• ই-পেপার

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়বে বাংলাদেশ: নাসের হুসেইন

‘লটারি জিতে’ মেসির সঙ্গে পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালের সাক্ষাতের নেপথ্যের গল্প

ক্রীড়া ডেস্ক
‘লটারি জিতে’ মেসির সঙ্গে পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালের সাক্ষাতের নেপথ্যের গল্প

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। তারই সাবেক ক্লাব বার্সেলোনায় ডান প্রান্তে খেলা লামিনে ইয়ামালকে ধরা হচ্ছে আর্জেন্টাইন জাদুকরের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে। তবে এবারই প্রথম মাঠের লড়াইয়ে একে অপরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। আগামী রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা নির্ধারণী মহারণে নামছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। 

মেসির বর্তমান বয়স ৩৯, আর ইয়ামালের মাত্র ১৯। একজনের অবিশ্বাস্য দীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং অন্যজনের বিস্ময়কর প্রতিভার যুগলবন্দিতেই ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একই ম্যাচে দেখা যাচ্ছে দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকাকে। তবে ফুটবল বিশ্বের জন্য এটিই প্রথম হলেও, তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল আরও ১৯ বছর আগে। ২০০৭ সালে ২০ বছর বয়সী মেসি যখন বার্সেলোনার মূল একাদশে নিজের জায়গা পাকা করছেন, লামিনে ইয়ামালের বয়স তখন মাত্র পাঁচ মাস।

বার্সেলোনার তৎকালীন মাঠ ক্যাম্প ন্যুর অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুমে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ফটোগ্রাফার জোয়ান মনফোর্ত। ২০২৪ সালে স্পেনকে ইউরো জেতাতে ইয়ামাল অবিশ্বাস্য ভূমিকা রাখার পর তার বাবা সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবিগুলোর একটি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘দুই কিংবদন্তির সূচনা।’ 

ছবিগুলোতে দেখা যায়, হাসিমুখে ছোট্ট এক শিশুকে কোলে নিয়ে আদর করছেন এবং গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি। সেই শিশুই যে পরবর্তীতে মেসির পথ অনুসরণ করে বিশ্ব কাঁপাবে, তা তখন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

বিবিসি স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফটোগ্রাফার মনফোর্ত বলেন, ‘এটি সত্যিকার অর্থেই নিয়তির এক অলৌকিক ঘটনা। এমন এক কাকতালীয় ঘটনা, যা আপনি কল্পনার বাইরেও ভাবতে পারবেন না। যদি এটি কোনো সিনেমার গল্প হতো, তাহলে মানুষ বিশ্বাসই করত না। মেসি খুবই শান্ত ও লাজুক স্বভাবের মানুষ। ড্রেসিংরুমে এসে হঠাৎ একটি ছোট্ট শিশুকে দেখে কী করতে হবে, তিনি বুঝতেই পারছিলেন না। তবে ইয়ামাল ছিল খুব হাসিখুশি শিশু।’

ইয়ামালের বাবা মরক্কো বংশোদ্ভূত মুনির নাসরাউই এবং মা ইকুয়েটোরিয়াল গিনির শেইলা এবানা। ছোটবেলায় পরিবারের সঙ্গে কাতালোনায় চলে আসা এই দম্পতির প্রথম সন্তান ইয়ামাল। আর তার জন্মের কিছুদিন পরই তার পরিবার কাতালান সংবাদপত্র স্পোর্ট, বার্সেলোনার জার্সি স্পন্সর এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজিত একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বার্সার প্রথম দলের খেলোয়াড়ের সাথে ফটোশুটের সুযোগ পায়।

দলের ১২ জন ফুটবলারকে ক্যালেন্ডারের জন্য বছরের ১২টি মাসের প্রতীক করে একেকটি শিশুর সঙ্গে জুটি গড়ে দেওয়া হতো। অনেক পরিবার অংশ নিয়েছিল সেই আয়োজনে। আর ভাগ্যক্রমে ইয়ামালের পরিবারের জন্য লটারির জেতার মতো করে নির্ধারিত হন মহাতারকা লিওনেল মেসি। 

