• ই-পেপার

নিরাপদ সড়কের দাবিতে সচেতনতার আহ্বান, চালক ও পথচারীদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৃক্ষরোপণ

রানা মিত্র, (পটিয়া) চট্টগ্রাম
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৃক্ষরোপণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ, পটিয়া শাখার উদ্যোগে  বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে একাত্মতা ঘোষণা করেন পটিয়ার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ভিলেজ ল্যাব। 

বসুন্ধরা শুভসংঘ বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এস এম এ জুয়েল এর নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন– পটিয়া  উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পারভেজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, শুভসংঘের বন্ধু মো. ইব্রাহীম চৌধুরী, আনিসুল ইসলাম, মো. ফখরুল নাঈম ও মো. রাইয়ানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এস এম এ জুয়েল  বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখে। বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের এগিয়ে এসে পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে হবে। আমরা যদি আজ একটি গাছ রোপণ করি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতে পারব।

তিনি আরো বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখতে চাই।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘের স্থানীয় নেতারা, সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানান।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বৃদ্ধিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই আয়োজন স্থানীয় জনগণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মো. শাফায়াত হোসেন সিয়াম, ভোলা
ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য ও মনোমুগ্ধকর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শুদ্ধ ও সুন্দর হাতের লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে এ আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শুদ্ধ ও সুন্দর হাতের লেখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে হাতের লেখা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত বিষয়ের উপর অত্যন্ত মনোযোগ, শৃঙ্খলা ও ধৈর্যের সঙ্গে তাদের লেখা উপস্থাপন করে, যা বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদীয়া নূরানী মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা নূর সুলাইমান ফাহিম, প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহরিয়া আতিক।

আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার সহসভাপতি মো. ইফাজ, আব্দুর রহমান, নুহা বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তা আক্তার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাব্বির, মো. জুনায়েদ, দপ্তর সম্পাদক নাইমুর রহমান, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক সুমাইয়া আক্তারসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অনেক কিছুই ডিজিটাল হয়ে গেলেও হাতের লেখার গুরুত্ব আজও অপরিসীম। সুন্দর হাতের লেখা শুধু শিক্ষার একটি অংশ নয়, বরং এটি একজন শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ, ধৈর্য, মনোযোগ এবং ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।

তারা আরো বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার সহসভাপতি মো. ইফাজ বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময়ই শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা ও সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা শুভসংঘ তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল, নৈতিক ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরো ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য অনুপ্রেরণা দেন। অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রচেষ্টাকে তারা প্রশংসা করেন এবং নিয়মিত লেখার চর্চা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের এই আয়োজন ভোলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে এটি এলাকায় একটি ইতিবাচক, শিক্ষাবান্ধব ও মানবিক পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জাকারিয়া আলফাজ, টেকনাফ (কক্সবাজার)
টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফ সরকারি কলেজে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সন্তোষ কুমার শীল, প্রভাষক আব্দুল গফুর, প্রভাষক ফারুক আহমেদ, প্রভাষক আবু তাহের, প্রভাষক পারিয়েল সামিয়া, প্রভাষক রাবিয়া বেগম ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বিপ্লব।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সন্তোষ কুমার শীল বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন প্রশংসাযোগ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের টেকনাফ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বিপ্লব বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ টেকনাফ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে মাসব্যাপী উপজেলার সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলদ, বনজ ও ঔষধিসহ ২০টি করে গাছের চারা রোপণ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও আমরা বিভিন্ন সড়কের পাশে, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ এলাকায় গাছের চারা রোপণ করা হবে। পুরো উপজেলায় এ কর্মসূচির আওতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এক হাজার চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে, যা এ মাসে বাস্তবায়ন করা হবে।’ 

এদিকে একই দিন দুপুর ২টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ হাজী বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ফরিদুল আলম, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ ফাহাদ, সেলিম রেজা, বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর হায়াত ও আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্বস্তি ফেরাল বসুন্ধরা শুভসংঘের ২ বৈদ্যুতিক পাখা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্বস্তি ফেরাল বসুন্ধরা শুভসংঘের ২ বৈদ্যুতিক পাখা

শিক্ষার্থীদের স্বস্তি ও পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি বৈদ্যুতিক পাখা উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পাখাগুলো স্থাপন করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ২টার দিকে গৌরীপুর বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের হাতে বৈদ্যুতিক পাখা তুলে দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে বজ্রপাতে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। এতে শ্রেণিকক্ষের একাধিক পাখা নষ্ট হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পড়াশোনায় সমস্যায় পড়ে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নজরে আসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌসের। বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমের কথা জানতে পেরে তিনি গৌরীপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দুটি বৈদ্যুতিক পাখা দেওয়ার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি।

পাখা বিতরণের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌস বলেন, ‘বজ্রপাতের কারণে বিদ্যালয়ের কয়েকটি পাখা নষ্ট হয়ে যায়। এতে গরমের মধ্যে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। বসুন্ধরা শুভসংঘের মানবিক কর্মকাণ্ডের কথা জেনে তাদের বিষয়টি জানালে তারা দ্রুত সাড়া দেয়। দুটি পাখা দিয়ে তারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের এই উদ্যোগ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

গৌরীপুর বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি শংকর ঘোষ পিলু বলেন, ‘ভালো কাজ যেখানে, সেখানেই বসুন্ধরা শুভসংঘের উপস্থিতি থাকবে। শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন মিয়া বলেন, ‘মানবিক কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকাই শুভসংঘের লক্ষ্য। সারা দেশে শুভসংঘ ভালো কাজে যুক্ত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সবাইকে মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

পাখা বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন–গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল হক, রোজী সুলতানা, আফরোজা নাসরিন, শংকরী রানী দেবনাথ, নাজমা বেগম, সাবিরা আক্তার, দিতি বানু, মিনান নাহার, বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্য কাউসার আহমেদ, নুর মোহাম্মদ শাফি, শরিফুল ইসলাম আসিফ, জাহিদ আল ফাহাদ, শেখ সৌরভ, আতিক ইসলাম প্রমুখ।