• ই-পেপার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের ৮ প্রস্তাব

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে প্রতি মাসে ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, আকস্মিক পরিদর্শন এবং অনিয়ম ধরা পড়লে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গত বুধবার (১ জুলাই) জারি করা এক নির্দেশনায় দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শয্যাসংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রাখা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিক্যাল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিক্যাল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিভিল সার্জনদের পাঁচটি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ 

এর মধ্যে রয়েছে, প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ তথ্য সংগ্রহ, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা।

এ ছাড়া কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে কিংবা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে রোগীরা আরো নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক সংকট গোপনের মতো অনিয়মও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮৩৩ শিশু।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এদিন সকাল ৮টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় এসব তথ্য পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৩১ শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০১ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৩২। এই সময়ে ৭০৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৬৭৫ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৬৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৫২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৭ হাজার ৯৬৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৪ হাজার ২১৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছে।
 

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৪ জন

অনলাইন ডেস্ক
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৪ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রন্ত হয়ে ৪৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১ জন রয়েছে।

এই সময়ে ৪৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫ হাজার ৯৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ৬ হাজার ৪৫৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গ নিয়ে দেশে চলতি বছরে ৭২৯ জনের মৃত্যু হলো। গত একদিনে হাম ও উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১১০৭ শিশুর।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সাড়ে তিন মাস ধরে দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ ৩ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭২৯টি শিশুর প্রাণহানি ঘটল। এর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৩ জন। আর বাকি ৬৩৬টি শিশু মারা গেছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।

 মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) এই ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৭টি শিশু।