• ই-পেপার

৪৫তম বিসিএস

চূড়ান্ত সুপারিশের ৬ মাস পরও প্রজ্ঞাপন নেই, উৎকণ্ঠায় ১৮০৬ প্রার্থী

বীমা খাতকে শক্ত আইনি কাঠামোয় আনা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বীমা খাতকে শক্ত আইনি কাঠামোয় আনা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
ফাইল ছবি

আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গতি বাড়াতে বীমা খাতকে একটি শক্ত ও সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে জনগণের আস্থা ফেরানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেছেন, কোনো আধুনিক অর্থনৈতিক লেনদেন কেবল বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলতে পারে না। নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে এবং এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি’ এর ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বীমা কেবল একটি সেবামূলক কাজই নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করার অন্যতম উপাদান। যখন একজন সাধারণ নাগরিক বা উদ্যোক্তা জীবনের নিরাপত্তা ও বীমার নিশ্চয়তা পান, তখন তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাপদ বোধ করেন। একই সঙ্গে সুচিন্তিতভাবে তার প্রতিভা ও উদ্যোগকে কাজে লাগাতে পারেন। আর এভাবেই সমষ্টিগত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের উল্লম্পন ও গতি তৈরি হয়।’

বর্তমান সরকারের সংস্কার ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কেবল গতানুগতিকভাবে দেশ পরিচালনার জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি। কী পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, কত টাকা কর ব্যবস্থার বাইরে পড়ে আছে, রাজস্বের আওতায় আনা যায়নি তা আমাদের চিহ্নিত করতে হচ্ছে।

ক্ষমতায় আসার আগেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখন এই সমস্যাগুলো সংস্কার ও মেরামত করা না হলে সমাধানের মূল লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ (এমপি) এবং ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বীমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আমার কাছে পুলিশ নেই, মুরগি আছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আমার কাছে পুলিশ নেই, মুরগি আছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন নৌ-পুলিশের ফাঁড়ি বা থানা স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর কাছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদে হাস্যরস সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে স্পিকারের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কুষ্টিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এবং নদীপথের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা তুলে ধরেন তিনি। তবে প্রশ্নোত্তরের একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌ-পুলিশের বিষয়ে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর কাছে দাবি তোলায় স্পিকার ও মন্ত্রীর মন্তব্যে পুরো সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে।

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চিলমারির প্রত্যন্ত চর এলাকা থেকে ভেড়ামারা উপজেলার রাইটাঘাট, মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ঘাট, কুমারখালীর কয়া ও শিলাইদহ ঘাট হয়ে খোকসা পর্যন্ত নদী তীরবর্তী এলাকার বিস্তৃতি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রুটটি রাজশাহী রিজিয়নের নৌ-পুলিশের তত্ত্বাবধানে পাবনার ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ-ফাঁড়ির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে কোনও নৌ-থানা বা নৌ-পুলিশের ফাঁড়ি না থাকায় নদীপথে সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য এবং গোলাগুলির ঘটনা বেড়েছে।

এ সময় স্পিকার তাকে থামিয়ে জানতে চান, তিনি এই প্রশ্নটি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে করছেন কি-না এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কীভাবে নৌ-পুলিশের থানা স্থাপন করবেন।

জবাবে ফরিদা ইয়াসমিন আবারও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছেই নৌ-পুলিশের থানা স্থাপনের আবেদন জানান। তখন স্পিকার রসিকতা করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনার আন্ডারে থানা-পুলিশ কিছু আছে কিনা, উত্তর দিন।

জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ হেসে বলেন, পুলিশ তো আমার হাতে নেই। তবে আমার কাছে মুরগি আছে।

রসিকতা করে তিনি আরো বলেন, ওই এলাকায় যদি আমার মন্ত্রণালয়ের রিজার্ভের মাছ কেউ ধরে, তাহলে সেই উসিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কিছু পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করতে পারি। এর বাইরে এ বিষয়ে আমার আর কিছু করার নেই।

পরে স্পিকার ফরিদা ইয়াসমিনকে বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে উত্থাপনের পরামর্শ দেন।

পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুরা বাল্যবিবাহের উচ্চ ঝুঁকিতে : সমাজকল্যাণ সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুরা বাল্যবিবাহের উচ্চ ঝুঁকিতে : সমাজকল্যাণ সচিব
ছবি: কালের কণ্ঠ

পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুরা বাল্যবিবাহ, যৌন নির্যাতন ও নানা ধরনের শোষণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। তিনি বলেছেন, অরক্ষিত পরিবেশে বসবাসের কারণে এসব শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ আরো জোরদার করতে হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীতে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক অ্যাডভোকেসি সভায় সমাজকল্যাণ সচিব এসব কথা বলেন।

কর্মজীবী শিশু ও পথশিশুদের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নীতিনির্ধারণী অংশীজনদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের শিক্ষা সেক্টরের অধীন পরিচালিত ড্রপ-ইন সেন্টার (ডিআইসি) প্রকল্প।

সমাজকল্যাণ সচিব বলেন, পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুরা প্রতিনিয়ত সহিংসতা, নির্যাতন, বৈষম্য ও সামাজিক কলঙ্কের বোঝা নিয়ে জীবনযাপন করছে। তাদের নিরাপদ পরিবেশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা না গেলে বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার ঝুঁকি আরো বাড়বে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বাল্যবিবাহের হার তুলনামূলক বেশি। তবে দেশের শহরাঞ্চলেও লক্ষাধিক শ্রমজীবী শিশু রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ এই ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছে।

ডিআইসি প্রকল্পের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অগ্রগতি, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের শিক্ষা সেক্টরের যুগ্ম পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। 
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো বাল্যবিবাহ একটি বড় সামাজিক সমস্যা। দেশে প্রায় অর্ধেক মেয়েরই ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, যা তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন পুলিশের ডিআইজি ড. এ কে এম ইকবাল হোসেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তৈয়ব আবু আহমদ, ডা. মোহাম্মদ খলিল উল্লাহ, ড. এস এম খলিলুর রহমান এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক (কর্মসূচি) কে এম জাহিদুজ্জামান। বক্তারা শিশুদের সুরক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।

বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায়

সাবরেজিস্ট্রারদের পদোন্নতি শিগগিরই

অনলাইন ডেস্ক
সাবরেজিস্ট্রারদের পদোন্নতি শিগগিরই
সংগৃহীত ছবি

নিবন্ধন অধিদপ্তরের বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায় শূন্য থাকা সাবরেজিস্ট্রারের ১৫টি পদে পদোন্নতির কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত পদায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২০তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসান রাজীব প্রধানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, নিবন্ধন অধিদপ্তরে বর্তমানে সাবরেজিস্ট্রারের ১২৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায় পদোন্নতিযোগ্য ১৫টি পদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগযোগ্য ১১০টি পদ রয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব স্থানে নিয়মিত সাবরেজিস্ট্রার পদায়ন করা সম্ভব হয়নি, সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রাররা দায়িত্ব পালন করছেন। বিভাগীয় কোটার ১৫টি পদে পদোন্নতি দিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে অবশিষ্ট ১১০টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিধি অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরো জানান, পিএসসির সুপারিশ পাওয়া কিংবা বিভাগীয় পদোন্নতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সাবরেজিস্ট্রি অফিসসহ শূন্য থাকা বিভিন্ন কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে সাবরেজিস্ট্রার পদায়ন করা হবে।

চূড়ান্ত সুপারিশের ৬ মাস পরও প্রজ্ঞাপন নেই, উৎকণ্ঠায় ১৮০৬ প্রার্থী | কালের কণ্ঠ