• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১১ জুলাই)

নতুন প্রজন্মের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক
নতুন প্রজন্মের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি। রাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রজন্মের চাওয়া হচ্ছে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, নিশ্চিত হবে সবার ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের সুযোগ।’

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের একটি অন্যতম জনবহুল দেশ। যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা যেমন পূরণ হবে, পাশাপাশি নিশ্চিত হবে সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের যুব ও তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদক, বাল্যবিবাহ, সহিংসতাসহ নানান সামাজিক অবক্ষয় রোধে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এ সব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বিকাশ ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।’

তিনি বলেন, ‘নাগরিক সুস্বাস্থ্য ও পরিকল্পিত পরিবার একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নেও ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সেবাকে আরো কার্যকর ও সর্বজনীন করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।’

তারুণ্যের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোসমূহের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত এবং মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা দিতে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করি।

ঢাকাসহ ১৮ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১৮ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৮টি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্রবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর সরকার

অর্থ ব্যয়ে বাড়ছে নজরদারি, দপ্তরে দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর সরকার

অনিয়ম-দুর্নীতি, অপচয় ও দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনার লাগাম টানতে কঠোর সরকার। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ব্যয় এবং কেনাকাটায় যাচাইবাছাইয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উন্নয়ন-অনুন্নয়ন ব্যয় এবং কেনাকাটা তদারকি করতে বলা হয়েছে। গুরুতর অভিযোগ পেলে প্রকল্প পরিচালকদের তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরম্যান্ট অ্যাক্ট কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অর্থবিভাগ সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

নীতিনির্ধারকদের মতে, শুধু ব্যয় কমানো নয়-দুর্নীতির সুযোগ সংকুচিত করা, অপচয় বন্ধ করা এবং আর্থিক খাতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করলে মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে বলে মনে করে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অতীতে প্রকৃত প্রয়োজন যাচাই ছাড়াই ব্যয় অনুমোদন, অতিমূল্যে পণ্য ও সেবা ক্রয়, প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি ব্যয়ের আগে প্রয়োজনীয়তা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা, বাজারদর, বিকল্প ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য ফলাফল মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বড় অঙ্কের ব্যয়ে একাধিক স্তরে পর্যালোচনা ও অনুমোদনের ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলে দুর্নীতির বড় ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ জন্য দরপত্র মূল্যায়ন, সরবরাহকারীর সক্ষমতা যাচাই, বাজারমূল্য বিশ্লেষণ এবং নির্ধারিত আর্থিক বিধি অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, আর্থিক তদারকি এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কৃচ্ছ্রসাধনের চেয়ে বড় বিষয় আর্থিক খাতের শাসনব্যবস্থা বা আর্থিক খাতের সুশাসন শক্তিশালী করা। অর্থনীতিবিদ ড. জাহির হোসেন বলেন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহি এবং কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করলে সরকারি অর্থের অপচয় কমবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতা বাড়বে এবং জনসাধারণের করের অর্থ আরও সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। আর্থিক খাতের সংস্কার তখনই সফল হবে, যখন একই নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানে সমানভাবে কার্যকর হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করতে শুধু রাজস্ব বাড়ালেই হবে না; ব্যয় ব্যবস্থাপনাও শৃঙ্খলায় আনতে হবে। সেই লক্ষ্যেই সরকারি অর্থ ব্যবহারের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, দুর্নীতির সুযোগ সীমিত করা এবং দক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থবিভাগ মনে কওে এ উদ্যোগ কেবল সাময়িক কৃচ্ছ্রসাধন কর্মসূচি হয়ে থাকবে না; বরং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় নতুন সংস্কৃতির সূচনা করবে। প্রতিটি ব্যয় হবে প্রয়োজনভিত্তিক। প্রতিটি কেনাকাটা হবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। প্রতিটি সিদ্ধান্ত হবে জনগণের অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। এতে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সরকারের সংস্কার কর্মসূচিও গতিশীল হবে। গত ৮ জুলাই অর্থ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য একাধিক কৃচ্ছ্রসাধনমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিপত্রে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সীমিত করার পাশাপাশি সরকারি ক্রয় ও উন্নয়ন ব্যয়ে আরও কঠোর আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা আপাতত স্থগিত থাকবে। সরকারি অর্থায়নে বিদেশ সফর সীমিত করা হয়েছে। পরিচালন বাজেট থেকে নতুন ভবন নির্মাণও বন্ধ রাখা হয়েছে। যেসব প্রকল্পের কাজ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, সেগুলো বিশেষ অনুমোদনের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য-এসব সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া নয়; বরং অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কবি আল মাহমুদের ৯১তম জন্মদিন আজ
সংগৃহীত ছবি

‘ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ/দুপুর বেলার অক্ত/বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়?/বরকতের রক্ত।’ বাংলা কবিতার ইতিহাসে এ পঙিক্তগুলো যেমন অমর, তেমনই এর স্রষ্টা কবি আল মাহমুদও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল নাম। বহুমাত্রিক ও স্বতন্ত্র কাব্যভাষায় তিনি বাংলা কবিতাকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসেবে তিনি রেখে গেছেন অনন্য অবদান। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এই কবির ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ শনিবার, ১১ জুলাই।

এ উপলক্ষে কবির জন্মভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী স্মরণোত্সবের আয়োজন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উত্সবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ। আজ শনিবার আলোচনাসভা, কবিতা পাঠ, স্মৃতিচারণা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সাহিত্যবিষয়ক বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ স্মরণোৎসব।
আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ষাটের দশকে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলা কবিতায় নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ‘সোনালি কাবিন’ তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সারির কবিদের কাতারে প্রতিষ্ঠা করে। ভাটি বাংলার নদী, চরাঞ্চলের জীবন, গ্রামীণ প্রেম-বিরহ, লোকজ সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ভাষার সৃজনশীল ব্যবহারে তাঁর কবিতা পেয়েছে স্বতন্ত্র শিল্পরূপ।

কাব্যচর্চার পাশাপাশি কথাসাহিত্যেও তিনি ছিলেন সমান সফল। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পানকৌড়ির রক্ত’, ‘কবি ও কোলাহল’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘কাবিলের বোন’।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আল মাহমুদ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।