রোহিঙ্গা সংকট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতির অন্যতম জটিল ক্ষত। গত এক দশকে এটি কেবল মানবিক বিপর্যয় হয়ে থাকেনি। এটি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য এক বহুমাত্রিক হুমকি। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী শক্তি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নিয়েছেন। এর পরপরই মিয়ানমারের জান্তা প্রধান জেনারেল (অব.) মিন অং হ্লাইং ‘বেসামরিক’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। একই সঙ্গে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আরাকান আর্মির দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ভূ-রাজনৈতিক মাত্রাকে বদলে দিয়েছে। এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে প্রথাগত ও মন্থর কূটনীতি পরিহার করা জরুরি। এখন ‘হার্ড পাওয়ার’ ও ‘স্মার্ট ডিপ্লোম্যাসি’র সমন্বয় ঘটানো সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন তথা সাবেক আরাকান রাজ্যের কোনো বহিরাগত জনগোষ্ঠী নয়। তারা ওই ভূমিরই আদি সন্তান। অষ্টম শতাব্দী থেকে আরাকানের উপকূলে যে মানববসতি গড়ে উঠেছিল, তা থেকেই এই জাতিসত্তার বিকাশ। ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত স্বাধীন আরাকানে মুসলিম ও বৌদ্ধ সংস্কৃতির অনন্য সহাবস্থান ছিল।
রাজদরবারে বাংলা ও ফারসি সাহিত্যের চর্চা হতো। মহাকবি আলাওল ও মাগন ঠাকুরের মতো মনীষীরা সেখানে স্থান পেয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী উ নু রোহিঙ্গাদের অন্যতম জাতিগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।
১৯৬২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত তারা পার্লামেন্ট সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশ নিয়েছেন। কিন্তু ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা বোডাওপায়া কর্তৃক স্বাধীন আরাকান দখলের পর থেকে নিগ্রহের সূচনা হয়। এর চূড়ান্ত রূপ প্রকাশ পায় ১৯৮২ সালের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে। এই আইনের ফলে প্রাচীন জনগোষ্ঠীটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘রাষ্ট্রহীন’ করে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের ইতিহাস বলে, যখনই ক্ষমতায় জাতীয়তাবাদী শক্তি থেকেছে, তখনই মিয়ানমারের উসকানি দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।
১৯৭৮ সালে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ‘অপারেশন ড্রাগন কিং’-এর নামে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন চালায়। তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথাগত মিনতির কূটনীতিতে যাননি। তিনি একদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুক্ত করেন। অন্যদিকে সীমান্তে সামরিক ও কৌশলগত দৃঢ়তা প্রদর্শন করেন। ফলে যুদ্ধবাজ মিয়ানমার সরকার অনমনীয় অবস্থানের মুখে নতি স্বীকার করে। তারা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সসম্মানে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
পরবর্তীতে ১৯৯১-৯২ সালেও মিয়ানমার পুনরায় সীমান্ত আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়। তৎকালীন বেগম খালেদা জিয়ার সরকার একই ধরনের বলিষ্ঠ ও প্রতিরক্ষামূলক কূটনীতির মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করে। সফল প্রত্যাবাসন ফ্রেমওয়ার্ক নিশ্চিত করে। ২০০১-২০০৬ আমলেও সীমান্ত উত্তেজনা ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের যেকোনো চেষ্টাকে কঠোর অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছিল।
বিপরীতভাবে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ দেড় দশক আওয়ামী সরকারের আমলে চরম কৌশলগত বিভ্রান্তি লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইনে বর্বর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ চালায়। এটি ছিল আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্টতম পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ। সেই চরম সংকটের মুহূর্তে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নিজের ‘ভাবমূর্তি’ ও রাজনৈতিক প্রচারণাকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়।
‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ খেতাব অর্জনের সস্তা আবেগে কোনো প্রকার আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি বা টেকসই শর্ত ছাড়াই সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়। প্রায় ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। এর পরবর্তী পদক্ষেপগুলোতে সরকার চরম কূটনৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় দিয়েছে। যার খেসারত হিসেবে আজ কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত অঞ্চলে জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং গভীর অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের বিদায়ের পর রোহিঙ্গা সংকটের আন্তর্জাতিকীকরণে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটা ভূমিকা ছিল। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরের ইফতারের টেবিলে নিয়ে এসেছিলেন।
তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ছাড়া এই অঞ্চলের শান্তি অধরাই থেকে যাবে। সেই মাহফিলে ড. ইউনূস রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ‘আগামী ঈদ আপনারা নিজ দেশে করবেন।’
শান্তিতে নোবেলজয়ী একজন বিশ্ববরেণ্য নেতার মুখে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি আন্তর্জাতিক মহলে মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে মাঠের বাস্তবতায় এটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এটি নিছক একটি অলীক কূটনৈতিক আশ্বাস বা ‘বাত কা বাত’ হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে।
ড. ইউনূস সরকার বিশ্ববিবেকের সামনে বিষয়টিকে তুলে ধরলেও কোনো কার্যকর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নিশ্চিত করতে পারেনি। মিয়ানমারের ওপর কার্যকর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগে তারা ব্যর্থ হয়। যার ফলে তার দেওয়া সেই বড় ওয়াদা আজ পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। লক্ষ লক্ষ শরণার্থী চরম হতাশায় নিমজ্জিত রয়েছেন।
