• ই-পেপার

সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

একধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ, আজ বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
একধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ, আজ বৈঠক

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল একবারে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। কারণ, নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়ন হলে আইবাস সিস্টেমে (অনলাইনে বেতন নির্ধারণী) সমন্বয় করা কঠিন হবে। পে স্কেল একবারে বাস্তবায়ন করা হলেও কমিশনের সুপারিশের চেয়ে বেতনের হার কমানো হতে পারে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরিতে গঠিত কমিটির সভা সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।   

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা করছিল সরকার। দুই ধাপে বাস্তবায়ন হলে আইবাস সিস্টেমে জটিলতা তৈরি হবে। এ ছাড়া দুই ধাপে এ কাজ বাস্তবায়ন করতে গেলে টাকা খরচ হবে বেশি। চাকরিজীবীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে। 

জানা যায়, বর্তমানে অষ্টম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন মূল বেতন আট হাজার ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা। নবম বেতন কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে। 

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে ৬০-৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৯০-১০০ শতাংশ। 

বৈঠকে কমিশনের বিভিন্ন প্রস্তাবের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি, পর্যায়ক্রমিক বেতন সমন্বয় এবং বিভিন্ন ক্যাডার ও শ্রেণির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে কোন কোন প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করবে, কোথায় সংশোধন আনবে এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ কী হবে– এসব বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। বিশেষ করে বেতন বাড়ার হার কত হবে এ বিষয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। তবে এই বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। তবে ভাতা কার্যকর হবে ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকে।

এদিকে বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক।

কমিটির মূল দায়িত্ব হলো– জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সুপারিশ করা। কমিটি যথাসময়ে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পে স্কেল চূড়ান্ত করবেন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল প্রথম বছরেই বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটা না হলে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। যে উদ্দেশ্যে বেতন বাড়ানো হচ্ছে সেটা পূরণ হবে না। বিশেষ করে ১০ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীর জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

নতুন দায়িত্বে আইন, জ্বালানি ও বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নতুন দায়িত্বে আইন, জ্বালানি ও বাণিজ্যমন্ত্রী

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসূ ও অর্থবহ করতে কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল রবিবার (৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এই কমিটির কাজ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে কমিটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিএ), ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ এর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আওতাভুক্ত অংশ পর্যালোচনাসহ অধিকতর কার্যকর করার বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন; এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক অর্পিত হবে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ; নৌপরিবহন এবং সেতু প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি; অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার;  বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ।

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, সকালে ঢাকার বায়ুমানের খবর কী

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, সকালে ঢাকার বায়ুমানের খবর কী

বিশ্বের অন্যান্য শহরের মতো রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের কবলে পড়েছে। তবে সবশেষ বায়ুরমান সূচক অনুযায়ী, শহরটির বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

দূষিত শহরের তালিকায় ১৬৮ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এ ছাড়া, সকালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৬৮। এই স্কোর অনুযায়ী, বায়ুর মান মাঝারি পর্যায়ে রয়েছে। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩০তম।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

এ ছাড়া, ১৫৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহর, ১৪৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ১৩৯ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইসরাইলের তেল আবিব শহরের স্কোর ১১৮।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কেনায় বিটিভির ৭৩ কোটি টাকার ভ্যাট মওকুফ

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কেনায় বিটিভির ৭৩ কোটি টাকার ভ্যাট মওকুফ

দেশের মানুষকে বিশ্বকাপ ফুটবল উপভোগের সুযোগ করে দিতে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে (বিটিভি) রাজস্ব ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বিটিভি কর্তৃক এ বিশ্বকাপের প্রচারস্বত্ব ক্রয়ের বিপরীতে প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা শুধু বিটিভির প্রচারস্বত্ব ক্রয়ের ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে কোনো সাব-লাইসেন্সি (ওটিটি প্ল্যাটফর্ম) প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে না। 

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, অর্থ পরিশোধের ১০ দিনের মধ্যে যাবতীয় হিসাব বিবরণী সংশ্লিষ্ট মূসক কমিশনারেটকে জানাতে হবে। শর্ত ভঙ্গ হলে ভ্যাট আইনানুগভাবে আদায় করা হবে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার বিটিভি সরাসরি ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৭৩ কোটি টাকা, যা আগের বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ২৫ কোটি টাকা কম। গত ৭ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।