• ই-পেপার

যার ভুলে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি মাশরাফি

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পোকারে মজেছেন নেইমার

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর পোকারে মজেছেন নেইমার
পোকারের টেবিলে নেইমার। ছবি : সংগৃহীত

কোথাও শান্তি খুঁজে পাচ্ছে না নেইমার। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন ভালো নেই ব্রাজিলিয়ান তারকার। আনন্দ খুঁজতে তাই পোকার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। 

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ওয়ার্ল্ড সিরিজ অব পোকারেও ((ডব্লিউএসওপি) শান্তি পেলেন না নেইমার। পোকার টুর্নামেন্টের ১০,০০০ ডলার মূল্যের মেইন ইভেন্টেই যে থামতে হয়েছে ৩৪ বছর বয়সী স্ট্রাইকারকে। ফক্স স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই ইভেন্টে ২০২৫ সালে ফাইনাল টেবিল পর্যন্ত খেলার সুযোগ হয়েছিল তারা।

 

তাই পোকার খেলাটা এবারই প্রথম নয় নেইমারের। তাছাড়া সুযোগ পেলেই অনলাইনেও খেলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে নেইমার পোকার খেলায় মজায় সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি বেশ ভাইরাল হয়েছে।  

নেইমারের খেলার ভিডিও প্রকাশ করে আয়োজকরা লিখেছে, ‘ওয়ার্ল্ড সিরিজ অব পোকার ২০২৬-তে স্বাগত নেইমার। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল সুপারস্টার ১০ হাজার ডলারের সিক্স-ম্যাক্স টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন।’

সমকামী দাম্পত্যে পরকীয়া, অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলে তোলপাড়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সমকামী দাম্পত্যে পরকীয়া, অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলে তোলপাড়

গত ৫ জুলাই লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সে সাফল্যের রেশ কাটার আগেই অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের দুই সদস্যের পরকীয়ার অভিযোগে তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্বে। অভিযোগের তীর দলের সহ-অধিনায়ক অ্যাশলেই গার্ডনারের দিকে। আর অভিযোগ এনেছেন তার স্ত্রী মনিকা রাইট। ইনস্টাগ্রামে মনিকা অভিযোগ করেন, নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার জর্জিয়া ভলের সঙ্গে পরকীয়ার কারণে তার স্ত্রী গার্ডনার তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

ঘটনাটা অবশ্য একটু পুরোনো। গতবছর ভারতে নারী একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপের সময়ই ২২ বছরের জর্জিয়ার সঙ্গে ২৯ বছরের গার্ডনারের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জেনে যান গার্ডনারের স্ত্রী মনিকা রাইট। খবর পেয়ে তিনি টুর্নামেন্টের মাঝখানেই ভারতে ছুটে আসেন। টুর্নামেন্টের মাঝখানে স্ত্রী মনিকা চলে আসায় গার্ডনার তার সঙ্গে রাগারাগিও করেন। অবশ্য ভারত থেকে ফিরে গার্ডনার পুরো বিষয়টি স্বীকার করেন এবং মনিকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতায় ভেঙে পড়া মনিকা তাতে রাজি হননি। এক পর্যায়ে গত নভেম্বরে একদিন সিডনির বড়িতে ফিরে মনিকা দেখতে পান, গার্ডনার তার সবকিছু নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। অবশ্য গার্ডনার তাদের বিয়ের আংটিটি রেখে গিয়েছিলেন। তখন থেকেই তারা আলাদা থাকছেন। মনিকা তার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে গার্ডনারের সব ছবি মুছে ফেলেছেন এবং তাকে আনফলো করে দিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দলের সবাই গার্ডনার ও জর্জিয়ার সম্পর্কের বিষয়টি জানতো। তবে কেউ তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে নাক গলায়নি। গার্ডনার ও মনিকা আলাদা থাকলেও এতদিন বিষয়টা ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়নি। তবে রবিবার লন্ডনভিত্তিক ট্যাবলয়েড ’ডেইলি মেইল’ একটি রিপোর্টে প্রথম গার্ডনারের দাম্পত্য সম্পর্ক ভাঙার বিষয়টি প্রকাশ করে।

