• ই-পেপার

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত

প্রবাসে বাঙালিয়ানার উচ্ছ্বাস : জালালাবাদের উৎসবে ঐতিহ্যে মুখর সিডনি

শিপন আহমদ, (সিডনি) অস্ট্রেলিয়া
প্রবাসে বাঙালিয়ানার উচ্ছ্বাস : জালালাবাদের উৎসবে ঐতিহ্যে মুখর সিডনি
সিডনিতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী। ছবি : কালের কণ্ঠ

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের অন্যতম সামাজিক সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলস ইনক’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। ঈদের আনন্দ, প্রবাসী মিলনমেলা এবং বাংলা সংস্কৃতির সমন্বয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাঙালি ঐতিহ্যে মুখরিত হয়েছিল সিডনির রিভারউড।

রোববার (৩১ মে) সিডনির রিভারউডের একটি পার্কে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজনের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে ঈদের আনন্দ যেন নতুন মাত্রা পায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী বাংলা খেলাধুলা। শিশু, কিশোর, তরুণ ও প্রবীণদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হাসি-আনন্দে মুখর এ আয়োজন প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশের আবহ তৈরি করে। প্রীতিভোজ, খেলাধুলা, একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়সহ আড্ডা ও মতবিনিময়ে অংশ নেন উপস্থিত প্রবাসীরা।

সংগঠনের সভাপতি জাহেদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ফারুক চৌধুরী।

বক্তারা বলেন, প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও এমন আয়োজন কমিউনিটির মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও কমিউনিটির বন্ধন ধরে রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বাহার, সহ-সভাপতি সামছুদ্দিন লুলু, মাওলানা ফাজিল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস শুকুর, ক্রীড়া সম্পাদক আহমদ আল কবির এবং সদস্য মামুনুর রশিদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শাহ আলম।

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলস’র সভাপতি জাহেদুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও মজবুত করতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক এম. ডি. আকলাকুর ইসলাম, ট্রেজারার জামান সারোয়ার শিপু, সদস্য হাসান আহমদ, গোলাম জাকাইয়া জকু, সালমান রেজা, কামরান হোসেন ও এমাদ উদ্দিন চৌধুরীসহ অন্যান্য অতিথিরা। সমাপনী বক্তব্যে উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের সভাপতি।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে প্রবাসী ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে প্রবাসী ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি
সংগৃহীত ছবি

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা, গ্রেপ্তার এবং পেশাগত নিপীড়নের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত ৯৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সাংবাদিকতা কি তাহলে মানবতাবিরোধী অপরাধ?’ বিবৃতিতে সৈয়দ বদরুল আহসান, শামীম চৌধুরী, মঞ্জুরুল ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিনসহ ৯৩ জন প্রবাসী সাংবাদিক স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩০০ সাংবাদিক সরকার ও তাদের পক্ষের লোকদের প্রত্যক্ষ জুলুমের শিকার হয়েছেন। অনেক সাংবাদিক কারাগারে আছেন, কেউ চাকরি হারিয়েছেন, আবার কেউ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব কাজে সরকার আইন-আদালতকে যথেচ্ছ (নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী) ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে প্রবাসী সাংবাদিকরা বলেন, কারাবন্দি সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপার বিরুদ্ধে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) অভিযোগ আনা হয়েছে, যা দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত ২১ মে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক স্মৃতি সিং এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উচিত সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন নিপীড়নমূলক মামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ১৭ মে সম্পাদক পরিষদ সরকারের কাছে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ২৮২ জন সাংবাদিকের তালিকা জমা দেয়। এর মধ্যে ৯৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি।

প্রবাসী সাংবাদিকরা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি যে দমন-পীড়নের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারে বর্তমান সরকার কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। স্বাধীন সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি।

বিবৃতিতে সরকারের প্রতি ৬টি দাবি জানানো হয়—

১. সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।

২. কারাবন্দি সাংবাদিকদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

৩. সাংবাদিকদের পেশাগত কাজকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

৪. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড ও সাংবিধানিক অঙ্গীকার অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হবে।

৬. ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) তালাবদ্ধ কার্যালয় অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ‘২য় ছোটদের বাংলা বইমেলা’

অনলাইন ডেস্ক
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ‘২য় ছোটদের বাংলা বইমেলা’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চা ছড়িয়ে দিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘২য় নিউইয়র্ক ছোটদের বাংলা বইমেলা–২০২৬’। গত ৩০ মে (শনিবার) জ্যামাইকার শাহী কিচেন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মেলায় চার লেখকের বই নিয়ে বিশেষ আয়োজন করা হয়। মেলা চলে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। 

মেলা প্রাঙ্গণকে মুখরিত রাখতে বই প্রদর্শনী ও বিক্রির পাশাপাশি ছিল লেখক-পাঠক আড্ডা, মনোগ্রাহী গল্প বলা (স্টোরি টেলিং), ছড়া-কবিতা আবৃত্তি এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আরো পড়ুন
রামিসা হত্যা : আদালতে প্রধান আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী

রামিসা হত্যা : আদালতে প্রধান আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী

 

