রেখেছিলেন কোর্তোয়া। ৪টি নিশ্চিত গোল সেভ করেন রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়ে একটা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তিনি।

কোর্তোয়ার মতে, ফ্রান্স-স্পেনের মধ্যেকার সেমিফাইনালে যে দল জিতবে তারাই এবারের বিশ্বকাপ জিতবে। ৩৪ বছর বয়সী গোলরক্ষক বলেছেন, ‘তারা (স্পেন) বিশ্বকাপ জিততে পারে। এই দলে সেই দম আছে। আমার মনে হয়, স্পেন-ফ্রান্স সেমিফাইনালে যারা জিতবে, তারাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।’

স্পেন-ফ্রান্সের সেমিফাইনাল ম্যাচটি আগামী ১৪ জুলাই হবে। ম্যাচটি হবে ডালাসে রাত ১টায়। অন্যদিকে আজ আরেক সেমিফাইনালের লক্ষ্যে মাঠে নামবে নরওয়ে-ইংল্যান্ড। আর আগামীকাল সকালে অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে লড়বে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড।

শীর্ষ ১০-এর বিপক্ষে না খেলেই ফাইনালে যেতে পারে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
শীর্ষ ১০-এর বিপক্ষে না খেলেই ফাইনালে যেতে পারে আর্জেন্টিনা

চলতি বিশ্বকাপে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে তৈরি হয়েছে এক অবিশ্বাস্য এক সমীকরণ। ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০-এ থাকা কোনো দলের মুখোমুখি না হয়েই অন্তত টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল, এমনকি ফাইনালে পৌঁছে যাওয়ার এক অভাবনীয় সুযোগ রয়েছে আলবিসেলেস্তেদের সামনে।

পরিসংখ্যান ও টুর্নামেন্টের লাইন-আপ অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা যদি কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বাধা টপকে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে, তবে শেষ চারে পৌঁছাতে তাদের ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০-এর কোনো দলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে না।

গল্পের বাকি অংশটুকু নির্ভর করছে অন্য ম্যাচের ওপর। যদি অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বড় কোনো অঘটন ঘটিয়ে দেয়, তবে আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ আরো সহজ হয়ে যাবে। 

আর এই ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’র সমীকরণ মিলে গেলে, সেমিফাইনালের বৈতরণী পেরিয়ে ফাইনালে ওঠার আগ পর্যন্ত ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০-এর কোনো পরাশক্তির পরীক্ষা দিতে হবে না লিওনেল মেসির দলকে। বিশ্বমঞ্চের নকআউট পর্বের এমন অদ্ভুত ও চমকপ্রদ সমীকরণ এখন ফুটবল দুনিয়ায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

তবে এটা ঠিক যে আর্জেন্টিনা কার মুখোমুখি হবে, এতে তাদের হাত নেই। তবে এটা স্বীকার করতেই হবে, এখনো কোনো সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বা ফুটবল পরাশক্তির বিপক্ষে খেলতে না হওয়ায় তাদের আসল পরীক্ষা দিতে হয়নি।

অভিষেক-সূর্যবংশীর ছক্কায় রাশ টানতে চায় বিসিসিআই

ক্রীড়া ডেস্ক
অভিষেক-সূর্যবংশীর ছক্কায় রাশ টানতে চায় বিসিসিআই
জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখছেন সূর্যবংশী। ছবি : ক্রিকইনফো

এ যেন স্বর্গ থেকে সোজা নরকে পতন। মাস তিনেক আগে দোর্দন্ড প্রতাপে টি-২০ বিশ্বকাপ জেতা ভারত গেছে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে। ম্যাচ তো ম্যাচ ভারতের লক্ষ্য ছিল নিজেদের টানা সিরিজ জয়ের রেকর্ডটা আরো বাড়িয়ে নেয়ার। কিন্তু ঘটনা ঘটেছে একদম উল্টো। বিশ্বকাপের পর ৬ ম্যাচ খেলেও জয়ের দেখা পায়নি ভারত। পুচকে আয়ারল্যান্ডের কাছে ২-০ ম্যাচে সিরিজ হারের লজ্জা আরো গভীর হয়েছে ইংল্যান্ডের কাছে শোচনীয় পরাজয়ে। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ভারত হেরে বসে আছে ৩-০ তে, ভাগ্যিস সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল!