রিপোর্টে বলা হয়, অ্যাশলেই গার্ডনার ও মনিকা রাইটের বিয়ে ভেঙে গেছে এবং ক্রিকেটার তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তবে রিপোর্টে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি।

ডেইলি মেইল কিছুটা রাখঢাক করলেও মনিকা রাইট তার ধার ধারেননি। সোমবার প্রথমে ডেইলি মেইলের রিপোর্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে মনিকা লেখেন, ‘তথ্যগুলো খুবই অস্পষ্ট, আমি আপনাদের বলছি ঠিক কী ঘটেছিল।’ এর ঠিক পরের স্টোরিতেই অস্ট্রেলীয় ওপেনার জর্জিয়া ভলের ছবি পোস্ট করে মনিকা সরাসরি লেখেন, ‘এই সেই নারী, যার কারণে আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’ তারপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

২০২০ সালে একটি অনলাইন অ্যাপে সমকামী গার্ডনার ও মনিকার পরিচয়। চার বছর সম্পর্কে থাকার পর ২০২৪ সালের এপ্রিলে বিয়ে করেন তারা। মনিকার এক বান্ধবী জানিয়েছেন, দু’জন সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। ক্লিনিকেও গিয়েছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর মনিকা ক্লিনিকে জানিয়ে দেন, আপাতত পরিবার বড় করবেন না তারা।

দলের দুই খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে এই পরকীয়া ও পারিবারিক বিবাদের অভিযোগ ওঠায় অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দলের ড্রেসিংরুমে একটি বড় ধরনের বিভক্তি ও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তবে এ বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, গার্ডনার বা জর্জিয়া কোনো মন্তব্য করেননি।

বিশ্বকাপের প্যানেল থেকে বাদ পড়া রেফারির রহস্যজনক মৃত্যু

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের প্যানেল থেকে বাদ পড়া রেফারির রহস্যজনক মৃত্যু
রেফারি রব ডিপেরিঙ্ক মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত

দুই দিন আগেও তিনি গো অ্যাহেড ইগলস এবং আপোলন লিমাসলের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। আর আজ নেদারল্যান্ডসের ছোট্ট শহর বোরকুলোর নিজ বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে!

মাত্র ৩৮ বছর বয়সে মারা গেছেন ডাচ ফুটবলের পরিচিত রেফারি রব ডিপেরিঙ্ক। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে নেদারল্যান্ডস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএনভিবি)। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও এরই মধ্যে এ নিয়ে রহস্যের ডালপালা মেলেছে।

এক বিবৃতিতে কেএনভিবি লিখেছে, ‘রেফারি রব ডিপেরিঙ্কের মৃত্যুর খবরে আমরা স্তম্ভিত এবং গভীরভাবে শোকাহত। ফুটবল অঙ্গন একজন আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ রেফারিকে হারাল। তার চেয়েও বড় কথা, আমরা হারালাম একজন অসাধারণ ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীকে।’

সব ঠিক থাকলে চলতি ফিফা বিশ্বকাপে ডিপেরিঙ্ককে ম্যাচ পরিচালনা করতে দেখা যেত। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ডিপেরিঙ্ককে রেফারিদের প্যানেল থেকে বাদ দেয় ফিফা। 

গত এপ্রিলে লন্ডনের ক্রয়ডনে এক কিশোরকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ডিপেরিঙ্ককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তবে সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল ডিভাইস এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনার পর পুলিশ জানায়, অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় মামলাটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না। এরপরই ডিপেরিঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়।

অভিযোগের শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন ডিপেরিঙ্ক। তদন্ত শেষ হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, ‘আমি গভীরভাবে মর্মাহত যে, আমাকে ভুলভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে আমি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি এবং ফিফা, উয়েফা ও কেএনভিবিকে সব বিষয়ে অবহিত করেছি।’