এবারের মেলার মূল আকর্ষণ ছিল চারজন জনপ্রিয় লেখক—কাজী জহিরুল ইসলাম, ডা. সজল আশফাক, আলম সিদ্দিকী এবং আশিক মুস্তাফা। শাহী কিচেনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় সপরিবারে অংশ নেন নিউইয়র্ক প্রবাসী বিপুলসংখ্যক বাঙালি ও সাহিত্যপ্রেমী।

মেলায় অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল আশিক মুস্তাফার নতুন বই ‘One Little Mother’-এর জমকালো মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। 

এছাড়া মেলা প্রাঙ্গণে ৯০-এর দশকের ঐতিহ্যবাহী খেলনা ও বিভিন্ন ছবি সংবলিত বিশেষ পোস্টকার্ডের উন্মোচন ও প্রদর্শনী করা হয়, যা নতুন প্রজন্মের শিশুদের কাছে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করে। মেলাজুড়ে শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ছোট্ট সোনামণিরা গল্প বলা, ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং বড়দের পাশাপাশি নিজেরাও বইয়ের পাতা উল্টে আনন্দ উপভোগ করে।

আরো পড়ুন
ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশুর মৃত্যু

ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশুর মৃত্যু

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—নাট্যব্যক্তিত্ব ও লেখক কাজী শামীম আহমেদ।

তিনি মেলার এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এই বইমেলা আমাদের নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করার চমৎকার একটি মাধ্যম। আগামীতে এই বইমেলা আরো বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সর্বোচ্চ চেষ্টা ও সহযোগিতা থাকবে।

মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী জহিরুল ইসলাম এবং ফারহানাজ শারমিন খান।

আরো পড়ুন
ঢাকায় আজ মেঘলা থাকবে আকাশ, বৃষ্টি হবে কি?

ঢাকায় আজ মেঘলা থাকবে আকাশ, বৃষ্টি হবে কি?

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, দেখতে দেখতে এই বইমেলা আজ দ্বিতীয় বছরে পদার্পণ করল। আমাদের লক্ষ্য থাকবে এই আয়োজন যেন শুধু দ্বিতীয় বছরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে বরং আগামীতে এর পরিধি আরো বৃদ্ধি পায়। বড় আকারের এই আয়োজনে আমরা শিশুদের আরো বেশি সম্পৃক্ততা বা ইনভলভমেন্ট আশা করি।

ফারহানাজ শারমিন খান মেলা নিয়ে তার ইতিবাচক অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, এবারের মেলায় চমৎকার কিছু ইংরেজি বই এসেছে। বাংলাদেশের চমৎকার সব বাংলা বই যেন আগামীতে আরো বেশি ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে এখানে আসে, আমরা সেই সাধুবাদ জানাই। এর ফলে এখানকার ইংরেজি মাধ্যমে বড় হওয়া ছেলেমেয়েরা এই বইগুলো সহজে পড়তে পারবে এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে আরো গভীরভাবে জানতে পারবে।

আরো পড়ুন
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি

 

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মেলায় আমন্ত্রিত চার লেখক উপস্থিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং নিজেদের লেখা বই থেকে অংশবিশেষ পাঠ করে শোনান।

সবশেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিল্পী ফিরোজ মিয়া ও শাহনেওয়াজ নজরুল সঙ্গীত এবং দেশাত্মবোধক বিভিন্ন কালজয়ী গানের সুরে সুরে মেলা প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রাত ১০টায় এই সফল ও আনন্দঘন মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মিলড্রেড এলির চেয়ারপারসন কাজী শামীমা আক্তার শিমুল। আর আনন্দঘন বইমেলা অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন আফরোজা আখতার মুন্নি।

মালয়েশিয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালন

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
মালয়েশিয়ায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালন
ছবি: কালের কণ্ঠ

সাবেক রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও দলটির ভাষ্য অনুযায়ী স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে মালয়েশিয়া বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল লিটন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।

দোয়া ও আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন দলের সহসাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন এবং দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ইসফাক হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং তাদের অবদান জাতীয় উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়ক। তিনি অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় থেকে দেশের কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে প্রবাসী শ্রমবাজারের গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।

ককক

সভাপতি আব্দুল জলিল লিটন এবং প্রধান বক্তা মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন তাদের বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের পাশাপাশি তারেক রহমান ঘোষিত ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন মালয়েশিয়া বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ওয়ালি উল্লাহ জাহিদ, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সোহরাব, যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হেলাল শিকদার, পিএইচডি স্কলার প্রফেসর সাফিউর রহমান, জাসাসের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, যুবদল নেতা মাসুদুল আলম কাজল ও ছাত্রদল নেতা আদিব আনজুম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুকিত বিনতাং বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন সেলিম, পুডু শাখার সভাপতি মো. মানিক, কোতারায়া শাখার সভাপতি মাসুদ রানা, মালয়েশিয়া বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন, চৌকিট বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, বুকিত বিনতাং বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়া, যুবদলের সহ-সভাপতি শেখ সেলিম ও মো. নাজমুল হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহফুজুর রহমান, জাসাস নেতা ইমতিয়াজ, যুব নেতা বাবু সরকার ও মাঝি মিরাজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।