অনেকেই মনে করেন, ‘ইয়ামাল’ তার পারিবারিক পদবি, যা আসলে ভুল। তার পুরো নাম লামিনে ইয়ামাল নাসরাউই এবানা। আর্থিক সংকটের সময় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো দুই বন্ধুর সম্মানে তার বাবা নাম রেখেছিলেন লামিনে (আরবিতে যার অর্থ সৎ বা বিশ্বস্ত) ও ইয়ামাল (যার অর্থ সৌন্দর্য বা মাধুর্য)। বার্সেলোনা থেকে প্রায় ২০ মাইল উত্তরে মাতারোর শ্রমজীবী এলাকা রোকাফোন্দায় বেড়ে ওঠা ইয়ামাল গোল করার পর আঙুল দিয়ে ‘৩০৪’ ইশারা করে নিজ এলাকার পোস্টকোডের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এল পাইসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মা-বাবার ত্যাগের কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে ইয়ামাল বলেন, ‘অর্থ না থাকলে সন্তানের ফুটবল খেলার স্বপ্ন পূরণ করা খুব কঠিন। কিন্তু আমার বাবা-মা সেটা সম্ভব করেছেন। তাদের এই ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না।’

কাতালান ও বার্সেলোনা সমর্থক জোয়ান মনফোর্তের কাছে বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসি ও ইয়ামালের মুখোমুখি হওয়া প্রায় দুই দশক আগে শুরু হওয়া এক অসাধারণ গল্পের পরিপূর্ণ সমাপ্তি। 

১৯ বছর বয়সে মেসির ক্যারিয়ারে গোল ছিল ১১টি, জিতেছিলেন একবার করে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। অন্যদিকে, সোমবার ১৯ বছরে পা রাখা লামিনে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই ৫৬টি গোল করার পাশাপাশি তিনবার লা লিগা, একবার কোপা দেল রে এবং ইউরো ২০২৪ জিতেছেন।

মনফোর্তে বলেন, ‘আমার মনে হয়, তাদের গল্পের চক্রটি এখন সম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে। মেসি যদি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ার শেষ করতে পারেন, সেটাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত বিদায়। তবে ইয়ামাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লামিনের সামনে এখনও অনেক সময় আছে। তবে স্পেন ও ইয়ামাল এখন দারুণ ছন্দে আছে। যদি এবারই বিশ্বকাপ জিতে যায়, তাহলে সেটি তার অন্য সব শিরোপার চেয়েও বেশি মূল্যবান হবে।’ সবশেষে মনফোর্তের কণ্ঠে ঝরে পড়ল আবেগ, ‘আমার জন্য বিষয়টি খুব কঠিন। মনে হচ্ছে, আমার হৃদয় যেন দুই টুকরো হয়ে যাচ্ছে।’ 
 

ফাইনালে নামার আগে মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ৬ ফুটবলারকে নিষিদ্ধের দাবি

ক্রীড়া ডেস্ক
ফাইনালে নামার আগে মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ৬ ফুটবলারকে নিষিদ্ধের দাবি
ছবি : রয়টার্স

স্পেনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগে মাঠের বাইরের এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কে মহাবিপদে পড়তে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে জয়ের পর ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (মালভিনাস) নিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শনের অভিযোগে আলবিসেলেস্তেদের অন্তত ছয়জন খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করার জন্য ফিফার কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট মহলে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ শেষের নাটকীয়তা এখন মাঠের বাইরে রূপ নিয়েছে। আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই সেমিফাইনালের আগে ও পরে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ডের সঙ্গে যুদ্ধ হওয়া বিতর্কিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গান গাইতে দেখা যায়। শুধু তা-ই নয়, ম্যাচ জয়ের পর তারা মাঠের ভেতর ‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস’ (ফকল্যান্ডস আর্জেন্টিনার) লেখা একটি রাজনৈতিক ব্যানার উঁচিয়ে উদযাপন করেন।

ফিফার স্পষ্ট নিয়মানুযায়ী, ফুটবল ম্যাচে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক ব্যানার, বার্তা বা স্লোগান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্রিটিশ লিবারেল ডেমোক্র্যাটস দলের নেতা ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ এড ডেভি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে এই ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ফিফা সভাপতিকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠিয়েছেন।

স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এড ডেভি বলেন, ‘ফিফার নিয়ম সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা ব্যানার নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে ফিফার নিয়মের চরম লঙ্ঘন করেছে। এটি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দা এবং সেই অবৈধ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রাণ দেওয়া শহীদ ব্রিটিশ সেনাদের পরিবারের জন্য চরম অপমানজনক।’ 

তিনি আরো মনে করিয়ে দেন, ২০২৪ সালে একই ধরনের স্লোগান দেওয়ায় স্পেনের রদ্রি ও আলভারো মোরাতাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। এবারও সেই নিয়মের প্রয়োগ চান তিনি।

ডেভির দাবি অনুযায়ী, যে ছয়জন খেলোয়াড় সেই ব্যানার ধরে রেখেছিলেন এবং চারপাশে উদযাপন করছিলেন, তাদের সবাইকে রবিবারের ফাইনাল ম্যাচ থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত। জানা গেছে, সেই বিতর্কিত ব্যানারটি হাতে ধরা অবস্থায় ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস এবং জিওভানি লো সেলসো। অন্যদিকে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারে সরাসরি বলেন, ফকল্যান্ডস ‘সব সময়ই আর্জেন্টিনার থাকবে’। 

বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল কত টাকা পাবে?