তদন্তে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও ফিফা তাকে বিশ্বকাপের রেফারিদের তালিকায় পুনর্বহাল করেনি। এ সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে ডিপেরিঙ্ক বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপে ফিরতে না পারায় আমি ভীষণ হতাশ।’

ডিপেরিঙ্ক ২০১৭ সাল থেকে নেদারল্যান্ডসের শীর্ষ লিগ এরেডিভিসিতে রেফারির দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি ২০২৪ ইউরোয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হিসেবে কাজ করেছেন। 

এরেডিভিসিতে মোট ৮৪টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ডিপেরিঙ্ক। পরশু রাতে গো অ্যাহেড ইগলস এবং আপোলন লিমাসলের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচটা তার জীবনের শেষ ম্যাচ হয়ে থাকল।

কোন দেশ বিশ্বকাপ জিতলে যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া পূরণ হবে, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা

ক্রীড়া ডেস্ক
কোন দেশ বিশ্বকাপ জিতলে যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া পূরণ হবে, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

এবারের ফিফা বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র শেষ ষোলো পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। তবে নিজেদের দেশ ছিটকে পড়লেও বিশ্বকাপে পরবর্তী পছন্দের দল বেছে নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের প্রধান ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, তাদের চাওয়া এবারের বিশ্বকাপ জিতুক ইংল্যান্ড। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জুলিয়ানিকে প্রশ্ন করে, যুক্তরাষ্ট্র বিদায় নেওয়ার পর তিনি কোন দেশকে সমর্থন করছেন। জবাবে জুলিয়ানি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘আমার মনে হয় এই মুহূর্তে হোয়াইট হাউসের সবাই ইংল্যান্ডকে সমর্থন দিচ্ছে।’

সাক্ষাৎকারে জুলিয়ানি আরো বলেন, ‘নিজেদের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও আমাদের এই উদযাপনের সময়ে আমেরিকায় এসে ইংল্যান্ডের শিরোপা জেতাটা দারুণ এক (সাফল্যের) গল্প হতে পারে।’ 

ইংল্যান্ড ছাড়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়া বাকি তিন দল আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে টমাস টুখেলের দল। সেমিফাইনালে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

সেমিফাইনালের চার দলের মধ্যে ইংল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন জুলিয়ানি। তার বিশ্বাস, হ্যারি কেইন-জুড বেলিংহামরা আরো বড় কিছু করে দেখাবেন, ‘ইংল্যান্ডের ৬০ বছর ধরে অপেক্ষা করছে (সর্বশেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৬৬ সালে)। তারা যদি এবার চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সেটি হবে অসাধারণ এক অর্জন। আমি মনে করি, ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত যেতে পারবে। টিকে থাকা দলগুলোর মধ্যে তারা অন্যতম সেরা।’

ফুটবল ও ইংল্যান্ড দলের প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যে ব্যাপক আগ্রহ আছে, সেটি জানাতেও দ্বিধাবোধ করেননি জুলিয়ানি, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত সপ্তাহে ট্রুথ সোশ্যালে হ্যারি কেইনকে দারুণ খেলোয়াড় এবং অসাধারণ মানুষ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ইংল্যান্ডের এই স্ট্রাইকারের পারফরম্যান্সও তিনি নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছেন।’

সম্প্রতি হ্যারি কেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের গলফ খেলা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে জুলিয়ানি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একদল মানুষের গলফ খেলায় অংশ নিয়েছিলাম, সেখানে ওয়েইন রুনিও ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ফুটবল সম্পর্কে বেশ ভালোই জানেন। আমার মনে হয়, তার ছেলে ব্যারনের মাধ্যমে এ আগ্রহ আরো বেড়েছে।’

যার ভুলে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি মাশরাফি | কালের কণ্ঠ