• ই-পেপার

লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন

সংসদের অধিবেশন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
সংসদের অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়েছে। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আজ শনিবার বেলা ১১টা ২ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এতে সভাপতিত্ব করছেন।
 

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

পবিত্র হজ পালন শেষে শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৮ হাজার ২৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬৩ হাজার ৮৩৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

শনিবার (২৭ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০২টি ফ্লাইটে ৩১ হাজার ৯৮১ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬৩টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ১৪৯ জন, ফ্লাইনাসের ২৩টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৯৬৭ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৮৬ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪০৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

বিশ্বে মাছ চাষে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

বাসস
বিশ্বে মাছ চাষে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ মৎস্যচাষি দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশের অবস্থানও ধরে রেখেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে বিশ্বে মৎস্য ও মৎস্যচাষ খাতে মোট উৎপাদন রেকর্ড ২৩ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে জলজ প্রাণীর উৎপাদন ছিল ১৯ কোটি ৫০ লাখ টন এবং শৈবালের উৎপাদন ৪ কোটি টন। ২০২২ সালের তুলনায় মোট উৎপাদন বেড়েছে ৫.২ শতাংশ। এ উৎপাদনের প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট উৎপাদনের ৬৭ শতাংশ এসেছে সামুদ্রিক জলসীমা থেকে। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণ এবং ৪৯ শতাংশ মৎস্যচাষ থেকে এসেছে। বাকি ৩৩ শতাংশ উৎপাদন হয়েছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে, যার ৮৪ শতাংশই পাওয়া যায় মৎস্য চাষ থেকে।

বিশ্বের মৎস্য ও জলজ চাষ উৎপাদনে এখনো শীর্ষস্থানে রয়েছে এশিয়া। বৈশ্বিক উৎপাদনের ৭৬ শতাংশই আসে এই অঞ্চল থেকে। এরপর রয়েছে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল ৮ শতাংশ, ইউরোপ ৭ শতাংশ, আফ্রিকা ৬ শতাংশ, উত্তর আমেরিকা ২ শতাংশ এবং ওশেনিয়া ১ শতাংশ।

২০২৪ সালে জলজ প্রাণীর উৎপাদন সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৯ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছায়। এর ৫৩ শতাংশ এসেছে মৎস্যচাষ থেকে এবং ৪৭ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণ থেকে। এই উৎপাদনের প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।

মোট জলজ প্রাণী উৎপাদনের ৬১ শতাংশ বা ১১ কোটি ৮০ লাখ টন এসেছে সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে। বাকি ৩৯ শতাংশ বা ৭ কোটি ৭০ লাখ টন এসেছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে।

সূত্র : বাসস

ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। তবে বর্ষা মৌসুমে বাতাসের মান কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সবশেষ লাইভ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩২তম। শহরটির বায়ুমান সূচক বা একিউআই স্কোর ৬৭, যা যা ঢাকার বাতাসকে সহনীয় বা মোটামুটি ভালো বলা যায়। গতকাল শুক্রবার ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ৮২।

এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস সাধারণত নিরাপদ হলেও অতি সংবেদনশীল বা শ্বাসকষ্টে ভোগা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।

আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় দেখা গেছে, এই সময়ে ১৭৩ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৬৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর। শহর দুটির বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এদিকে তালিকার তৃতীয় থেকে নবম পর্যন্ত শহরের বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। এগুলো হলো- ভারতের দিল্লি, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ, উগান্ডার কামপালা, কঙ্গোর কিনশাসা,  চীনের উহান, ইসরাইলের তেল আবিব,  চিলির শান্তিয়াগো, ইরাকের বাগদাদ।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয় এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বায়ু দূষণে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় থেকেছে। শুষ্ক মৌসুমে ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই ‘অস্বাস্থ্যকর’ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে চলে যায়। তবে বর্ষার প্রাক্কালে ও বৃষ্টিপাতের কারণে মাঝেমধ্যে বাতাসের এই মানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা যায়।