• ই-পেপার

বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের ৮২তম ঋণ বিতরণ, স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন দরিদ্র নারীরা

বান্দরবানে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বান্দরবানে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, দক্ষতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বান্দরবান জেলা শাখা বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে নারী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক উবাসাইং মারমা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা বাবু চাইথুইপ্রু মার্মা, উন্নয়নকর্মী ও ফুলব্রাইট স্কলার ডসিংনু মারমা এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়ক উয়ই সিং মার্মা।

সভাপতির বক্তব্যে উবাসাইং মারমা বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া কোনো সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ে দক্ষতা ও আত্মনির্ভরশীলতা নারীদের এগিয়ে যাওয়ার প্রধান শক্তি। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারীদের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম চাহিদা। নারীরা যখন দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। পার্বত্য অঞ্চলের নারীদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমি আশা করি, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাবু চাইথুইপ্রু মার্মা বলেন, নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নয়, বরং এটি নারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সামাজিক নেতৃত্ব তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত।

বিশেষ অতিথি ডসিংনু মার্মা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীদের মধ্যেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক প্রশিক্ষণ, সুযোগ এবং সহযোগিতা। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারীদের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে।

পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়ক উয়ই সিং মার্মা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে চলেছেন। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয়মুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও নারী উন্নয়ন, শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। আমরা চাই নারীরা নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরো কার্যকর অবদান রাখুক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘের রোয়াংছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি শিমুল তংঞ্চঙ্গ্যা, শুভসংঘের জেলা শাখার সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, যুব প্রতিনিধি এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ নারী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সফলতা কামনা করেন। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগ বান্দরবানের নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে সচেতনতার আহ্বান, চালক ও পথচারীদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ)
নিরাপদ সড়কের দাবিতে সচেতনতার আহ্বান, চালক ও পথচারীদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বসুন্ধরা শুভসংঘ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি বাজারের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। অসচেতনতা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অতিরিক্ত গতি, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়ক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এসব দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।

বসুন্ধরা শুভসংঘ বিশ্বম্ভরপুর শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমেরর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পল্লী চিকিৎসক আশিক নুর, ব্যবসায়ী রহম আলী, রবি হোসেন, চিনাকান্দি সিএনজি স্টেশন ম্যানেজার ইমরান মিয়া, জুবায়ের আহমেদ, হোসেন আহমেদ ও আমীর হোসেনসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো ব্যক্তির একার সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যা। দুর্ঘটনা রোধে নিয়মিত প্রচারণা, চালকদের প্রশিক্ষণ, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

তারা আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় তারা নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৃক্ষরোপণ

রানা মিত্র, (পটিয়া) চট্টগ্রাম
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৃক্ষরোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ, পটিয়া শাখার উদ্যোগে  বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে একাত্মতা ঘোষণা করেন পটিয়ার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ভিলেজ ল্যাব। 

বসুন্ধরা শুভসংঘ বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এস এম এ জুয়েল এর নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন– পটিয়া  উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পারভেজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, শুভসংঘের বন্ধু মো. ইব্রাহীম চৌধুরী, আনিসুল ইসলাম, মো. ফখরুল নাঈম ও মো. রাইয়ানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এস এম এ জুয়েল  বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখে। বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের এগিয়ে এসে পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে হবে। আমরা যদি আজ একটি গাছ রোপণ করি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতে পারব।

তিনি আরো বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে চাই।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘের স্থানীয় নেতারা, সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বৃদ্ধিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই আয়োজন স্থানীয় জনগণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মো. শাফায়াত হোসেন সিয়াম, ভোলা
ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য ও মনোমুগ্ধকর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শুদ্ধ ও সুন্দর হাতের লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে এ আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শুদ্ধ ও সুন্দর হাতের লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত বিষয়ের উপর অত্যন্ত মনোযোগ, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের সঙ্গে তাদের লেখা উপস্থাপন করে, যা বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদীয়া নূরানী মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা নূর সুলাইমান ফাহিম, প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহরিয়া আতিক।

আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার সহসভাপতি মো. ইফাজ, আব্দুর রহমান, নুহা বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তা আক্তার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাব্বির, মো. জুনায়েদ, দপ্তর সম্পাদক নাইমুর রহমান, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক সুমাইয়া আক্তারসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অনেক কিছুই ডিজিটাল হয়ে গেলেও হাতের লেখার গুরুত্ব আজও অপরিসীম। সুন্দর হাতের লেখা শুধু শিক্ষার একটি অংশ নয়, বরং এটি একজন শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ, ধৈর্য, মনোযোগ এবং ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।

তারা আরো বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার সহসভাপতি মো. ইফাজ বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময়ই শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা ও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল, নৈতিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য অনুপ্রেরণা দেন। অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রচেষ্টাকে তারা প্রশংসা করেন এবং নিয়মিত লেখার চর্চা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন ভোলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে এটি এলাকায় একটি ইতিবাচক, শিক্ষাবান্ধব ও মানবিক পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের ৮২তম ঋণ বিতরণ, স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন দরিদ্র নারীরা | কালের কণ্ঠ