• ই-পেপার

নকলমুক্ত ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার আপসহীন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা কামনা অর্থ উপদেষ্টার

বাসস
নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা কামনা অর্থ উপদেষ্টার

বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশে নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের আরো জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এতে দেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএন উইমেনের আরো সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সব ধরনের অধিকার ভোগ করতে পারে এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়, সে বিষয়ে সহযোগিতা চান।

উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর ঋণশর্তের কারণে অনুদান ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগও সীমিত করেছে।

তিনি নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো শক্তিশালী করতে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিতুমীর বলেন, সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা।

লিঙ্গ সমতার অগ্রগতিতে বাংলাদেশের প্রশংসা করে ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাহদজাই গুম্বোনজভান্দা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করেন।

তিনি তার কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে লিঙ্গ সমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচি এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ইউএন উইমেনের অব্যাহত অংশীদারির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার : অর্থমন্ত্রী
ফাইল ছবি

নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির (প্রোগ্রাম) ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। আগে যেসব নীতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর ওপরই এই কর্মসূচির ভিত্তি দাঁড়াবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের প্রতি সম্মান (রেসপেক্ট টু দ্য ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট) বজায় রেখেই সংস্কারের কাজ পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে (সিকোয়েন্সিং) পরিবর্তন আনা হবে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘যখন যেটা প্রয়োজন হবে, তখন সেটাই করা হবে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বাকি পরিবর্তনগুলোও সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি ইঙ্গিত দেন, ‘অর্থনৈতিক সংস্কার একবারে নয় বরং পরিস্থিতি, অগ্রাধিকার এবং নির্বাচিত সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
সংগৃহীত ছবি

দেশের ১৪ অঞ্চলে আজ রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সারা দেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণ করবে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণ করবে বিজিবি
সদর দপ্তরে একটি নারকেলগাছের চারা রোপণ করছেন বিজিবি মহাপরিচালক। ছবি : সংগৃহীত

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এ বছর সদর দপ্তরসহ সারা দেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণ করবে বলে জানিয়েছেন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরে বৃক্ষরোপণ অভিযানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সদর দপ্তরের বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশে একটি নারকেলগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এ কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান বিজিবি মহাপরিচালক।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ তুলে ধরে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি একটি মহৎ দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার।’

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সারা দেশে বিজিবির প্রতিটি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।

বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিটি বিজিবি সদস্যকে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমেই এ উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।