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল কত টাকা পাবে?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল শুধু সোনালি ট্রফিই নয়, সঙ্গে পাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রাইজমানিও। এবারের আসরের জন্য রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে ফিফা, যার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তবে শুধু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পুরস্কারই নয়, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই অংশগ্রহণ ফি ও প্রস্তুতি অনুদান পায়। ফলে শিরোপাজয়ী দলের মোট আয় দাঁড়াবে ৬২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রয়েছে অংশগ্রহণ বাবদ ১০ মিলিয়ন ডলার, প্রস্তুতি অনুদান হিসেবে ২.৫ মিলিয়ন ডলার এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে রানার্সআপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতি অনুদানসহ তাদের মোট প্রাইজমানি হবে ৪৫.৫ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি (পারফরম্যান্সভিত্তিক)

চ্যাম্পিয়ন : ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা)
রানার্স আপ : ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা)
তৃতীয় স্থান : ২৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা)
চতুর্থ স্থান : ২৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা)
৫ম–৮ম স্থান : ১৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২২৮ কোটি টাকা)
৯ম–১৬তম স্থান : ১৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮০ কোটি টাকা)
১৭তম–৩২তম স্থান : ১১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৩২ কোটি টাকা)
৩৩তম–৪৮তম স্থান : ৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি টাকা)

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি অর্থ পুরস্কার হিসেবে দিচ্ছে ফিফা। ৪৮ দলের এই আসরে বাড়তি অংশগ্রহণের পাশাপাশি পুরস্কারের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা বিশ্ব ফুটবলের আর্থিক দিক থেকেও নতুন এক মাইলফলক।

‘১৭ বছর বয়সী পেলে’র সেই জার্সি বিক্রি হলো রেকর্ড দামে

ক্রীড়া ডেস্ক
‘১৭ বছর বয়সী পেলে’র সেই জার্সি বিক্রি হলো রেকর্ড দামে
সংগৃহীত ছবি

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই ঐতিহাসিক জার্সিটি এবার নিলামে ইতিহাস গড়ল। রেকর্ড ৪.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে জার্সিটি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৭ কোটি টাকা। পেলের বিক্রি হওয়া যেকোনো স্মারক সামগ্রীর মধ্যে এখন পর্যন্ত এটিই সর্বোচ্চ দামের নতুন রেকর্ড।

বিশ্বখ্যাত নিলাম প্রতিষ্ঠান সোথবি জানিয়েছে, নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই নিলামে জার্সিটি লুফে নিতে সংগ্রাহকদের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। পাঁচজনেরও বেশি বিডারের কাছ থেকে মোট ১০টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপের ফাইনালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে এই জার্সিটি গায়ে চাপিয়েই মাঠ কাঁপিয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট। মূলত এই ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই জার্সিটির মূল্য আকাশ ছুঁয়েছে।

২০২২ সালে চিরবিদায় নেওয়া এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো ওরফে পেলের বিশ্বমঞ্চে অভিষেক হয়েছিল সতেরো বছর বয়সে। নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই ৬টি গোল করে ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ করে স্বাগতিক সুইডেনের বিপক্ষে সেই ফাইনালে পেলের জোড়া গোলের ওপর ভর করে ৫-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মতো সোনালী ট্রফি ঘরে তোলে সেলেসাওরা। বিশ্বমঞ্চের ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারের সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

নিলাম সংস্থা সোথবির মতে, ১৯৫৮ সালের সেই বিশ্বকাপ ফাইনালের মুহূর্তগুলো ক্রীড়া ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি পুনর্মুদ্রিত ছবির অন্যতম। আর সেই অবিস্মরণীয় কীর্তির সময় ‘এই জার্সিটিই মাঠে পেলের গায়ে জড়িয়ে ছিল।’

মজার ব্যাপার হলো, ২০০৪ সালেও একবার নিলামে উঠেছিল এই একই জার্সি। তবে সেবার এর দাম উঠেছিল মাত্র ৭০ হাজার ৫০৫ পাউন্ড (প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার)। দুই দশকের ব্যবধানে ফুটবল সম্রাটের সেই স্মৃতির মূল্য যে কতটা গগনচুম্বী হয়ে উঠেছে, এই নিলামই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। 
 

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়বে বাংলাদেশ: নাসের হুসেইন | কালের কণ্ঠ