ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাকুন্দিয়ায় গরুবাহী পিকআপ ভ্যান ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুজন। এ দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা ছয়টি গরুও মারা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সদর গ্রামের মঞ্জু মিয়ার ছেলে পিকআপ চালক খোকন মিয়া (৩৯), একই উপজেলার কুনদাইল গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে বিল্লাল (৩৫) এবং একই গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে খুর্শিদ উদ্দিন (৬০)। আহতরা হলেন— বাসচালক শিবপুর ইটাখলা এলাকার মান্নান সরকার (৫০) ও চালকের সহযোগী একই এলাকার আমান (৩৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে কিশোরগঞ্জ থেকে একটি গরু বোঝাই পিকআপ নরসিংদীর দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে যাত্রীবাহী অনন্যা ক্লাসিকের একটি বাস ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উপজেলার সুখিয়া বাজার এলাকায় পৌছালে পিকআপ ও বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপের চালকসহ তিনজন নিহত হন। এসময় পিকআপে থাকা সাতটি গরুর মধ্যে ৬টি গরু মারা যায়। এছাড়া অনন্যা ক্লাসিকের চালকসহ সহযোগী গুরুত্বর আহত হন। এতে বাস ও পিকআপ দুটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া ফায়ার সার্ভিস স্ট্যাশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে পাঠায়।
পাকুন্দিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র ফায়ার ফাইটার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটস্থলে উপস্থিত হয়ে গরু বোঝাই পিকআপ থেকে চালকসহ নিহত তিনজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। বাসের চালকসহ আহত দুইজনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






