• ই-পেপার

রংপুর

মাদরাসার নামে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা

  • প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি

ঝালকাঠি

যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার নিহত, ১০ যাত্রী আহত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার নিহত, ১০ যাত্রী আহত

ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার আল মামুন মনির (৩০) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় বাসের ভেতরে থাকা ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। 

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের নলছিটির রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

পুলিশ জানায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল যাচ্ছিল যাত্রীবাহী বাস নাহিদ সুপার। বাসটি রায়াপুর এলাকায় পৌঁছলে সামনে একটি মাহিন্দ্রা গাড়ি দেখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। স্থানীয়রা এসে গাড়ির সুপারভাইজারসহ যাত্রীদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠান। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরে বাসের সুপারভাইজার আল মামুন মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। নিহত আল মামুন নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে উদ্ধার কাজ করে। বাসটি উদ্ধার করে সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হবে।

ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ১০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ১০
সংগৃহীত ছবি

ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার আল মামুন মনির (৩০) নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। 

রবিবার দুপুরে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের নলছিটির রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আল মামুন নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালগামী যাত্রীবাহী নাহিদ সুপার বাসটি রায়াপুর এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে। স্থানীয়রা গাড়ির সুপারভাইজারসহ যাত্রীদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠায়। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরে বাসের সুপারভাইজার আল মামুন মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসটি উদ্ধার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা

কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজী শামসুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে  মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের রাশেদ আলী, আব্দুল কুদ্দুস ও মোরশেদ আলী। বক্তারা অভিযোগ করেন, কাজী শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করে আসছেন। পরে কনেপক্ষকে পুলিশ ও প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। এ ছাড়া দেনমোহরের পরিমাণ বেআইনিভাবে বাড়ানো-কমানো এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরো জানান, গত ৩ জুলাই জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন তার কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করলে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কাজী শামসুল হক পালিয়ে যান। এ সময় তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে কার্যালয়ের বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়ায় অফিসটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, এর আগে দামুড়হুদার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমানের দায়িত্বকালেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের দায়ে কাজী শামসুল হককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এরপরও তিনি একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।’

গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্তরঞ্জন পালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অভিভাবক ইসাহাক আলী বিশ্বাস, গোলাম মোস্তফাসহ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। সেশন ফি, উন্নয়ন ফি, বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। এছাড়া সরকারি অনুদানের অর্থ ব্যয় এবং বিদ্যালয় পরিচালনায়ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তারা।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বাবু চিত্তরঞ্জন পাল প্রথমে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন এবং ২০০৯ সালে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। এরপর থেকে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০১৫ সালে ৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত হলেও পরবর্তীতে পুনরায় দায়িত্বে ফিরে আসেন। পরে ২০১৭ সালে রেজুলেশন ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে আরও ৯১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। সে সময় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া, ২০২৫ সালে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে প্রাপ্ত ৫ লাখ টাকার সরকারি অনুদান আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, বিদ্যালয়ে কর্মরত তিনজন নারী শিক্ষকের জন্য সমমর্যাদার বসার ব্যবস্থা না করে প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে পৃথক ব্যবস্থা করেছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিধিমালার পরিপন্থী বলে তারা দাবি করেন।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার সময় সেশন ফি, পরীক্ষা ফি, বিদ্যুৎ বিল ও উন্নয়ন ফির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বাবু চিত্তরঞ্জন পাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার ফি নেওয়া হয়েছে। একটি মহল অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার মানহানি করার চেষ্টা করছে।