• ই-পেপার

বাংলা কিউআর ব্যবহারে গ্রাহকের খরচ বাড়বে কি?

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, সার্ক পুনরুজ্জীবিত করা এখন সময়ের দাবি। তা করার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূ-রাজনৈতিক কারণে সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে আছে। দীর্ঘদিনের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা ঐকমত্যকে আরো কঠিন করে তুলেছে। এসব জটিলতা নিরসন করতে পারে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা।

সোমবার (৬ জুলাই) বিআইআইএসএস আয়োজিত ‘আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতি নবায়ন: সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশাবাদী কিন্তু বাস্তববাদী। আমরা মনে করছি না, সার্ক এখন‌ই সেই শক্তিশালী জায়গায় ফিরবে। তবে এটাও মনে করি না যে একদমই সমন্বয় সম্ভব না।’

সেমিনারে সাবেক কূটনৈতিক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও শিক্ষার্থীরা সার্ক পুনরুজ্জীবনের জন্য এশিয়া অঞ্চলে সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ নানাবিধ বাধা ও করণীয় তুলে ধরেন।
 

প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে যুবরাজের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র জানান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বাংলাদেশ সফরেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরের সময়সূচি দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় সৌদি আরবের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব : মির্জা ফখরুল
ছবি : কালের কণ্ঠ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গ্রামাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সরকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তবে শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; জনগণের আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব হবে না।

সোমবার (৬ জুলাই)  রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এর আগে সকালে রাজধানীর সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরডাপ) মিলনায়তনে সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে পৃথক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ততত
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার স্টল পরিদর্শন করেন। পরে সেখান থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে মিলনায়তন প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হলেও সরকারের লক্ষ্য দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে পল্লী উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, পল্লী উন্নয়ন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর কার্যক্রম আরও আধুনিক ও জনমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এ কে এম তারেক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সমবায়ী ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার কারণে সম্প্রতি লোডশেডিং বেড়েছে : প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার কারণে সম্প্রতি লোডশেডিং বেড়েছে : প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, গ্রীষ্মকালীন অতিরিক্ত তাপমাত্রা, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা ও কৃষিতে চাহিদা বাড়ার কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের সংকট তৈরি হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ খাতের অগ্রাধিকার, জনকল্যাণে গৃহীত ব্যবস্থা, মিটার ভাড়া এবং জুন ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতকে আর্থিকভাবে টেকসই করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ, ঈদুল আজহা, গ্রীষ্মকালীন অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কারণে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে বাসাবাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্যান, রেফ্রিজারেটরসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহারও আগের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সামগ্রী, ফ্রিজ, টিভি, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার ও ইলেকট্রিক কেটলির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে এই বিষয়টিও প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসের বিল বৃদ্ধি শুধু ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে নয়, বরং বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণেও হয়েছে। আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের পরিমাণ বাড়লে উচ্চতর স্ল্যাবে বিল গণনা হওয়ায় মোট বিল তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তবে, কতিপয় ক্ষেত্রে কিছু করণিক ভুল পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথ প্রতিকার দেওয়া হচ্ছে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রি-পেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।