• ই-পেপার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বই রাখার নির্দেশ

'হাতে নয়, পায়ে তার কলম' অদম্য পলি রানীর এইচএসসি পরীক্ষা

স্বপ্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা হওয়ার

রফিকুল ইসলাম, রংপুর
'হাতে নয়, পায়ে তার কলম' অদম্য পলি রানীর এইচএসসি পরীক্ষা
পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার পলি রানী। ছবি : কালের কণ্ঠ।

জন্ম থেকেই দুই হাতের আঙুল নেই। ছোট ও বাঁকা হাত দিয়ে কলম ধরা সম্ভব হয়নি কোনো দিন। কিন্তু তাই বলে থেমে থাকেনি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার পলি রানী (১৮)। শৈশবেই ডান পা'কে বানিয়ে নিয়েছেন নিজের হাত। সেই পা দিয়েই লিখে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তিনি। জীবন যুদ্ধে বেড়ে উঠা পলি,অসম্ভবকে জয় করায়  এখন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন অনেকের কাছে।

পলি রানী কাউনিয়া উপজেলার গদাই গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন রায়ের কন্যা।  তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট পলি। বড় দুই ভাই বেসরকারি চাকরি করেন।  মা রুপালী রাণী গৃহীনি। পলি কাউনিয়া সরকারি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। পাশের কাউনিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন।

পলির মা রুপালি রানী বলেন, ‘জন্ম থেকেই মেয়ের হাতের আঙুল নেই। হাত ছোট ও বাঁকা হওয়ায় কলম ধরতে পারতো না। ছোটবেলায় তার বাবা মারা যান, খুব কষ্টে খেয়ে না খেয়ে তাকে এবং তার দুই ভাইকে পড়াশোনা করাইছি। অনেকে বলেছে, পলির পড়া লেখা বন্ধ করে দিতে। আমি তার পড়া লেখা বন্ধ করি নাই, পলিও চাইছিল সে পড়া লেখা করবে।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘হাতের আঙ্গুল না থাকায় ছোটবেলা থেকেই পলি ডান পা দিয়ে লেখার চেষ্টা শুরু করে। আস্তে আস্তে সে সব কিছুই লিখতে পারতো। অনেক দিন চেষ্টা করতে করতে সে সফল হয়। এখন সে স্বাভাবিকভাবেই পা দিয়ে লিখতে পারে। তার হাতের লেখা অনেক সুন্দর। কেউ বুঝতেই পারবে না যে পলি পা দিয়ে লেখছে।’ 

পলির মা আরো জানান, স্কুলজীবনের শুরুটা খুব কষ্ট আর বেদনার ছিল। গ্রামের মানুষ তার লেখা পড়া নিয়ে ভালো চোখে দেখেনি। নানা জনে নানা কথা বলেছে। অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। দুই হাত না থাকার কারণে সহপাঠীদের উপহাসও সহ্য করতে হয়েছে পলিকে। মাঝে মধ্যে বাড়িতে এসে কান্না কাটি করতো, আমি তাকে বুঝাইতাম, সেও বুঝতো। মানুষ তাকে নিয়ে অনেক মন্তব্য করলেও  শিক্ষকরা তাকে সহযোগিতা করেছে।  

রুপালী রানি বলেন, ‘আমার মেয়ে বলে বলছি না, ভগবান তাকে অনেক মেধা শক্তি দিয়েছে। পঞ্চম শ্রেণিতে এ-গ্রেড এবং এসএসসিতেও কাউনিয়া বালিকা বিদ্যালয় থেকে এ-গ্রেড পেয়ে পাশ করেছে। আমার আশা, পলি এবারের পরীক্ষাতেও ভালো করবে।’

আজ সোমবার পরীক্ষা শেষে পলি রানী বলেন, ‘পরীক্ষা ভালো হচ্ছে। রেজাল্ট ভালো হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বো। পড়াশুনা শেষ করে সরকারি চাকরি করার ইচ্ছা আছে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমি কখনো নিজেকে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে ভাবিনি। আমার স্বপ্ন একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার। জানি না জীবনে কী হবে? যদি সরকারি কর্মকর্তা হতে পারি তাহলে মানুষের জন্য কাজ কবরো, সেই সুযোগ ও সহযোগিতা চাই। আমি বিশ্বাস করি, আমার স্বপ্ন পূরণ হবে। 

কাউনিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পলি অনেক মেধাবী।  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থী হিসেবে তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পলি অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা। সমাজ বদলে দেয়ার মতো ইতিহাস হতে পারে। মেধাবী ও পরিশ্রমী পলি  কখনো নিজের প্রতিবন্ধকতাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখেনি। বরং নিজের চেষ্টা আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘স্বপ্ন আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিই যে মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়, পলি তার উজ্জ্বল উদাহরণ। আমরা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মেনেই তার পরীক্ষা নিচ্ছি। তার উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে বোর্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

৭৪ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
৭৪ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা বের করা হয়। ছবি: কালের কণ্ঠ

৭৪ বছরে পড়েছে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। সোমবার (৬ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৫৩ সালের এই দিনে বড়কুঠির সীমিত পরিসরে যে প্রতিষ্ঠান যাত্রা করে, সময়ের পরিক্রমায় আজ তা রূপ নিয়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বৃহৎ  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। 