বিশ্বকাপ জেতা অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে সরিয়ে শ্রেয়াস আইয়ারের হাতে অধিনায়কের দায়িত্ব দিয়ে টি২০ ফরম্যাটে নতুন শুরু করতে চেয়েছিল ভারত। কিন্তু সে চেষ্টা শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারদের এই উল্টো রথে চড়ে বসায় বিস্মিত অনেকেই। তবে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সম্ভবত ভারতের রোগটা ধরতে পেরেছেন, ‘ইংল্যান্ড একেবারেই আলাদা। মনে রাখতে হবে এটা আইপিএল নয়। ভারত যত দ্রুত এটা বুঝবে, ততই তাদের জন্য মঙ্গল। আইপিএলে আপনি প্রতি বলেই মারার চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু ইংল্যান্ডে বল সুইং করবে, উইকেটে বাউন্স থাকবে। পরিস্থিতি একদম আলাদা। আর ইংল্যান্ডের বোলাররাও বুঝে গেছে কাকে কীভাবে কাবু করতে হবে। আমাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’

২৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করে দলের সাথে আসা বৈভব সূর্যবংশীকে প্রথম তিন ম্যাচ বসিয়ে রাখা নিয়ে তুমুল সমালোচনা ছিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনকে বাদ দিয়ে দলে নেয়া হয় বৈভবকে। কিন্তু তাতেও কিছু বদলায়নি। তিন ম্যাচে বৈভব করেছেন ১৪, ১৩ ও ১৫ রান। কিন্তু মাত্র তিন ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে বিশ্বকাপ হিরো সঞ্জুকে বাদ দেয়া নিয়েও এখন সমালোচনা হচ্ছে। সাবেক ক্রিকেটার পার্থিব প্যাটেল বলেছেন, ‘আপনারা আবেগে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যুক্তিতে নয়। যুক্তিতে নিলে কিছুতেই স্যামসনকে বাদ দেয়া যেতো না।’

ইংল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরলে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড-বিসিসিআই দলের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে বৈঠকে বসবে। বৈঠকে দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর, অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও থাকবেন। বিসিসিআই সেক্রেটারি  দেবজিত সাইকি বলেছেন, ‘আমরা দলের পারফরম্যান্স নিবড়ভাবে অনুসরণ করছি। তবে এটা অস্বাভাবিক নয়, আন্তর্জাতিক ‍ক্রিকেটে এটা হতেই পারে। আমরা এটাকে বাজে ফর্ম হিসেবেই বিবেচনা করছি। সিরিজ শেষে আমরা বসবো। সেখানে সবকিছু আলোচনা করে, ভুলগুলো চিহ্নিত করে দলকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার কৌশল ঠিক হবে।’

তবে আপাতত বিসিসিআই দলের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও বৈভব সূর্যবংশীর ছক্কা মারার প্রবণতায় একটু রাশ টানতে চায়। অভিষেক শর্মা সিরিজে অন্য ব্যাটসম্যানদের তুলনায় ভালো খেললেও দলকে জেতানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র বলছে, অভিষেক ও বৈভবের ছক্কা মারার ক্ষমতা অসাধারণ। কিন্তু একটু সংযত হওয়া উচিত।’ 

সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে হারার পর প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে দেখা গেছে বৈভব সূর্যবংশীর সাথে দীর্ঘ সময় আলাপ করতে। সেখানে তিনি বিসিসিআইয়ের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন কি না যায়নি। তবে আজ সন্ধ্যায় সিরিজের শেষ ম্যাচে ভারত তদের হারানো গৌরব কিছুটা পুনরুদ্ধার করতে পারে কিনা, সেটার জস্য অপেক্ষা করতে হবে।

ফিফার পক্ষপাতিত্বের ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিফার পক্ষপাতিত্বের ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন স্কালোনি
ছবি : রয়টার্স

চলতি বিশ্বকাপে ফুটবল অঙ্গনে এখন জোর গুঞ্জন, আর্জেন্টিনাকে নাকি বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ফিফা! বিশ্বমঞ্চে রেফারিং নিয়ে তৈরি হওয়া এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে এবারই প্রথম বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন আলবিসেলেস্তেদের কোচ লিওনেল স্কালোনি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মেগা কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি জানান, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণেই আসলে অনেকেই আর্জেন্টিনার হার দেখতে মুখিয়ে আছেন। আর সে কারণেই ছড়ানো হচ্ছে ভিত্তিহীন সব গালগল্প।

শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-২ গোলের অবিশ্বাস্য জয়ের পর থেকেই মূলত রেফারিং এবং ভিএআর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মিসরের কোচিং স্টাফ ও ফুটবল ফেডারেশন মাঠের কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক নালিশও ঠুকেছে। এমনকি অনেকেই দাবি তুলছেন, মহাতারকা লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতেই আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো চাক্ষুষ প্রমাণ মেলেনি।

