• ই-পেপার

ভবন নির্মাণে তদারকি নেই, ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব মিজ উম্মে মারুফা

অনলাইন ডেস্ক
কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব মিজ উম্মে মারুফা

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস উইংয়ের প্রথম সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মিজ উম্মে মারুফা। 

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

উপসচিব গোলাম রব্বানীর সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মিজ উম্মে মারুফাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস উইংয়ে প্রথম সচিব (প্রেস) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হলো।

যোগদানের তারিখ থেকে এই পদে নিয়োগের মেয়াদ হবে এক বছর। এ ছাড়া এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও জনস্বার্থে জারি করা ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘আগামী সপ্তাহ থেকে গ্যাসসংকট কিছুটা কেটে যাবে। গ্যাসসংকটের জন্য জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ভুলটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের। সরকারি প্রতিষ্ঠানের এখানে ভুল নেই। তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে সরকার। তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে না পারা ব্যর্থতা, এ জন্য বারবার দুঃখপ্রকাশ করছে সরকার। আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকার এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে। তাদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তার ভিত্তিতে আশা করছি, গ্যাসসংকট আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমতে শুরু করবে। সরকারের তরফ থেকে সব প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমদানীকৃত গ্যাস এবং দেশীয় উৎপাদন দিয়েও চাহিদার পুরোটা পূরণ করতে পারছি না। সমাধানে বিকল্প উৎস সন্ধান চলছে, বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। ভোলার উদ্বৃত্ত গ্যাস পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইন্ডাস্ট্রিতে সরবরাহ নিয়ে কাজ হচ্ছে। একটি চীনা কম্পানি বাংলাদেশ সফর করছে, তাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পরিকল্পনামাফিক জ্বালানি নিয়ে কাজ হয়নি। গত দেড় যুগ আগের সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না খুঁজে তাৎক্ষণিক সমাধান খুঁজেছে এবং তাদের অসৎ উদ্দেশ্যের জন্য সংকট এ পর্যায়ে এসেছে।’

পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইন প্রয়োগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইন প্রয়োগ জরুরি : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শনকালে পলিথিনবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি মার্কেটের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একবার ব্যবহার যোগ্য পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকার ইতিমধ্যে পাতলা পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন করেছে। এখন আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা প্রথমে মানুষকে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করছি। এরপরও যদি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করা না হয়, তবে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।’

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন মাটি, পানি, বায়ু ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি নগরের জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ। পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সর্বস্তরের নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি ব্যবসায়ীদের নিষিদ্ধ পলিথিন মজুত, বিক্রি ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও অন্যান্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। নিয়মিত বাজার পরিদর্শন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, গত ৬ মাসে ১৬৮টি পলিথিন বিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২০৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময় ১৯ লাখ টাকার বেশি জরিমানা এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি পলিথিন জব্দ করা হয়।

পরিদর্শনকালে তিনি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে পরিবেশবান্ধব বাজারের ব্যাগ বিতরণ করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রিউমর স্ক্যানারের পরিসংখ্যান

ভুল সংবাদ ছড়ানো শীর্ষ ৭ সংবাদমাধ্যম

অনলাইন ডেস্ক
ভুল সংবাদ ছড়ানো শীর্ষ ৭ সংবাদমাধ্যম

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভুল সংবাদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। এ সময় ১৭৭টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ৬৮১টি প্রতিবেদন যাচাই করে ভুল তথ্য প্রচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রিউমর স্ক্যানার এ তথ্য জানিয়েছে। 

রিউমর স্ক্যানারের বিশ্লেষণে জানা যায়, ভুল তথ্য প্রকাশে শীর্ষে রয়েছে দৈনিক ইনকিলাব, যেখানে ২১টি ভুল তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন শনাক্ত হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে, যার ৮৭ শতাংশই ইতিবাচক বয়ানের। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে বিএনপিকে নিয়ে, যার ৫০ শতাংশই ইতিবাচক প্রকৃতির। 

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯টি ভুল তথ্য নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইত্তেফাক। ১৪টি ভুল তথ্য নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুগান্তর ও বিডি২৪রিপোর্ট। ১৩টি ভুল তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ টাইমস চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ১২টি ভুল তথ্য নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কালবেলা। ১১টি ভুল তথ্য নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে রূপালী বাংলাদেশ। ১০টি ভুল তথ্য নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে বৈশাখী টিভি, বার্তা বাজার।

রিউমর স্ক্যানার আরো জানায়, গণমাধ্যমে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ১৪৬টি ঘটনায় ভুল তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৪টি ঘটনার ভুল তথ্য (২৩ শতাংশ করে) শনাক্ত হয়েছে মার্চ ও জুন মাসে। এপ্রিলে শনাক্ত ২৭টি (১৮ শতাংশ)। সবচেয়ে কম ভুল তথ্য শনাক্ত হয়েছে জানুয়ারিতে, ১৫টি।

এদিকে বিষয়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভুল তথ্যের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক প্রতিবেদন সবচেয়ে বেশি, যার সংখ্যা ৫৪। এরপর রয়েছে রাজনৈতিক বিষয়ে ৪১টি এবং জাতীয় বিষয়ে ২৯টি ভুল তথ্যসম্বলিত প্রতিবেদন। এছাড়া খেলাধুলা বিষয়ে ১০টি, ধর্মীয়, বিনোদন ও শিক্ষা বিষয়ে ৩টি করে, স্বাস্থ্য বিষয়ে ২টি এবং পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে ১টি ভুল তথ্য শনাক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ১৪৬টি ঘটনায় পাওয়া ভুল তথ্যগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের একটি ঘটনায় সবচেয়ে বেশি গণমাধ্যম ভুল তথ্য প্রচার করেছে। অন্তত ৬৭টি মূল ধারার গণমাধ্যমে এই ঘটনায় নিহত এক নারীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে দাবি করে, আদতে তিনি আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী হিসেবে এইচএসসি পাস করেন, তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হননি।

এই তালিকায় থাকা শীর্ষ ছয়টি ঘটনার তিনটি জাতীয় ইস্যু এবং একটি করে রাজনৈতিক, স্বাস্থ্য ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের ঘটনা। তালিকায় ১০টি বেশি গণমাধ্যম ভুল তথ্য প্রচার করেছে এমন ঘটনা পাওয়া গেছে ১৩টি। 
 

ভবন নির্মাণে তদারকি নেই, ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ | কালের কণ্ঠ