শিক্ষা, গবেষণা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চায় পূর্ববঙ্গের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উচ্চ শিক্ষার আলো ছড়াতে ব্রিটিশ আমলেই রাজশাহীতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পাকিস্তান সরকার দেশের সব কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। রাজশাহীতে ওই সময় স্যাডলার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে আন্দোলন শুরু হয়। 

১৯৫৩ সালের পূর্ববঙ্গ আইনসভায় ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৫৩’ পাস হয়। এরপর শিক্ষাবিদ ড. ইতরাত হোসেন জুবেরীকে প্রথম উপাচার্য করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে সাতটি বিভাগ, ১৬১ জন শিক্ষার্থী এবং পাঁচজন শিক্ষক নিয়ে যাত্রা শুরু করে এই বিদ্যাপীঠ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সবশেষ তথ্যকণিকা ও প্রাতিষ্ঠানিক সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে ১২টি অনুষদের অধীনে ৫৯টি বিভাগ ও ছয়টি ইনস্টিটিউট রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ৩০ হাজারেরও বেশি নিয়মিত শিক্ষার্থীর বিপরীতে এখানে পাঠদানে নিয়োজিত রয়েছেন এক হাজার ১৩০ জন শিক্ষক। কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন দুই হাজার ২৭৯ জন। 

বর্তমানে ১১টি ছাত্র হল ও ছয়টি ছাত্রী হলে মোট ৯ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একটি আন্তর্জাতিক ডরমিটরি, যেখানে বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৪। প্রতিষ্ঠানটিতে উচ্চতর গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন ৭৭৬ জন শিক্ষার্থী।  ক্যাম্পাসে দুইটি নতুন আবাসিক হল ও একটি একাডেমিক ভবন নির্মীয়মাণ।

ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অবিস্মরণীয়। ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান, ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ৯০ ও ২৪’র গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের সব জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে  অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তানি মিলিটারির বুলেটের সামনে নিজের বুক পেতে দিয়ে এ দেশের ইতিহাসে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে আত্মাহুতি দেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীসহ অনেকে প্রাণ দিয়েছেন। শহীদদের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে ক্যাম্পাসে গড়ে উঠেছে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্য, শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা এবং শহীদ মিনার।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ (সোমবার) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। 

সকাল ১১টায় বৃক্ষরোপণ এবং সাড়ে ১১টায় সিনেট ভবনে ছিল আলোচনাসভা। এছাড়া বিকেলে ৪টায় কেন্দ্রীয় স্টেডিয়ামে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং সন্ধ্যা ৭টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণাকে আরো সহজ, আধুনিক ও কার্যকর করা।’ 

উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের থিসিস পর্যায় থেকেই আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। আমরা সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের একটি শীর্ষস্থানীয় গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই।’ 

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবে শিক্ষা মেলা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হবে শিক্ষা মেলা

দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা মেলা আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফাউন্ডেশন অব এডুকেশনাল ট্রান্সপারেন্সি (এফইটি) নিজস্ব উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করবে। তবে এ কার্যক্রম পরিচালনায় তিনটি শর্ত বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৬ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফাউন্ডেশন অব এডুকেশনাল ট্রান্সপারেন্সি (এফইটি) স্বউদ্যোগে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা মেলা আয়োজন করতে পারবে। শিক্ষা মেলার সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো ধরনের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।

এ ছাড়া মেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষামূলক বইয়ের প্রদর্শনীর পাশাপাশি তাদের মনন বিকাশে সহায়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কুইজ, প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এসব শর্ত নিশ্চিত করে শিক্ষা মেলা আয়োজনের কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে

বাকৃবিতে স্কুল অব ভিএসএএইচের যাত্রা শুরু

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবিতে স্কুল অব ভিএসএএইচের যাত্রা শুরু
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসবেন্ড্রি। নতুন এই একাডেমিক ইউনিটের অধীনেই পরিচালিত হবে কম্বাইন্ড ডিগ্রি ব্যাচেলর অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমাল হাসবেন্ড্রি (বিভিএসএএইচ)।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত প্রকাশিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

অফিস আদেশ বলা হয়, গত বছরের ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত শিক্ষা পরিষদের জরুরি অধিবেশনে গৃহীত সুপারিশ এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৩৩০তম অধিবেশনের সিদ্ধান্তের আলোকে স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসবেন্ড্রি গঠন করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন এই একাডেমিক ইউনিটের অধীনেই পরিচালিত হবে কম্বাইন্ড ডিগ্রি অর্থাৎ ব্যাচেলর অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাসবেন্ড্রি (বিভিএসএএইচ)।

আদেশে বলা হয়, একাডেমিক ইউনিটটি একজন ডিনের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। ডিনের মেয়াদ হবে দুই বছর। পরবর্তীতে ভেটেরিনারি অনুষদ ও পশুপালন অনুষদের ডিনদের মধ্যে এ দায়িত্ব চক্রাকারে আবর্তিত হবে।