২০১৫ সালের পর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। স্থানীয় মগ সম্প্রদায়ের সশস্ত্র সংগঠন ‘আরাকান আর্মি’ মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। জান্তা বাহিনীকে পরাজিত করে তারা রাখাইনের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে। সেখানে কার্যত একটি আলাদা সমান্তরাল সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও বিদ্রোহীদের মধ্যকার এই তুমুল লড়াইয়ের সময়েও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কৌশলগত সুযোগ নেওয়া হয়ে ওঠেনি। জান্তা বাহিনী যখন সীমান্ত ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছিল, তখন বাংলাদেশ শক্তিশালী আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার করতে পারত।
সীমান্তের ওপারে নিজের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ কিংবা ‘বাফার জোন’ তৈরির উদ্যোগ নিলে আজ সংকটের চিত্র ভিন্ন হতো। রাখাইনের বর্তমান নিয়ন্ত্রক আরাকান আর্মির সঙ্গে বিশ্বশক্তিগুলোর অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ থাকলেও, রোহিঙ্গাদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এখনো জান্তার মতোই চরম বর্ণবাদী।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বার্মিজ মগদের আরাকান আর্মির অপতৎপরতা বাংলাদেশের জন্য নানাভাবে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে বান্দরবানসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত মগ বা মারমাসহ অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের আরাকান আর্মিতে রিক্রুটের ভয়াবহ তথ্য উঠে আসছে।
বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই আশঙ্কাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। তথ্য অনুযায়ী, এই রিক্রুটমেন্টের ফলে আমাদের সীমান্ত নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি আরাকান আর্মির মাদককারবার পরিচালনা এবং কারবারিদের নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়টি আরও বিপজ্জনক। তারা বাংলাদেশে মাদক পাচারের জন্য নতুন রোড ও সিন্ডিকেট তৈরি করছে। এই অপতৎপরতা বাংলাদেশের সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য এক গভীর ও নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট এখন আর কেবল একটি শরণার্থী বা মানবিক সমস্যা নয়। এটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সঙ্গে যুগ্মভাবে এক নম্বর ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি থ্রেট’ বা জাতীয় নিরাপত্তার প্রধানতম ঝুঁকি। উখিয়া ও টেকনাফের শরণার্থী শিবিরগুলো এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ, অস্ত্র চোরাচালান ও মাদক পাচারের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী, আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার চলমান গোলাগুলি ও সীমান্ত উত্তেজনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। ওপার থেকে আসা গোলা আমাদের নাগরিকদের জীবন ও সম্পদকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এর পাশাপাশি রয়েছে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক রক্তক্ষরণ। যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ব্যয়ের পরিমাণ বছরে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অথচ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ইউক্রেন, ফিলিস্তিন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইরান সংকটের দিকে সরে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক তহবিল দিন দিন সংকুচিত হয়ে ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ৮ হাজার একরের বেশি সংরক্ষিত বনাঞ্চল নিধন এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের আশঙ্কাজনক পতনের ফলে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এক অপূরণীয় পরিবেশগত বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।
এই কঠিন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন মিয়ানমার ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকে কেবল সুবিধাই দিচ্ছে। তাই সময় এসেছে ঘরের রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে দেশের সকল রাজনৈতিক শক্তিকে এক টেবিলে বসে একটি ‘জাতীয় ঐক্য সনদ’ তৈরি করার। এর ফলে রাষ্ট্রক্ষমতায় পরিবর্তন আসলেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের জাতীয় অবস্থানে কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। একই সঙ্গে, প্রথাগত আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা পরিহার করতে হবে। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘বিশেষ রোহিঙ্গা কমিশন’ বা ডেডিকেটেড টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতার সমন্বিত প্রয়োগ ঘটাতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ডেস্কের বাইরে গিয়ে চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী প্রতিবেশীদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ককে কাজে লাগাতে হবে। ট্র্যাক-টু ডিপ্লোম্যাসি বা সরাসরি মাঠপর্যায়ে আরাকান আর্মির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক দরকষাকষির পথ উন্মুক্ত করতে হবে।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নতুন নেতৃত্ব আসা মানেই একটি ‘ক্লিন স্লেট’ বা নতুন করে সাহসী কৌশল গ্রহণের সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐতিহাসিক দৃঢ়তাকে পুঁজি করে বাংলাদেশ যদি তার বাস্তব সক্ষমতা ও জাতীয় ঐক্যের সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটাতে পারে, তবেই এই অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব। সীমান্তের ওপার থেকে আসা কোনো উসকানিকে বাংলাদেশ আর বরদাশত করবে না—এই কঠোর ও স্পষ্ট বার্তা মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং-এর কাছে পৌঁছাতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক তদারকিতে রাখাইনের অভ্যন্তরে সেফ জোন বা নিরাপদ অঞ্চল তৈরির কার্যকর গ্যারান্টি আদায় করতে হবে। আরাকান আর্মির রিক্রুটমেন্ট ও মাদক সিন্ডিকেটের মতো অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। কেবল মৌখিক সহমর্মিতা বা অতীতের ফাঁকা আশ্বাস নয়, রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিশ্ববিবেকের জাগ্রত ভূমিকার সঙ্গে বাংলাদেশের এই বলীয়ান পদক্ষেপই হোক এই অঞ্চলের স্থায়ী শান্তির রক্ষাকবচ।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
(পার্বত্য চট্টগ্রাম, রোহিঙ্গা ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক)