এসব সমালোচনার তীরের জবাবে স্কালোনি বলেন, ‘আজ থেকে ৪০ বছর আগে, ১৯৮৬ সালেও লোকে বলেছিল আমাদের নাকি বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তাই এ ধরণের গুঞ্জন আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। আমার যতদূর মনে পড়ে, আর্জেন্টিনা সবসময়ই বিশ্বমঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করা দলগুলোর একটি। প্রতিপক্ষ বা একদল মানুষ কখনোই চাইবে না অন্য কোনো দল জিতুক, এটাই তো স্বাভাবিক।’

ভিএআর সিদ্ধান্তে মিসরের একটি গোল বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে আর্জেন্টাইন বস বলেন, ‘বিশ্বকাপের আসর শুরুর আগেই রেফারিরা সব নিয়মের ব্যাখ্যা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। সেই আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনেই মাঠে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়গুলো তিলকে তাল করে দেখা হয়, কিন্তু এই আধুনিক ফুটবলে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ এখন একেবারেই কম।’

সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল মেসির সাম্প্রতিক সময়ের পেনাল্টি মিসের খরা নিয়েও প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় স্কালোনিকে। দলের প্রাণভোমরার প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে কোচ বলেন, ‘লিও যদি পেনাল্টি নিতে চায়, তবে সে ই নেবে। আমাদের দলে পেনাল্টি নেওয়ার মতো অন্য খেলোয়াড়ও আছে, তবে মেসি নিজে নিতে চাইলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার অধিকার কেবল তারই।’

চলতি বিশ্বকাপে মেসি তার নেওয়া দুটি পেনাল্টিই মিস করেছেন। এমনকি ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নেওয়া শেষ সাতটি পেনাল্টির মধ্যে মাত্র চারটিতে জালের দেখা পেয়েছেন তিনি। তবুও স্কালোনির মতে, মেসির ক্যারিয়ারের বিশাল অর্জন ও সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে।

মাঠে পজিশন পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও মেসিকে কোনো শৃঙ্খলে বাঁধেননি স্কালোনি। মিসরের বিপক্ষে সেই ৩-২ গোলের থ্রিলারে ম্যাচের শেষদিকে ডানপ্রান্তে সরে গিয়ে আক্রমণ তৈরি করেছিলেন মেসি, যা দলের জন্য দারুণ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে স্কালোনি বলেন, ‘এখন সে মাঠের বেশিরভাগ সময় মাঝমাঠে কাটায়, তবে পুরো দল আসলে খেলে তার গতিবিধি লক্ষ করে। খেলার স্বাভাবিক ছন্দেই এমনটা হয়েছে এবং দলও বুঝতে পেরেছে যে সে ওই দিক থেকে কতটা বিপজ্জনক আক্রমণ তৈরি করতে সক্ষম।’

উল্লেখ্য, মিসরের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি দলের সমতাসূচক গোলটিও এসেছিল খুদে জাদুকরের পা থেকে। চলতি টুর্নামেন্টে ৪১০ মিনিট মাঠে কাটিয়ে ইতিমধ্যেই ১৫টি সুবর্ণ সুযোগ তৈরির পাশাপাশি ৮টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন মেসি। এমনকি শেষ দুই বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার গোল সংখ্যা এখন ১৫ এবং অ্যাসিস্ট ৪টি।

৩৯ বছর বয়সেও মেসির ফিটনেস নিয়ে বিন্দুমাত্র শঙ্কা দেখছেন না স্কালোনি। আলবিসেলেস্তেদের কোচ বলেন, ‘লিও আগের মতোই মাঠে দৌড়ায়। খুব বেশি বা কম নয়। পার্থক্য হলো, এখন ওর প্রতিটি পদক্ষেপ ও মুভমেন্ট আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও ধারালো।’

মেসির পাশাপাশি দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়েও বেশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কালোনি। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে শিষ্যদের আত্মবিশ্বাসের পারদ বাড়িয়ে তিনি যোগ করেন, ‘কেপ ভার্দের বিপক্ষে আমরা জয়ের যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছি, যদিও ম্যাচটি ১২০ মিনিট পর্যন্ত গড়িয়েছিল। আর মিসরের বিপক্ষে আমরা আরও গোছানো ফুটবল খেলেছি। আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করতে পেরেছি এবং আমাদের ভুলও ছিল যৎসামান্য।’ 
 

করোনার মাঝেও উপার্জন দিয়ে রেকর্ড গড়লেন রোনালদো | কালের কণ্ঠ